বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:১৬ পি.এম
বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের উদ্যোগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘৪০তম জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ।’ এবারের প্রতিযোগিতায় রেকর্ড ৬১৬ শাটলার অংশগ্রহণ করছেন, যারা ৮৮টি দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন, যার মধ্যে জেলা, বিভাগ, শিক্ষাবোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন সংস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এতে পুরুষ প্রতিযোগীদের সংখ্যা ৫৩৫ এবং নারী শাটলার রয়েছেন ৮১ জন। পল্টনস্থ শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ছয় দিনব্যাপী এ আয়োজন আগামী ২৮ অক্টোবর শেষ হবে। প্রধান অতিথি হিসেবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক উদ্বোধন করবেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান খাঁন এবং এনএসসির পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ জাহেদ পারভেজ চৌধুরী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) টুর্নামেন্ট ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য তুলে ধরেন ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসিবুর রহমান শাকিল। এ সময় ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে পিএইচপি ফ্যামিলি এবং সহযোগী হিসেবে রয়েছে জেডএসআরএম, নোহা, আইপিডিসি, ব্র্যাক ব্যাংক, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি ও পিপলস ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। টুর্নামেন্টের বেভারেজ পার্টনার হিসেবে রয়েছে টার্বো ইলেকট্রোলাইট স্পোর্টস ড্রিংক এবং কানেক্টিভিটি পার্টনার ওয়ান স্কাই কমিউনিকেশন লিমিটেড।
জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো দেশের ব্যাডমিন্টনে নতুন প্রতিভা অন্বেষণ, প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের প্রতিভা তুলে ধরা এবং জাতীয় পর্যায়ে খেলাটির প্রতিযোগিতামূলক মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা। এ মন্তব্য করেন ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসিবুর রহমান। ১০ লাখ টাকার প্রাইজমানির টুর্নামেন্টে পুরুষ এককে চ্যাম্পিয়ন পাবেন ১ লাখ ৪০ হাজার, রানার আপ পাবেন ১ লাখ টাকা। নারী এককে চ্যাম্পিয়ন পাবেন ১ লাখ এবং রানার আপের জন্য থাকছে ৬০ হাজার টাকা অর্থ পুরস্কার। এছাড়া পুরুষ দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন পাবেন ১ লাখ ৪০ হাজার, রানার্স আপ পাবেন ১ লাখ টাকা, নারী দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন পাবেন ১ লাখ, রানার্স আপ পাবেন ৬০ হাজার এবং মিশ্র দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন পাবেন ১ লাখ এবং রানার্স আপের জন্য থাকবে ৬০ হাজার টাকা। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের জন্য বিশেষ পুরস্কার হিসেবে থাকছে একটি ইলেকট্রিক বাইক।
ইনজুরির কারণে গত আসরের পুরুষ এককে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ আনসারের খন্দকার আবদুস সোয়াদ এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারছেন না। তবে রানার আপ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আল আমিন জুমার অংশগ্রহণ নিশ্চিত। এছাড়া নারী এককে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নাসিমা খাতুন এবং রানার আপ উর্মি আক্তার (বাংলাদেশ সেনাবাহিনী) সহ শীর্ষ খেলোয়াড়রা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ট্রাক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এক নারীসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আরও অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মৈকুলী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন, রূপগঞ্জের মৈকুলী এলাকার বাসিন্দা শাহনাজ বেগম (৫৫) এবং একই এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে রিফাত হোসেন (২০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে যাত্রী নিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা রূপসীর দিকে যাচ্ছিল। মৈকুলী এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষে অটোরিকশাটি সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার ফলে ঘটনাস্থলেই শাহনাজ বেগম ও রিফাত হোসেনের মৃত্যু ঘটে।
এ সময় অটোরিকশায় থাকা আরও অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ভুলতা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে এর সাংগঠনিক কাঠামোর খসড়া তৈরি করতে নির্দেশনা প্রদান করেছে এবং পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পাঠানোর জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জায় কর্মরত ১০ লাখের বেশি ধর্মীয় ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে কার্যালয় ও প্রয়োজনীয় জনবল কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
জানা গেছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে, যাতে অধিদপ্তরের সাংগঠনিক কাঠো তৈরি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, "সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে গত ৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত সেলের সপ্তম সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়।"
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জনবল কাঠামোসহ কার্যালয় স্থাপনের জন্য একটি খসড়া সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় চেকলিস্টসহ পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তরে রূপান্তরিত হলে বর্তমানে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ওপর সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের গতি বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বোর্ড অব গভর্নরসের বর্তমান কাঠামো বিলুপ্ত হবে। এছাড়া, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনার পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন ভারতের কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই। মুম্বাইয়ে একের পর এক অপরাধের ঘটনার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে উঠলেও পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছে না। গত তিন বছরে শহরটিতে অন্তত চারটি বড় অপরাধের সঙ্গে তার গ্যাংয়ের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞার কারণে মুম্বাই পুলিশ লরেন্স বিষ্ণোইকে গুজরাটের সবরমতি কারাগার থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাইরে আনতে পারছে না। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী, তাকে কারাগার থেকে অন্য কোথাও নেওয়ার অনুমতি নেই। ফলে মুম্বাইয়ে একের পর এক অপরাধের ঘটনার প্রেক্ষিতে তার গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও সরাসরি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না তদন্তকারীদের জন্য।
