ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই: ডা. রফিকুল ইসলাম


ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই: ডা. রফিকুল ইসলাম

বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতে রোগ প্রতিরোধকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, "ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।" এই উদ্দেশ্যে দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসকদের সমন্বয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক সচেতনতামূলক লিফলেট তৈরি করা হয়েছে, যা নিয়মিতভাবে দেশব্যাপী বিতরণ করা হচ্ছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) মুন্সিগঞ্জে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

লিফলেট বিতরণকালে সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির কারণ, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

আরও পড়ুন: ৬০ হাজার কোটি টাকায় কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা

ডা. মো. রফিকুল ইসলাম আরও জানান, অতীতে ডেঙ্গুর মৌসুমে স্যালাইনের সংকট দেখা দিলেও এবারের জন্য পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুত রয়েছে। তিনি বলেন, সরকারিভাবে ডেঙ্গুর পরীক্ষা বিনা মূল্যে করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট নিরসনে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগও চলমান রয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মসহ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং জ্বরসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশব্যাপী এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিণীতি চোপড়ার জন্মদিনে রাঘব চাড্ডা নিজেকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে ভাগ্যবান স্বামী’ বললেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


পরিণীতি চোপড়ার জন্মদিনে রাঘব চাড্ডা নিজেকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে ভাগ্যবান স্বামী’ বললেন

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়ার ৩৮তম জন্মদিন উপলক্ষে তার স্বামী রাঘব চাড্ডা উষ্ণ ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি নিজেকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে ভাগ্যবান স্বামী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

পরিণীতির জন্মদিন ছিল ২২ অক্টোবর। এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করতে রাঘব তাদের একসঙ্গে রেস্তোরাঁয় কাটানো কিছু মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। ছবিগুলোতে তাদের একসঙ্গে খাবার উপভোগ করতে এবং আনন্দের মুহূর্ত কাটাতে দেখা যায়।

ছবির ক্যাপশনে রাঘব পরিণীতিকে ‘নীরের মাম্মা’ বলে সম্বোধন করেছেন। বার্তার শেষে তিনি নিজেকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে ভাগ্যবান স্বামী’ হিসেবে উল্লেখ করেন। রাঘবের এই হৃদয়গ্রাহী বার্তার জবাবে পরিণীতি চোখে হৃদয়ের ইমোজি দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান।

অন্যদিকে, এই দম্পতি ১৯ অক্টোবর তাদের ছেলে নীরের প্রথম জন্মদিন উদযাপন করেছেন। পরিণীতির জন্মদিন উদযাপন মাত্র তিন দিন পরে হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাহিরা খান-ওয়াহাজ আলীর নতুন নাটকে দর্শক মজেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


মাহিরা খান-ওয়াহাজ আলীর নতুন নাটকে দর্শক মজেছেন

পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিরা খান এবং ওয়াহাজ আলী অভিনীত ধারাবাহিক মিট্টি দে বাওয়ে নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সম্প্রতি প্রচারিত নতুন পর্বগুলোতে নাটকের নাটকীয় মোড়, অভিনয় এবং জাতপাতের বৈষম্যের নির্মম চিত্র দর্শকদের আবেগে ভাসিয়ে দিয়েছে।

গ্রিন এন্টারটেইনমেন্টের মাধ্যমে প্রচারিত এই ধারাবাহিকটি প্রতি বুধবার ও বৃহস্পতিবার সম্প্রচারিত হয়। সপ্তম ও অষ্টম পর্বের সম্প্রচার পর, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাটকটির গল্প ও অভিনয় নিয়ে দর্শকদের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

ধারাবাহিকটিতে বালা চরিত্রে ওয়াহাজ আলীর অভিনয় বিশেষ প্রশংসা অর্জন করেছে। অন্যদিকে, বিলকিস বানু বা বিল্লো চরিত্রে মাহিরা খানের অভিনয়ও দর্শকদের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। অভিনয়ের পাশাপাশি, জাতপাতের বিভেদ, পারিবারিক সম্মানবোধ এবং সামাজিক ভণ্ডামির কঠোর চিত্র তুলে ধরার জন্যও নাটকটি প্রশংসিত হচ্ছে।

