ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নারী-শিশু নির্যাতন: অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শেষে হাইকোর্টে ১৭ রায়


নারী-শিশু নির্যাতন: অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শেষে হাইকোর্টে ১৭ রায়

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে ডেথ রেফারেন্স এবং আপিলের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শেষে গত আড়াই মাসে হাইকোর্ট ১৭টি রায় ঘোষণা করেছে।

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার নির্মম ঘটনার পর, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১০ জুন একটি বিশেষ হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করেন, যা শুধু নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) এবং আপিল শুনানির জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করে।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা’র সমন্বয়ে গঠিত এই বিশেষ বেঞ্চ গত আড়াই মাসে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির পর স্ত্রী হত্যার কিছু মামলা, শরীয়তপুরের স্কুলছাত্রী রিমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা, পিরোজপুরের ঝর্ণা হত্যা মামলা এবং ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলাসহ মোট ১৭টি মামলার রায় ঘোষণা করেছে।

আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী

নুসরাত হত্যা মামলার সর্বশেষ রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে, চার আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অপর ১০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, এই মামলায় ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ট্রাইব্যুনালের বিচারককে অবিলম্বে ফৌজদারি মামলার বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এছাড়া, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা’র সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শেষে রায়ের জন্য আগামী ৩১ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স গত ১৬ জুন হাইকোর্টের এই বিশেষ বেঞ্চের কার্যতালিকায় এলে আদালত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দেন। এই মামলাটি বর্তমানে শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় রয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে একটি টিম গঠন করেন, যা বিশেষ বেঞ্চে মামলা পরিচালনার জন্য কাজ করছে।

আরও পড়ুন: ফেনীতে সাংবাদিককে মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলর আটক

এই টিমের সদস্য ও বিশেষ বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা -কে জানান, গত ১৪ জুন এই বেঞ্চে প্রথম কর্মদিবস শুরু হওয়ার পর থেকে গত প্রায় আড়াই মাসে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে ১৭টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ঘোষিত একটি রায় রিকল করা হয়েছে। অল্প সময়ে এতগুলো ডেথ রেফারেন্স মামলার রায় ঘোষণা করা একটি দৃষ্টান্ত।

তিনি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নির্দেশনা অনুযায়ী এই মামলাগুলোর শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে কোনো সময় আবেদন বা মুলতবি আবেদন করা হয়নি। আদালতও এই মামলাগুলো নিষ্পত্তিতে সচেষ্ট ছিলেন, যার ফলে এত দ্রুত এসব মামলার রায় ঘোষণা সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিচারিক আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন। এই অনুমোদন শুনানির জন্য বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স আকারে হাইকোর্টে আসে। এই ডেথ রেফারেন্সের সঙ্গে দণ্ডিত আসামির আপিল বা জেল আপিলও যুক্ত হয়।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মক্কা চুক্তি কী, বাংলাদেশ কেন যোগ দিতে চায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪২ পি.এম


মক্কা চুক্তি কী, বাংলাদেশ কেন যোগ দিতে চায়?

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও নিরাপত্তা সংকটের মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে। গত ৭ আগস্ট মক্কায় স্বাক্ষরিত এই চুক্তি অনুযায়ী, স্বাক্ষরকারী তিন দেশের যে কোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। খবর বিবিসি বাংলার।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করতে সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। 
প্রায় এক বছর ধরে আলোচনার পর চুক্তিতে সই করেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

মুসলমানদের পবিত্র শহর মক্কায় এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় এর কৌশলগত গুরুত্বের পাশাপাশি এর তাৎপর্য নিয়েও নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, হঠাৎ-ই এই তিনটি দেশ এই ধরনের চুক্তিতে একমত হয়নি। ২০২৩ সালে গাজা-ইসরায়েল যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতেই এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীত সময়ে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরব ও পাকিস্তান পারস্পারিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সাক্ষর করেছিল। তারই ধারাবাহিকতাই এই মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি।

এই চুক্তি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে নানা আলোচনা চলছে। এমন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি এই প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। তবে, এই মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ যুক্ত হওয়া নিয়ে ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুই ধরনের বক্তব্যই পাওয়া গেছে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক সাহাব এনাম খান বলেন, এই প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশে যুক্ত হলে সামরিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভবান হওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে, এই বাংলাদেশ যুক্ত হলে দক্ষিণ এশিয়ায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও শঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি কী?

