রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি
০৯:৩২ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালীতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধ দমনের উদ্দেশ্যে থানার পুলিশের উদ্যোগে এক আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) মাগরিবের নামাজের পর উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উদ্যোগে স্থানীয় মোল্লারহাট বাজারে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন, শিয়ালকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান মিন্টু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন।
শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের বিট অফিসার এসআই দীপক বালার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, কাউখালী থানার এসআই মেহেদী হাসান, শিয়ালকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহ আলম সেপাই, ওয়ার্ড বিএনপির নেতা মোঃ শাফায়েত খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সভায় বক্তারা বলেন, মাদক, চুরি, কিশোর গ্যাং, বাল্যবিবাহ ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করতে হবে। বক্তারা এও বলেন, প্রতিটি এলাকায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সন্দেহজনক যেকোনো কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান মিন্টু বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব শুধু পুলিশের নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষের। সামাজিক ব্যাধি, যেমন মাদক ও বাল্যবিবাহ দূর করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের সঙ্গে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত থাকবেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মাদক, বাল্যবিবাহ, চুরি-ডাকাতি কিংবা যে কোনো অপরাধের বিরুদ্ধে কাউখালী থানা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। তিনি জনগণের সহযোগিতা ছাড়া অপরাধ দমন সম্ভব নয় উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, যেকোনো অপরাধ বা সন্দেহজনক তথ্য দ্রুত পুলিশকে জানাতে হবে। তথ্যদাতার পরিচয় সর্বোচ্চ গোপন রাখা হবে। তিনি জানান, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ কাউখালী গড়তে পুলিশ সবসময় জনগণের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও রাখবে।
সভা শেষে উপস্থিত এলাকাবাসীরা মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক-দুদিনের মধ্যে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবন ছাড়তে পারবেন। এরপর তিনি রাজধানী গুলশান-১ এর নিজ বাসভবন ‘গ্রিন ভিলা’য় উড্ডয়ন করবেন বলে জানা গেছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বঙ্গভবনের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এই তথ্যটি প্রদান করেছেন। তিনি জানান, ‘আগামী সোমবারের মধ্যে তিনি বঙ্গভবন ছাড়তে পারেন। তবে রোববারও চলে যেতে পারেন। গুলশানের বাসায় ওঠার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি তার ব্যক্তিগত উইং দেখভাল করছে।’
এর আগে শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ান মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে সংসদ ভবনের শপথকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার জানান, সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ কার্যকর হয়েছে। একই সঙ্গে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
পদত্যাগপত্রে মো. সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন যে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনির জটিলতাধারী একাধিক রোগে ভুগছেন। তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে এবং সম্প্রতি অটোনমিক নিউরোপ্যাথি রোগ ধরা পড়েছে। এই কারণে তিনি মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে পড়েন। শারীরিক এবং মানসিকভাবে দায়িত্ব পালনে অক্ষম হওয়ার কারণে রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে কয়েকদিন ধরে আলোচনা চলছিল। সেই আলোচনা চলাকালেই শুক্রবার বিকেলে গুলশান-১ এর ১২৩ নম্বর রোডে অবস্থিত তার বাসভবন ‘গ্রিন ভিলা’য় নতুন টেলিফোন সংযোগ স্থাপনসহ বিভিন্ন প্রস্তুতি নিতে দেখা গেছে সংশ্লিষ্টদের।
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মো. সাহাবুদ্দিন। তার মেয়াদকাল দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল রাজনৈতিক সময়ের সাক্ষী। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ অধ্যায়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার; এই তিন ভিন্ন রাজনৈতিক পর্বে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মো. সাহাবুদ্দিন। সে সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ হাসিনা। দায়িত্ব নেয়ার প্রায় দেড় বছর পর, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে চলে গেলে রাষ্ট্রপতির পদটি জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে।
তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যেও রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে বহাল থাকেন মো. সাহাবুদ্দিন। ৮ আগস্ট তার কাছেই শপথ নেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। এর দেড় বছর পর জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠিত হলে ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও শপথবাক্য পাঠ করান তিনি। এর মধ্য দিয়ে একই মেয়াদে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার, অন্তর্বর্তী সরকার এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনার বিরল নজির গড়েন মো. সাহাবুদ্দিন।
সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। এই সময় পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আর স্পিকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুলবাড়ীতে ট্রাকচালক এবং এক ব্যবসায়ীর ছেলের মধ্যে ঘটে যাওয়া হাতাহাতির কারণে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে প্রায় তিন ঘণ্টা সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে।
