মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৫ পি.এম
ভারতের অরুণাচল প্রদেশে ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে সন্দেহভাজন সশস্ত্র ব্যক্তিদের হামলায় আসাম রাইফেলসের এক জওয়ান নিহত হয়েছেন। এই হামলায় আরও চার জওয়ান আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে চ্যাংলং জেলার নামপং এলাকায় এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নামপং সার্কেলের নামপং নালার কাছে হামলাটি সংঘটিত হয়। ওই সময় ২১ আসাম রাইফেলসের সদস্যরা এলাকায় টহল দিচ্ছিলেন।
সীমান্তে বেড়া দেওয়ার কাজ চলমান থাকায় ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। টহলের সময় জওয়ানদের লক্ষ্য করে সন্দেহভাজন জঙ্গিরা হামলা চালায় বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই হামলায় ঘটনাস্থলেই এক জওয়ান নিহত হন এবং আরও চারজন আহত হন।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সন্দেহভাজন জঙ্গিরা টহল দলের ওপর গুলি চালালে হাবিলদার জানখোকাই কুকি (৪২) নিহত হন। আহত জওয়ানদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে তাদের বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর ওই এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। প্রাথমিক প্রতিবেদনে হামলায় এনএসসিএন (কে-ওয়াইএ) গোষ্ঠীর সদস্যদের জড়িত থাকার সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে হামলাকারীদের পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
এ ঘটনায় আসাম রাইফেলসের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। চাংলাংয়ের পুলিশ সুপার (এসপি) কিরলি পাডু জানিয়েছেন, তিনি সীমান্তে হামলার খবর পেয়েছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য চাংলাং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসপি বলেন, ‘ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা খবর পেয়েছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে চাংলাং থানার ওসিকে বলা হয়েছে।’
বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর চলাচলের কারণে চাংলাং জেলার ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। সীমান্তের দুই পাশে কয়েকটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সক্রিয়তা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উয়েফা নেশনস লিগের গ্রুপ বি২-তে গোলশূন্য ড্র করে উত্তর আয়ারল্যান্ড হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার বেলফাস্টের উইন্ডসর পার্কে হাঙ্গেরির সঙ্গে অনুষ্ঠিত ম্যাচে উত্তরের দলটি একটি পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে, দুই ম্যাচে এক জয় ও একটি ড্রয়ের মাধ্যমে ৪ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত অবস্থানে রয়েছে মাইকেল ও’নিলের দল।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লিগ বি-এর কঠিন গ্রুপে টানা দুই ম্যাচে কোনো গোল হজম না করে উত্তর আয়ারল্যান্ডের রক্ষণভাগের দৃঢ়তা প্রশংসনীয়। ম্যাচের প্রথমার্ধে প্যাট্রিক কেলি এবং আইজ্যাক প্রাইস হাঙ্গেরির রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করলেও গোলরক্ষক তোথ তা তাদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন।
হাঙ্গেরির তারকা মিডফিল্ডার ডমিনিক সোবোসলাই পুরো ম্যাচে উত্তর আয়ারল্যান্ডের ডিফেন্স ভাঙতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের ৯০ মিনিটে তাদের প্রথম অন-টার্গেট শটটি আসে।
গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রাখা উত্তর আয়ারল্যান্ড আগামী শুক্রবার স্লোভাকিয়ার মাঠে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে খেলবে। একই রাতে হাঙ্গেরি তাদের প্রথম জয়ের লক্ষ্যে ঘরের মাঠে জর্জিয়াকে আতিথ্য দেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর ফরিদপুরের সালথা উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মো. নাঈমুজ্জামান নাঈম (৩০) বাড়িতে ফিরতেই পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সালথা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার হওয়া নাঈম সালথা উপজেলা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সহসভাপতি হিসেবে পরিচিত। তিনি মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মাঝারদিয়া গ্রামের মৃত পলাশ মাতুব্বরের পুত্র।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নাঈমুজ্জামান নাঈমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলার কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে গোপনে তিনি নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশ মাঝারদিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
