ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ধুনটে পাঁচ কোটি টাকার সড়ক কাজ বন্ধ, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ


ধুনটে পাঁচ কোটি টাকার সড়ক কাজ বন্ধ, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে নেওয়া সাতটি গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নের কাজ নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির কারণে থমকে গেছে। যদিও কাজের অগ্রগতি ৭৫ শতাংশ, তবে দীর্ঘ সময় ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। ফলে, কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। কৃষিপণ্য পরিবহন এবং স্বাভাবিক যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ধুনট উপজেলায় সাতটি সড়ক উন্নয়নকাজ শুরু হয়। এসব কাজের চুক্তিমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে চৌকিবাড়ি হয়ে সোনামুখী-নয়া চান্দিয়াড় সড়ক, ঈশ্বরঘাট হয়ে কান্তনগর-বেড়েরবাড়ী ঘাট সড়ক, বেড়েরবাড়ী গ্রামের সড়ক, বুড়িরভিটা স্কুল হয়ে বিলচাপড়ী ঘাট-বেড়েরবাড়ী সড়ক, রুদ্রবাড়িয়া-সাগাটিয়া সড়ক এবং বড়িয়া পাকা সড়ক থেকে নদীর ঘাট সড়ক। প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদনে প্রতিটি সড়কের ভৌত অগ্রগতি ৭৫ শতাংশ উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীর বেড়িবাঁধ ধসে মানুষের চরম দুর্ভোগ

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কগুলোর উন্নয়নকাজ শুরু হলেও দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত থাকায় চলাচলে দুর্ভোগ বেড়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের আংশিক নির্মাণকাজের কারণে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষক ও কর্মজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন। কৃষিপণ্য পরিবহনেও বাড়তি সময় ও খরচ গুনতে হচ্ছে।

ঠিকাদারদের মতে, রড, সিমেন্ট, পাথর ও বিটুমিনসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে। কার্যাদেশ দেওয়ার সময় নির্ধারিত রেট শিডিউল অনুযায়ী কাজ নেওয়া হলেও বর্তমান বাজারদরে নির্মাণকাজ শেষ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই কারণে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী বখতিয়ার হোসেন জানান, প্রকল্পগুলোর কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে ঠিকাদারদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবি জানাল ৫০০ জনের মানববন্ধন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাঁচবিবির গ্রামবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণ, সরকারি সহযোগিতার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ এম


পাঁচবিবির গ্রামবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণ, সরকারি সহযোগিতার দাবি

সরকারি দপ্তরে বছরের পর বছর ঘুরে কোনো প্রতিকার মেলেনি, বরং হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। অবশেষে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের বাসিন্দারা দেশপ্রেমের এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তারা নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ ও স্বেচ্ছাশ্রমে ছোট যমুনা নদীর ওপর একটি সরু সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। তবে অর্থ সংকটে মাঝপথে এসে নির্মাণ কাজ থমকে গেছে, তাই স্থানীয়রা সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সরকারি সহযোগিতার আবেদন করেছেন।

রতনপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ছোট যমুনা নদী, যা উপজেলা বাগজানা ও আটাপাড়া সেতুর দক্ষিণে অবস্থিত। নদীর দুই পাড়ে ঘনবসতি এবং কৃষকদের ফসলি জমি রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বাড়লে ওপারে যাতায়াত, ফসল আনা-নেওয়া এবং বাজারঘাটে যেতে গ্রামবাসীদের দীর্ঘ পথ ঘুরতে হয়। এতে অর্থ ও সময়ের অপচয় ঘটে। স্বাধীনতার পর থেকে চলমান এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয় ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলামসহ এলাকাবাসী বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও সরকারি দপ্তরে ধরনা দিয়েও কোনো বরাদ্দ পাননি। উপায়ান্তর না দেখে গ্রামের মানুষ চাঁদা তুলে স্বেচ্ছাশ্রমে কংক্রিটের পিলার স্থাপন করে তার ওপর বাঁশ ও কাঠের কাঠামো দিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করছেন। তবে অর্থাভাবে নির্মাণকাজ এখনও অসমাপ্ত রয়ে গেছে।

রতনপুর গ্রামের কৃষক কেরামত আলী বলেন, "টাকার অভাবে কাজ শেষ করতে পারছি না। সরকার যদি একটু সহযোগিতা করত, তাহলে আমাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের কষ্ট দূর হতো।" সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অসমাপ্ত সেতুটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা দেবে, এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবি জানাল ৫০০ জনের মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ এম


ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবি জানাল ৫০০ জনের মানববন্ধন

ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবিতে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে মানববন্ধন করেছেন পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ। তারা একইসাথে খনি বাস্তবায়নের পূর্বে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার পার্বতীপুর উপজেলার ৯ নম্বর হামিদপুর ইউনিয়নের বৈগ্রাম চার রাস্তার মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ‘ফুলবাড়ী কয়লাখনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচিতে বিভিন্ন এলাকার পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলনের দাবি জানিয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. জাকারিয়া নয়ন। তিনি বলেন, "ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরু করতে হবে। তবে খনি বাস্তবায়নের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে।"

