শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৩ পি.এম
মেয়র নির্বাচনে মামুনুল হকের প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে খেলাফত মজলিসের অবস্থান জানাল।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসন থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন দলের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তার নির্বাচনী প্রতীক ছিল রিকশা। তিনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন।জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে গুঞ্জন উঠেছে যে মামুনুল হক ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। এই প্রসঙ্গে আমার দেশের সঙ্গে কথা বলেন দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য-সচিব হাসান জুনাইদ।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং ইউপি—প্রত্যেকটি স্তরে সারা দেশে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এই উদ্দেশ্যে সংগঠনের প্রার্থী বাছাইয়ের কার্যক্রম সারা দেশে চলমান রয়েছে।
হাসান জুনাইদ আরও জানান, ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর এবং দক্ষিণ, উভয় স্থানে আমাদের প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের একাধিক প্রার্থীও রয়েছে। আমরা তাদের নিয়ে পর্যালোচনা করছি।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের কোনো নির্বাচন—বিশেষ করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনে সংগঠনের আমির আল্লামা মামুনুল হকের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে আমাদের কোনো সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কানাডার এমার্ড ভার্দ্যাঁ আসনের সংসদ সদস্য এবং জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদবিষয়ক মন্ত্রীর সংসদীয় সচিব ক্লদ গুয়ে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে চসিক মেয়র চট্টগ্রামকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কানাডার সরকারি ও বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকারীদের জ্বালানি ও সংশ্লিষ্ট খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।
বৈঠকের সময় বন্দরের জ্বালানি সম্ভাবনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পরিবেশ সুরক্ষা, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন এবং প্রযুক্তিনির্ভর নগর ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
মেয়র ডা. শাহাদাত বলেন, "বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।" তিনি উল্লেখ করেন, কানাডার মতো একটি জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদসমৃদ্ধ দেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা গেলে তা বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, "আমাদের লক্ষ্য শুধু চট্টগ্রামের জন্য একটি প্রকল্প করা নয়।" চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে এমন একটি জাতীয় জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলার সম্ভাবনা তৈরি করা, যা বাংলাদেশের শিল্প, ব্যবসা, বিনিয়োগ এবং সাধারণ মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।
মেয়র বলেন, "দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের জন্য নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ অপরিহার্য।" তাই প্রস্তাবিত উদ্যোগটি কোনোভাবেই শুধু চট্টগ্রামকেন্দ্রিক কোনো প্রকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে না, বরং সমগ্র বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি জাতীয় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রামকে সম্ভাব্য স্থান হিসেবে বিবেচনা করার পেছনে রয়েছে এর কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হিসেবে ভূমিকা এবং জাতীয় আমদানি রপ্তানি ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় এর গুরুত্ব।
মেয়র মনে করেন, চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে একটি সমন্বিত জ্বালানি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ আরও কার্যকরভাবে সম্প্রসারণ করা সম্ভব হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, সতেরো বছরের শেওলা পড়া দেশ তারেক রহমানের নেতৃত্বে আবারও বহমান হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেমন খাল খননের মাধ্যমে শেওলা দূর করে পানির প্রবাহ সচল করেছিলেন এবং মানুষের জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করেছিলেন, তেমনি দীর্ঘ ১৭ বছরের স্থবিরতা কাটিয়ে দেশ আজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।তিনি বলেন, দেশ যখন সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন একটি মহল নানা ষড়যন্ত্রের নীলনকশা আঁকছে। কিন্তু তাদের সেই ষড়যন্ত্র কখনোই সফল হবে না। বিএনপি সাধারণ কোনো দল নয়, এ দলের শিকড় জনগণের মধ্যে অনেক গভীরে প্রোথিত।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কেরানীগঞ্জের ঢাকা-২ আসন বিএনপির উদ্যোগে দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালি শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।আমানউল্লাহ আমান বলেন, যে স্বৈরাচার দেশ থেকে পালিয়ে গেছে, সে আর দেশে ফিরতে পারবে না। দেশের মানুষ তারেক রহমান তথা বিএনপিকে ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় এনেছে। যত ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তই হোক, কোনো কাজ হবে না।তিনি বলেন, জনগণের ভোট ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনের মধ্য দিয়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে।দেশের মানুষ বিএনপির প্রতি যে আস্থা ও প্রত্যাশা রেখেছে, তা বাস্তবায়নে দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। ভবিষ্যতেও যেকোনো ষড়যন্ত্র ও অপচেষ্টা মোকাবেলায় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী শামীম হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আমানউল্লাহ আমান আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী।আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী হাসমত উল্লাহ নবী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক মনিরসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২৯
