মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০১:৫৯ এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে সম্পূর্ণরূপে মাদকমুক্ত করতে সরাসরি মাঠে নেমেছেন পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।
মাদকবিরোধী ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে বিশেষ চিরুনি অভিযান।
আজ দিনব্যাপী চালানো এই বিশেষ অভিযানে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় ও উপস্থিতিতে আজ জেলার বিভিন্ন মাদকপ্রবণ এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ডিবি পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের একাধিক টিম অংশ নেয়। দিনভর চলা এই সাঁড়াশি অভিযানে বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয় এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযান শেষে এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, "মাদক একটি সমাজ ও প্রজন্মকে ধ্বংস করে দেয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে কোনোভাবেই মাদকের স্বর্গরাজ্য হতে দেওয়া হবে না। মাদকের সাথে জড়িত চুনোপুঁটি থেকে শুরু করে গডফাদার—কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এই অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের অ্যাকশন সরাসরি এবং চলমান থাকবে।"
এ সময় তিনি জেলাবাসীর প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাদক নির্মূল কেবল পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব নয়। সমাজ থেকে এই ব্যাধি দূর করতে হলে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। তিনি এলাকাবাসীকে মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারিদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান।
সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা পেলেই খুব দ্রুত চাঁপাইনবাবগঞ্জকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত ও নিরাপদ জেলা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
জেলা পুলিশের এই ঝটিকা ও কঠোর অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষ।
এলাকাবাসী আশা করছেন, পুলিশ সুপারের এমন কঠোর অবস্থানের কারণে জেলায় মাদকের দৌরাত্ম্য দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে আসবে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে এই বিশেষ অভিযান আগামী দিনগুলোতে আরও জোরদার করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক বছরের মেয়াদের কাজ দুই বছরেও শেষ করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভার অন্তত ৩০ হাজার মানুষ ব্যাপক ভোগান্তিতে ভুগছেন। ঠিকাদার ও পৌর কর্তৃপক্ষের অবহেলায় তারা দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন। প্রায় ৩৬ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ এখন তাদের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ব্যবসা-বাণিজ্য থমকে গিয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে পৌরসভার বাসিন্দারা ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন; তারা আগামী এক মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
গত বুধবার (১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আয়োজিত মানববন্ধনে পৌরসভার বাসিন্দারা এই হুঁশিয়ারি দেন, যেখানে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর দিক বন্ধ ছিল। কুমারখালী সচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগী পৌরবাসীর ব্যানারে আয়োজিত এই মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় যুব অধিকার পরিষদের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শাকিল আহমেদ তিয়াস। বক্তব্য দেন জেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী কে এম আর শাহিন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জিলাল, কুমারখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি খন্দকার লিপু আমীর প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে তারা পৌর প্রশাসক ও ইউএনও ফারজানা আখতারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর দিকে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ সময় কিছু যানবাহন আটকে গেছে। উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জিলাল এই সময় বলেন, প্রশাসনের নজর নেই নির্মাণকাজে। ঠিকাদাররা কাজের নামে পৌরবাসীকে জিম্মি করে রেখেছেন। এর ফলে স্বাভাবিক চলাচল ভেঙে পড়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য থমকে যাওয়া অবস্থায় পৌরবাসী প্রচণ্ড দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন।
কুমারখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি খন্দকার লিপু আমীর ব্যক্ত করেন, প্রায় দুই বছর আগে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণকাজ শুরু হলেও এটি এখনও শেষ হয়নি। সারা জায়গায় গর্ত খুঁড়ে রাখার ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে, শিশুর প্রাণ যাচ্ছে। বৃষ্টিতে ভোগান্তি আরও বাড়ছে। তিনি প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ কীভাবে শেষ করবেন সেটি আপনাদের (প্রশাসন) বিষয়। অন্যথায় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
শাকিল আহমেদ তিয়াস বলেন, ‘উন্নয়নকাজের ধীরগতির কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে।’ বক্তারা দাবি করেন, দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করে মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। মানববন্ধন শেষে তারা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেন এবং দ্রুত কাজ শেষ না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়ে দেন।
