ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সচিবালয়ের সামনে নন-এমপিও শিক্ষকদের অবস্থান, আটকের অভিযোগ ৩ জনকে


সচিবালয়ের সামনে নন-এমপিও শিক্ষকদের অবস্থান, আটকের অভিযোগ ৩ জনকে

নন-এমপিও শিক্ষকেরা সচিবালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন এমপিও আবেদনের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবিতে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন।

শিক্ষকদের অভিযোগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী তিনজন শিক্ষক নেতাকে আটক করেছেন।

এদিকে শিক্ষকরা 'আটক' শিক্ষক নেতাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে এক ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। অক্সিজেন বা শিক্ষকেরা কঠোর কর্মসূচির দিকে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ

এই ঘটনার আগে, গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি থেকে আজকের এই কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছিল।

সম্মিলিত নন-মপিও ঐক্য পরিষদের ব্যানারে সেই কর্মসূচি পালন করে আসছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের ৫ সদস্য দগ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজে একই পরিবারের ৫ সদস্য দগ্ধ

নারায়ণগঞ্জের মদনপুর এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

এটি ঘটে বৃহস্পতিবার সকালে সাড়ে ৬টার দিকে মদনপুর এলাকার মোস্তফা মিয়ার বাড়ির নিচতলার একটি ভাড়াটিয়া বাসায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বাগানো প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান।

দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন হযরত আলী (৮), মিম (১৩), সুলতানা (৩৫), আব্দুল মান্নান (৫০) ও সিয়াম (১৯)। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দগ্ধ পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তাদের মধ্যে সুলতানার শরীরের ৯০ শতাংশ, মিমের ৪১ শতাংশ, হযরত আলীর শরীরের ৮ শতাংশ, মান্নানের শরীরের ৩০ শতাংশ এবং সিয়ামের শরীরের ৭৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে ঘরের ভেতরে গ্যাস লিকেজের কারণে গ্যাস জমে ছিল। যার ফলে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বড়াল ব্রিজ ও চাটমোহর স্টেশনে ট্রেনের আসন বৃদ্ধির দাবি সংসদ সদস্যের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


বড়াল ব্রিজ ও চাটমোহর স্টেশনে ট্রেনের আসন বৃদ্ধির দাবি সংসদ সদস্যের

পাবনার ভাঙ্গুড়া ও চাটমোহর এলাকায় ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতি বৃদ্ধির পাশাপাশি আসন সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা।

বুধবার তিনি জাতীয় সংসদে এই দাবি উত্থাপন করেন।

তিনি মন্তব্য করেন, এই দাবি বাস্তবায়িত হলে ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর এবং আশপাশের এলাকায় বসবাসকারী মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।

এখন জানা যাচ্ছে, ব্রিটিশ আমল থেকে যখন ট্রেনে যাত্রী পরিবহন করা হয়, তখন ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়াল ব্রিজ ও চাটমোহর রেলস্টেশন অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ঢাকা যাতায়াতের জন্য জেলার ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর ও চাটমোহরের আংশিক এলাকার জনগণ বড়াল ব্রিজ স্টেশন ব্যবহার করে। অন্যদিকে, পাবনা জেলা সদর, আটঘরিয়া ও চাটমোহরের যাত্রীরা চাটমোহর স্টেশন ব্যবহার করেন।

বর্তমানে এই দুটি স্টেশনে ঢাকাগামী পাঁচটি ট্রেনের যাত্রা বিরতি হয়। বড়াল ব্রিজ স্টেশনে যাতায়াত করা পাঁচটি ট্রেনে প্রায় ১৮০টি ও চাটমোহর স্টেশনেও প্রায় ২৮০টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু প্রতিদিন দুই স্টেশনে বরাদ্দের চেয়ে চার থেকে পাঁচ গুণ যাত্রী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্টেশনে যাতায়াত করেন। এর ফলে বেশিরভাগ যাত্রীকে আসন বিহীন টিকিটে যাত্রা করতে বাধ্য হতে হয়।

এতে যাত্রীদের জন্য ভোগান্তি এবং সীমাহীন কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। এই বিষয়টি বিবেচনা করে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা এই রুটে ঢাকাগামী সব ট্রেনের যাত্রা বিরতি ও অধিক আসন বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য জানান, কৃষি, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া উপজেলার অনেক গুরুত্ব রয়েছে। এই কারণে এই এলাকার মানুষকে নিয়মিত ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে যাতায়াত করতে হয়। ট্রেন পথে এই অঞলের মানুষের ঢাকা যাতায়াতের জন্য প্রধান ও সাশ্রয়ী মাধ্যম।

