ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ছাগলনাইয়ায় খোন্দকার সেতু: যোগাযোগ ও পর্যটন খাতের নতুন সম্ভাবনা


ছাগলনাইয়ায় খোন্দকার সেতু: যোগাযোগ ও পর্যটন খাতের নতুন সম্ভাবনা

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার দক্ষিণ সতেরো ও পূর্ব সোনাপুর এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগের সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে মাওলানা ওবায়দুল হক খোন্দকার সেতু। মুহুরী নদীর ওপর নির্মিত এই সেতু স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। সেতুর আশেপাশে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, যাতায়াত ও পর্যটন খাতের বিকাশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে এই এলাকার কৃতি সন্তান খোন্দকার তারেক রায়হানের উদ্যোগ ও সার্বিক প্রচেষ্টায় সরকার ছাগলনাইয়া পৌরসভার দক্ষিণ সতেরো এলাকা এবং পাঠাননগর ইউনিয়নের পূর্ব সোনাপুর এলাকার সংযোগ স্থাপনের জন্য সেতুটি নির্মাণ করে।

ব্রিটিশ আমলে এ অঞ্চলে শিক্ষাবিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা স্থানীয় প্রধান শিক্ষক ও মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা ওবায়দুল হক খোন্দকারের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সেতুটির নামকরণ করা হয়েছে। তাঁর নামের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এ অঞ্চলের শিক্ষা ও সামাজিক ইতিহাসের স্মৃতি।

আরও পড়ুন: যশোরে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে মা-ছেলে নিহত

দীর্ঘদিনের যোগাযোগের সমস্যার সমাধান

প্রায় ৯০ মিটার দীর্ঘ ও ৩০ ফুট প্রশস্ত সেতুটি দক্ষিণ সতেরো, উত্তর সতেরো, গতিয়া সোনাপুরসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াতকে সহজ করেছে। সেতুর দুই পাশে নির্মিত সংযোগ সড়কগুলো এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাতায়াতের সুযোগকে আরও সম্প্রসারিত করেছে।

বিশেষ করে পাঠাননগর ইউনিয়ন, মহামায়া ইউনিয়ন ও ছাগলনাইয়া পৌরসভার বাসিন্দাদের জন্য সেতুটি একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পাশাপাশি ফুলগাজী উপজেলার জিএম হাট ও আমজাদ ইউনিয়ন এবং পরশুরাম উপজেলার বক্সমাহমুদ এলাকার সঙ্গে বিকল্প পথে যোগাযোগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে পরিচিত গতিয়া সেতুকে কেন্দ্র করে সংযোগব্যবস্থার সম্প্রসারণ এলাকার মানুষের যাতায়াতকে আরও গতিশীল করেছে। ফলে শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন প্রয়োজনে বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়া আগের তুলনায় সহজ হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে ট্রাকের ধাক্কায় মাছ ব্যবসায়ী নিহত, আহত ২

সাঁতরে নদী পারাপার থেকে আধুনিক সেতু:

একসময় এ অঞ্চলের মানুষের কাছে মুহুরী নদী পার হওয়া ছিল বেশ কষ্টসাধ্য। প্রচলিত জনশ্রুতি অনুযায়ী, অতীতে মানুষ সাঁতরে নদী পার হতো। পরে নৌকার মাধ্যমে নদী পারাপার শুরু হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়।

সময়ের পরিবর্তনে নদীর ওপর স্থায়ী সেতু নির্মাণের ফলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পথ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারীদের জন্য এ সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে সুবিধা:

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে ৬ ব্যবসায়ীর অফিসে ছাত্রদলের হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

মুহুরী নদীর দুই পাড়ে রয়েছে বিভিন্ন উচ্চবিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সেতুটি চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের এসব প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের সুযোগ সহজ হয়েছে।

