বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৬ পি.এম
ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেন ক্যারিয়ারের পরবর্তী পর্যায়ে আমেরিকান ফুটবলে (এনএফএল) কিকার হিসেবে খেলার বিষয়ে চিন্তা করছেন। দেশের সর্বোচ্চ গোলদাতা এমএলএসে (মেজর লিগ সকার) খেলার সম্ভাবনাকেও অস্বীকার করেননি।
বুধবার ইংল্যান্ডের উয়েফা নেশনস লিগ ক্যাম্পে কেইন বলেন, “এটি আমি আরও গুরুত্ব দিয়ে ভাবছি। আগামী পাঁচ-ছয় বছরে ক্যারিয়ারে কী হয় তার ওপর নির্ভর করবে। গলফের চেয়ে এনএফএল অনেক বেশি বাস্তবসম্মত।”
তিনি উল্লেখ করেন, পেনাল্টি নেওয়ার অভিজ্ঞতা এনএফএলে কিকার হিসেবে তাকে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।
“আমি হয়তো ছয় মাস থেকে এক বছর সময় নিয়ে অনুশীলন করব, কারণ টিভিতে সহজ মনে হলেও বাস্তবে তা কঠিন।”
কেইন ইঙ্গিত দিয়েছেন, এমএলএসে খেলার সুযোগ পেলে এনএফএল ও ফুটবলকে একসঙ্গে যুক্ত করার পথ খুঁজতে পারেন।
তিনি বলেন, “সম্ভবত এমএলএসে খেললে মৌসুমের সঙ্গে মিলিয়ে দুই খেলাকে যুক্ত করা যেতে পারে।”
এর আগে কিছু খেলোয়াড় ফুটবল থেকে এনএফএলে গেছেন। ব্র্যান্ডন অবারি ছিলেন টরন্টো এফসির প্রথম রাউন্ড এমএলএস ড্রাফট পিক, পরে ডালাস কাউবয়েজের কিকার হন। জেক বেটস কলেজ ফুটবল খেলার পর ডেট্রয়েট লায়ন্সের কিকার হয়েছেন।
বর্তমানে কেইন বায়ার্ন মিউনিখে খেলছেন এবং নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে।
তারকা এই ফরোয়ার্ড বলেন, “আমরা ভালো আলোচনায় আছি। কিছু বিষয় ঠিক করতে হবে, তবে আমি খুশি। খুব শিগগিরই ঘোষণা আসবে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : লবণচরা থানার এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করেছে। এ অভিযানে আব্দুল আউয়াল (২৫) নামের এক ব্যক্তি, যিনি একটি হত্যা মামলার আসামি, গ্রেপ্তার হন।
গতকাল বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে, হত্যা মামলার এক আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে লবণচরা থানার হরিণটানা আশিবিঘা এলাকায় অভিযানটি পরিচালিত হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আব্দুল আউয়াল, যিনি খুলনা সদর থানার পশ্চিম টুটপাড়া এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে, গ্রেপ্তার হন। তিনি লবণচরা থানার একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে চিহ্নিত।
এর আগে, গ্রেপ্তার হওয়া অন্য এক আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আউয়ালের নাম উল্লেখ করেন। পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন জিজ্ঞাসাবাদে আউয়াল অবৈধ অস্ত্রের বিষয়টি স্বীকার করেন।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে, বুধবার রাতে সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) খুলনা জোন মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশাররফ হোসেনসহ পুলিশের একটি দল অভিযান শুরু করে। অভিযানের সময় লবণচরা থানাধীন হরিণটানা আশিবিঘা এলাকার আল আকসা মসজিদ গলিতে অবস্থিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও শুটার ইসরাফিলের বাড়ির পরিত্যক্ত একটি দোচালা টিনের ঘরে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে কাঠের গুঁড়ির বস্তার নিচে লুকিয়ে রাখা ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি আবিষ্কৃত হয়। পরে পুলিশ সেগুলো জব্দ করে।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) খুলনা জোন মো. শফিকুল ইসলাম বাসস’কে নিশ্চিত করে বলেন, আউয়াল লবণচরা থানার একটি হত্যা মামলার আসামি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ট্রাকচালক মো. হোসেনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আদালত আগামী ৮ অক্টোবর তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
আজ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালতে মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নির্ধারিত ছিল। এদিন মামলার আসামি সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা থাকায় তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি। এই কারণে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন জানায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৮ অক্টোবর অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট নিহত ব্যক্তির মা রীনা বেগম মোহাম্মদপুর থানায় এ হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় গুলিতে মো. হোসেন নিহত হন। তিনি পেশায় ট্রাকচালক ছিলেন এবং ঘটনার দিন গাবতলীতে ট্রাক রেখে বাসায় ফিরছিলেন।
মামলার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক আকরামুজ্জামান আদালতে শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
এই মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান, আসিফ আহম্মেদ, তারেকুজ্জামান রাজিব, শেখ বজলুর রহমান ও নুর মোহাম্মদ সেন্টু পলাতক রয়েছেন।
মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খানসহ চারজন কারাগারে আছেন। এছাড়া জামিনে রয়েছেন ১০ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বিভিন্ন এলাকার চলমান ও প্রস্তাবিত উন্নয়নকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন জেলা বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার কবাখালী ও বোয়ালখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন তারা।