সালথা থানার ওসি মো. বাবলুর রহমান কালের কণ্ঠকে জানান, ‘নাঈমুজ্জামান নাঈমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থানের পর মঙ্গলবার তিনি বাড়িতে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল মাঝারদিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আগামী বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। কিছু প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ার জন্য কেন্দ্রে লবিং চালাচ্ছেন। ভোটের পরিবেশ বর্তমানে বেশ জমে উঠেছে।
রাজশাহী বিএনপিতে একটি গুঞ্জন উঠেছে যে, মনোনয়ন যার, তিনি মেয়র। ফলে, মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি নেতাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াত তাদের দলীয় প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছে। প্রথমবারের মতো নগরপিতার আসনটি তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিগত নির্বাচনে জামায়াতের ভালো ফলাফলের কারণে তারা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। রাজশাহী-২ আসনে তারা অল্প ব্যবধানে হেরেছিল কেন্দ্রীয় নেতা মিজানুর রহমান মিনুর কাছে। বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলও জামায়াতের সফলতার সম্ভাবনা বাড়িয়েছে।
আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। এনসিপিও তাদের পৃথক প্রার্থী দেবে। রাজশাহীতে অতীতে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ কয়েকবার মেয়র পদে জয়ী হয়েছে। এবার জামায়াত সেখানে ভাগ বসানোর চেষ্টা করছে।
১৯৮৭ সালে পৌরসভা থেকে সিটিতে রূপান্তরিত হয় রাজশাহী। সাড়ে ৩ লাখের কিছু বেশি ভোটারের এই নগরী সাজানো এবং ছিমছাম। এটিকে মডেল সিটি বলা হয়। রাজশাহীতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতারা মেয়র পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমান ভূমিমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু ছিলেন সফল মেয়র। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য খায়রুজ্জামান লিটনও একাধিকবার মেয়র ছিলেন। এছাড়া, কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলও এক টার্ম মেয়র ছিলেন।
জানা গেছে, এবার ক্ষমতাসীন বিএনপির ছয়জন নেতা মেয়র প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তারা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন- সৈয়দ শাহীন শওকত, মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, মামুনুর রশিদ মামুন, মাহফুজুর রহমান রিটন, আবুল কালাম আজাদ সুইট এবং ওয়ালিউল হক রানা। তবে, দল এখনো কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন দেয়নি। বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা কিছুটা বেশি হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারিতে সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর প্রান্তিক ব্যবধানে জয়ের পর সিটি নির্বাচনে প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চলছে।
এদিকে, জামায়াতে ইসলামী আগেভাগেই মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। এর কিছু মাস আগে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি মহানগর আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলীর নাম ঘোষণা করেছে। এ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি-জাপাও প্রার্থী দেবে বলে জানা গেছে।
জামায়াতের ঘোষিত মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর গত সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (মহানগর) আসনে দলের প্রার্থী ছিলেন। ওই নির্বাচনে তিনি ১ লাখ ৩৭০ ভোট পেয়ে বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনুর কাছে ২৮ হাজার ভোটে হেরেছিলেন। দলীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, মহানগরে জামায়াতের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। এবার তারা সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।
রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ড. কেরামত আলী বলেন, "সিটি নির্বাচনে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরকে বিজয়ী করতে আমাদের মাসব্যাপী বিশেষ গণসংযোগ কর্মসূচি চলছে।" প্রার্থীর সমর্থনে ওয়ার্ডে সুধী সমাবেশ করা হচ্ছে। স্থানীয় কর্মসূচিগুলোতেও প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। পরে দলের পক্ষ থেকে আরও কর্মসূচি আসবে।