এ ছাড়া উত্তর সতেরো ও দক্ষিণ সতেরোসহ আশপাশের এলাকার মানুষ দ্রুত ছাগলনাইয়া উপজেলা সদর ও ফেনী শহরের দিকে যাতায়াতের সুযোগ পাচ্ছেন। ফলে শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান এবং বিভিন্ন নাগরিক সেবা গ্রহণেও সেতুটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার সম্ভাবনা:

মাওলানা ওবায়দুল হক খোন্দকার সেতু থেকে মহামায়া সেতু পর্যন্ত পূর্ব সোনাপুর ও ছাগলনাইয়া পৌরসভা-সংলগ্ন মুহুরী নদীর তীরবর্তী এলাকাকে ঘিরে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয়ভাবে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাকে পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার দাবি ও উদ্যোগের কথা জানা যায়।

আরও পড়ুন: প্রতিষ্ঠার দুই দশকেও জনবলসহ সংকটে বরিশাল মহানগর পুলিশ

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ২০২৩ সালে সরকারি একনেক সভায় এ অঞ্চলে পর্যটনকেন্দ্র স্থাপনের একটি প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে বলে জানা গেছে।

পরিকল্পিতভাবে পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলা হলে মুহুরী নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশকে কেন্দ্র করে দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করা সম্ভব হতে পারে। পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, পরিবহন ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

স্থানীয় উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের প্রত্যাশা:

মাওলানা ওবায়দুল হক খোন্দকার সেতু শুধুমাত্র নদী পারাপারের একটি অবকাঠামো নয়; এটি স্থানীয় মানুষের যোগাযোগ, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সেতুর সঙ্গে সংযোগ সড়কের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ, সড়ক নিরাপত্তা, প্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা এবং নদীতীরের পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে এর সুফল আরও বাড়বে।

আরও পড়ুন: দুই ব্যক্তিকে আটকের ঘটনা জানতে চাওয়ায় সাংবাদিককে মেজাজ দেখালো দামকুড়া থানার এসআই আসরাফুল

একই সঙ্গে প্রস্তাবিত পর্যটনকেন্দ্রের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে ছাগলনাইয়া ও আশপাশের এলাকার পর্যটন সম্ভাবনা বিকশিত হতে পারে।

স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা, সেতুকে ঘিরে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি এলাকার ঐতিহাসিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, শিক্ষার প্রসার এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। পরিকল্পিত উন্নয়ন ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মুহুরী নদীর তীরবর্তী এ অঞ্চল একদিন ফেনী জেলার অন্যতম আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: নিহত ৩, বাতিল শতাধিক ফ্লাইট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৪ পি.এম


রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: নিহত ৩, বাতিল শতাধিক ফ্লাইট

সউদী আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের দ্বারা পরিচালিত ভয়াবহ দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত তিন সউদী নাগরিক, যার মধ্যে একজন পাইলট রয়েছেন, নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবারের এই হামলায় আরও কয়েকজন বিদেশি নাগরিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জিএসিএ এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, হুথি বিদ্রোহীদের প্রথম হামলাটি বিমানবন্দরের প্রধান স্থাপনা এবং বিমানবন্দর প্রাঙ্গণে আঘাত হানে। এর পরপরই দ্বিতীয় হামলাটি চালানো হয়, যার লক্ষ্য ছিল রানওয়ে এবং টার্মিনালে পার্ক করা সউদী আরবের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা 'সউদীয়া'-এর একটি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ।

হামলার পর সউদীয়ার উড়োজাহাজটিতে আগুন লেগে যায় এবং এটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় উড়োজাহাজটিতে কোনো যাত্রী ছিল না। জিএসিএ এবং সউদীয়া এয়ারলাইন্স নিশ্চিত করেছে যে, এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতদের মধ্যে বিমানটির একজন পাইলটও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কর্তৃপক্ষ রিয়াদ থেকে চলাচলকারী ৩৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে, হামলার দায় স্বীকার করে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা জানায়, তারা কেবল রিয়াদ বিমানবন্দরকেই লক্ষ্য করেনি, বরং ইয়েমেন সীমান্তবর্তী নাজরান শহরের একটি বিমানবন্দর এবং খামিস মুসাইত সামরিক বিমান ঘাঁটিতেও একই সময়ে হামলা চালিয়েছে। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালমানের বক্তব্য চেয়ে আদালতের নোটিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