দুই পর্বের গল্পে বড় মোড়

সপ্তম পর্বের শেষের দিকে রেলক্রসিংয়ে গোলাগুলির ঘটনায় বালার ভাই আসলাম বা আচি নিহত হয়। ভাইকে হারানোর ফলে বালার জীবন সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তিত হয়ে যায়। অষ্টম পর্বে দেখা যায়, শোকাহত বালা ধীরে ধীরে কঠোর মানসিকতার বালা গুজরাতিতে পরিণত হচ্ছে। এই পরিবর্তনের ফলে সে ফাজ্জা নামের এক গ্যাংস্টারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। ফাজ্জা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সোহেল আহমেদ।

ভাইয়ের মৃত্যুর পর ভেঙে পড়া বালা থেকে প্রতিশোধপরায়ণ এক কঠোর মানুষ হয়ে ওঠার দৃশ্য দর্শকদের গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। অনেকের মতে, ওয়াহাজ আলীর অভিনয়ের জন্যই বালা চরিত্রটি তৈরি হয়েছে।

বালার স্ত্রী জারিনা চরিত্রে অভিনয় করেছেন আমর খান। তার অভিনয়ও ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছে। অনেক দর্শক তাকে ধারাবাহিকটির অন্যতম আলোচিত মুখ হিসেবে দেখছেন। আবার অনেকে জারিনার চরিত্রের পরিস্থিতি ও মানসিক টানাপোড়েনের সঙ্গে নিজেদের একাত্ম করতে পারছেন।

বিল্লোকে নিয়ে দর্শকের দ্বিধা

মাহিরা খানের অভিনীত বিল্লো চরিত্রটি নিয়েও দর্শকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। চরিত্রটির মধ্যে একই সঙ্গে নির্যাতিত এবং নির্যাতনকারীর বৈশিষ্ট্য থাকায় দর্শকেরা তার অবস্থান নিয়ে দ্বিধায় পড়ছেন।

কৈশোরে বালার প্রতি ভালোবাসার কারণে বিল্লোকে পরবর্তী সময়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। একপর্যায়ে তার শ্বশুর তাকে নিজের বাড়ি থেকে বের করে দেন। ধারাবাহিকটিতে ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিকতার কথা বলা হলেও কীভাবে সেগুলো ক্ষমা করার বদলে কাউকে অপমান করতে ব্যবহার করা হয়, তা-ও তুলে ধরা হয়েছে।

জাতপাত ও পারিবারিক সম্মানের সংঘাত

মিট্টি দে বাওয়ে ধারাবাহিকটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জাতপাতের বিভেদ। শাহ ও মিরাসি সম্প্রদায়ের মধ্যে সামাজিক ব্যবধান গল্পের বিভিন্ন বিশ্বাসঘাতকতা ও দ্বন্দ্বের পেছনে ভূমিকা রাখে। শাহ বলতে প্রভু বা ক্ষমতাবান শ্রেণিকে বোঝানো হয়েছে, আর মিরাসিরা বংশপরম্পরায় সংগীতচর্চার সঙ্গে যুক্ত।

বিল্লোর অতীতকে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন নৈতিকতার প্রশ্ন হিসেবে নয়, বরং নিজেদের বংশের মর্যাদা রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। অন্যদিকে, বালা সারাজীবন নিজের বংশপরিচয়ের সীমাবদ্ধতা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করে।

দর্শকদের একাংশের মতে, জাতপাতভিত্তিক বৈষম্য, অপূর্ণ ভালোবাসা ও সামাজিক শ্রেণিবিভেদের কারণে ধারাবাহিকটির গল্পের সঙ্গে এমিলি ব্রন্টির বিখ্যাত উপন্যাস ওয়াদারিং হাইটস-এর কিছুটা মিল রয়েছে। প্রতিশোধের নেশা কীভাবে মানুষকে অন্ধ করে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে, সেটিও গল্পে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

সৈয়দ ওয়াজাহাত হুসাইন পরিচালিত এবং ফায়জা ইফতিখারের লেখা এই ধারাবাহিকটি তাই কেবল প্রতিশোধের গল্পে সীমাবদ্ধ থাকছে না। শক্তিশালী অভিনয় ও সাহসী গল্প বলার মাধ্যমে জাতপাত, পারিবারিক সম্মান এবং সামাজিক ভণ্ডামি নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে মিট্টি দে বাওয়ে।

সূত্র: ডাউন ইমেজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমাদের মূল লক্ষ্য আল্লাহর জান্নাতে যাওয়া : জামায়াত আমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


