বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:২০ এম
কৃষিবিজ্ঞানী ড. মো. রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) পদে নতুন করে যোগদান করেছেন।
উল্লেখ্য, বুধবার (১৫ জুলাই) কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
তিনি মহাপরিচালক হিসেবে যোগদানের পূর্বে ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ও মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ড. মো. রফিকুল ইসলাম ১৯৯৮ সালে ব্রিতে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করে গত ২৮ বছর ধরে বিভিন্ন সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ১৯৭১ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার হালুয়াকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯২ সালে বিএসসি (এজি) সম্মান ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরবর্তী সময়ে ২০০৩ সালে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিষয়ে এসএস ডিগ্রি লাভ করেন। ২০১২ সালে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
বর্তমানে, ড. মো. রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেমের (এনএআরএস) আওতাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম জ্যেষ্ঠ মৃত্তিকা বিজ্ঞানী হিসেবে সুপরিচিত। দেশ-বিদেশের নামী খ্যাতনামা জার্নালে তার ৮০টির বেশি গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও, তিনি গবেষণা-সংশ্লিষ্ট কাজে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, জাপান, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, সিঙ্গাপুর, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সরকারি গাছ বিক্রি এবং লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত ভূমি কর্মকর্তাদের বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি চক্র। কতিপয় স্বার্থান্বেষী সংবাদকর্মী বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার নীতিমালা বিসর্জন দিয়ে অভিযুক্তদের পক্ষে নির্লজ্জ সাফাই গেয়ে প্রতিবাদমূলক সংবাদ প্রকাশ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত ১৫ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বুধবার রাত ১০:২০ মিনিটে ‘প্রতি দিনের সময় ডটকম’ (pratidinershomoy.com) নামক একটি সরকার অনুমোদনহীন অনলাইন নিউজ পোর্টালে 'কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি' বরাত দিয়ে একটি বিভ্রান্তিকর ও পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবাদলিপি সংবাদ আকারে প্রকাশ করা হয়। সেখানে কোনো প্রকার তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই অভিযুক্তদের বাঁচাতে উল্টো অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। সাধারণ পাঠকদের মতে, এটি কোনো সংবাদ নয়, বরং অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বাঁচানোর একটি অপচেষ্টা মাত্র।
অনুসন্ধানে জানা যায়, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ১নং গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার ও অফিস সহায়ক রুকন-এর বিরুদ্ধে সরকারি গাছ বিক্রি, ঘুষ গ্রহণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অকাট্য প্রমাণ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিপূর্বে "আজকের গ্রাম বাংলা" এবং "তালাশ বিডি" সহ একাধিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও পেজে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল: "কুলিয়ারচরে সরকারি গাছ বিক্রি ও লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ; গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার ও অফিস সহায়ক রুকনের দুর্নীতির পাহাড়, ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা।"
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়া ও নেওয়ার সরাসরি অডিও-ভিডিও রেকর্ডসহ উপযুক্ত প্রমাণাদি এবং সরকারি গাছ বিক্রির অকাট্য নথিপত্র ভুক্তভোগী ও সাংবাদিকদের হাতে সংরক্ষিত রয়েছে। এমনকি চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাস্তার পাশের ১৮টি ছোট-বড় গাছ কেটে নেওয়ার বিষয়ে কুলিয়ারচর থানায় দায়েরকৃত অভিযোগের রিসিভ কপিও সংরক্ষিত আছে।
ডিফেন্ডার সেজে সাংবাদিকের 'হলুদ সাংবাদিকতা'
আশ্চর্যের বিষয় হলো, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় তদন্ত বা আইনি সুরাহা হওয়ার আগেই ‘প্রতি দিনের সময় ডটকম’-এর কথিত প্রতিনিধি নিজেকে ওই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারী দাবি করার মতো আচরণ করেছেন। প্রকাশিত প্রতিবাদী সংবাদে তিনি লিখেছেন- "একটি কুচক্রী মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমাদের হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এ সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে।"
এখানে সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন: "আমাদের হেয় প্রতিপন্ন" বলতে ওই সাংবাদিক নিজেকে বুঝিয়েছেন নাকি অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের?
ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কোনো সংবাদ প্রকাশ না হওয়া সত্ত্বেও তিনি কেন অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার ও রুকনের হয়ে ওকালতি করছেন?
কোন অদৃশ্য সুবিধার বিনিময়ে তিনি এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে করা অনুসন্ধানী সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন?
