বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৫৮ পি.এম
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে, ইরানের সীমান্তে উড়ে গিয়ে ফিরে এসেছে ইসরাইলি বিমানবাহিনীর ডজনখানেক যুদ্ধবিমান। গত সোমবারের এই অভিযানে যুদ্ধবিমানের সঙ্গে আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানও অংশগ্রহণ করে।
এই তথ্য মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস ইসরাইলি ও মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়।
এই সামরিক কার্যক্রমের সময়, ইরানে নতুন হামলার সম্ভাবনা নিয়ে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এতে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরাইল থেকে ৮০০ মাইলেরও বেশি দূরে পরিচালিত এই অভিযানটি ইরানকে সামরিক শক্তির বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ছিল। তবে কর্মকর্তারা জানান, এটি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ইসরাইল সফরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সোমবারই হেগসেথ ইসরাইলের ওভদা বিমানঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলো সিরিয়া ও ইরাকের আকাশসীমা অতিক্রম করে ইরানের সীমান্তের দিকে অগ্রসর হয়। তাদের উড্ডয়নপথ ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার জন্য ব্যবহৃত পথের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তবে ইরানের সীমান্তের কাছে পৌঁছানোর পর বিমানগুলো দিক পরিবর্তন করে ইসরাইলে ফিরে আসে।
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কর্মকর্তা এই অভিযানকে নিয়মিত সামরিক মহড়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের মতে, এর উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে সতর্ক করা এবং ইসরাইলের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করা। তবে এ ধরনের অভিযান থেকে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
যদি ইরান যুদ্ধবিমানগুলোকে আসন্ন হামলার প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচনা করে পাল্টা পদক্ষেপ নিত, তাহলে পরিস্থিতি নতুন করে যুদ্ধের দিকে গড়াতে পারত।
তবে অভিযানটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কর্মকর্তার মধ্যে ভিন্ন ধরনের সন্দেহও তৈরি হয়েছে। তাদের ধারণা, ইসরাইল জানত যে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তাদের যুদ্ধবিমানগুলোর গতিবিধি শনাক্ত করতে পারবে।
সূত্রের দাবি, অভিযান শুরুর পূর্বে ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রকে বিষয়টি জানিয়ে ছিল। ইসরাইল এটিকে প্রশিক্ষণ মহড়া হিসেবে উল্লেখ করে বলেছিল, এর উদ্দেশ্য ছিল সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে নির্বাচনের আগে ইরানকে ইসরাইলে হামলা চালানো থেকে বিরত রাখা।
তবে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা মনে করেন, ইসরাইল হয়তো আশা করেছিল যে ইরান যুদ্ধবিমানগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালাবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ইরানের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালানোর যুক্তি তৈরি হতে পারত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষায় ইন্টারনেটের একটি বড় অংশে দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হয়েছে। এ কারণে সাইবার হামলার সম্ভাবনা এড়াতে বিভিন্ন দেশের সরকার ও নিরাপত্তা সংস্থা ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা হালনাগাদ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। যদি দ্রুত ত্রুটি সংশোধন সম্ভব না হয়, তাহলে ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানায়, বুধবার (২১ অক্টোবর) এসব ত্রুটি সমাধানের জন্য আপডেট প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ঝুঁকি এড়াতে ইতোমধ্যে ফিনল্যান্ডের সরকারি ওয়েবসেবা, নেদারল্যান্ডসের কয়েকটি সরকারি ওয়েবসাইট এবং যুক্তরাজ্যের এডিনবরা কাউন্সিলের ওয়েবসাইটসহ বিভিন্ন অনলাইন সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান উইজের (Wiz) মতে, এআইয়ের মাধ্যমে শনাক্ত হওয়া নিরাপত্তা ত্রুটিগুলো মধ্যে এগুলো অন্যতম গুরুতর। প্রতিষ্ঠানটির অনুমান, ইন্টারনেটের প্রায় ৭০ শতাংশ এ সমস্যার প্রভাবের আওতায় থাকতে পারে। তবে বিবিসি এ পরিসংখ্যান স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠান দ্রুত নিরাপত্তা আপডেট ইনস্টল করতে পারবে না, তাদের সিস্টেম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।
সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের ত্রুটি হ্যাকারদের সার্ভারের ফাইল সিস্টেম কিংবা ডেটাবেইসে সরাসরি প্রবেশের সুযোগ করে দিতে পারে।