এনসিপির মেয়র প্রার্থী মোবাশ্বের আলীও নির্বাচনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, "আমাকে প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে আমি মাঠে আছি।" অন্যদিকে, জাপার মহানগর আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন মিন্টু বলেন, "নির্বাচন আসতে দেরি আছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।"
এদিকে, বিএনপির ছয়জন নেতা মাঠে সক্রিয় থাকলেও কেবল সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সরাসরি নির্বাচনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। গত ১২ জুলাই বন উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হওয়ার পর তিনি রাজশাহী ছেড়ে ঢাকায় কেন্দ্রীভূত হয়েছেন। কয়েক মাস ধরে রাজশাহীর রাজনীতিতে তিনি অনুপস্থিত। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি আগামী সিটি নির্বাচনে আবারও দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী। তবে এ বিষয়ে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাসিকের প্রশাসক এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন প্রার্থী হওয়ার জন্য কাজ করছেন। যদিও তিনি প্রকাশ্যে বিষয়টি না বললেও নগরজুড়ে নিজের এবং অনুসারীদের বিভিন্ন তৎপরতায় প্রতিদিন দেখা যাচ্ছে। তিনি রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি ওয়ার্ড বা মহল্লার মসজিদ কমিটি, ক্রীড়া সংঘ, ক্লাব সমিতিতে যাচ্ছেন। তার ব্যানার ও ফেস্টুন নগরজুড়ে ছেঁয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার চলছে।
এ বিষয়ে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, "রাজশাহীবাসীর মন জয় করাই আমার প্রথম কাজ। আমি সেই লক্ষ্যে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি।" তিনি আরও বলেন, "প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি দলের মূল্যায়ন ও মনোনয়নের ওপর নির্ভরশীল। দল মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করব। নগরবাসী সমর্থন দিলে রাজশাহীকে একটি আধুনিক মহানগরী হিসেবে গড়ে তোলার বিস্তৃত পরিকল্পনা রয়েছে।"
সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হতে কর্মসূচিতে সক্রিয় রয়েছেন মহানগর বিএনপির সহসভাপতি এবং রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট। নগরজুড়ে তারও ব্যানার ও ফেস্টুন সাঁটানো হয়েছে। তিনি বলেন, "শিক্ষাজীবন থেকে রাজনীতি করছি। সবসময় মানুষের পাশে ছিলাম এবং এখনো আছি। দল মনোনয়ন দিলে মেয়র পদে নির্বাচন করে নগরবাসীর সেবা করতে চাই।"
মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুনও মেয়র প্রার্থী হওয়ার জন্য দলীয় ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। তার ঘনিষ্ঠ অনুসারীরা জানিয়েছেন, দল মনোনয়ন দিলে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। তবে এ বিষয়ে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মেয়র পদে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন মহানগর বিএনপির সহসভাপতি ওয়ালিউল হক রানা। তিনি বলেন, "দলের সব কর্মসূচিতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছি। দল আমাকে মেয়র পদে নির্বাচনের সুযোগ দিলে বিপুল ভোটে জনগণের রায় পাব।"
মেয়র নির্বাচনে বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকতও আগ্রহী বলে জানা গেছে। তিনি নির্বাচনমুখী কর্মসূচিতে সক্রিয় রয়েছেন। নিজের ব্যাপারে তিনি বলেন, "বিএনপি দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। দলে রাজশাহীতে মেয়র প্রার্থী হওয়ার মতো অনেক যোগ্য নেতা আছেন। তবে দল জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা, সততা-সবদিক মূল্যায়ন করে একজনকেই মনোনয়ন দেবে। এখনো দল থেকে কাউকে গ্রিন সিগনাল দেয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাবার বাগানের সারি সারি গাছগুলো দৃশ্যমান। গাছগুলোর গায়ে রয়েছে কাটা দাগ, এবং নিচে বাঁধা পাত্রে জমা হচ্ছে সাদা কষ। প্রকৃতি ও শ্রমের এই মেলবন্ধন সবুজের বিস্তৃত চাদরে পথচারীদের মুগ্ধ করে তোলে। ভোরের নরম আলোতে রাবার বাগানের ছায়াঘেরা পরিবেশে শ্রমিকরা ব্যস্ত হয়ে ওঠেন।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাবার উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এই বাগানগুলো।
এমন চিত্র দেখা যায় শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সন্ধ্যাকুড়া জিএস রাবার বাগানে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