শনিবার, দুপুর ১টার দিকে ফুলবাড়ী পৌর এলাকায় ঢাকা মোড়ে ট্রাক শ্রমিকেরা ট্রাক আড়াআড়িভাবে রেখে সড়ক অবরোধ শুরু করেন।
এ কারণে মহাসড়কের দুইপাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে, ফলে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। এরপর বিএনপির নেতাদের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হলে ট্রাক শ্রমিকেরা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। বিকাল ৪টা নাগাদ অবরোধ তুলে নেওয়ার পর মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাতে একটি ট্রাকের মাধ্যমে গো-খাদ্য ও মুরগির খাদ্য নিয়ে ফুলবাড়ী পৌর বাজারে আসেন ট্রাকচালক আল আমিন। এ সময় গুদামের অবস্থান দেখানোর বিষয়ে আল আমিনের সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীর ছেলের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার দুপুরে ট্রাক শ্রমিকেরা পৌর শহরের ঢাকা মোড়ে সড়ক অবরোধ করেন।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ খুরশিদ আলম মতি নির্দেশ দেন। পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বাশারসহ অন্যান্য নেতাদের সমন্বয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হলে পরে শ্রমিকেরা অবরোধ প্রত্যাহার করেন।
ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন ফুলবাড়ী শাখার সভাপতি মানিক মণ্ডল বলেন, দুপক্ষের সাথে আলোচনার মাধ্যমে মধ্যস্থতা হওয়ায় তিন ঘণ্টা পর সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ খুরশিদ আলম মতি বলেন, ঘটনার রাতেই মীমাংসার জন্য থানায় ফোন করা হয়েছিল, কিন্তু যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। যদি আপস না হতো, তাহলে থানায় মামলা নিয়ে আইন অনুযায়ী বিচার হতো। কিন্তু মামলা না করে সড়ক অবরোধের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির সৃষ্টি করা বেআইনি।
এ প্রসঙ্গে ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আব্দুল লতিফ মন্তব্য করেন, বিষয়টি আপস করার প্রতিশ্রুতিতে আলোচনা হয়েছিল। তবে পরে আপস না হওয়ায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে দুপক্ষের মধ্যস্থতায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়া ডিসি কোর্ট চত্বরে অবস্থিত পুকুরে গোসল করতে নেমে ডুবে মারা গেছেন কলেজছাত্র কাওসার আলী।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরের সময়, ডুবে যাওয়ার প্রায় দুই ঘণ্টা পরে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
কাওসার আলী ছিলেন কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।
পরিবার ও বন্ধুদের সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে কাওসার দুই বন্ধুর সঙ্গে ডিসি কোর্টের পুকুরে গোসল করতে যান। কিছু সময়ের মধ্যেই, অল্প সাঁতার জানা কাওসার পানির নিচে ডুবে যান। বন্ধুরা খবর দিলে সাথে সাথে কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধারের জন্য পানিতে প্রবেশ করেন। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের মা জানান, তাদের আবাস পাবনার ঈশ্বরদীতে। বর্তমানে তারা কুষ্টিয়া শহরের উদিবাড়ি এলাকায় ভাড়া আছেন। ছেলে বেলা ১টার দিকে তার বাবা আফসার আলীর কাছ থেকে ভ্যানভাড়ার টাকা নিয়ে ডিসি কোর্টের পুকুরে গোসল করতে বের হয়।
কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. ওয়াদুদ হোসেন জানিয়েছেন, পুকুরে ডুবে নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী উদ্ধার কার্যক্রমের পর কাওসারকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মানবপাচার রোধে এবং উপকূলের মানুষকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো শত কিলোমিটার দীর্ঘ রোড শো। ‘সমুদ্রপথে বিদেশ না’ এই স্লোগানে পরিচালিত রোড শোটি বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক আয়োজন করেছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১০টায় উখিয়া থেকে শুরু হয় মানব পাচার বিরোধী এই রোড শো। এতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা, তরুণ ও যুবক, জেলে ও কৃষক, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা সবাই অংশগ্রহণ করেন।
দুপুরের দিকে রোড শোটি টেকনাফ পৌঁছায়। এরপর বিকেলে সেখানে থেকে মেরিন ড্রাইভ হয়ে রাত ৮টায় কক্সবাজার সৈকতের কলাতলীতে ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রোড শোটি সমাপ্ত হয়।
অস্ট্রেলিয়া সরকারের সহায়তায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের উদ্যোগে ‘ম্যাস ক্যাম্পেইন টু কমব্যাট হিউম্যান ট্রাফিকিং অ্যান্ড পিপল স্মাগলিং’ নামের একটি প্রচারের অংশ হিসেবে এই রোড শো আয়োজন করা হয়েছিল। তার আগেও তিন দিন ধরে গাজীপুর, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে অনুরূপ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছিল।
রোড শোর অংশ হিসেবে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন পয়েন্টে একাধিক পথসভা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে মানব পাচার বিষয়ক কুইজ এবং প্রশ্নমালা রাখা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও চলে।
দালালদের প্রতারণা থেকে সাবধান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান কার্যালয়ের ম্যানেজার আতিকুর রহমান নাহিদ বলেন, আশ্রয়শিবিরের রোহিঙ্গারা বিভিন্ন প্রলোভনে পাচারের শিকার হচ্ছেন। তিনি বিদেশে যাওয়ার জন্য সঠিক তথ্য জেনে সরকারি অনুমোদিত প্রক্রিয়ায় যাওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রোড শোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ, সম্ভাব্য অভিবাসী, তরুণ সমাজ এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে নিরাপদ অভিবাসনের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার মূল লক্ষ্য ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