এদিকে, হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সমস্যা সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সংস্থাগুলো শীর্ষস্থানীয় এআই গবেষণাগারগুলোর সঙ্গে কাজ করছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিও প্রকাশ্যে প্রবেশযোগ্য ওয়েবসাইটগুলো পিএইচপি ব্যবহার করে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা পরীক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
উইকিপিডিয়া পরিচালনাকারী উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, নিরাপত্তা ত্রুটিগুলো সমাধানে কাজ চলছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কিছু সিস্টেম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে বুধবার উইকিপিডিয়ার কয়েকটি অংশে প্রবেশ করতে সমস্যায় পড়েন ব্যবহারকারীরা।
বিবিসির কয়েকটি অনুষ্ঠানের ওয়েবপেজ, যার মধ্যে ‘ডক্টর হু’ ও ‘দ্য ট্রেইটর্স’ রয়েছে, সেগুলোও অপ্রবেশযোগ্য হয়ে পড়ে। তবে এসব ওয়েবসাইট বন্ধ হওয়ার সঙ্গে পিএইচপির নিরাপত্তা ত্রুটির সরাসরি সম্পর্ক নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এক দশকের বেশি সময় অজানা ছিল ত্রুটি। ক্যালিফ ও উইজের সাইবার নিরাপত্তা গবেষকেরা পিএইচপির ত্রুটিগুলো শনাক্ত করেন। এ কাজে ওপেনএআইয়ের ‘প্যাচ দ্য প্ল্যানেট’ কর্মসূচির আওতায় উন্নত এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছিল সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা।
ওপেনএআই তাদের ব্লগে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে শনাক্ত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ সাইবার নিরাপত্তা সমস্যাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। প্রতিষ্ঠানটির একজন অভ্যন্তরীণ গবেষকও প্রায় একই সময়ে ত্রুটিটি শনাক্ত করেছিলেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ত্রুটিগুলো এক দশকেরও বেশি সময় ধরে শনাক্তের বাইরে ছিল। উন্নত এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কয়েক সপ্তাহের গবেষণার পর আগস্টে সেগুলো খুঁজে পাওয়া যায়।
উইজ জানিয়েছে, উন্নত এআই মডেলের সহায়তায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের জন্য কার্যকর আক্রমণপদ্ধতি তৈরি ও পরীক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।
পিএইচপি ফাউন্ডেশনের পরিকল্পনা ছিল চলতি মাসের শেষ দিকে ত্রুটির বিস্তারিত তথ্য ও সমাধান প্রকাশ করা। কিন্তু মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ত্রুটির তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের আগেই ঘোষণা দিতে হয়।
হ্যাকারদের লক্ষ্য হতে পারে ওয়েবসাইট
ওয়ার্ডপ্রেস, ড্রুপাল, জুমলা ও ম্যাজেন্টার মতো ওয়েবসাইট পরিচালনার বিভিন্ন প্রযুক্তিতে পিএইচপি ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া হোস্টিং প্ল্যাটফর্ম ও বিভিন্ন সফটওয়্যারের পেছনেও রয়েছে এই প্রোগ্রামিং ভাষা।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এসব ত্রুটির সুযোগ নিয়ে হ্যাকাররা অনুমতি ছাড়াই দূর থেকে সার্ভারে ক্ষতিকর কোড চালাতে পারে। এর মাধ্যমে ক্ষতিকর সফটওয়্যার ইনস্টল কিংবা ওয়েবসাইট অচল করে দেওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সোফোসের কাউন্টার থ্রেট ইউনিটের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ডন স্মিথ বিবিসিকে বলেন, হ্যাকারদের কাছে এ ত্রুটিগুলো অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত লক্ষ্য হয়ে উঠতে পারে। শুধু আপডেট ইনস্টল করাই যথেষ্ট নয়; কোনো প্রতিষ্ঠানের কোথায় কোথায় পিএইচপি ব্যবহৃত হচ্ছে, তা শনাক্ত করাও জরুরি।
ইন্টারনেট অবকাঠামো প্রতিষ্ঠান ক্লাউডফ্লেয়ারের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ডেন নেখট জানিয়েছেন, ত্রুটিগুলোকে কেন্দ্র করে প্রাথমিক পর্যায়ের সাইবার হামলার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। নতুন আক্রমণপদ্ধতি সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো ঠেকাতে প্রতিরোধব্যবস্থা হালনাগাদ করা হচ্ছে।
পুরোনো সংস্করণেও ঝুঁকি
ইউরোপীয় ইউনিয়নের কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (সার্ট-ইইউ) জানিয়েছে, এসব ত্রুটির কারণে অনুমোদন ছাড়াই দূর থেকে সিস্টেমে কোড চালানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সালে প্রকাশিত পিএইচপি ৫ থেকে শুরু করে পরবর্তী সংস্করণগুলোও ঝুঁকির আওতায় থাকতে পারে।
