বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:৫০ পি.এম
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের তরুণ জনগণের দক্ষ ও উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তর ঘটানোর জন্য উচ্চমানের কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, চীন বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) গুয়াংডং প্রদেশের কিংইউয়ান শহরে অনুষ্ঠিত গুয়াংডং ভোকেশনাল সিটিতে ‘চীন-বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বিনিময়’ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো কারিগরি শিক্ষা, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি ও শিল্প-শিক্ষার সমন্বয়ের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
শিক্ষামন্ত্রী এ সময় কারিগরি শিক্ষা, আধুনিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব এবং কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষায় বাংলাদেশ ও চীনের সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
তিনি চীনের শিক্ষা, প্রযুক্তি ও কারিগরি প্রশিক্ষণে অর্জিত সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশ আধুনিক কারিগরি শিক্ষা সংস্কারে চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে আগ্রহী।
অনুষ্ঠানটি গুয়াংডং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ট্রেড ভোকেশনাল কলেজের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। এতে গুয়াংডং ভোকেশনাল সিটি ও গুয়াংডং প্রদেশের ১১টি কারিগরি ও ভোকেশনাল কলেজ অংশগ্রহণ করে।
বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন মন্তব্য করেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, বৃত্তি, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক শিক্ষা বিনিময় বাংলাদেশ ও চীন সংযোগকে আরো গভীর করবে।
তিনি আরো বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং টেকসই ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া জানান, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করতে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে পাঠ্যক্রম সংস্কার, উন্নত প্রযুক্তি প্রবর্তন এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণ চালু করা সম্ভব, যাতে শিক্ষার্থীরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কর্মসংস্থান পেতে পারে।
অনুষ্ঠানে গুয়াংডং ‘চাইনিজ+ভোকেশনাল স্কিলস’ ইন্ডাস্ট্রি-এডুকেশন ইন্টিগ্রেশন অ্যালায়েন্স উদ্বোধন করা হয়। এটি বিশ্বব্যাপী কারিগরি শিক্ষা প্রসারে নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে ভাষা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প-শিক্ষা সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে।
অনুষ্ঠানে উভয় পক্ষ বাস্তব ও টেকসই অংশীদারত্ব গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে। এর ফলে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প-সংযুক্ত প্রশিক্ষণে সহযোগিতা আরো জোরদার হবে।
এছাড়া প্রতিনিধিদল ‘বেইদৌ+’ ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেন এবং রোবোটিক্স, রোবট প্রোগ্রামিং ও চীনা চা সংস্কৃতির প্রদর্শনী প্রত্যক্ষ করেন। এর মাধ্যমে তারা গুয়াংডং-এর কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তি, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ও শিল্পমুখী শিক্ষার বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ১ মে থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত ৫৩ হাজার ৫১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া, অন্যান্য মামলা ও অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে আরও ১ লাখ ৪১ হাজার ৬২৮ জন।
সব মিলিয়ে ১১৮ দিনে মোট ১ লাখ ৯৫ হাজার ১৪৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দেশব্যাপী এসব অভিযানে উদ্ধার হয়েছে মোট ৪৩৮টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৪ হাজার ৭২২ রাউন্ড গুলি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অভিযানে পুলিশ এ সময়ে ৪৩৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৪ হাজার ৭২২ রাউন্ড গুলি ও কার্তুজ, ১৬৫টি ম্যাগাজিন, ৬৫টি ককটেল, সোয়া দুই কেজি গান পাউডার, ৮৯৩টি দেশীয় অস্ত্র, ৭১টি অস্ত্রের যন্ত্রাংশ, ২১টি অস্ত্র ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম এবং ১০ হাজার ৩০০টি চকলেট বাজি উদ্ধার করেছে।
উদ্ধার করা আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১৫৩টি পিস্তল, ৪৮টি শুটারগান, ৪৫টি এলজি, ২৬টি রিভলবার, ১০৮টি বন্দুক, ২৬টি পাইপগান, ৭টি শটগান, ৭টি রাইফেল, ৩টি এসএমজি, ১২টি এয়ারগান ও একটি পেনগান।
এছাড়া, অভিযান চলাকালে ১ কোটি ৪০ লাখ ৫৪ হাজার ৫৫৯ পিস ইয়াবা, ১০ হাজার ৭৩২ পুরিয়া হেরোইন, ৩০ হাজার ৪২৭ বোতল ফেনসিডিল, ১৩ হাজার ৮৬৫ বোতল বিদেশি মদ, ৫৬০ বোতল দেশি মদ, ১২ হাজার ৫৩ পুরিয়া গাঁজা এবং মাদক ও মাদক জাতীয় অন্যান্য দ্রব্য উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এআইজি শাহাদাত হোসাইন আরও জানান, এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় ২৩ হাজার ২২১টি মামলা ও ৩৪ হাজার ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ গুমের ঘটনার সঙ্গে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের প্রাথমিক সম্পৃক্ততা প্রসিকিউশনের কাছে পাওয়া গেছে।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে অভিযান চালিয়ে ৩৩ বোতল ক্ষতিকর মাদক এস্কাফসহ (ESkuf) মোঃ রুবেল আলী (৩৮) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ৮:০০ টা থেকে ৮:৩০ টা পর্যন্ত চালানো এক অভিযানে গোমস্তাপুর থানাধীন কাঞ্চনতলা-২ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত রুবেল আলী গোমস্তাপুর থানার কাঞ্চনতলা-২ গ্রামের মৃত ফেনেস আলী ও মোসাঃ কদবানু বেগমের ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক (ডিডি) চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোমস্তাপুরের কাঞ্চনতলা-২ এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৩৩ বোতল এস্কাফসহ রুবেল আলীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাটুরিয়ায় ভেজাল সার বিক্রির অভিযোগে সানোয়ার হোসেন নামে এক ডিলারকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ অভিযানে ৫ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগষ্ট) জান্না বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম।
কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ফুকুরহাটি ইউনিয়নের জান্না বাজারে সানোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ডিএপি সারের মধ্যে মাটি মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
অভিযানের সময় সানোয়ার হোসেনের দোকান থেকে বিক্রয়ের জন্য মজুদ রাখা ৫ বস্তা ভেজাল ডিএপি সার জব্দ করা হয়। একইসাথে, ওই সার ডিলারকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম জানান, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এবং নকল ও ভেজাল সার বাজারজাতকরণ রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভেজাল সার বিক্রির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযান চলাকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া তাবাসসুম, ফুকুরহাটি ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ এবং পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