সালমানের বক্তব্য চেয়ে আদালতের নোটিশ

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের নামের সঙ্গে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের মামলা জড়িয়ে নির্মিত ‘কালা হিরাণ : ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ সিনেমা নিয়ে নতুন আইনি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। সালমান ছবিটির মুক্তি ও প্রচার বন্ধের জন্য আদালতে আবেদন করেছিলেন। এবার সেই মামলায় দিল্লি হাইকোর্টের বিচারিক এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সিনেমাটির প্রযোজক অমিত জানি। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সালমানের বক্তব্য জানার জন্য আদালত নোটিশ জারি করেছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিচারপতি তেজস কারিয়ার বেঞ্চ প্রযোজকের আবেদনের বিষয়ে সালমানের জবাব চেয়ে নোটিশ জারি করেন। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

প্রযোজক অমিত জানির দাবি, সিনেমাটির মুক্তি বন্ধের আবেদন শুনে সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার দিল্লি হাই কোর্টের নেই। তাই সালমানের দায়ের করা মামলাটি খারিজ করার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

আদালতে প্রযোজকের আইনজীবী যুক্তি তুলে ধরেন, সালমান খান মুম্বাইয়ে বসবাস করেন এবং অমিত জানির বাস উত্তর প্রদেশের মিরাটে। তাদের কেউই দিল্লি হাই কোর্টের বিচারিক এলাকার অধিবাসী নন এবং সেখানে কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করেন না। সারা দেশের মতো দিল্লিতেও সিনেমাটির টিজার, পোস্টার ও প্রচারসামগ্রী প্রকাশ করা হয়েছে—এই কারণে আদালতের বিচারিক এখতিয়ার প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না বলেও তিনি যুক্তি দেন।

এর আগে সালমান ‘কালা হিরাণ: ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ সিনেমার মুক্তি ও প্রচার বন্ধের জন্য আদালতে যান। তার অভিযোগ, ১৯৯৮ সালের বহুল আলোচিত কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলা এবং তার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা অবলম্বনে সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে। এতে তার নাম, চালচলন, বাচনভঙ্গি ও অভিনীত জনপ্রিয় সিনেমাগুলোর আবহ অনুকরণ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সালমানের বক্তব্য অনুযায়ী, হরিণ শিকারের ঘটনায় দায়ের হওয়া চারটি মামলার মধ্যে তিনটিতে তিনি খালাস পেয়েছেন। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট আপিলগুলো রাজস্থান হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে সিনেমায় বিচারপ্রক্রিয়াকে নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করা হলে তা তার নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার আইনি অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন সালমান।

এছাড়া সিনেমাটির টিজারে তাকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপনের ইঙ্গিত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন সালমান। তবে প্রযোজকের নতুন আবেদনে আপাতত সিনেমাটির বিষয়বস্তুর পাশাপাশি মামলাটি কোন আদালতে চলবে, সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।

আগামী ১৬ ডিসেম্বরের শুনানিতে সালমানের জবাবের পর আদালত কী সিদ্ধান্ত নেবে, সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাকিব-মিথিলা সফরে, নেপথ্যে কী কারণ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


শাকিব-মিথিলা সফরে, নেপথ্যে কী কারণ?