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াতের বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দেশকে ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শরিফুল কবির মিলনায়তনে বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।
নুরুল হক নুর উল্লেখ করেন, জামায়াতে ইসলামীর পৃষ্ঠপোষকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে অসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিণত করা হয়েছে। তিনি বলেন, জামায়াতের সাইবার আক্রমণের কারণে সরকারি দলের অনেক সদস্য কথা বলার সাহস হারিয়েছেন এবং অনেকে এ বিষয়ে চুপ থাকছেন। এই সাইবার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু যদি কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ভুয়া আইডি খুলে অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন এবং পরিকল্পিতভাবে অন্যদের আক্রমণ করেন, তাহলে সেটি ইসলামী আদর্শের রাজনীতির সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াত-শিবিরের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। সরকারের উচিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে সাইবার অপপ্রচার ও দুর্বৃত্তায়ন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। তিনি গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, মিত্রদের যথাযথ মূল্যায়ন করা সরকারের দায়িত্ব। যদি মিত্রদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়, তাহলে তা রাজনৈতিক ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
নুরুল হক নুর বলেন, রাজপথের আন্দোলনে যখন তারা সক্রিয় ছিলেন, তখন অনেকেই তাদের সমর্থন করেছিলেন। বড় রাজনৈতিক সংকটের সময় যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের মূল্যায়ন করা সরকারের দায়িত্ব।
তিনি দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। নুর বলেন, এসব অপপ্রচারে তারা বিচলিত হবেন না। দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না বলেও তিনি দাবি করেন।
আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির কারণে দেশে নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন নুর। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে গণঅধিকার পরিষদ জনগণের পাশে থেকে ভূমিকা রাখবে।
আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁনসহ বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদ ও অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ব্যাটার কে-এ প্রশ্নে সাবেক এবং বর্তমান ক্রিকেটারদের মধ্যে আলোচনা চলে। এই প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেকে দেখা সেরা ওয়ানডে ব্যাটার হিসেবে বিরাট কোহলিকে নির্বাচিত করেছেন।
ম্যাক্সওয়েল সাবেক এই ক্রিকেটারের বলের টাইমিং এবং মাঠের ফাঁকা জায়গায় নিখুঁতভাবে বল পাঠানোর দক্ষতা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি কোহলির পারফরম্যান্সের মানকে অন্যান্য ক্রিকেটারদের তুলনায় অনেক উচ্চতায় স্থাপন করেন।
ব্র্যাড হ্যাডিন ও অ্যালিসা হিলির সঞ্চালনায় একটি পডকাস্টে অংশগ্রহণ করে ম্যাক্সওয়েল এই মন্তব্য করেন। বিভিন্ন ফরম্যাটে সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা করার সময় তিনি প্রথমে ওয়ানডে ক্রিকেটের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। এই ফরম্যাটে ভারতের সাবেক অধিনায়ক কোহলির অবস্থান সম্পর্কে তিনি নিজের মতামত প্রকাশ করেন।
ম্যাক্সওয়েল বলেন, "ওয়ানডে ক্রিকেটে আমার দেখা সেরা খেলোয়াড় হলেন কোহলি। আমাদের বিপক্ষে তিনি যেসব ইনিংস খেলেছেন, তা ছিল অবিশ্বাস্য। বল খেলার জন্য তিনি যেন বাড়তি সময় পান। মাঠের যেখানে চান, সেখানেই তিনি বল পাঠাতে পারেন, সত্যিই তিনি অন্য উচ্চতার একজন খেলোয়াড়।"
কোহলির ওয়ানডে রেকর্ড ম্যাক্সওয়েলের মূল্যায়নকে সমর্থন করে। এই ভারতীয় ব্যাটার ৩১৪টি ওয়ানডে ও ৩০২টি ইনিংসে ৫৮.৫৯ গড়ে মোট ১৪,৯৪১ রান সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে ৫৪টি সেঞ্চুরি এবং ৭৯টি হাফ-সেঞ্চুরি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই পরিসংখ্যান তাকে ওয়ানডে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সফল রান-সংগ্রাহক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সফল রান চেজ বা লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের ক্ষেত্রে কোহলির পারফরম্যান্স এই ফরম্যাটে তার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়। সফল রান-চেজের সময় ১১১টি ম্যাচ ও ১০৫টি ইনিংসে তিনি ৮৯.০৭ গড়ে ৬,২৩৫ রান করেছেন; এই পরিস্থিতিতে তার নামের পাশে রয়েছে ২৪টি সেঞ্চুরি এবং ২৯টি হাফ-সেঞ্চুরি। দলের জয়ের জন্য যখন রানের প্রয়োজন হয়, তখন চাপের মুখেও ভালো খেলার সক্ষমতা এই রেকর্ডের মাধ্যমে ফুটে ওঠে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত খেলা ওয়ানডে ম্যাচগুলোতে কোহলি দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রেখেছেন। ছয় ইনিংসে ৬৪.০০ গড় ও ১০৬-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে তিনি ৩৮৪ রান করেছেন। এই সময়ে তার সংগ্রহে রয়েছে একটি সেঞ্চুরি এবং তিনটি হাফ-সেঞ্চুরি, যা এই ফরম্যাটে তার ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে। ম্যাক্সওয়েলের মূল্যায়ন ওয়ানডে ক্রিকেটের সব পর্যায়ে কোহলির দীর্ঘস্থায়ী শ্রেষ্ঠত্বকেই তুলে ধরে।
টেস্ট ক্রিকেটের ক্ষেত্রে তিনি নিজের সতীর্থ স্টিভ স্মিথকে সেরা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। স্মিথ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ১২৫টি ম্যাচ ও ২২৩টি ইনিংসে ৫৬.০০ গড়ে তিনি ১০,৯২০ রান করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ৩৭টি সেঞ্চুরি এবং ৪৫টি হাফ-সেঞ্চুরি, এবং তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসটি ২৩৯ রানের।
ম্যাক্সওয়েল বলেন, "২০১৭ সালে ভারতের বিপক্ষে সেই সিরিজে আমি টেস্ট দলের অংশ ছিলাম, যেখানে তিনি তিনটি সেঞ্চুরিসহ আট ইনিংসে ৪৯৯ রান করেছিলেন এবং যেন অন্য কোনো গ্রহের ব্যাটার হিসেবে খেলছিলেন। আসলে ওই সফরে তিনি তিনটি সেঞ্চুরিই করেছিলেন। তিনি ছিলেন অসাধারণ। সেই দলের অংশ হয়ে তার সেই অবিশ্বাস্য ব্যাটিং সরাসরি দেখার সুযোগ পাওয়ায় আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