ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে


সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে

সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে এর সাংগঠনিক কাঠামোর খসড়া তৈরি করতে নির্দেশনা প্রদান করেছে এবং পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পাঠানোর জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জায় কর্মরত ১০ লাখের বেশি ধর্মীয় ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে কার্যালয় ও প্রয়োজনীয় জনবল কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে, যাতে অধিদপ্তরের সাংগঠনিক কাঠো তৈরি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, "সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে গত ৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত সেলের সপ্তম সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়।"

আরও পড়ুন: এইচএসসি ও সমমানের ফল বৃহস্পতিবার প্রকাশ, পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জনবল কাঠামোসহ কার্যালয় স্থাপনের জন্য একটি খসড়া সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় চেকলিস্টসহ পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরে রূপান্তরিত হলে বর্তমানে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ওপর সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের গতি বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বোর্ড অব গভর্নরসের বর্তমান কাঠামো বিলুপ্ত হবে। এছাড়া, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুম্বাই পুলিশ গুজরাটের কারাগার থেকে লরেন্স বিষ্ণোইকে নিতে পারছে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৮ পি.এম


মুম্বাই পুলিশ গুজরাটের কারাগার থেকে লরেন্স বিষ্ণোইকে নিতে পারছে না

বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনার পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন ভারতের কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই। মুম্বাইয়ে একের পর এক অপরাধের ঘটনার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে উঠলেও পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছে না। গত তিন বছরে শহরটিতে অন্তত চারটি বড় অপরাধের সঙ্গে তার গ্যাংয়ের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞার কারণে মুম্বাই পুলিশ লরেন্স বিষ্ণোইকে গুজরাটের সবরমতি কারাগার থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাইরে আনতে পারছে না। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী, তাকে কারাগার থেকে অন্য কোথাও নেওয়ার অনুমতি নেই। ফলে মুম্বাইয়ে একের পর এক অপরাধের ঘটনার প্রেক্ষিতে তার গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও সরাসরি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না তদন্তকারীদের জন্য।

লরেন্স বিষ্ণোইকে অন্য কোনো সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগার থেকে বাইরে নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ২০২৩ সালের আগস্টে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্ত্রণালয় ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৮ ধারার অধীনে এই আদেশ জারি করে।

সম্প্রতি নতুন আইন ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ৩০৩ ধারার অধীনে আদেশটি নবায়ন করা হয়েছে। এই আদেশের ফলে আদালতের সাধারণ হাজিরা পরোয়ানা থাকলেও লরেন্স বিষ্ণোইকে কারাগার থেকে অন্য কোথাও নেওয়া যাবে না। একইভাবে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদনও গ্রহণ করা যাবে না।

ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং তাকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় সম্ভাব্য সহিংসতা এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে তদন্তকারী সংস্থাগুলো চাইলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। এ ছাড়া উপযুক্ত আদালতের অনুমতি নিয়ে কারাগারের ভেতরেও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে।

গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই পাঞ্জাব, রাজস্থান ও মহারাষ্ট্রসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে একাধিক মামলার আসামি। বিদেশেও তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে তিনি গুজরাটের আহমেদাবাদের সবরমতি কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি কারাগারে থাকলেও তার গ্যাংয়ের সদস্যরা বাইরে বিভিন্ন ব্যক্তিকে হত্যা ও হুমকি দেওয়ার মতো অপরাধে জড়িত।

লরেন্স বিষ্ণোই প্রথম কোনো প্রভাবশালী বন্দি নন, যাকে কারাগার থেকে অন্যত্র নেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাখা হয়েছে। ২০১৫ সালে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন ছোটা রাজনকেও একই ধরনের সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল। ইন্দোনেশিয়ায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয় এবং দিল্লির তিহার কারাগারে রাখা হয়।

কারাগারে থাকাকালে গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ছোটা রাজন দাবি করেন, মুম্বাইয়ে তার জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তার অভিযোগ ছিল, মুম্বাই পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা তার প্রতিদ্বন্দ্বী দাউদ ইব্রাহিমের হয়ে কাজ করছিলেন। এদিকে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ছোট ভাই অনমোল বিষ্ণোইও একই ধরনের সুরক্ষা পেয়ে আসছেন। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে প্রত্যর্পণের পর তাকে দিল্লির তিহার কারাগারে রাখা হয়।

২০২৪ সালের এপ্রিলে মুম্বাই পুলিশের নজরে আসেন গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই। ওই সময় তার গ্যাংয়ের ভাড়া করা কয়েকজন হামলাকারী অভিনেতা সালমান খানের বান্দ্রার বাসভবন গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলি চালায়। পুলিশের দাবি, সালমান খানকে হত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই ওই হামলা চালানো হয়েছিল।