পৌর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আইইউজিএইপি প্রকল্পের আওতায় ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ধাপে ধাপে ড্রেন ও সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এতে প্রায় ৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি প্রকল্প বর্তমানে চলমান রয়েছে। অধিকাংশ কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করা হয়নি। কয়েক দফা মেয়াদ বাড়িয়েও ৩০ ভাগের বেশি কাজ এখনও বাকি রয়ে গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌরসভার প্রশাসক ও ইউএনও ফারজানা আখতার বলেন, জনবল সংকটসহ নানা কারণে এতদিন নিবিড় তদারকি সম্ভব হয়নি। শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নির্মাণকাজ কঠোরভাবে মনিটর করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়াগামী একটি ফ্লাইটকে ঘিরে একটি রহস্যজনক ঘটনা ঘটেছে। বোর্ডিং পাস সংগ্রহ এবং ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পরও শেষ মুহূর্তে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ওঠেননি ৭১ জন যাত্রী।
এর আগে বোর্ডিং গেটে ৫ জন যাত্রীর ভিসা জাল বলে শনাক্ত হওয়ার পর এই ঘটনাটি সামনে আসে।
শনিবার (৪ জুলাই) রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-মালয়েশিয়া রুটের বিজি-৩৮৬ ফ্লাইটে এই ঘটনা ঘটে। রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়।
ফ্লাইটটিতে মোট ২৪৫ জন যাত্রীর ভ্রমণের কথা ছিল।
জানা গেছে, এই ফ্লাইটের ৭৬ জন প্লেনে চড়েননি। তাদের মধ্যে বোর্ডিং গেটে ৫ জন যাত্রীর ভিসার সঙ্গে পাসপোর্টের মিল না থাকায় তাদের অফলোড করা হয়। সূত্র জানায়, এই সংবাদ শোনার পরপরই ওই ফ্লাইটের অনেক যাত্রী বিমানবন্দর থেকে সরে পড়েন। শেষ পর্যন্ত ৭৬ জন যাত্রীর কেউই বিমানে ওঠেননি।
পরে তাদের রেখেই ফ্লাইট চলে যায়।
সূত্র জানায়, ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে জাল ই-ভিসা শনাক্ত করার সুযোগ থাকে। যাত্রীদের ভিসা যথাযথভাবে যাচাই না করেই ‘ভেরিফায়েড’ হিসেবে গ্রহণ করে বিমান সংস্থার চেক-ইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস ইস্যু করা হয়। এরপর ইমিগ্রেশনও তাদের বিদেশযাত্রার অনুমতি দেয়। অথচ বোর্ডিং গেটে গিয়ে ৫ জনের ভিসা জাল বলে ধরা পড়ে।
এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, ভিসা যাচাইয়ের একাধিক ধাপ থাকার পরও কীভাবে সন্দেহভাজন জাল ভিসাধারীরা চেক-ইন ও ইমিগ্রেশন পার হয়ে বোর্ডিং গেট পর্যন্ত পৌঁছালেন।
বিমানে না চড়া ৭৬ জন যাত্রীর সকলেই ‘টুরিস্ট’ ভিসায় মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন। তবে সূত্রের দাবি, কোন একটি ট্রাভেল এজেন্সির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাদের মালয়েশিয়ায় থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, বোর্ডিং চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন যাত্রীকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। পরে জানতে পারি, তাদের ভিসা নিয়ে সমস্যা পাওয়া গেছে। এরপর বোর্ডিং লাইনে থাকা আরও কয়েকজন যাত্রীকে আর দেখা যায়নি। কিছুক্ষণ পর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ কয়েকজন যাত্রীকে অফলোড করে।
এ বিষয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তবে বিমানবন্দরের সূত্র জানায়, ভিসার সমস্যার কারণে বিমানের ওই ফ্লাইটের কয়েকজন যাত্রীকে আগেই ইমিগ্রেশন পুলিশ অফলোড করেছে। তাদের কয়েকজন মালয়েশিয়া হয়ে সৌদি আরবে ওমরাহ হজ করতে যাচ্ছিলেন। যাত্রার উদ্দেশ নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় তাদের অফলোড করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শৈলকূপায় মসজিদের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের ফলস্বরূপ সংঘর্ষে অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন। শনিবার রাতের এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে উপজেলার কাঁচেরকোল ইউনিয়নের উত্তর মির্জাপুর গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দিন আগে বৃত্তিপাড়া-ধর্মপাড়া গ্রামের ঈদগাহের কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি গঠনের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে এক পক্ষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টির ফলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায়, গত শুক্রবার (৩ জুলাই) মসজিদ পরিচালনা কমিটির আংশিক কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে শনিবার এশার নামাজের পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কথা ছিল। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা থাকছিল।
জানা যায়, শনিবার মাগরিবের ফরজ নামাজ শেষে বিএনপি নেতা ইনসান আলী বাবুর সমর্থকরা ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব মিয়ার সমর্থকদের ওপর আকস্মিক হামলা চালায়। এই হামলার ফলে অন্তত ২২ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। আহতদের মধ্যে কাঁচেরকোল ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আপেল মাহমুদ গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনার পর ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
শৈলকূপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, উত্তর মির্জাপুর গ্রামে মারামারির খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় একটি বসতঘরের সামনে থাকা বসার সিঁড়ি থেকে পড়ে ৯ বছরের শিশু জাহিদুল ইসলাম ওরফে জিহাদের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে।
শুক্রবার (৪ জুলাই) বিকেলে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের রামদি গ্রামের আবুল খোনারদের বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জিহাদ ওই গ্রামের মো. জয়নালের ছেলে। সে স্থানীয় আশরাফুল উলুম মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী হিসেবে পড়ালেখা করতো।
প্রতিবেশী জাহিদ হোসেন সাহেদ জানান, জিহাদ দুপুরের খাবার খেয়ে বসতঘরের সামনে খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে বিকেলের ৩টার দিকে সে বসতঘরের সামনের সিঁড়ি থেকে নিচে পড়ে যায়। এতে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লেগে সে অজ্ঞান হয়ে যায়।
স্বজনদের চিৎকার শুনে দুর্ঘটনার স্থান থেকে আমি শিশুটিকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিই। তবে হাসপাতালে যাওয়ার পথেই জিহাদের মৃত্যু ঘটে। পরে সন্ধ্যায় পরিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়। শিশুটির আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকিম বলেন, নিহতের পরিবার পুলিশকে ঘটনাটি জানায়নি। তবে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