আমাদের মূল লক্ষ্য আল্লাহর জান্নাতে যাওয়া : জামায়াত আমির

রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনটি শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) দিনব্যাপী আয়োজিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলটির আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এমপি উল্লেখ করেন, "আমাদের মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর জান্নাত লাভ করা।" তিনি জানান, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ৭০ ভাগ মানুষ অংশগ্রহণ করেছে, যারা দিন আনে দিন খায়। আল্লাহর পথে দিনমজুর ও মেহনতি মানুষের এই অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডা. শফিকুর রহমান রুকনদের উদ্দেশে অতীতের দায়িত্বশীলদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং বর্তমানের স্বাধীন কর্মপরিবেশে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "মহান আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে হবে এবং নবী ইবরাহিম (আ.) ও ইসমাইল (আ.)-এর ত্যাগের আদর্শ অনুসরণ করে প্রতি মুহূর্তে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হবে।"

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেন, জনগণ আমাদের ভোট দিলেও তা রক্ষা করা যায়নি। তিনি বলেন, "এটি আমাদের নিজেদের দুর্বলতা ছিল।" অতীতের ভুলত্রুটি ও দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে আগামীতে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্ক থাকতে হবে। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের বিজয়ী করতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, "আমরা বসে বসে তামাশা দেখব না; যেখানে সামর্থ্য থাকবে, সেখানেই সংগত প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলব। এই দেশ কুরআনের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে, ইনশাআল্লাহ।" সম্মেলন শেষে তিনি ঢাকা মহানগরী উত্তরের উদ্যোগে নাগরিকদের জন্য ৫০টিরও বেশি সেবামূলক সুবিধা সংবলিত ‘নাগরিক সেবা’ নামক একটি মোবাইল অ্যাপের উদ্বোধন করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, "রুকনিয়াত কোনো পদ-পদবি বা ক্ষমতা নয়, এটি জীবন ও নীতি-নৈতিকতার একটি মানদণ্ড।" তিনি আরও বলেন, "রুকন হিসেবে আমাদের মান ও রুহানিয়াত যত শক্তিশালী হবে, সংগঠন তত মজবুত হবে।"

ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন ও নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি প্রমুখ।

সম্মেলনটি দুটি পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্বে সকাল পৌনে ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য ঢাকা মহানগরী উত্তর আমীর নির্বাচনে ১৩ সহস্রাধিক রুকন সদস্য ভোট প্রদান করেন। নির্বাচন পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন; তাঁকে সহায়তা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আ. সবুর ফকির। এরপর বেলা ১১টা থেকে শুরু হয় মূল সাংগঠনিক সেশন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামপালে নির্মিত হবে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


রামপালে নির্মিত হবে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র

বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (খুসিক) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার পাঁচ বছরের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এই উদ্যোগ পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণে সরকারের আন্তরিকতার প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে মোংলার নারিকেলতলা মাঠে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ স্লোগানে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ ও পশুর রিভার ওয়াটারকিপার যৌথভাবে এই সমাবেশের আয়োজন করে।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে মোট জ্বালানির ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশনা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজসহ সব সরকারি ভবনে দেওয়া হয়েছে। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক চাপ কমানো সম্ভব হবে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ধরার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়কারী শরীফ জামিল। তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে সারা দেশে দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণে সকলকে সম্পৃক্ত করতে হবে। সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) রামপালে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প অনুমোদন পাওয়ায় তারা আনন্দ প্রকাশ করেন এবং সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

তবে, সুন্দরবন সংরক্ষণে সরকারের সামগ্রিক ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন শরীফ জামিল। তিনি রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং আকরাম পয়েন্টে প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল ও পাইপলাইন স্থাপন প্রকল্প বাতিলের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সুন্দরবন সংরক্ষণে বিজ্ঞানভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষক মীর মোহাম্মদ আলী, রিভার বাংলার সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, শ্রমিক নেতা মাহবুবুর রহমান মানিক, কৃষক নেতা বদরুল আলমসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

সমাবেশের সঞ্চালক ও সুন্দরবন রক্ষায় আমরা সংগঠনের সমন্বয়কারী এবং পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মো. নূর আলম শেখ বলেন, সুন্দরবনের ক্ষতির আশঙ্কায় পরিবেশবাদীরা অতীতে রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিরোধিতা করেছিলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকার সুন্দরবনসহ প্রাণ-প্রকৃতির ক্ষতি হয় এমন কোনো প্রকল্প গ্রহণ করবে না। দেশের জ্বালানি রূপান্তর সবুজ, ন্যায্য, জনকেন্দ্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশ শেষে বাঘের মহড়া, পুতুলখেলা, বাউল গান ও গাজীর গানের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%