বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৩ এম
সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ২৫ সদস্যের ‘জলবায়ু অর্থায়ন-সম্পর্কিত জাতীয় কমিটি’ বা ন্যাশনাল কমিটি অন ক্লাইমেট ফাইন্যান্স (এনসিসিএফ) গঠন করেছে। এই কমিটি জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট এবং কার্বন ট্রেডিং কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত ও কার্যকর জাতীয় কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যেখানে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবগঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু কমিটির সহসভাপতি হিসেবে এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ কমিটির সমন্বয়ের মুখ্য দায়িত্বে থাকবেন।
সাইমুম পারভেজকে কমিটির সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। অন্যদিকে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব নবগঠিত এই কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে কাজ করবেন।
কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান-বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।
এছাড়া, অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন—প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, শিল্প মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ সচিবরা।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটি জলবায়ু অর্থায়ন ও কার্বন ক্রেডিট বিষয়ে বাংলাদেশের জাতীয় রূপকল্প, লক্ষ্য ও কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। কমিটি কার্বন ক্রেডিট এবং জলবায়ু অর্থায়ন-সংক্রান্ত বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে সামগ্রিক নীতিগত দিকনির্দেশনাও প্রদান করবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্যারিস চুক্তির আর্টিকেল-৬ সহ আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের আলোকে বাংলাদেশের জাতীয় কার্বন ক্রেডিট ও জলবায়ু অর্থায়ন কাঠামো প্রণয়ন, অনুমোদন ও বাস্তবায়নের বিষয়ে পরামর্শ দেবে নবগঠিত এই কমিটি। পাশাপাশি, দেশে কার্বন ট্রেডিং কার্যক্রম পরিচালনার নীতিগত দিকনির্দেশনা প্রদান এবং আর্টিকেল-৬ বাস্তবায়নে মনোনীত জাতীয় কর্তৃপক্ষ বা ডেজিগনেটেড ন্যাশনাল অথরিটির কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবে।
এছাড়া, নবগঠিত এই কমিটি জলবায়ু অর্থায়ন-সংক্রান্ত নীতি, কৌশল ও নির্দেশিকা চূড়ান্ত করার পাশাপাশি বিদ্যমান নীতি-কাঠামোর প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংস্কারের সুপারিশ করবে। দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় জলবায়ু তহবিল এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ, অর্থায়ন সংগ্রহের কৌশল নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মসূচি ও প্রকল্পের অগ্রগতি পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন করবে।
এ ক্ষেত্রে জলবায়ু অর্থায়ন-সম্পর্কিত বাস্তবায়ন কমিটি ও কারিগরি কমিটিগুলোর কার্যক্রম তত্ত্বাবধান, তাদের প্রতিবেদন পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার দায়িত্বও জাতীয় কমিটির ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, জলবায়ু অর্থায়ন-সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় নীতিগত বিষয়ে উদ্ভূত জটিলতা নিরসনেও কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বছরে ন্যূনতম দুবার কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রয়োজন হলে যেকোনো সময় সভা আহ্বান করা যাবে। প্রয়োজনে নতুন সদস্য কো-অপ্ট করার ক্ষমতা থাকবে এই কমিটির।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর ঐতিহ্যবাহী সাপাহার আম বাজারে এখন বারোমাসি ও সুস্বাদু 'কাটিমন' আমের জয়জয়কার। বর্তমানে এই হাটে প্রতি মণ কাটিমন আম বিক্রি হচ্ছে ৬,৫০০ টাকা দরে। ভালো দাম ও ব্যাপক চাহিদা থাকায় হাসি ফুটেছে স্থানীয় ও দূরদূরান্ত থেকে আসা আম চাষীদের মুখে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কেবল নওগাঁর স্থানীয় চাষীরাই নন, পার্শ্ববর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গোমস্তাপুর, পোরশা, নিয়ামতপুরসহ বিভিন্ন দূরদূরান্তের এলাকা থেকে প্রতিদিন শত শত কৃষক তাঁদের উৎপাদিত কাটিমন আম নিয়ে এই বাজারে হাজির হচ্ছেন।
ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা জানান, কাটিমন আম অত্যন্ত মিষ্টি ও আঁশহীন হওয়ায় বাজারে এর কদর ও চাহিদা অনেক বেশি। বছরের অন্য সময় আম প্রায় শেষ হয়ে এলেও কাটিমনের সরবরাহের কারণে বাজারে এখনো কেনাবেচার বেশ জাঁকজমক ভাব রয়েছে। ভালো দাম পাওয়ায় চাষীরাও এই আম চাষে দিন দিন আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরের ডাউনটাউনের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে গুলির ঘটনায় অন্তত দু’জন প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবারের (২ সেপ্টেম্বর) এই ঘটনার পর পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন হামলাকারীও মারা গেছে। খবরটি এনডিটিভির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