গত কয়েক বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যে নানা সংকট চলছে। ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের পর ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এই পরিস্থিতিতে আরও জটিল করে তোলে। এমন অবস্থায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ভাবছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। কেননা, এই চুক্তিতে বলা হয়েছে জোটভুক্ত কোনো একটি দেশ সামরিক হামলার শিকার হলে তা সকল দেশের ওপর হামলা বলে বিবেচিত হবে।

গবেষক ও বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, বিদ্যমান বিশ্বব্যবস্থা ক্রমেই ভেঙে পড়েছে। আঞ্চলিক শক্তিগুলো সবাই এখন পরস্পরকে আঁকড়ে ধরে টিকে থাকার পথ খুঁজছে। তারই ধারাবাহিকতা এই মক্কা চুক্তি।

এই জোট গঠনের অন্যতম লক্ষ্য হলো- চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে অন্যদেশ তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে যাবে। অর্থাৎ এই চুক্তি বা জোটভুক্ত দেশগুলো একীভূত হয়ে তারা তাদের সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে একত্রে কাজে লাগবে।

এই চুক্তিতে স্বাক্ষরের পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বলেছে, চুক্তিটি জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত আত্মরক্ষার অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এই চুক্তিতে একই সঙ্গে তিন দেশের সম্মিলিত নিরাপত্তা শক্তিশালী করা এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ অঞ্চল ও তার বাইরের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, কোনো এক দেশ বিপদে পড়লে নির্দিষ্ট সংখ্যক সেনা, যুদ্ধবিমান বা অস্ত্র মোতায়েনের বাধ্যবাধকতা কিংবা আক্রান্ত হলে কী ধরনের সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখাবে সেটি নির্ধারিত হয়নি চুক্তিতে।

এক দেশ আক্রমণের শিকার হলে চুক্তি স্বাক্ষরকারী অন্য দেশের এগিয়ে আসার বিষয়টিকে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর পঞ্চম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যৌথ প্রতিরক্ষা ধারার সঙ্গে ‘কার্যত একই’ বলে বর্ণনা করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ।

কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, যতক্ষণ না এটি বাস্তবে পরীক্ষিত হচ্ছে, উদাহরণস্বরূপ- সৌদি আরবের ওপর যে কোনো আক্রমণের জবাবে পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে- ততক্ষণ পর্যন্ত এই চুক্তিটিকে একটি বাধ্যতামূলক ন্যাটো ধাঁচের অঙ্গীকারের পরিবর্তে একটি ‘অভিপ্রায়ের ঘোষণা’ হিসেবে দেখা উচিত।

চলতি বছরের ১৯ মার্চ ইসলামি সম্মেলনের সময় সৌদি আরবের রিয়াদে তুরস্ক-পাকিস্তান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করেন। সেখানে একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি কী রকম হতে পারে সেটি নিয়েও আলোচনা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৭ আগস্ট এই চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়েছে মক্কায়।

এই চুক্তি নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু এই তিনটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা নয়, বরং আরও বিস্তৃত হওয়া ্র সম্ভব হলে এমন একটি অবস্থা সৃষ্টি করা, যাতে একদিন এই অঞ্চলের সব দেশ এই ছাতার নিচে একত্রিত হতে পারে।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির কারণ কী?

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান এবং মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে তুরস্ক। হঠাৎ কেন এই তিনটি দেশ এমন একটি চুক্তিকে যুক্ত হলো সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।

ইরান যুদ্ধের প্রভাব এবং অঞ্চলজুড়ে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও হামলা নিয়ে নানা উদ্বেগ রয়েছে গত কয়েক মাস ধরে। বিশেষ করে, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ঘাঁটি লক্ষ্য করার কথা বলে ইসরায়েল দেশটির প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এলাকা দখলে নিয়েছে।

এদিকে, ইরান-সমর্থিত ইরাকি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সৌদি আরবে ড্রোন হামলার অভিযোগ রয়েছে। একই সময়ে, এসব গোষ্ঠীও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মুখে পড়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সামরিক শক্তির দিক থেকে তুরস্ক অনেকটা এগিয়ে রয়েছে, শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরব ও পাকিস্তান বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। সেদিক থেকে তিন দেশ একে অপরের পরিপূরক।

অধ্যাপক সাহাব এনাম খান বলেন, এই মুহূর্তে আমরা যদি দেখি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের শত্রুদের মধ্যে রয়েছে ইরান কিংবা হুথির মতো বিদ্রোহীরা। কারণ এই জটিলতা শেষ না হলে হুথি জটিলতা শেষ হবে না। সুতরাং সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের প্যাক্টটা খুব জরুরি ছিল।

অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে তুরস্কের সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে ধরা হয় ইসরায়েলকে। সেই দিক থেকে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের দেশ দুটিকে একসঙ্গে পেলে সেটি তুরস্কের জন্যও লাভবান বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

গবেষক আলতাফ পারভেজ বলছিলেন, সৌদি আরবের অর্থ, পাকিস্তানের সামরিক কৌশল ও অভিজ্ঞতা আর তুরস্কের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের দক্ষতা। এই দেশগুলো ভেবেছে তারা তিনটি দেশ যদি একত্রিত হয়, সেটি তাদের নিরাপত্তার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে, ধর্মীয় দিক থেকেও এই চুক্তির বিশেষ একটি তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই চুক্তিকে মুসলিম দেশগুলোর কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলে ধরতে বার হিসেবে শুক্রবার ও স্থান হিসেবে মক্কাকে বাছাই করা হয়েছে।

বাংলাদেশ কেন যুক্ত হতে চায়?

