ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুদের টাকা আদায়ে অটোরিকশা চালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ


সুদের টাকা আদায়ে অটোরিকশা চালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকায় সুদের টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে এক অটোরিকশাচালককে অপহরণ করে দুই দিন আটকে রাখা হয়। তাকে শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকালে ৪টার দিকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

ভুক্তভোগী মো. রিপন ভোলার মনপুরা এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি সুবর্ণচরের চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকায় বসবাস করছেন। অপরদিকে অভিযুক্ত আবুল কাশেম, যে কোনো নামেও পরিচিত কেদা কাশেম, সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা।

ভুক্তভোগী রিপন অভিযোগ করে বলেন, ‘গত বছর অটোরিকশা কেনার জন্য আমি চরবাটা ইউনিয়নের চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকার আবুল কাশেম ওরফে কেদা কাশেমের কাছ থেকে সুদে এক লাখ টাকা ধার নেই। পরবর্তীতে আমি সেই এক লাখ টাকা পরিশোধও করি। কিন্তু এরপরও আমার কাছে সুদের আরও এক লাখ টাকা দাবি করা হয়।’

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

রিপনের ভাষ্যমতে, তিনি হাতিয়ার চানন্দি ও হরণি ইউনিয়ন এবং সুবর্ণচরের বিভিন্ন এলাকায় অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। দুই দিন আগে আল আমিন বাজার এলাকা থেকে কেদা কাশেমের নেতৃত্বে ৭-৮ জন ব্যক্তি তাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যান। এরপর তাকে চোখ বেঁধে হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের কমান্ডার বাজার এলাকার একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। সেখানে দুই দিন তাকে অর্ধাহারে-অনাহারে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা অটোরিকশাটি বিক্রি করে অভিযুক্তদের ৫০ হাজার টাকা দেন। কিন্তু এরপরও তাকে মুক্তি দেয়া হয়নি। উল্টো সুবর্ণচরের ভূঁইয়ারহাট এলাকায় কেদা কাশেমের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে একটি কক্ষে তার পায়ে শিকল বেঁধে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়।

ভুক্তভোগীর স্বজনদের দাবি, রিপনকে খুঁজতে গিয়ে স্থানীয় আরও দুই যুবক অভিযুক্তদের হাতে আটক হন। তাদের পরে প্রশাসন ও পুলিশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আবুল কাশেম ওরফে কেদা কাশেমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। চরজব্বার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) দেবাশীষ সরকার জানিয়েছেন, ‘ভুক্তভোগীকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাম বেড়ে দেশে যত টাকায় স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে আজ (২৮ জুন ২০২৬)

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১১ এম


দাম বেড়ে দেশে যত টাকায় স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে আজ (২৮ জুন ২০২৬)

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ রোববার, ২৮ জুন, মূল্যবান এই ধাতু দুটি বিক্রি হচ্ছে নতুন নির্ধারিত দামে।

গত শনিবার, ২৭ জুন, সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) স্বর্ণ ও রুপার দাম বৃদ্ধি করেছে। সেদিন ভরিতে এই দুই ধাতুর দাম যথাক্রমে বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা ও ১৭৫ টাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এই কারণে সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়ম কার্যকর থাকবে। রুপার অলঙ্কারের ভ্যাটের বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এদিকে, সবশেষ গত ২৫ জুন সকালে স্বর্ণের দামও সমন্বয় করা হয়েছিল। সেদিন প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকায় স্থির করা হয়েছিল। এটি কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকে।

এখন পর্যন্ত চলতি বছর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৮২ বার সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম মোট ৪১ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ৪০ দফা কমানো হয়েছে। এছাড়া ১ দফা ভ্যাটের সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল।

বর্তমানে রুপার দামও বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬৬৬ টাকায়। এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এবং চলতি বছর রুপার দাম ৫০ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম ২৫ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ২৫ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে দাম বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাসে প্রথমবার মক্কা মদিনায় জমির মালিকানা পাচ্ছেন মুসলিমরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১২ এম


