ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্ব এআই সহযোগিতা সংস্থা ওয়াইকোর পর্যবেক্ষক হলো বাংলাদেশ


বিশ্ব এআই সহযোগিতা সংস্থা ওয়াইকোর পর্যবেক্ষক হলো বাংলাদেশ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন’ (ওয়াইকো)-এ বাংলাদেশ প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছে।

আজ (শনিবার) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যেই এই চীনের সাংহাইভিত্তিক সংস্থার সাথে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সরকার একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই বছরে ১৬ জুলাই এই আন্তঃসরকার সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ওয়াইকো বৈশ্বিক সহযোগিতাকে জোরদার করার উদ্দেশ্যে এআই উদ্ভাবনে এবং তথ্যপ্রযুক্তির বৈষম্য হ্রাসের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে। এই সংস্থার একটি লক্ষ্য হল এআই প্রযুক্তির বিকাশের জন্য একটি উন্মুক্ত, ন্যায্য ও বৈষম্যহীন পরিবেশ তৈরি করা। সংস্থাটি নিয়মকানুনকে উৎসাহিত করে, যা মানবজাতির জন্য এআই প্রযুক্তিকে নিরাপদ ও কল্যাণকর রাখার চেষ্টা করবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি

সার্বিকভাবে সংস্থাটির লক্ষ্য হল এআই খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক সুশাসন আরও শক্তিশালী করা, যাতে প্রত্যেকের কল্যাণে এ প্রযুক্তির সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও ন্যায্য বিকাশ নিশ্চিত করা যেতে পারে।

গত ১৬ জুলাই সাংহাইয়ে ২৯টি দেশের প্রতিনিধিদের প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তিতে স্বাক্ষরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াইকো প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশগুলোর মধ্যে চীন, কাজাখস্তান, লাওস, পাকিস্তান, রাশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া অন্তর্ভুক্ত।

প্রতিষ্ঠাতকালীন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার শিকার প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

চুক্তি অনুযায়ী, জাতিসংঘ সনদের লক্ষ্য ও নীতিমালা অনুসরণ করবে ওয়াইকো। একইসাথে, জনকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহযোগিতা এগিয়ে নিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ই-টিকিটিং সিস্টেমের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ই-টিকিটিং সিস্টেমের উদ্বোধন

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির বহির্বিভাগে রোগীদের চিকিৎসাসেবা গ্রহণকে আরও সহজ ও দ্রুত করতে ই-টিকিটিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে।

আজ শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ডিজিটাল সেবার উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি পরিদর্শন করেন এবং নতুন ব্যবস্থার কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

এ সময়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এতদিন বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে রোগীদের খুব ভোরে হাসপাতালে এসে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে হতো। নতুন ই-টিকিটিং ব্যবস্থা চালুর ফলে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে যাবে। এর মাধ্যমে রোগীরা আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা গেছে, ই-টিকিটিং সিস্টেমে একজন রোগীকে মাত্র একবার অনলাইনে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করতে হবে। একবার নিবন্ধন সম্পন্ন হলে রোগীর তথ্য ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদে সংরক্ষিত থাকবে। পরবর্তী প্রতিটি চিকিৎসা গ্রহণের সময় নতুন করে তথ্য প্রদান করতে হবে না। এ ছাড়া রোগীর পূর্ববর্তী হাসপাতাল পরিদর্শনের তথ্য ও চিকিৎসাসংক্রান্ত রেকর্ড সংরক্ষিত থাকবে, যা চিকিৎসা প্রদানকে আরও দ্রুত, নির্ভুল ও কার্যকর করতে সহায়তা করবে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীনের উদ্যোগে এই আধুনিক ও জনবান্ধব সেবাটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আজ থেকে ই-টিকিটিং সিস্টেমটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি যদি ব্যর্থ হয় দেশে কেউ বাস করার মতো থাকবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


বিএনপি যদি ব্যর্থ হয় দেশে কেউ বাস করার মতো থাকবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বিএনপি সরকার ব্যর্থ হলে দেশে কেউ বাস করতে পারবে না।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এর চেয়ে নিষ্ঠাবান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী আর আসবে না, ছিলও না।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় স্বাস্থ्यमন্ত্রী চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে না পারলে আমরা শেষ হবো না, আপনারা শেষ হবেন।

কেউ নিজ বাড়িতে বা কর্মস্থলে নিরাপদে থাকতে পারবেন না। কারণ সবাই সবার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানে।

তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করবেন না। সবাই মিলে মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে কাজ করি।

দেশকে এগিয়ে নিতে চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

প্রবাসীদের অবদানের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, লাখ লাখ বাংলাদেশি ছেলেমেয়ে বিদেশে কাজ করছেন।

তারা যদি টাকা না পাঠাতো দেশের রিজার্ভ শূন্য হয়ে যেতো।

কেউ খেতে পারতেন না, বেতনও পেতেন না।

কাজেই সুঠাম সুন্দর মানুষ আমাদের তৈরি করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে আমাদের তৈরি করতে হবে।

সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে বাংলাদেশিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জনগণকে সঙ্গে নিয়েই করতে হবে মাস্টারপ্ল্যান’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


‘জনগণকে সঙ্গে নিয়েই করতে হবে মাস্টারপ্ল্যান’

‘জনগণ ছাড়া মাস্টারপ্ল্যান নয়, জনগণের জন্যই এই মাস্টারপ্ল্যান। এটি নাগরিকদের মতামত নিয়েই চূড়ান্ত হবে, চট্টগ্রামবাসী কেমন নগর চান, কোথায় কী সমস্যা রয়েছে এবং আগামী দিনের চট্টগ্রাম কেমন হওয়া উচিত—এসব বিষয়েই নাগরিকদের মতামত নেওয়া হবে।

শনিবার (১ আগস্ট) চউক ভবনের হলরুমে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মাস্টারপ্ল্যান ২০২৫-২০৫০-এর খসড়া প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন এসব কথাগুলো বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, আগামী ২ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ ৬০ দিনব্যাপী জনমত নেওয়া হবে এই ২৫ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনার ওপর। নাগরিকরা চউক ভবনের চতুর্থ তলায় সরাসরি উপস্থিত হয়ে খসড়া প্রতিবেদন ও মানচিত্র পর্যালোচনার পাশাপাশি অনলাইন ও ওয়েব-জিআইএসের মাধ্যমে আপত্তি, সুপারিশ বা সংশোধনী জমা দিতে পারবেন।

এটি জানানো হয়েছে যে, ১৯৬১, ১৯৯৫ এবং ২০০৮ সালের ড্যাপের পর এটি চট্টগ্রামের চতুর্থ মহাপরিকল্পনা। এবার মূল শহরের বাইরে আনোয়ারা, রাউজান, হাটহাজারী, পটিয়া ও সীতাকুণ্ডকেও মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় আনা হয়েছে। নগরের ওপর চাপ কমাতে পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে পরিকল্পিত মিনি শহর ও স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

চউক চেয়ারম্যান আরো জানান, অনুমোদনহীন এবং শর্ত না মেনে গড়ে ওঠা বেসরকারি হাসপাতাল ও স্থাপনার কারণে নগরীতে যানজট ও পার্কিং সংকট তৈরি হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনায় সব সংস্থাকে অনুমোদিত মাস্টারপ্ল্যানের নিয়ম মেনে অবকাঠামো নির্মাণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ঈসা আনসারী বলেন, একটি মাস্টারপ্ল্যান শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ বা প্রকৌশলীদের নথি হতে পারে না। নাগরিকদের মতামতের মাধ্যমেই জলাবদ্ধতা, যানজট, খাল-পুকুর সংরক্ষণ, খেলার মাঠ ও গণপরিবহনের সংকটগুলোর সঠিক সমাধান পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৮ পি.এম


সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, সরকার ও ব্যবসায়ীরা একসাথে কাজ করলে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

আজ শনিবার, প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজনে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সাথে চার ঘণ্টাব্যাপী মতবিনিময় সভায় তিনি এই কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ বিষয়টি জানান।

তিনি জানান, মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য। কিছু জায়গায় সমস্যা রয়েছে। তবে আমরা যদি একসাথে কাজ করি, তাহলে সেগুলো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘দেশের অর্থনীতির বর্তমান সমস্যাগুলো সরকার যেমন উপলব্ধি করছে, তেমনি ব্যবসায়ীরাও তা অনুধাবন করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ বিষয়ে সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই স্বীকার করছি যে, অনেক সমস্যা আছে। সরকারের বয়স এখনো ছয় মাস হয়নি। এর মধ্যেই আমরা কয়েক দফা বৈঠক করেছি। প্রথমে আপনাদের সাথে বসেছি, পরে ফোরামের সঙ্গেও আলোচনা করেছি। সেক্টরভিত্তিক সমস্যাগুলো নিয়েও আমরা কাজ করছি।’

আগের বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা যেসব সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন, সেগুলোর একাংশের সমাধান হয়েছে। আজকের বৈঠকেও নতুন কিছু সমস্যার কথা উঠে এসেছে, সেগুলো নিয়েও সরকার কাজ করবে।

তিনি জানান, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে আবারও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করবে সরকার।

তাঁর কথায়, ‘আমরা যত বেশি বসতে পারব, তত বেশি আপনাদের সমস্যা জানতে এবং সমাধান করতে পারব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান বেরিয়ে আসে। দীর্ঘ সময় ধরে খোলামেলা আলোচনা হলে কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়। এ ধরনের সংলাপ অব্যাহত থাকলে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে ব্যবসা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নতুন শিল্পায়নের পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উদ্যোক্তাগণ সহজ শর্তে ঋণ, নীতিগত সহায়তা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে তারা চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতিতেও সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সভায় জানানো হয়, আগের বৈঠকে আলোচিত ২৮টি সমস্যার মধ্যে ২১টির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

বাকি সাতটি বিষয় এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ সময় ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার রূপরেখাও ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে তুলে ধরা হয়। সরকার রপ্তানি বাড়াতে কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দেয়।

বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শিল্প গোষ্ঠীর প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%