তবে ট্রেনে আসন সংখ্যা সীমিত থাকার কারণে এ অঞ্চলের মানুষকে ভোগান্তি সহ্য করতে হচ্ছে। তাই তিনি এই রুটের সব ট্রেনের যাত্রা বিরতি ও আসন বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

ভাঙ্গুড়া বাজারের বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, যাত্রীদের চাপের কারণে বড়াল ব্রিজ স্টেশনে ট্রেনের টিকিটের সংখ্যা কম। ফলে অনলাইনে টিকিট বরাদ্দের সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যায়। এতে অধিকাংশ যাত্রীকে দাঁড়িয়ে ট্রেনে যাতায়াত করতে হয়, যা অত্যন্ত কষ্টকর। তাই সংসদ সদস্যের এই দাবিকে সাধুবাদ জানাই।

বড়াল ব্রিজ স্টেশনের ইনচার্জ শফিউল ইসলাম বলেন, এই স্টেশনে আসন বরাদ্দের চেয়ে যাত্রীর চাপ অনেক বেশি। সেজন্যে সংসদ সদস্যের এই দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক এবং জনকল্যাণকর। তাই এটি বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিবিএসের দাবি

মাথাপিছু আয় ছাড়িয়েছে ৩ হাজার মার্কিন ডলার, জিডিপি ৫০০ বিলিয়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৪ পি.এম


মাথাপিছু আয় ছাড়িয়েছে ৩ হাজার মার্কিন ডলার, জিডিপি ৫০০ বিলিয়ন

দেশের অর্থনীতির আকার অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৫০১ বিলিয়ন ডলারে।

অন্যদিকে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয়ও ৩ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে মাথাপিছু গড় আয় ৩ হাজার ২০ ডলার বা ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৮৭৩ টাকা। এর পাশাপাশি চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় ও জিডিপির প্রাক্কলিত সাময়িক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।

বিবিএসের তথ্যমতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৫১১ টাকা বা ২ হাজার ৭৬৯ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে মাথাপিছু আয় ৩৪ হাজার ৩৬২ টাকা বেড়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এটি ছিল ৩ লাখ ৪ হাজার ১০২ টাকা। অর্থাৎ দুই বছরে বেড়েছে প্রায় ৬৪ হাজার টাকা।

এদিকে বিনিয়োগ ও সঞ্চয় স্থবিরতার মধ্যে চলতি অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়ে আছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে দশমিক ৬৫ শতাংশ। খাত ভেদে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে সেবা খাতে। এ খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এছাড়া শিল্পে ২ দশমিক ৮৬ এবং কৃষিতে ২ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় কৃষি ও সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি কমলেও শিল্প খাতে বেড়েছে।

বর্তমানে প্রচলিত বাজারমূল্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার প্রথমবারের মতো ৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার দাঁড়িয়েছে ৬১ লাখ ২০ হাজার ২০৯ কোটি টাকা, যা প্রায় ৫০১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের অর্থনীতির আকার ছিল ৫৫ লাখ ১৫ হাজার ২৬ কোটি টাকা বা প্রায় ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবির আইইআর সংকট, বাড়ছে সেশনজটের সমস্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