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিজেকে কখনো কখনো প্রথম শ্রেণির জাতীয় পত্রিকার প্রতিনিধি, শিক্ষক, সাহিত্যিক ও লেখক পরিচয় দেওয়া এই কথিত সাংবাদিক দীর্ঘদিন ধরে নানা পরিচয়ে সাধারণ মানুষ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধিসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের সাথে প্রতারণা করে আসছেন। নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য তিনি যখন-তখন যেকোনো রূপ ধারণ করেন। এবার সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দুর্নীতি আড়াল করতে তিনি নিজের লেখনীকে ব্যবহার করছেন, যা সাংবাদিকতা পেশার জন্য চরম অবমাননাকর।
এলাকাবাসী এবং ভুক্তভোগীদের দাবি, সরকারি গাছ পাচার এবং ভূমি অফিসের প্রকাশ্য দুর্নীতি আড়াল করতে যে অপসাংবাদিকতার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা জানানো প্রয়োজন। একই সাথে, দুর্নীতিবাজ ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার, অফিস সহায়ক রুকন এবং তাদের মদদদাতা এই দালাল ও প্রতারক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৫ সালের অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনি পরীক্ষায়, চট্টগ্রাম হাটহাজারীস্থ মহাকালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন অদ্বিতীয়া আচার্য্য রোদেলা।
তিনি কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁও থানার হরিপুর গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ও সমাজ সেবক কমলেন্দু আচার্য্য নাতনী। রোদেলা বাবা-মায়ের তিন সন্তানদের মধ্যে সবার বড়।
বাবা বিশিষ্ট ব্যবসায়ি রুপম আচার্য্য এবং মা সোনিয়া আচার্য্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরীজীবি। মেয়ের এই সাফল্যে তার পরিবার ও শিক্ষকরা আনন্দিত ও গর্বিত।
ভবিষ্যতে অদ্বিতীয়া আচার্য্য রোদেলা যেন একজন আর্দশবান ও ভালো মানুষ হিসেবে দেশ ও জাতীর কল্যাণে কাজ করতে পারে, এই কামনায় তার বাবা-মা ও শিক্ষকরা সকলের কাছে আর্শীবাদ ও দোয়া প্রত্যাশা করেছেন।
উল্লেখ্য, গত রোববার (১২ জুলাই) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।
এবারের বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এ মোট ৭৯ হাজার ২৪৬টি ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
ট্যালেন্টপুলে মোট ৩২ হাজার ৯৬৫ জনের মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় থেকে ২৬ হাজার ৩৭৫ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয় থেকে ৬ হাজার ৫৯০ জন বৃত্তি পায়। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৬ হাজার ২৮১ জন, যার মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় থেকে ৩৬ হাজার ৪২০ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয় থেকে ৯৮৬১ জন।
বৃত্তিপ্রাপ্ত মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৩৫ হাজার ৮৯২ জন (৪৫.২৯%) এবং ছাত্রী ৪৩,৩৫৪ জন (৫৪.৭১%)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে আমেরিকার নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে বার্ষিক আনন্দ ভবন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে শনিবার (১১ জুলাই) দিনভর আমেরিকার প্রাকৃতিক নয়াভিরাম সৌন্দর্যে হেকশেয়ার স্টেট পার্কে আনন্দ ভবন অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নানা আয়োজনে চমৎকার এই অনুষ্ঠানে সেনবাগ উপজেলা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি এএসএম মাইন উদ্দিন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম মিলন, অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন কাজল, আনন্দ ভবন আয়োজন উপ-কমিটির আহবায়ক কবির আহমেদ, সদস্য সচিব সৈয়দ আমিরুল ইসলাম ফয়সাল এবং অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়কারী মো. জসিম উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
দিনভর পরিচালিত এই আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের পরিবার পরিজন ছাড়াও আমেরিকায় বসবাসকারী বিভিন্ন শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশ গ্রহণ করেন।
বয়স বিবেচনায় নানা প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার বিতরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শিবগঞ্জে এইচএসসির একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ভুলবশতঃ আগের বছরের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়েছে। এই কারণে বিপাকে পড়েছেন ৪২ জন পরীক্ষার্থী। তারা ২০২৬ সালের পরিবর্তে ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রের সৃজনশীল অংশের উত্তর লিখেছেন। বিষয়টি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরে ধরা পড়ার পর, উত্তরপত্র ডাকঘর থেকে ফিরিয়ে এনে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তের জন্য রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) শিবগঞ্জ সরকারি এম এইচ কলেজ কেন্দ্রে যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের পরীক্ষায় এই ঘটনা ঘটে।
কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে যে, ১০৭ নম্বর কক্ষে ৪৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। বহুনির্বাচনি অংশের প্রশ্নপত্র সঠিক থাকলেও, সৃজনশীল অংশের প্রশ্ন বিতরণ করার সময় ভুলক্রমে ৪২ জন পরীক্ষার্থীর কাছে ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র চলে যায়। একমাত্র একজন পরীক্ষার্থী সঠিক প্রশ্নপত্র পান।
ঘটনা জানাজানি হলে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ডাকঘরে পাঠানো উত্তরপত্র ফিরিয়ে এনে সংশ্লিষ্ট ৪২ জন পরীক্ষার্থীর তালিকাসহ পুরো বিষয়টি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডকে অবহিত করে।
কেন্দ্র সচিব এবং শিবগঞ্জ সরকারি এম এইচ কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল কালাম আসাদ জানিয়েছেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই কক্ষ পরিদর্শককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনার ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