ইতিহাসে প্রথমবার মক্কা মদিনায় জমির মালিকানা পাচ্ছেন মুসলিমরা

সৌদি আরবের পবিত্র দুই নগরী মক্কা ও মদিনায় স্থায়ী সম্পত্তির মালিকানা (ফ্রিহোল্ড রাইটস) বিশ্বের যেকোনো দেশের মুসলিম নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৩ জুন) সৌদি মন্ত্রিসভায় এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হওয়ার পর, 'সৌদি প্রপার্টিজ' পোর্টালের মাধ্যমে ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাপী আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বহুবছর ধরে বিদেশি মুসলিমরা পবিত্র দুই মসজিদে (মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববী) আসার জন্য একমাত্র আবাসন ব্যবস্থা ছিল ভাড়া নেওয়া। ২০০০ সালের পুরোনো আইন অনুযায়ী, অ-সৌদি নাগরিকদের জন্য মক্কা ও মদিনায় সম্পত্তি কেনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল। দীর্ঘ ২৬ বছর পর সৌদি সরকার সেই কঠোর আইনি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী কিংবা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা মুসলিম নাগরিকরা নির্ধারিত জোনে সরাসরি ফ্ল্যাট বা জমির স্থায়ী মালিকানা লাভ করতে পারবেন। তবে অমুসলিমদের জন্য মক্কা ও মদিনায় প্রবেশ এবং সম্পত্তি ক্রয়ের উপর আগের মতোই সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। সম্পত্তি কেনার জন্য পুরো শহর জুড়ে নয়, বরং রিয়েল এস্টেট জেনারেল অথরিটি (REGA) কর্তৃক নির্ধারিত পবিত্র মসজিদগুলোর কাছাকাছি নির্দিষ্ট কিছু জোনে ক্রয়ের সুযোগ রয়েছে। মক্কা অঞ্চলের জোনে রয়েছে: জাবাল ওমর, আবরাজ মক্কা, আল-মানার, বুর্জ আজইয়াদ, কিং সালমান গেট, তিলাল ভিলেজ, জাখির মক্কা, দাহিয়াত সুমু, মাসার এবং মক্কা জোন ১ ও ২। মদিনা অঞ্চলের জোনে রয়েছে: রুয়া আল-মদিনা, ডাউনটাউন মদিনা, দিয়ার আল-মাকার, আল-গুররা, আল-মাহওয়া, দারাত আল-হিজরা এবং মদিনা জোন ১ ও ২। সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে বিদেশি ক্রেতাদের জন্য আকর্ষণীয় অফার ঘোষণা করা হয়েছে। কোনো মুসলিম ক্রেতা যদি মক্কায় সর্বনিম্ন ৪০ লাখ সৌদি রিয়াল (SAR) মূল্যের কোনো সম্পূর্ণ নির্মিত আবাসিক সম্পত্তি সম্পূর্ণ নগদ অর্থে (কোনো ব্যাংক লোন বা মর্টগেজ ছাড়া) ক্রয় করেন, তবে তিনি সরাসরি সৌদির মর্যাদাশীল 'প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি' বা স্থায়ী নাগরিক সুবিধার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। আগ্রহী ক্রেতাদের saudiproperties.rega.gov.sa ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। সৌদি প্রবাসীদের জন্য: নিজস্ব 'ইকামা' (Iqama) নম্বর দিয়ে সরাসরি স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল পদ্ধতিতে আবেদন করা যাবে। সৌদির বাইরের ক্রেতাদের জন্য: অনলাইনে আবেদন করার আগে নিজ নিজ দেশে অবস্থিত সৌদি দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্র (Digital Identity Card) সংগ্রহ করতে হবে। সৌদি আরবের বর্তমান আবাসন (রিয়েল এস্টেট) খাতের মূল্য প্রায় ৭৭ বিলিয়ন ডলার, যা ২০৩৪ সালের মধ্যে ১৪১.৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘ভিশন ২০৩০’ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ৩ কোটিরও বেশি ওমরাহ যাত্রীকে সৌদিতে আকর্ষণ করা এবং খনিজ তেলের বাইরে অর্থনীতিকে বহুমুখী করা। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক ও মিশরের মতো মুসলিম প্রধান দেশগুলোর ক্রেতাদের জন্য এটি একটি অভূতপূর্ব সুযোগ। এর ফলে প্রতি বছর ইবাদতের উদ্দেশ্যে পবিত্র ভূমিতে ভ্রমণ করা কোটি কোটি মুসলিম এখন চাইলে স্থায়ীভাবে মক্কা-মদিনায় নিজেদের একটি আবাসন গড়ে তুলতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেট্রো রেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ এম


মেট্রো রেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ

রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার রাজু ভাস্কর্যের সামনে মেট্রো রেলের ওভারহেড উচ্চ ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক তারে গ্যাস বেলুন আটকে যাওয়ার কারণে মেট্রোরেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রো স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আর্জেন্টিনা খেলা দেখতে রাজধানীর টিএসসি এলাকায় অসংখ্য দর্শক-সমর্থক জড়ো হন। এ সময় তারা লক্ষ্য করেন একটি একগুচ্ছ নীল-সাদা গ্যাস বেলুন উড়ে এসে মেট্রোরেলের ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেমের (যা উচ্চ ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক তার) সঙ্গে গিয়ে আটকে যায়। ফলে, বেলুনগুলো বৈদ্যুতিক তারে আটকে থাকার কারণে মেট্রোরেল চলাচল স্বয়ংক্রিয়ভাবে থমকে যায়। উত্তরা থেকে মতিঝিলগামী একটি মেট্রোরেল ট্রেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনের কাছে এসে থেমে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মাসের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২১ এম


কাউখালীতে ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মাসের কারাদণ্ড

পিরোজপুরের কাউখালীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ৯টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে কাউখালী থানা পুলিশ। অভিযানে উত্তর বাজারের লেপ-তোষকের দোকানের স্বত্বাধিকারী আব্দুর রশিদ হাওলাদার ছেলে মকারী মোঃ আব্দুল রাজ্জাক (৪২) কে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের সংখ্যা ছিল এক পিস।

পরে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অভিযুক্তকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। যেহেতু জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

এই অভিযানে অংশ নেন কাউখালী থানার এসআই মাসুদ আল মামুন, এসআই মোঃ জিয়াউল হক সহ পুলিশের একটি দল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মাদক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি বড় হুমকি। তিনি বলেন, কাউখালী উপজেলাকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণের সহযোগিতা থাকলে মাদক নির্মূলে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। তিনি যোগ করেন, কোনো মাদক কারবারি বা সেবনকারীকে আইনের আওতার বাইরে রাখা হবে না।

এ প্রসঙ্গে সচেতন এলাকা বাসিন্দারা বলেন, প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে যুবসমাজ রক্ষা পাবে এবং এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে। তারা জানান, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম একসঙ্গে চললে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%