মিনিয়াপোলিস পুলিশের সার্জেন্ট গ্যারেট পার্টেন বুধবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, গুলির ঘটনায় তিন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, তিন কর্মকর্তার অবস্থান বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতদের একজন ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। অন্যজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু ঘটে।
এ ঘটনার পর মোট সাতজনকে কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানায় হেনেপিন হেলথকেয়ার মেডিকেল সেন্টার। তবে আহতদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি।
গুলির ঘটনার পর মিনিয়াপোলিস পুলিশ জনসাধারণকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে।
মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করতে অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। তিনি হামলায় সাড়া দেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং আহতদের জন্য প্রার্থনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে, এফবিআইও ঘটনাটির তদন্তে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সহায়তায় এগিয়ে এসেছে। এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।
মিনেসোটা হাউসের স্পিকার লিসা ডেমুথ ঘটনাটিকে ‘জঘন্য অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করে নিহত ও আহতদের জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে সাড়া দেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রশংসাও করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেনোপজ নারীদের জীবনের একটি প্রাকৃতিক পর্যায়, যখন মাসিক বা ঋতুস্রাব স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। যদি কোনো নারী টানা ১২ মাস মাসিক না পায়, তাহলে তাকে মেনোপজ হয়েছে বলে ধরা হয়। সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের নারীদের মধ্যে এই প্রক্রিয়া ঘটে। তবে, প্রতিটি নারীর ক্ষেত্রে মেনোপজের ঘটনা একরকম হয় না। এটি বয়সের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে ঘটতে পারে, অথবা অস্ত্রোপচার, চিকিৎসা, বা অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে হতে পারে।
মেনোপজের ধরণ—
প্রাকৃতিক মেনোপজ হলো সবচেয়ে সাধারণ প্রকার, যা নারীর বয়স বাড়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে বিকশিত হয়। সাধারণত এটি ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের মধ্যে ঘটে, যখন ডিম্বাশয় ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের উৎপাদন কমিয়ে দেয়।
সার্জিক্যাল মেনোপজ ঘটে যখন উভয় ডিম্বাশয় অপসারণের জন্য বাইল্যাটারাল উফোরেক্টমি নামক অস্ত্রোপচার করা হয়, যা প্রায়শই হিস্টেরেক্টমির সময় হয়ে থাকে। হরমোনের মাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ার কারণে, এর লক্ষণগুলো সাধারণত স্বাভাবিক মেনোপজের লক্ষণের তুলনায় বেশি তীব্র হয়।
অকাল মেনোপজ ঘটে ৪০ বছর বয়সের আগে। এটি জিনগত কারণ, অটোইমিউন রোগ, বা কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থার কারণে হতে পারে।
পেরিমেনোপজ হলো মেনোপজের পূর্ববর্তী একটি অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায়, যেখানে মাসিক ঋতুস্রাব অনিয়মিত হয়ে পড়ে এবং হট ফ্ল্যাশ, মেজাজের পরিবর্তন ও ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়।
পোস্ট মেনোপজ হলো সেই সময়, যখন কোনো নারী টানা ১২ মাস মাসিক না পায়। যদিও মেনোপজের লক্ষণগুলোর প্রায়শই উন্নতি ঘটে, তবুও অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগের ঝুঁকি থেকে যায় এবং হৃদরোগের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়, যা ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে ঘটে।
প্ররোচিত মেনোপজ ঘটে কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি বা ওষুধের মতো চিকিৎসা পদ্ধতির ফলে, যা ডিম্বাশয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং হরমোন উৎপাদন কমিয়ে দেয়।
মেনোপজের পর্যায়
মেনোপজ একটি ধীর প্রক্রিয়া, যা তিনটি পর্যায়ে ঘটে এবং প্রতিটি পর্যায়ের নিজস্ব হরমোনগত পরিবর্তন ও উপসর্গ রয়েছে।
• পেরিমেনোপজ: এটি মেনোপজের আগের পরিবর্তনকালীন পর্যায়, যেখানে মাসিক চক্র অনিয়মিত হয়ে পড়ে এবং হট ফ্ল্যাশ, মেজাজের পরিবর্তন ও ঘুমের সমস্যার মতো উপসর্গগুলো দেখা দিতে শুরু করে। এই পর্যায়টি কয়েক বছর স্থায়ী হতে পারে।
• মেনোপজ: এই পর্যায়ে কোনো নারীর টানা ১২ মাস ধরে মাসিক হয় না। এই সময়ে হরমোন উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায় এবং স্বাভাবিক প্রজনন ক্ষমতা শেষ হয়ে যায়।