পরিদর্শনকালে ইউনিয়ন দুটির বিভিন্ন সড়ক, সেতু, নদীভাঙনকবলিত এলাকা, বিদ্যালয় ও মসজিদের অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়। বিশেষ করে কবাখালী ইউনিয়নের উত্তর হাচিনসনপুর এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মাইনী নদীর ভাঙন রোধে নেওয়া উদ্যোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়।
এ সময় খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ও ওয়াদুদ ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিজানুর রহমান, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির প্রকাশনা বিষয়ক সহসম্পাদক মোঃ উজ্জ্বল , জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরিফ মোহাম্মদ জাহিদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাইনী নদীর ভাঙনে উত্তর হাচিনসনপুর এলাকার বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও যোগাযোগব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ রয়েছে। এ অবস্থায় নদীর তীর রক্ষায় প্রায় ৪০০ মিটার পাড় বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়ার উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দীঘিনালার বিভিন্ন এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান নেতৃবৃন্দ।
ওয়াদুদ ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিজানুর রহমান বলেন, দীঘিনালার মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা ও প্রয়োজনগুলো সরেজমিনে দেখতেই আমরা বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছি। কোথায় রাস্তা প্রয়োজন, কোথায় সেতু বা নদীভাঙনের সমস্যা রয়েছে—এসব বিষয় চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্টদের কাছে তুলে ধরা হবে। বিশেষ করে মাইনী নদীর ভাঙন রোধে ৪০০ মিটার পাড় বাঁধের উদ্যোগটি স্থানীয় মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরিফ মোহাম্মদ জাহিদ বলেন, নির্বাচনের আগে মানুষের কাছে যে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে। দীঘিনালার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এলাকার মানুষের সমস্যাগুলো কাছ থেকে দেখার জন্যই আজকের এই পরিদর্শন। স্থানীয়দের সমস্যাগুলো এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়ার কাছে তুলে ধরা হবে এবং সমস্যা সমাধানে উন্নয়ন প্রকল্প গুলো বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
পরিদর্শন শেষে নেতৃবৃন্দ স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের কাপুর পরিবারের সদস্য এবং অভিনেতা আদার জৈন ও আলেখা আদভানি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বিয়ের প্রায় দেড় বছর পর, এক রাজকীয় আয়োজনে, অবশেষে তারা নিজেদের বিয়ের আইনি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন আদার ও আলেখা। তবে তাদের বিয়ের আইনি রেজিস্ট্রেশন তখন সম্পন্ন হয়নি। সম্প্রতি গণেশ চতুর্থীর দিন, তারা পারিবারিকভাবে ম্যারেজ রেজিস্ট্রির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা সেই বিশেষ মুহূর্তের বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেছেন। ছবির সঙ্গে মজার ক্যাপশনে তারা উল্লেখ করেছেন, "ট্রায়াল পিরিয়ড শেষ। এবার আর ফেরত দেওয়া বা পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই।"
তারা আরও লেখেন, "অফিশিয়ালি মিস্টার অ্যান্ড মিসেস জৈন! অবশেষে আমার পছন্দের মানুষের সঙ্গে সম্পর্কটাকে আইনি রূপ দিলাম। আশীর্বাদ করার জন্য ধন্যবাদ গণপতি বাপ্পা।"
এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসার পর ভক্তদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি এতদিন তারা আইনিভাবে বিবাহিত ছিলেন না? মূলত, ২০২৫ সালে সামাজিক ও ধর্মীয় রীতিতে বিয়ে করলেও, ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা বাকি ছিল। এবার সেই প্রক্রিয়াও তারা সম্পন্ন করেছেন।
আদার ও আলেখার নতুন পোস্টে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কাপুর পরিবারের সদস্য ঋদ্ধিমা কাপুর সাহনি, সাবা পতৌদি এবং অভিনেতা সঞ্জয় কাপুরসহ অনেকেই।
উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানে বলিউডের তারকাদের উপস্থিতিতে বসেছিল চাঁদের হাট। রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট, কারিনা কাপুর, সাইফ আলি খান, কারিশমা কাপুরসহ কাপুর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি আম্বানি পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন সেই জমকালো আয়োজনে।
এর আগে, অভিনেত্রী তারা সুতারিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল আদার জৈনের। সেই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর, তিনি আলেখা আদভানির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা রাজ কাপুরের নাতি আদার ২০১৭ সালে ‘কয়েদি ব্যান্ড’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক করেন। পরে তাকে ‘হ্যালো চার্লি’ সিনেমায় দেখা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