ঢালিউডের সুপারস্টার শাকিব খানের নিউইয়র্ক সফর নিয়ে নতুন আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। একই সফরে যুক্তরাষ্ট্রে তার সঙ্গে গেছেন অভিনেত্রী ও মডেল তানজিয়া জামান মিথিলা। তবে তাদের এই সফরের পেছনে রয়েছে একটি বিশেষ আয়োজন, যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারে।

আগামী ১০ অক্টোবর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’। এবারের আয়োজনে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে শাকিব খান অংশগ্রহণ করবেন। ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই জনপ্রিয় নায়কের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটি নিয়ে দর্শক এবং প্রবাসী ভক্তদের মধ্যে বাড়তি প্রত্যাশা তৈরি করেছে।

শাকিব খান দীর্ঘদিন ধরে ঢালিউডে নিজের জনপ্রিয়তা বজায় রেখেছেন। একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। দেশের পাশাপাশি বিদেশেও তার উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভক্ত রয়েছে।

অন্যদিকে, তানজিয়া জামান মিথিলাও বিনোদন অঙ্গনে পরিচিত মুখ। মডেলিংয়ের পাশাপাশি তিনি অভিনয়েও নিজের পরিচিতি গড়ে তুলেছেন। শাকিব খানের সঙ্গে একই সফরে নিউইয়র্ক যাওয়ায় বিনোদনপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

প্রবাসে বাংলা চলচ্চিত্রের প্রচার ও প্রসারে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশীয় চলচ্চিত্রের তারকাদের উপস্থিতি প্রবাসী দর্শকদের সঙ্গে দেশের বিনোদনজগতের যোগাযোগ আরও দৃঢ় করার সুযোগ সৃষ্টি করে। এখন দেখার বিষয়, শাকিব খানের উপস্থিতিতে এবারের ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড কতটা জমজমাট হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চতুর্থ মেয়াদে সভাপতি পদে প্রার্থী হচ্ছেন আলেকসান্ডার চেফেরিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


চতুর্থ মেয়াদে সভাপতি পদে প্রার্থী হচ্ছেন আলেকসান্ডার চেফেরিন

আগামী বছরের ২২ এপ্রিল কাজাখস্তানের আস্তানায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উয়েফার কংগ্রেসে চতুর্থ এবং শেষ মেয়াদের জন্য সভাপতি পদে প্রার্থী হচ্ছেন স্লোভেনিয়ার আলেকসান্ডার চেফেরিন।

ইউরোপিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (উয়েফা) এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হন চেফেরিন। তিনি বৃহস্পতিবার বার্লিনে জাতীয় অ্যাসোসিয়েশন প্রধানদের বৈঠকে পুনর্নির্বাচনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

তিনি বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, “আমরা একসাথে অসাধারণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি। ইউরোপীয় ফুটবলকে ঐক্যবদ্ধ রাখা, খেলাকে শক্তিশালী করা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য প্রস্তুত করাই আমার লক্ষ্য।”

উয়েফার সংবিধানে ২০২৪ সালে প্যারিস কংগ্রেসে প্রেসিডেন্টের মেয়াদসীমা পরিবর্তন করা হয়েছে। ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এর বিরোধিতা করলেও ভোটে পরিবর্তন গৃহীত হয়েছে।

চেফেরিন পূর্বে জানিয়েছিলেন যে তৃতীয় মেয়াদ শেষে (২০২৭) তিনি সরে দাঁড়াবেন, কিন্তু বর্তমানে তিনি ২০৩১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

জুলাই মাসে জানা যায়, ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বিশ্বকাপসহ বড় টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক স্বার্থ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এর পরেই তিনি তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন এবং পরে সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ান।

উয়েফা বৃহস্পতিবার একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ফিফা সংস্কারের দাবি জানায় এবং বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি আস্থা হারানোর কথা উল্লেখ করে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ফিফার শুধু কাঠামোগত সংস্কার নয়, নতুন নেতৃত্ব প্রয়োজন—যিনি ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম এবং ফুটবলে গভীরভাবে শিকড় গেঁড়ে আছেন।”

ফিফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৮ নভেম্বর। ইউরোপের ৫৫ সদস্য ফিফার মোট ২১১ ভোটের এক-চতুর্থাংশের বেশি।

বুধবার সাবেক টটেনহ্যাম ডিফেন্ডার রামন ভেগা প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন।

ইনফান্তিনো আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিশালী সমর্থন নিয়ে এখনও প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%