জবির আইইআর সংকট, বাড়ছে সেশনজটের সমস্যা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (আইইআর) বর্তমানে একটি দারুণ সেশনজটের উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা করোনা-পরবর্তী ক্ষতি কাটিয়ে দ্রুত ক্লাস ও পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সক্ষম হলেও, আইইআরের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। শিক্ষকদের অভাবে, পরীক্ষার সূচি প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা এবং ফল প্রকাশে বিলম্বের কারণে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবন থেকে মূল্যবান সময় হারাচ্ছে। ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর যেখানে আধুনিক শিক্ষার কারিকুলাম এবং নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে, সেখানে জবির এই ইনস্টিটিউটটি যেন অভিভাবকহীন এবং স্থবির একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, ইনস্টিটিউটের সব ব্যাচ বর্তমানে সেশনজটের কবলে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের ২০১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স শেষ করার পর্যায়ে পৌঁছালেও, আইইআরের ওই ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এখনও অনার্স চতুর্থ বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টার (৪-২) শেষ করতে পারেনি। মিডটার্ম পরীক্ষা শেষ হলেও, চূড়ান্ত পরীক্ষার রুটিন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। তাই সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে না পারার শঙ্কায় আছেন শত শত শিক্ষার্থী। একইভাবে, ২০১৭ ব্যাচের ৩-২ সেমিস্টারের মিডটার্ম পরীক্ষা গত ১ এপ্রিল শেষ হলেও, মে মাস পেরিয়ে গেলেও চূড়ান্ত পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ হয়নি। ২০১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পূর্ববর্তী সেমিস্টারের ফলাফলও এখনও প্রকাশ হয়নি। তারা ৩-১ সেমিস্টারের মিডটার্ম শেষ করলেও, সেমিস্টার শেষ করার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। অন্যদিকে, ২০১৯ ব্যাচের ২-১ সেমিস্টারের ক্লাস ও মিডটার্ম শেষে এখনও ফাইনাল পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করছেন শিক্ষার্থীরা। সাধারণত একটি সেমিস্টার ছয় মাসের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা, কিন্তু আইইআরে চার থেকে পাঁচ মাসের একাডেমিক কার্যক্রম শেষ করতে আট থেকে নয় মাস লেগে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করছেন যে, বর্তমানে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী এখনো পুরো ইনস্টিটিউটে মাত্র পাঁচজন স্থায়ী শিক্ষক রয়েছেন। দীর্ষকাল ধরে শিক্ষক সংকট নিরসনে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের দাবি করা হলেও প্রশাসন থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। हाल ही में নতুন পরিচালক দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, কিন্তু পরিস্থিতির উন্নতির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি করছেন শিক্ষার্থীরা। ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। একটি সেমিস্টার শেষ হওয়ার পরে প্রায় এক বছরেও ফলাফল প্রকাশ না হওয়া নিয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি, দ্বিতীয় সেমিস্টার শেষ হওয়ার আগের দিন প্রথম সেমিস্টারের ফল প্রকাশের মতো ঘটনাও ঘটে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী জানান, তাদের অধিকাংশই মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। দ্রুত পড়াশোনা শেষ করে পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার প্রয়োজন থাকলেও, তাদের চার বছরের কোর্স ছয় বছরেও শেষ না হওয়ার শঙ্কা তাদের ভবিষ্যতকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একাডেমিক সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গেলে ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্ট ও ভাইভায় হয়রানির আশঙ্কা নিয়েও অভিযোগ করেছেন তারা। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য শিক্ষার্থীরা দ্রুত স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে যোগ্য খণ্ডকালীন শিক্ষকের মাধ্যমে ক্লাস পরিচালনা, পরীক্ষা শেষের এক মাসের মধ্যে ফল প্রকাশ, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় নীতিমালা অনুযায়ী চার থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে সেমিস্টার সম্পন্ন করার দাবি তুলেছেন। সার্বিক অচলাবস্থা ও কাঠামোগত সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে আইইআরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আজম খান জানান, ‘আমাদের এখানে শিক্ষক সংকটই প্রধান সমস্যা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআরে যেখানে ৪০ থেকে ৫০ জন শিক্ষক রয়েছেন, সেখানে আমাদের শিক্ষক মাত্র পাঁচজন। এই অল্পসংখ্যক শিক্ষক নিয়ে অনার্স ও মাস্টার্স মিলিয়ে পাঁচটি ব্যাচের প্রায় ২৫ থেকে ২৭টি কোর্সের ক্লাস কোনোরকমে পরিচালনা করা হচ্ছে।’ তিনি আরো জানান, ‘ইউজিসি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন জটিলতার কারণে নতুন শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হচ্ছে না। সংকট কাটাতে বাইরে থেকে খণ্ডকালীন শিক্ষক আনার চেষ্টা করা হলেও, দূরত্বের কারণে তারা নিয়মিত ক্লাস নিতে পারেন না। ফলে বর্তমান শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। একজন শিক্ষককে চার থেকে পাঁচটি কোর্স পড়াতে হচ্ছে, যা স্বাভাবিক কর্মপরিধির তুলনায় অনেক বেশি। এতে গবেষণা ও মানসম্মত পাঠদানের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাচ্ছে না।’ তিনি মনে করেন, নতুন শিক্ষক নিয়োগ সম্ভব হলে ইনস্টিটিউটের প্রায় ৯০ শতাংশ সমস্যার সমাধান হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন জানিয়েছেন, ‘আইইআর-এর শিক্ষক সংকট ও সেশনজট সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অবগত। শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে মূল্যবান সময় নষ্ট হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। ইউজিসির সাথে যোগাযোগ করে নতুন শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে আমরা কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছি। পাশাপাশি খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ এবং বিশেষ একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়নের বিষয়েও ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা চলছে। শিক্ষার্থীদের সেশনজট কমিয়ে একটি সুন্দর শিক্ষাজীবন নিশ্চিত করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%