বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১০ এম
দেশের সাতটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই কারণে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রদত্ত পূর্বাভাসে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এইসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বুধবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সারা দেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুলপড়া একটি সাধারণ সমস্যা, যা অনেকেই ভোগেন। এই সমস্যার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। প্রাকৃতিক তেলের ব্যবহার চুলপড়া কমানো এবং নতুন চুল গজানোর ক্ষেত্রে কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে। নিয়মিত কিছু নির্দিষ্ট তেল ব্যবহার করে চুলপড়া কমানো সম্ভব। এই তেলগুলো চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষভাবে উপকারী।
এখানে চুলপড়া কমাতে সাহায্যকারী ৬টি তেলের তালিকা উল্লেখ করা হলো—
১. ক্যাস্টর অয়েল
ক্যাস্টর অয়েল, যা রিকিনোলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ, মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। এটি দ্রুত চুলপড়া কমাতে এবং চুলকে গোড়া থেকে মজবুত ও ঘন করতে সহায়তা করে।
২. নারিকেল তেল
নারিকেল তেল চুলের যত্নে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি উপাদান। নারিকেল তেলে থাকা লরিক অ্যাসিড চুলের প্রোটিন ক্ষয় রোধ করে এবং গভীর থেকে পুষ্টি প্রদান করে, ফলে চুল ভাঙা ও পড়া বন্ধ হয়।
৩. রোজমেরি অ্যাসেনশিয়াল অয়েল
রোজমেরি অ্যাসেনশিয়াল অয়েল চুলপড়া কমাতে ওষুধের মতো কার্যকরী। এটি মাথার ত্বকের কোষের বৃদ্ধি ঘটায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ব্যবহারের সময় নারিকেল বা বাদাম তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে ব্যবহার করা উচিত।
৪. কাঠবাদামের তেল (আলমন্ড অয়েল)
কাঠবাদামের তেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'ই', ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এটি শুষ্ক ও প্রাণহীন চুলে পুষ্টি প্রদান করে এবং চুলপড়া কমিয়ে চুলকে নরম ও সিল্কি করে তোলে।
৫. পেঁয়াজের তেল
পেঁয়াজের রসে উচ্চমাত্রার সালফার চুলপড়া বন্ধ করতে কার্যকরী। এটি চুলের গোড়া শক্তিশালী করে এবং অকালপক্কতা প্রতিরোধ করে।
৬. আমলকীর তেল
আমলকীতে বিদ্যমান ভিটামিন 'সি' এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চুলের ফলিকলকে শক্তিশালী করে। এটি খুশকি দূর করে এবং প্রাকৃতিকভাবে চুলকে কালো রাখতে সাহায্য করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারীরা পরিবারের সকলের খাবারের দিকে খেয়াল রাখতে গিয়ে নিজেদের খাবারের ব্যাপারে সচেতনতা হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে নারীদের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটে। হরমোনের ওঠানামা এবং হাড়ের ঘনত্বের হ্রাসসহ, প্রতিটি পর্যায়ে শরীরের পুষ্টির চাহিদা পরিবর্তিত হয়। তাই, মেনোপজের পরেই নয়, বরং বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই সঠিক পুষ্টির দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
পুষ্টিবিদ রাখি চট্টোপাধ্যায়ের মতে, অনেক নারীর খাদ্যাভ্যাসে প্রোটিনের অভাব লক্ষ্য করা যায়। নারীদের সুস্থ থাকার জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক নারীর প্রতি কেজি ওজনের জন্য দৈনিক প্রায় ০ দশমিক ৮ গ্রাম প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। উদাহরণস্বরূপ, ৬০ কেজি ওজনের একজন নারীর জন্য দৈনিক প্রায় ৪৫ গ্রাম প্রোটিনের প্রয়োজন।
তবে বয়সের সাথে সাথে শুধু প্রোটিন নয়, শরীরে আরো অনেক পুষ্টির প্রয়োজন হয়। জেনে নিন কোন বয়সে কোন খাবারের দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
বয়ঃসন্ধিতে আয়রন ও ক্যালসিয়াম জরুরি
৯ থেকে ১৮ বছর বয়সে মেয়েদের শরীরে দ্রুত শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে। এ সময় ঋতুস্রাব শুরু হয়। শরীরের বৃদ্ধি এবং হাড়ের গঠনের জন্য আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ওমেগা-৩, ওমেগা-৬ এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ কারণে, এ বয়সে ডিম, মাছ, দুধ, দই, ডাল, বাদাম, শাকসবজি এবং বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
১৯ থেকে ৪৫ বছর বয়সে- প্রোটিনের পাশাপাশি আয়রনের দিকে নজর দিন।
এই সময় কাজের চাপ, ঘুমের অভাব, মানসিক চাপ এবং অনিয়মিত জীবনযাপন শরীরের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সময়ে প্রোটিনের পাশাপাশি আয়রন, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিডের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় পুষ্টির চাহিদা আরো বেড়ে যায়।
৪৫ বছরের পর- কম ক্যালরি, বেশি পুষ্টি।
মেনোপজের সময় এবং পরবর্তী সময়ে নারীদের শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে ওজন বৃদ্ধি, হাড়ের ঘনত্বের হ্রাস এবং হৃদরোগ, ডায়বেটিস, কার্ডিয়োভাসকুলার ডিজিজ ও অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। পুষ্টিবিদ রাখির পরামর্শ, এই সময়ে প্রোটিনের পাশাপাশি ক্যালরির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ক্যালসিয়াম এবং ফাইবারযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত।
বয়স বাড়ার সাথে সাথে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসে। ব্যক্তির ওজন, উচ্চতা এবং শারীরিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে খাদ্যতালিকা তৈরি করতে হবে।
খাবারের তালিকায় কী রাখবেন?
অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিবর্তে ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবারকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। মৌসুমি ফল, শাকসবজি, মাছ-মাংস, ডিম, পনির, ডাল এবং বিভিন্ন শস্যদানা নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সামরিক সংঘাতের নতুন আশঙ্কা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার গ্রিনিচ মান সময় সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪৩ সেন্ট বা ০.৪৫ শতাংশ কমে ৯৫.২০ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ২৪ সেন্ট বা ০.২৬ শতাংশ কমে ৯০.৭৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের ঝুঁকি মধ্যপ্রাচ্যে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে পারে—এমন আশঙ্কা এখনও বিদ্যমান। ফলে বিনিয়োগকারীরা পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখছেন।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘হরমুজ প্রণালি’র নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ তিনি এই প্রস্তাবটি তুলে ধরেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ওই পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তাই এই প্রণালির নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ করা উচিত কিনা, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা যেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ২৫ সদস্যের ‘জলবায়ু অর্থায়ন-সম্পর্কিত জাতীয় কমিটি’ বা ন্যাশনাল কমিটি অন ক্লাইমেট ফাইন্যান্স (এনসিসিএফ) গঠন করেছে। এই কমিটি জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট এবং কার্বন ট্রেডিং কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত ও কার্যকর জাতীয় কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যেখানে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবগঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু কমিটির সহসভাপতি হিসেবে এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ কমিটির সমন্বয়ের মুখ্য দায়িত্বে থাকবেন।
সাইমুম পারভেজকে কমিটির সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। অন্যদিকে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব নবগঠিত এই কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে কাজ করবেন।
কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান-বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।
এছাড়া, অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন—প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, শিল্প মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ সচিবরা।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটি জলবায়ু অর্থায়ন ও কার্বন ক্রেডিট বিষয়ে বাংলাদেশের জাতীয় রূপকল্প, লক্ষ্য ও কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। কমিটি কার্বন ক্রেডিট এবং জলবায়ু অর্থায়ন-সংক্রান্ত বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে সামগ্রিক নীতিগত দিকনির্দেশনাও প্রদান করবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্যারিস চুক্তির আর্টিকেল-৬ সহ আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের আলোকে বাংলাদেশের জাতীয় কার্বন ক্রেডিট ও জলবায়ু অর্থায়ন কাঠামো প্রণয়ন, অনুমোদন ও বাস্তবায়নের বিষয়ে পরামর্শ দেবে নবগঠিত এই কমিটি। পাশাপাশি, দেশে কার্বন ট্রেডিং কার্যক্রম পরিচালনার নীতিগত দিকনির্দেশনা প্রদান এবং আর্টিকেল-৬ বাস্তবায়নে মনোনীত জাতীয় কর্তৃপক্ষ বা ডেজিগনেটেড ন্যাশনাল অথরিটির কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবে।
এছাড়া, নবগঠিত এই কমিটি জলবায়ু অর্থায়ন-সংক্রান্ত নীতি, কৌশল ও নির্দেশিকা চূড়ান্ত করার পাশাপাশি বিদ্যমান নীতি-কাঠামোর প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংস্কারের সুপারিশ করবে। দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় জলবায়ু তহবিল এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ, অর্থায়ন সংগ্রহের কৌশল নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মসূচি ও প্রকল্পের অগ্রগতি পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন করবে।
এ ক্ষেত্রে জলবায়ু অর্থায়ন-সম্পর্কিত বাস্তবায়ন কমিটি ও কারিগরি কমিটিগুলোর কার্যক্রম তত্ত্বাবধান, তাদের প্রতিবেদন পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার দায়িত্বও জাতীয় কমিটির ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, জলবায়ু অর্থায়ন-সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় নীতিগত বিষয়ে উদ্ভূত জটিলতা নিরসনেও কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বছরে ন্যূনতম দুবার কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রয়োজন হলে যেকোনো সময় সভা আহ্বান করা যাবে। প্রয়োজনে নতুন সদস্য কো-অপ্ট করার ক্ষমতা থাকবে এই কমিটির।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