আগস্টের শুরুতে তিন দেশের মধ্যে এই চুক্তি সই হলেও গত এক সপ্তাহ ধরে এই চুক্তিকে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টিও সামনে আসছে।

বাংলাদেশের কোনো কোনো গণমাধ্যমে গত সপ্তাহে এ নিয়ে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সোমবার (২৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এটির জবাব দেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। সেখানে এই জোটে বা চুক্তি যেতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথাও জানান তিনি।

সেখানে হুমায়ুন কবির বলেছেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আমরা আগ্রহ প্রকাশ করেছি। মক্কার সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের সম্পর্ক আবেগের। মধ্যপ্রাচ্যে যদি এমনও হয় যে, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে একটা সিকিউরিটি প্যাক্ট হয়, তাহলে ওখানে যাওয়াটা তো অস্বাভাবিক না। দেখা যাক কী হয়। আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছি।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক সাহাব এনাম খান মনে করেন, বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুব একটা নেই। সেদিক থেকে সৌদি আরবের অর্থনৈতিক শক্তি আর তুরস্ক-পাকিস্তানের সামরিক শক্তি ও কৌশল আছে। সেদিক থেকে ওই তিন দেশ সাথে একসঙ্গে থাকলে তাতে বাংলাদেশই উপকৃত হবে।

অধ্যাপক খান বলছিলেন, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে রোহিঙ্গা সংকট। যেহেতু বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান চাচ্ছে। সেদিক বিবেচনায় পাকিস্তান-তুরস্ক ও চীন এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করছে বাংলাদেশ।

যদিও ইতিবাচক দিকও যেমন আছে, সেই সঙ্গে এর ঝুঁকির বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আলতাফ পারভেজ মনে করেন, বাংলাদেশ এই জোটে যখনই যুক্ত হবে, তখন প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হবে। যেটি একদিক বিবেচনায় বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকির কারণ হিসেবেও দেখছেন তিনি।

তিনি বলেন, এটার তাৎক্ষণিক একটি প্রতিক্রিয়াও হতে পারে। কারণ তখন ভারত ভাব পারে সে অনিরাপদ। তখনই সে ইসরায়েলে শরণাপন্ন হতে পারে। এই ইস্যুতে তখন ভারতকে সহযোগিতায় আগ্রহী হতে পারে ইসরায়েল। দক্ষিণ এশিয়ায় তৈরি হতে পারে সামরিক উত্তেজনা।

এ উত্তেজনায় দক্ষিণ এশিয়ায় প্রক্সি ওয়ার এবং প্রক্সি ফোর্সের সংখ্যা বাড়তে পারে। সেদিক থেকে বাংলাদেশ বাড়তি ঝুঁকিতে থাকবে। সেক্ষেত্রে চুক্তিতে ঝুঁকলেও এক ধরনের ঝুঁকি, না ঝুঁকলেও থাকবে আরেক ধরনের ঝুঁকি।

মিশরও অনানুষ্ঠানিক এই জোটে যোগ দিতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, মিশর সতর্ক অবস্থান নিয়েছে, কারণ এতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এক্ষেত্রে সেই দেশগুলোর মধ্যে ইরান, ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, গ্রিস, সাইপ্রাস ও ভারতও রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪৫ পি.এম


কাউখালীতে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা

পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ এবং যৌতুক ও বাল্যবিবাহ নিরোধের লক্ষ্যে এক জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে এগারোটায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম. আহসান কবির, কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সুব্রত কর্মকার, উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ সোমা সরকার, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার নূরে জান্নাত ফেরদৌসী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রফিক, প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার এবং সাবেক সভাপতি এনামুল হকসহ জনপ্রতিনিধিরা।
সভায় বক্তারা উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত রাখার পাশাপাশি মাদক, বাল্যবিবাহ ও যৌতুকের মত সামাজিক ব্যাধিগুলোর বিরুদ্ধে সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন:
"একটি মাদকমুক্ত, অপরাধমুক্ত ও সুশাসিত উপজেলা গড়তে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধে আমরা মাঠ পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছি। সন্ত্রাস ও নাশকতা দমনে সাধারণ জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সচেতন থেকে তরুণ সমাজকে সঠিক পথে রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।
কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন,
"কাউখালী উপজেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ বাহিনী সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে। মাদকের বিস্তার রোধ ও অপরাধীদের দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। কোনো ধরণের অপরাধী বা নাশকতাকারীকে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধমূলক যেকোনো তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশকে দ্রুত অবহিত করার জন্য আমরা সাধারণ মানুষের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ ৪ লাখ ভোল্টের বিদ্যুতের খুঁটির মাথায় যুবক, ঘটনা কী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ পি.এম