• পোস্ট মেনোপজ: এটি মেনোপজের পরবর্তী পর্যায়। যদিও মেনোপজের অনেক উপসর্গ ধীরে ধীরে উন্নত হয়, ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে নারীদের অস্টিওপোরোসিস, হৃদরোগ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
মেনোপজের লক্ষণ
মেনোপজ প্রত্যেক নারীকে ভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। কিছু নারী কেবল হালকা উপসর্গ অনুভব করেন, আবার অন্যদের ক্ষেত্রে এমন উপসর্গ দেখা দিতে পারে যা তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং জীবনযাত্রার মানকে ব্যাহত করে। মেনোপজের সাধারণ লক্ষণ ও উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে:
• অনিয়মিত মাসিক যা অবশেষে বন্ধ হয়ে যায়।
• গরম ঝলকানি এবং রাতের ঘাম।
• মেজাজের আকস্মিক পরিবর্তন, খিটখিটে ভাব, উদ্বেগ বা বিষণ্ণতা।
• ঘুমাতে অসুবিধা বা অনিদ্রা।
• যোনিপথের শুষ্কতা এবং যৌন মিলনের সময় অস্বস্তি।
• যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া (লিবিডো হ্রাস)।
• ওজন বৃদ্ধি, বিশেষ করে পেটের চারপাশে।
• চুল পাতলা হওয়া এবং শুষ্ক ত্বক।
• স্মৃতিভ্রংশ, মনোযোগের অভাব বা একাগ্রতার অভাব।
• গাঁটে ব্যথা, মাংসপেশীর যন্ত্রণা এবং ক্লান্তি।
• স্তনে কোমলতা বা স্তনে ব্যথা।
• মূত্রনালীর সংক্রমণের (ইউটিআই) ঝুঁকি বৃদ্ধি।
মেনোপজের চিকিৎসা
১. হাড় ও হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, প্রোটিন, ফল, শাকসবজি এবং শস্যদানা সমৃদ্ধ একটি সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন;
২. মেজাজ ভালো রাখতে ও হাড়ের ক্ষয় কমাতে হাঁটা, যোগব্যায়াম, শক্তি প্রশিক্ষণ বা অন্যান্য শারীরিক কার্যকলাপের মাধ্যমে নিয়মিত ব্যায়াম করুন;
৩. মানসিক চাপ ও হট ফ্ল্যাশ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করার জন্য ধ্যান, গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস বা মাইন্ডফুলনেসের মতো শিথিলকরণ কৌশল অনুশীলন করুন;
৪. ঘুমের মান উন্নত করতে ও রাতে ঘাম হওয়া কমাতে ঘুমানোর আগে একটি আরামদায়ক রুটিন মেনে চলুন এবং গরম পানিতে গোসল করুন;
৫. সবুজ শাকসবজি, দুগ্ধজাত পণ্য, ডাল, বাদাম, শস্যদানা এবং ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার খান;
৬. ঝাল খাবার, ক্যাফেইন, অ্যালকোহল, চিনিযুক্ত পানীয় এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার, যা হট ফ্ল্যাশ ও ঘুমের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে, এসব খাবার এড়িয়ে চলুন।
সঠিক চিকিৎসা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং নিয়মিত ফলো-আপের মাধ্যমে বেশিরভাগ নারীই সফলভাবে মেনোপজের লক্ষণগুলো সামলাতে এবং দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সক্ষম হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে এক বছরের জন্য। শহর কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত শ্রেণিকক্ষে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য নীতিমালা তৈরির অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তটি দেশের সবচেয়ে বড় স্কুলে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কঠোর এআই নীতিগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। লস অ্যাঞ্জেলেসসহ অন্যান্য কিছু স্কুল জেলা এআই ব্যবহারের নীতিমালা পর্যালোচনা করার কথা জানিয়েছে এর আগে।
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের জানান, শহরের স্কুলগুলোতে বর্তমানে ব্যবহৃত প্রায় ৪০টি শিক্ষামূলক এআই টুলের ব্যবহার বন্ধ রাখা হবে।
মামদানি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “শিশুদের শেখা ও বেড়ে ওঠার জন্য শিক্ষক এবং মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ প্রয়োজন। সহপাঠীদের সঙ্গে কাজ করা, শিক্ষকদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা এবং কঠিন সমস্যার সমাধান নিজেরা করার মতো দক্ষতা তাদের গড়ে তুলতে হবে।”
গুগল, অ্যানথ্রপিক ও মাইক্রোসফটের মতো বড় এআই প্রতিষ্ঠানগুলো এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
নতুন এই নীতির আওতায় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ সরকারি স্কুল শিক্ষার্থী থাকবে। তবে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কিছু ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
শিক্ষকদের অবশ্য এআই ব্যবহারে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাখা হয়নি। পাঠ পরিকল্পনা তৈরি, সময়সূচি নির্ধারণসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে তারা এআই ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ।
এর আগে ২০২২ সালে চ্যটজিপিটি চালুর পর নিউইয়র্ক সিটির সরকারি স্কুলগুলোতে সাময়িকভাবে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় এবং শিক্ষকদের সহায়তার জন্য নিজস্ব এআইভিত্তিক টুল চালু করা হয়।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