সালমান খান দীর্ঘদিন ধরেই লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাংয়ের লক্ষ্যবস্তু বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষ্ণোইয়ের গ্যাংয়ের দাবি, সালমান খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণেই অভিনেতা টাইগার শ্রফসহ অন্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। রবিবার টাইগার শ্রফের ওপর হামলার পর গ্যাংটি আবারও হুমকি দেয়।

তাদের দাবি, কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে সালমান খানকে লরেন্স বিষ্ণোই ও বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় তার পরিবারের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, এমনকি তার পোষা কুকুরদেরও নয় বলে হুমকি দেওয়া হয়।

এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকী হত্যাকাণ্ডে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাংয়ের সদস্যদের যোগসূত্র পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় পুলিশ লরেন্স বিষ্ণোইকে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করলেও তাকে হেফাজতে নিতে পারেনি। পরে চলচ্চিত্র নির্মাতা রোহিত শেঠির কাছেও চাঁদা দাবির হুমকি আসে। এসব ঘটনা ঘিরে বলিউডের তারকাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহরুখ খানের সঙ্গে অভিনয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করলেন রাশমিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৮ পি.এম


শাহরুখ খানের সঙ্গে অভিনয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করলেন রাশমিকা

দক্ষিণী ও বলিউডের অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা শাহরুখ খানের সঙ্গে অভিনয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি তিনি জনপ্রিয় টক শো ‘কফি উইথ করণ ৯’-এর র‌্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে অংশ নিয়ে এই ইচ্ছার কথা জানান।

শো চলাকালীন, উপস্থাপক করণ জোহর রাশমিকার কাছে প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যতে কোন শীর্ষ অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে তিনি আগ্রহী। রাশমিকা সোজাসাপ্টা উত্তর দেন, ‘শাহরুখ খান এবং রাশমিকা জুটির কোনো সিনেমা হলে বিষয়টি সত্যিই দারুণ ও রোমাঞ্চকর হবে।’

যদিও তাদের দুজনকে একসঙ্গে বড় পর্দায় দেখতে পাওয়ার বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে অভিনেত্রীর এই মন্তব্য বিনোদন জগতে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

রাশমিকা কন্নড়, তেলেগু এবং হিন্দি—এই তিনটি ইন্ডাস্ট্রিতেই তার অভিনয়ের মাধ্যমে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। অন্যদিকে, শাহরুখ খানের স্টারডম এবং তার প্রজেক্ট নিয়ে ভক্তদের উন্মাদনা সবসময়ই আকাশছোঁয়া। ফলে এই দুই তারকাকে একসাথে দেখার সম্ভাবনা নিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়ে গেছে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে।

তবে এটি এখন পর্যন্ত কেবল রাশমিকার মনের সুপ্ত ইচ্ছা, কোনো নিশ্চিত প্রজেক্টের ঘোষণা নয়। এখন দেখার বিষয়, নির্মাতারা এই জুটিকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেন কিনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০ বছরেও সংস্কার হয়নি বহু সড়ক, কাঁচা ও ভাঙা পথে পাইন্দংবাসীর দুর্ভোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


২০ বছরেও সংস্কার হয়নি বহু সড়ক, কাঁচা ও ভাঙা পথে পাইন্দংবাসীর দুর্ভোগ

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক দীর্ঘ সময় ধরে সংস্কার ও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হওয়ায় এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হচ্ছেন। কিছু স্থানে ইটের সলিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ, আবার কোথাও বছরের পর বছর পড়ে আছে কাঁচা মাটির রাস্তা। গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন সড়কের এমন অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য তাজুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, গত দুই বছরে তাঁর ওয়ার্ডে কোনো প্রকল্প বরাদ্দ করা হয়নি। বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেও সড়ক উন্নয়নের জন্য প্রকল্প পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এনকে ব্রিকসের উত্তর পাশে খেজুরতলা এলাকার জহুর মেম্বারের বাড়ির সড়কটি প্রায় ১০ থেকে ১৫ বছর আগে ইটের সলিং করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সড়কটির সংস্কার হয়নি। পূর্ব পাশ থেকে পশ্চিম পাশ পর্যন্ত প্রায় তিনশ ফুট অংশ এখনো কাঁচা মাটির রাস্তা হিসেবে রয়ে গেছে। ব্রিকফিল্ড থেকে সড়কে নামার স্থানে প্রায় দুইশ ফুট অংশে পুরোনো ভাঙাচোরা সলিং রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় দুই দশক আগে সংস্কার করা সড়কটির পর আর কোনো উন্নয়ন হয়নি।

ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবুল ভৌমিকের বাড়ির সংযোগ সড়কটির অবস্থাও নাজুক। স্থানীয়রা জানিয়েছেন যে, প্রায় ১ হাজার ৩০০ ফুট দীর্ঘ সড়কটি স্বাধীনতার পর থেকে কাঁচা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রকল্পের আওতায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সেখানে ২০ ফুট দীর্ঘ একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হলেও দুই পাশের সংযোগ সড়ক এখনো কাঁচা। ফলে কালভার্ট নির্মাণের সুফল পুরোপুরি পাচ্ছেন না এলাকাবাসী।