লরেন্স বিষ্ণোইকে অন্য কোনো সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগার থেকে বাইরে নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ২০২৩ সালের আগস্টে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্ত্রণালয় ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৮ ধারার অধীনে এই আদেশ জারি করে।
সম্প্রতি নতুন আইন ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ৩০৩ ধারার অধীনে আদেশটি নবায়ন করা হয়েছে। এই আদেশের ফলে আদালতের সাধারণ হাজিরা পরোয়ানা থাকলেও লরেন্স বিষ্ণোইকে কারাগার থেকে অন্য কোথাও নেওয়া যাবে না। একইভাবে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদনও গ্রহণ করা যাবে না।
ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং তাকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় সম্ভাব্য সহিংসতা এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে তদন্তকারী সংস্থাগুলো চাইলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। এ ছাড়া উপযুক্ত আদালতের অনুমতি নিয়ে কারাগারের ভেতরেও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে।
গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই পাঞ্জাব, রাজস্থান ও মহারাষ্ট্রসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে একাধিক মামলার আসামি। বিদেশেও তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে তিনি গুজরাটের আহমেদাবাদের সবরমতি কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি কারাগারে থাকলেও তার গ্যাংয়ের সদস্যরা বাইরে বিভিন্ন ব্যক্তিকে হত্যা ও হুমকি দেওয়ার মতো অপরাধে জড়িত।
লরেন্স বিষ্ণোই প্রথম কোনো প্রভাবশালী বন্দি নন, যাকে কারাগার থেকে অন্যত্র নেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাখা হয়েছে। ২০১৫ সালে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন ছোটা রাজনকেও একই ধরনের সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল। ইন্দোনেশিয়ায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয় এবং দিল্লির তিহার কারাগারে রাখা হয়।
কারাগারে থাকাকালে গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ছোটা রাজন দাবি করেন, মুম্বাইয়ে তার জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তার অভিযোগ ছিল, মুম্বাই পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা তার প্রতিদ্বন্দ্বী দাউদ ইব্রাহিমের হয়ে কাজ করছিলেন। এদিকে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ছোট ভাই অনমোল বিষ্ণোইও একই ধরনের সুরক্ষা পেয়ে আসছেন। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে প্রত্যর্পণের পর তাকে দিল্লির তিহার কারাগারে রাখা হয়।
২০২৪ সালের এপ্রিলে মুম্বাই পুলিশের নজরে আসেন গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই। ওই সময় তার গ্যাংয়ের ভাড়া করা কয়েকজন হামলাকারী অভিনেতা সালমান খানের বান্দ্রার বাসভবন গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলি চালায়। পুলিশের দাবি, সালমান খানকে হত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই ওই হামলা চালানো হয়েছিল।
সালমান খান দীর্ঘদিন ধরেই লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাংয়ের লক্ষ্যবস্তু বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষ্ণোইয়ের গ্যাংয়ের দাবি, সালমান খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণেই অভিনেতা টাইগার শ্রফসহ অন্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। রবিবার টাইগার শ্রফের ওপর হামলার পর গ্যাংটি আবারও হুমকি দেয়।
তাদের দাবি, কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে সালমান খানকে লরেন্স বিষ্ণোই ও বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় তার পরিবারের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, এমনকি তার পোষা কুকুরদেরও নয় বলে হুমকি দেওয়া হয়।
এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকী হত্যাকাণ্ডে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাংয়ের সদস্যদের যোগসূত্র পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় পুলিশ লরেন্স বিষ্ণোইকে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করলেও তাকে হেফাজতে নিতে পারেনি। পরে চলচ্চিত্র নির্মাতা রোহিত শেঠির কাছেও চাঁদা দাবির হুমকি আসে। এসব ঘটনা ঘিরে বলিউডের তারকাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণী ও বলিউডের অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা শাহরুখ খানের সঙ্গে অভিনয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি তিনি জনপ্রিয় টক শো ‘কফি উইথ করণ ৯’-এর র্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে অংশ নিয়ে এই ইচ্ছার কথা জানান।
শো চলাকালীন, উপস্থাপক করণ জোহর রাশমিকার কাছে প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যতে কোন শীর্ষ অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে তিনি আগ্রহী। রাশমিকা সোজাসাপ্টা উত্তর দেন, ‘শাহরুখ খান এবং রাশমিকা জুটির কোনো সিনেমা হলে বিষয়টি সত্যিই দারুণ ও রোমাঞ্চকর হবে।’
যদিও তাদের দুজনকে একসঙ্গে বড় পর্দায় দেখতে পাওয়ার বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে অভিনেত্রীর এই মন্তব্য বিনোদন জগতে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
রাশমিকা কন্নড়, তেলেগু এবং হিন্দি—এই তিনটি ইন্ডাস্ট্রিতেই তার অভিনয়ের মাধ্যমে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। অন্যদিকে, শাহরুখ খানের স্টারডম এবং তার প্রজেক্ট নিয়ে ভক্তদের উন্মাদনা সবসময়ই আকাশছোঁয়া। ফলে এই দুই তারকাকে একসাথে দেখার সম্ভাবনা নিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়ে গেছে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে।
তবে এটি এখন পর্যন্ত কেবল রাশমিকার মনের সুপ্ত ইচ্ছা, কোনো নিশ্চিত প্রজেক্টের ঘোষণা নয়। এখন দেখার বিষয়, নির্মাতারা এই জুটিকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেন কিনা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