কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৭ পি.এম
শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা শাহিদা খাতুন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে তিনি উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার সদস্যদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের আলফাডাঙ্গা উপজেলা সভাপতি মানবেন্দ্র সাহাসহ স্থানীয় সুধীজন।
উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৪৩টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ২৭০ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। দুর্গোৎসব চলাকালে পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁরা দায়িত্ব পালন করছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা শাহিদা খাতুন জানান, শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করতে আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের সতর্ক ও সজাগ থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উৎসব চলাকালে নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে পত্রিকাটির কার্যালয়ে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেক কাটেন মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএম।
দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সম্পাদক আশরাফ ইকবালের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. কামরান হোসেন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইমরান হোসেন পিপিএম।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার উপদেষ্টা প্রফেসর বাহাউদ্দীন বাহার। এ ছাড়া অন্যান্য অতিথি ও সংশ্লিষ্টরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার ফুল দিয়ে পত্রিকাটির সম্পাদক ও সংশ্লিষ্টদের শুভেচ্ছা জানান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় না থাকলে আওয়ামী লীগ জামায়াত নেতাদের ‘শকুনের মতো ঠুকরে ঠুকরে ছিঁড়ে খাবে’। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টে এ কথা বলেন।
রাশেদ খান উল্লেখ করেন, ‘রাজপথের বক্তব্যে অনভ্যস্ততার কারণে সংসদে কিংবা রাজপথে বিরোধী দলের নেতা হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে জামায়াত নেতারা প্রায়ই খেই হারিয়ে ফেলছেন। বিশেষ করে সরকার সম্পর্কে দলটির আমিরের বক্তব্য নিয়ে মানুষ হাসিঠাট্টা করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে যে সমন্বয় থাকা প্রয়োজন ছিল, জামায়াত তা ধারণ করতে পারছে না। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে ভাষায় বক্তব্য দেওয়া হতো, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে জামায়াতও প্রায় একই ভাষায় কথা বলছে।’
রাশেদ খান যোগ করেন, আওয়ামী লীগ আমলের বিরোধীদলীয় নেতাদের বক্তব্য অনুসরণ করতে গিয়ে জামায়াত নেতারা খেই হারাচ্ছেন। শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে গিয়ে ‘পালিয়ে যাবে’, ‘লুঙ্গি থাকবে না’, ‘হেলিকপ্টার রেডি করে রাখুন’ এবং ‘আরেকটি গণ-অভ্যুত্থান হবে’, এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে তারা নিজেদের হাসির পাত্র করছেন।
পোস্টে জামায়াত নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় না থাকলে আওয়ামী লীগ তাদের ‘শকুনের মতো ঠুকরে ঠুকরে ছিঁড়ে খাবে’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী বাস এবং বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পাঁচ ব্যবসায়ী প্রাণ হারিয়েছেন। তারা রাজশাহীর তাহেরপুরে ব্যবসায়িক কাজে যাওয়ার সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোরে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া এলাকায় সরকারপাড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সকাল বেলা দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতদের পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর মাদবরকান্দি এলাকার জহির উদ্দিন মাদবরের ছেলে জুয়েল মাদবর, ডুবিসায়বর মোল্যাকান্দি এলাকার জাহান উদ্দিন মোল্যার ছেলে সালাল মোল্যা, ডুবিসায়বর কাজিরহাট এলাকার ইউনুস শিকদারের ছেলে সোহাগ শিকদার, কাজিরহাট এলাকার সামাদ ফকির এবং পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া এলাকার রাজ্জাক ব্যাপারীর ছেলে শাহিন ব্যাপারী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নিহত পাঁচজনই দীর্ঘ সময় ধরে জাজিরার কাজিরহাটসহ আশপাশের এলাকায় ব্যবসা করে আসছিলেন। তারা স্থানীয় বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহের পাশাপাশি রাজশাহীর তাহেরপুরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুন, ধনিয়া সহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য পাইকারি কিনে বিক্রি করতেন। মঙ্গলবার সকালে তারা নাটোরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন, কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই দুর্ঘটনায় তাদের জীবন শেষ হয়ে যায়।
নিহত জুয়েল মাদবর ভুসামাল পণ্যের ব্যবসার পাশাপাশি রড-সিমেন্টের ব্যবসা করতেন। সামাদ ফকির ভুসামাল ব্যবসায়ী ছিলেন এবং শাহিন ব্যাপারী হলুদের ব্যবসা করতেন। সালাল মোল্যা ও সোহাগ শিকদারও একই ধরনের পণ্য কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একই এলাকার ব্যবসায়ী হওয়ায় তাদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক ছিল।
কাজিরহাটের ব্যবসায়ী দিদার সরদার শোক প্রকাশ করে বলেন, "ব্যবসায়িক সূত্রে তাদের সবার সঙ্গেই আমার সুসম্পর্ক ছিল। তাদের এমন আকস্মিক মৃত্যুর সংবাদ অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।"
স্থানীয়দের মতে, ভোরে সরকারপাড়া এলাকায় পাবনামুখী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে, ফলে দুটি যানবাহনই দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে জাজিরার পাঁচ ব্যবসায়ীসহ মোট ১৪ জন নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহম্মেদ জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে দুর্ঘটনার বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। নাটোর জেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য পাওয়ার পর মরদেহ হস্তান্তর ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ফুলপুরে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে মৎস্য খামার পরিচালনার অভিযোগে হান্নান সরকার (হাজী) নামের এক গ্রাহকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)। এই ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৩ টাকা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার ফুলপুরের চর ভারতী এলাকায় বিউবোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের একটি বিশেষ অভিযানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করা হয়। অভিযানে ব্যবহৃত সার্ভিস তারও জব্দ করা হয়েছে।
এতে আরও জানানো হয়, অভিযুক্ত গ্রাহক হান্নান সরকার বাণিজ্যিক সংযোগের আওতায় প্রিপেইড মিটার ব্যবহার করছিলেন। তার গ্রাহক নম্বর ৯০০৫৮৪০৮ এবং মিটার নম্বর ০১০২১১২২২৫৭২। তিনি সার্ভিস তারে হুকিংয়ের মাধ্যমে ছয়টি দেড় হর্সপাওয়ারের মোটর ব্যবহার করে অবৈধভাবে মৎস্য খামার পরিচালনা করছিলেন। মোটরগুলোর বৈদ্যুতিক লোড ছিল ৬ দশমিক ৭১৪ কিলোওয়াট।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে দুইবার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল। পূর্ববর্তী মামলাগুলোর জন্য নির্ধারিত ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৪৭৩ টাকা জরিমানা পরিশোধ না করেই তিনি পুনরায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এই ঘটনায় বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-এর ৩২(২), ৩৩(১) ও ৪৪ ধারা অনুযায়ী গতকাল সোমবার ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