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের পশ্চিম পাশ দিয়ে হেয়াকোঁ সড়ক থেকে হযরত আব্দুল মালেক শাহ সংযোগ সড়কেও ইটের সলিং উঠে গিয়ে বেহাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করেন। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় তাঁদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

উত্তর হাইদছকিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমানের বাড়ি থেকে চাঁন গাজী মসজিদ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ২০০ ফুট সড়ক স্বাধীনতার পর থেকে কাঁচা অবস্থায় রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। অন্যদিকে পেলাগাজী দিঘী-হেয়াকোঁ সড়কের সংযোগস্থল সেবাখোলা থেকে কারণ সিকদার বাড়ির সড়কটিরও প্রায় ২০ বছর ধরে সংস্কার হয়নি। ইট উঠে গিয়ে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

জহুর মেম্বারের বাড়ি থেকে আলী আহমেদের বাড়ির মাটির রাস্তার প্রায় ৪০০ মিটার অংশও সম্পূর্ণ কাঁচা। উত্তর হাইদছকিয়ায় নেভি ফজলুল করিমের বাড়ির সড়ক এবং চৌকিদার শফির বাড়ির সড়কেও বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। কোথাও খানাখন্দ ও গর্তের কারণে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, কোথাও কাঁচা রাস্তা দিয়ে যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয়রা।

পাইন্দং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তাজুল ইসলাম বলেন, "বিগত দুই বছর ধরে আমার তিন নম্বর ওয়ার্ডে কোনো প্রকল্পই দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন দপ্তরে তদবির করেও কোনো প্রকল্প পাইনি। আমার ওয়ার্ডের প্রায় প্রতিটি সড়কই বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। উত্তর হাইদছকিয়ার নেভি ফজলুল করিম বাড়ির সড়কটি এতটাই অবহেলিত যে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। চৌকিদার শফির বাড়ির সড়কে খানা-খন্দ ও গর্তের কারণে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।"

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, "এটা আসলে ঠিক নয়। সব ওয়ার্ডেই সমানভাবে কাজ হওয়া উচিত। ইউনিয়ন ভিত্তিক যে বরাদ্দ দেওয়া হয়, সেখানে সব ওয়ার্ডে সমানভাবে বরাদ্দ নিশ্চিত করার জন্য আমরা চেষ্টা করি। চেয়ারম্যানদেরও সমন্বয় করার কথা। যদি কোনো ওয়ার্ডে কাজ না হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি ঠিক হয়নি। কোনো ওয়ার্ড পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই।"

দীর্ঘদিনের বেহাল সড়কগুলো দ্রুত সংস্কার ও কাঁচা সড়কগুলো উন্নয়নের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন পাইন্দং ইউনিয়নের ভুক্তভোগী বাসিন্দারা। তাঁদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে সড়কগুলোর অবস্থা পরিদর্শন করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বনপাড়ায় ১২ মৃত্যু: আরপি পরিবহণের বাসটির ফিটনেস সনদের মেয়াদ ছিল না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


বনপাড়ায় ১২ মৃত্যু: আরপি পরিবহণের বাসটির ফিটনেস সনদের মেয়াদ ছিল না

বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরপি পরিবহণের বাসটির ফিটনেস সনদের মেয়াদ ছিল না। বিআরটিএ নাটোর অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বাসটির রুট পারমিটের মেয়াদ ২০২৮ সালের ১৩ মে পর্যন্ত রয়েছে; তবে ফিটনেস সনদের মেয়াদ গত ১৩ মে শেষ হয়ে গেছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে নাটোরের জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এবং সুপারিশের ভিত্তিতে ফিটনেসবিহীন এই গাড়ির রাস্তায় চলাচলের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নাটোরের বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কটি যেন মৃত্যুর ফাঁদ। এখানে বিপজ্জনক বাঁক, সরু সড়ক, ডিভাইডারের অভাব এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহনের চলাচলে প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে।

২০১৪ সালে এই মহাসড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ৩৮ জনের প্রাণহানির পর সড়কটির চার লেনে উন্নীতকরণ, ডিভাইডার নির্মাণ এবং বিপজ্জনক বাঁকগুলো সোজা করার সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু এক যুগ পার হলেও সেই সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি।

এদিকে, মঙ্গলবার একই মহাসড়কে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। প্রতিটি বড় দুর্ঘটনার পর তদন্ত কমিটি গঠন এবং বিভিন্ন সুপারিশ এলেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে মৃত্যুর মিছিল থামছে না।

গত মঙ্গলবারের দুর্ঘটনার পর আবারও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুলিশ দুই ‘মৃত’ চালকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%