জাকারিয়া নয়ন আরও বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ৯ নম্বর হামিদপুর ইউনিয়নের বৈগ্রাম এলাকায় ফুলবাড়ী কয়লাখনির মুখ রয়েছে। সেখান থেকে কয়লা উত্তোলনের দাবি জানান তিনি। তার মতে, দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ফুলবাড়ীর কয়লা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই দ্রুত খনি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

মানববন্ধনে ফুলবাড়ী ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাস্তবায়নের পক্ষে আরো বক্তব্য দেন মো. আব্দুল কাদের, মো. আব্দুল আজিজ, মো. বিপ্লব হোসেনসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে আনসার সদর দপ্তরে ককটেল বিস্ফোরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ এম


রাজধানীর খিলগাঁওয়ে আনসার সদর দপ্তরে ককটেল বিস্ফোরণ

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদর দপ্তরের ভেতরে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কোনো হতাহত হওয়ার খবর নেই।

খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, সন্ধ্যা ৭টার দিকে দুর্বৃত্তরা আনসার ও ভিডিপি সদর দপ্তরের বাইরে থেকে একটি ককটেল ছুঁড়ে মারে। ককটেলটি সদর দপ্তরের ভেতরে বিস্ফোরিত হয়। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ঘটনার পর পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তকরণের জন্য কাজ চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে খরার কারণে বীজতলা ফেটে চৌচির, কৃষকরা বিপাকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ এম


সুনামগঞ্জে খরার কারণে বীজতলা ফেটে চৌচির, কৃষকরা বিপাকে

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সুনামগঞ্জের হাওড়াঞ্চল নির্ধারিত সময়ের এক মাস আগে পানিশূন্য হয়ে পড়েছে। বোরো ধানের বীজতলা শুকিয়ে ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। এতে কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ছায়ার হাওড়, দেখার হাওড়, শনি, মাটিয়ান, মহালিয়া ও গুরমার হাওড়সহ বেশিরভাগ হাওড়ের বীজতলায় খরা দেখা দিয়েছে। যেখানে এখন চারা গজানোর কথা ছিল, সেখানে গবাদিপশু চরানো হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, প্রতিবছর কার্তিকের শেষ পর্যন্ত হাওড়ে পানি থাকে। বোরো মৌসুমের প্রস্তুতি নভেম্বরের শেষে শুরু হয়। কিন্তু এবারে অক্টোবরের শেষেই পানি নেমে গেছে। বৃষ্টি না হওয়ায় মাটি দ্রুত শুকিয়ে গেছে। ফলে সেচের খরচ বেড়ে গেছে কয়েক গুণ। কৃষকরা জানিয়েছেন, শুকনো জমি নরম করতে সেচযন্ত্রের মাধ্যমে পানি দিতে প্রতি কেয়ার জমিতে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তি খরচ হচ্ছে।

শাল্লার কৃষক মাহবুবুর রহমান বলেছেন, "বীজতলা ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। সেচযন্ত্রের মাধ্যমে পানি দিয়ে নরম রাখার চেষ্টা করছি। এতে খরচ হচ্ছে বেশি।" তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, ফেটে যাওয়া বীজতলার চারা দুর্বল হবে, কীটপতঙ্গের আক্রমণ বাড়বে এবং ধানের চারা গজাবে কম। এর ফলে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরো বলেছেন, "ধান উৎপাদন কম হলেও দাম বাড়ানো হলে এই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব। নতুবা কৃষি ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে রিকশা চালাতে হবে।"

একই উপজেলার বড় কৃষক আব্দুস সাত্তার বলেছেন, "বড় কৃষক হচ্ছেন মাঝারি, মাঝারি কৃষক হচ্ছেন ছোট আর ছোট কৃষক হচ্ছেন দিনমজুর। এভাবে চলতে থাকলে কৃষি একদিন হারিয়ে যাবে। কৃষিকে বাঁচাতে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন।"

পাকনার হাওড়ের কৃষক সিরাজুল হক ওলী বলেছেন, "সময়মতো পানি পাচ্ছি না, ধানের দামও পাচ্ছি না। আগে কার্তিক মাসে বৃষ্টি হতো, এখন খটখটে রোদ।" তিনি দাবি করেছেন যে, কৃষি বিভাগের উচিত হাওড়ে সময়মতো পানি সরবরাহ ও নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা। বীজতলার জন্য গভীর নলকূপ বসানো দরকার।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ওমর ফারুক জানিয়েছেন, "কৃষকদের আগেই সতর্ক করা হয়েছে যে এবার খরার প্রভাব পড়বে। বীজতলায় ঠিকমতো পানি না পেলে ফসল উৎপাদন কম হবে।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে, যেখানে পানির উৎস আছে, সেখান থেকে পানি নিয়ে বীজতলা প্রস্তুত করতে হবে।

চলতি মৌসুমে জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৫২১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ এবং ১০ হাজার ৪৬৮ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%