তবে ঠিক কোন কোন সংস্করণ আক্রান্ত, তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। পিএইচপি ফাউন্ডেশন তুলনামূলক নতুন সংস্করণগুলোর জন্য আপডেট প্রকাশ করেছে। পিএইচপি ৮.১ বা এর চেয়ে পুরোনো সংস্করণ ব্যবহারকারীদের নতুন সংস্করণে উন্নীত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা সংস্থা দ্রুত আপডেট ইনস্টল করার আহ্বান জানিয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে ত্রুটি সংশোধন করা সম্ভব না হলে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সিস্টেম বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দল ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভালে অংশগ্রহণের জন্য আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে পৌঁছেছে। বুধবার স্থানীয় সময় রাত ৯টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা) লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা সেখানে পা রাখে।
বর্তমানে বাকুর অ্যাথলেটস ভিলেজে অবস্থান করছে তরুণ ফুটবলাররা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সফরকারী দলের সকল খেলোয়াড় ও কর্মকর্তা সম্পূর্ণ সুস্থ এবং মানসিকভাবে চাঙ্গা আছেন। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দলের প্রথম অনুশীলন পর্ব সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার বিশেষ উদ্যোগে এই প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ছোট সংস্করণের অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ। বৈশ্বিক এই টুর্নামেন্টে মোট ১৯১টি দেশের তরুণ দল অংশগ্রহণ করছে। আটজন খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত এই বিশেষ টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো ৬৮ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৪৮ মিটার প্রস্থের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ম্যাচ ২০ মিনিটের দুটি অর্ধে (মোট ৪০ মিনিট) খেলা হবে।
বাংলাদেশ কঠিন গ্রুপে পড়েছে। ‘জি’ গ্রুপে লাল-সবুজের যুবাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে ওয়েলস, পর্তুগাল, ইন্দোনেশিয়া, ফিজি ও বুরুন্ডি। বাংলাদেশের তরুণরা আগামী ২৪ অক্টোবর ওয়েলসের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। এরপর ২৫ ও ২৬ অক্টোবর চরম ব্যস্ত সূচিতে প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচে মাঠে নামতে হবে দলকে।
বাকুর হোভসান কম্পিটিশন কমপ্লেক্স এবং বাকু ক্রিস্টাল হলে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ম্যাচগুলো। টুর্নামেন্টের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দলের দেশে ফেরার কথা রয়েছে আগামী ৩ নভেম্বর সকালে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনায় মোঃ তুষার নামে ২৭ বছর বয়সী এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোরে নগরীর মিস্ত্রিপাড়া বাজারের পূর্ব পাশের আনসার উদ্দিন লেন থেকে তার মৃতদেহটি পাওয়া যায়।
নিহত তুষার লবণচরা থানার জিন্নাপাড়া এলাকার অধিবাসী ছিলেন। তার মরদেহের পাশে একটি কালো রঙের নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল পড়ে ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কিছুদূর থেকে দুটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে।
স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে পূর্ব বানিয়াখামার খাদেমুল উলুম মাদ্রাসা এলাকায় কয়েকজন যুবকের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এই সময় দুর্বৃত্তরা অস্ত্র বের করে গুলি চালালে তুষারের বুকের বামপাশে একটি গুলি বিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
স্থানীয়রা সড়কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ তুষারকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনা থানার ওসি লোকমান হোসেন জানান, তুষার শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘পলাশ গ্রুপ’ এর সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তিনি গত জুন মাসে অস্ত্রসহ গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে এলেও তিনি এলাকায় থাকতেন না। ধারণা করা হচ্ছে, অন্য সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘বি কোম্পানি’র ক্যাডারদের হাতে তিনি নিহত হয়েছেন। পুলিশ কয়েকজনকে শনাক্ত করেছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান হয়ে মোংলার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ২৮ মিনিটে খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার।
সেখান থেকে তিনি হেঁটে নলিয়ান কোস্ট গার্ডের পন্টুনে যান। সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে পন্টুন থেকে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় নলিয়ান বাজার মোড়ে অপেক্ষমাণ শত শত মানুষের সঙ্গে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা বিনিময় ও করমর্দন করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে সকাল থেকেই সেখানে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমির এজাজ খান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন এবং জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