হঠাৎ ৪ লাখ ভোল্টের বিদ্যুতের খুঁটির মাথায় যুবক, ঘটনা কী

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানার ফকিরহাট এলাকায় চার লাখ ভোল্টেজের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জাতীয় গ্রিড বিদ্যুতের খুঁটির (টাওয়ার) চূড়ায় উঠে বসে আছেন এক অজ্ঞাত যুবক। তাকে উদ্ধারে চেষ্টা চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা হঠাৎ ওই যুবককে বিশাল আকৃতির বিদ্যুতের খুঁটির একেবারে চূড়ায় দেখতে পান। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও উচ্চ ভোল্টেজের এই লাইনে যুবককে দেখে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে লাইনের সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই যুবককে অক্ষত অবস্থায় নিচে নামিয়ে আনার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে এই খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যুৎ টাওয়ারের নিচে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। 

যুবকটি কী কারণে বা কীভাবে এতো উঁচুতে চার লাখ ভোল্টের খুঁটিতে উঠলেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি এবং তার মানসিক ভারসাম্য নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নানা গুঞ্জন চলছে।

উদ্ধার অভিযান শেষ হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরে কারিগরি শিক্ষার প্রয়োজন: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫০ পি.এম


তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরে কারিগরি শিক্ষার প্রয়োজন: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের তরুণ জনগণের দক্ষ ও উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তর ঘটানোর জন্য উচ্চমানের কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, চীন বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) গুয়াংডং প্রদেশের কিংইউয়ান শহরে অনুষ্ঠিত গুয়াংডং ভোকেশনাল সিটিতে ‘চীন-বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বিনিময়’ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো কারিগরি শিক্ষা, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি ও শিল্প-শিক্ষার সমন্বয়ের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

শিক্ষামন্ত্রী এ সময় কারিগরি শিক্ষা, আধুনিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব এবং কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষায় বাংলাদেশ ও চীনের সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

তিনি চীনের শিক্ষা, প্রযুক্তি ও কারিগরি প্রশিক্ষণে অর্জিত সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশ আধুনিক কারিগরি শিক্ষা সংস্কারে চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে আগ্রহী।

অনুষ্ঠানটি গুয়াংডং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ট্রেড ভোকেশনাল কলেজের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। এতে গুয়াংডং ভোকেশনাল সিটি ও গুয়াংডং প্রদেশের ১১টি কারিগরি ও ভোকেশনাল কলেজ অংশগ্রহণ করে।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন মন্তব্য করেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, বৃত্তি, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক শিক্ষা বিনিময় বাংলাদেশ ও চীন সংযোগকে আরো গভীর করবে।

তিনি আরো বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং টেকসই ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া জানান, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করতে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে পাঠ্যক্রম সংস্কার, উন্নত প্রযুক্তি প্রবর্তন এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণ চালু করা সম্ভব, যাতে শিক্ষার্থীরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কর্মসংস্থান পেতে পারে।

অনুষ্ঠানে গুয়াংডং ‘চাইনিজ+ভোকেশনাল স্কিলস’ ইন্ডাস্ট্রি-এডুকেশন ইন্টিগ্রেশন অ্যালায়েন্স উদ্বোধন করা হয়। এটি বিশ্বব্যাপী কারিগরি শিক্ষা প্রসারে নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে ভাষা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প-শিক্ষা সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে।

অনুষ্ঠানে উভয় পক্ষ বাস্তব ও টেকসই অংশীদারত্ব গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে। এর ফলে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প-সংযুক্ত প্রশিক্ষণে সহযোগিতা আরো জোরদার হবে।

এছাড়া প্রতিনিধিদল ‘বেইদৌ+’ ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেন এবং রোবোটিক্স, রোবট প্রোগ্রামিং ও চীনা চা সংস্কৃতির প্রদর্শনী প্রত্যক্ষ করেন। এর মাধ্যমে তারা গুয়াংডং-এর কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তি, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ও শিল্পমুখী শিক্ষার বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%