ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নাগেশ্বরীতে ধানক্ষেত থেকে মানুষের খণ্ডিত পা উদ্ধার


নাগেশ্বরীতে ধানক্ষেত থেকে মানুষের খণ্ডিত পা উদ্ধার

 

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী এলাকায় একটি ধান ক্ষেত থেকে পুলিশের দ্বারা মানুষের শরীরের একটি খণ্ডিত পা উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের নিলুরখামার চরুয়াটারী এলাকার সড়কের পাশে অবস্থিত একটি ধান ক্ষেত থেকে হাটুর নিচের কাটা পায়ের অংশটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় জনগণের বক্তব্য অনুযায়ী, সকালে সড়ক দিয়ে চলাচলরত অবস্থায় কিছু পথচারী সড়কের পাশে ধানের জমিতে একটি খণ্ডিত পা পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে খণ্ডিত পা'টি উদ্ধার করে। খণ্ডিত পায়ের পাশে একটি রক্তাক্ত পলিথিন ব্যাগও পড়ে ছিল। এই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ।

আরও পড়ুন: হেলমেট পরে এসে চায়ের দোকানে বসা বৃদ্ধকে গুলি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষকদের ওপর বিএসএফের হামলা, স্থানীয়দের ধাওয়ায় অস্ত্র ফেলে পালাল সদস্যরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


কৃষকদের ওপর বিএসএফের হামলা, স্থানীয়দের ধাওয়ায় অস্ত্র ফেলে পালাল সদস্যরা

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী সীমান্তে বিএসএফের অনধিকার প্রবেশ ও কৃষকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় জনতা যখন প্রতিরোধ গড়ে তোলে, তখন বিএসএফ সদস্যরা দুটি শর্টগান ও একটি ওয়াকিটকি ফেলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে বিজিবি ও বিএসএফের উচ্চপর্যায়ের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জাম আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসএফের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এই ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের বনচৌকি-আমঝোল সীমান্তের ৯০৭ নম্বর মেইন পিলার এলাকার শূন্য লাইন সংলগ্ন এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের বনচৌকি-আমঝোল সীমান্তের ৯০৭ নম্বর মেইন পিলার এলাকার শূন্য লাইন সংলগ্ন বাংলাদেশি কৃষকরা নিজেদের জমিতে দৈনন্দিন কাজ করছিলেন। এ সময়, ভারতীয় কুচলিবাড়ী বিএসএফ ক্যাম্পের কয়েকজন সদস্য আইনগত কারণ ছাড়াই আন্তর্জাতিক সীমানা লঙ্ঘন করে বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএসএফ সদস্যরা কোনো প্ররোচনা ছাড়াই মাঠে কর্মরত সাধারণ কৃষকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান এবং মারধর শুরু করেন। কৃষকদের আত্মচিৎকারে আশপাশের গ্রামবাসী দ্রুত একজোট হয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং বিএসএফ সদস্যদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

গ্রামবাসীর সম্মিলিত ধাওয়া ও তুমুল প্রতিরোধের মুখে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা পিছু হটতে বাধ্য হন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাড়াহুড়ো করে পালিয়ে যাওয়ার সময় বিএসএফ সদস্যরা তাদের ব্যবহৃত দুটি সরকারি শর্টগান ও একটি ওয়াকিটকি ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে যান।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা বিষয়টি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-কে অবহিত করেন। বনচৌকি ক্যাম্পের বিজিবি টহল দল মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং স্থানীয়দের সহায়তায় বিএসএফের ফেলে যাওয়া অস্ত্র ও ওয়াকিটকিগুলো নিরাপদে উদ্ধার করে নিজেদের জিম্মায় নেয়। সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমন ও সামগ্রিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনার জন্য বিজিবি ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তাঁর দিকনির্দেশনায় সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়।

অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার পর সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ৯০৭ নম্বর মেইন পিলার সংলগ্ন এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে এক জরুরি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ এবং নিরীহ কৃষকদের ওপর হামলার কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়। বৈঠকে বিএসএফের প্রতিনিধিরা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক ঘটনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন। আলোচনার পর বন্ধুসুলভ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিজিবি কর্তৃপক্ষ উদ্ধারকৃত দুটি শর্টগান ও ওয়াকিটকি বিএসএফের নিকট বুঝিয়ে দেন। বর্তমানে সীমান্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত রয়েছে এবং বিজিবির কড়া টহল অব্যাহত রয়েছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন নিয়ে সুখবর!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ পি.এম


নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন নিয়ে সুখবর!

নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সব জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তি করে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে গেজেট জারি করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় তোলার প্রস্তুতি চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বেতন বৃদ্ধির হার, বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা, জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হলে গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অক্টোবর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পেতে পারেন। তবে পে স্কেল কার্যকর ধরা হবে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে। ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী পুনর্নির্ধারণ করে পরবর্তী সময়ে বকেয়া অর্থ সমন্বয় করা হতে পারে।

এর আগে আগস্টের মধ্যে গেজেট প্রকাশের পরিকল্পনা থাকলেও বেতন বৃদ্ধির হার, ভাতা ও আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে পর্যালোচনার কারণে তা পিছিয়ে যায়। নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটির কাজও শেষ পর্যায়ে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে আরও একটি বৈঠকের পর প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কমিটির কাজ শেষ হলেই পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় যাবে। চলতি বছরের মধ্যেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা হবে বলেও জানান তিনি।

তবে আর্থিক সংকটের কারণে নতুন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথম ধাপে মূল বেতন এবং পরবর্তী ধাপে ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা কার্যকর হতে পারে।

এদিকে পে কমিশনের সুপারিশের তুলনায় বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা কমানোর সুপারিশ করেছে সচিব কমিটি। জুডিশিয়াল সার্ভিস ও সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয়ও চূড়ান্ত প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাসূলের শিক্ষায় পরিচালিত হলে পৃথিবীতে শান্তি ফিরে আসবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪১ পি.এম


রাসূলের শিক্ষায় পরিচালিত হলে পৃথিবীতে শান্তি ফিরে আসবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) যে শিক্ষা মানব জাতীকে দিয়ে গিয়েছেন সেই শিক্ষা পরিচালিত করতে পারলে পৃথিবীতে শান্তি ফিরে আসবে। 

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে নরসিংদীর পলাশ উপজেলা আধুনিক মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। 
মঈন খান বলেন, মহানবী পৃথিবীতে সাম্যের অর্থনীতি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন যার মাধ্যমে ধনী দরিদ্রের ব্যবধান দূর করা সম্ভব। 

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে যে কাজগুলো করে যাচ্ছেন তা ইসলামের আদর্শকে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। নির্বাচনে জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি তারেক রহমান দিয়েছিল তা মাত্র ছয় মাসে মধ্যে একটি একটি করে পূরণ করছেন তিনি। 

পলাশ উপজেলার বিএনপির সভাপতি আবদুস সাত্তারের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক বাহাউদ্দীন ভূইয়া মিল্টনের সঞ্চালনায় এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, মিলেনিয়ান ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রোকসেনা খন্দকার, নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রশাসক তোফাজ্জাল হোসেন মাস্টার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাক সাইফুল হক, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। 

আলোচনা সভা শেষে দেশ ও মানুষের কল্যাণে বিশেষ দোয়া করা হয়। এর আগে দুপুরে ড. মঈন খান নেতাকর্মীদের নিয়ে চরনগর্দীর নিজ গ্রামে পিতা মরহুম মোমেন খান ও খোরশেদা বানুর কবর জিয়ারত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুবিতে দুই বছরেও সম্পন্ন হয়নি ৩৫ লাখ টাকার বাস্কেটবল কোর্ট, আক্ষেপ শিক্ষার্থীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


কুবিতে দুই বছরেও সম্পন্ন হয়নি ৩৫ লাখ টাকার বাস্কেটবল কোর্ট, আক্ষেপ শিক্ষার্থীদের

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাস্কেটবল কোর্টের নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার দুই বছরেও হয়নি শেষ। ফলে বাস্কেটবলের বদলে সেই কোর্টেই ক্রিকেট খেলছেন শিক্ষার্থীরা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা। তাদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় ক্রীড়া অবকাঠামোর অভাবে ক্যাম্পাসে খেলাধুলার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে এবং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণেও পিছিয়ে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা।
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বাস্কেটবল কোর্ট নির্মাণের দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালের মার্চে কাজ শুরু করে এবং চুক্তি অনুযায়ী একই বছরের ১৩ জুলাই কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রতিষ্ঠানটি কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই চলে যায়।
 
সরেজমিনে দেখা যায়, কোর্টে কেবল মাটির ভিত্তি ও দুই পাশে দুটি পিলার নির্মাণ করা হয়েছে। এখনো কোর্টের ফিনিশিং, বাস্কেটবল পোস্ট, রিং ও নেট স্থাপন করা হয়নি।

প্রকৌশল দপ্তর আরও জানায়, বাস্কেটবল কোর্টের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের ছয়টি গ্যালারি নির্মাণের কাজও একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে কেন্দ্রীয় মাঠের গ্যালারির কাজের অগ্রগতি প্রায় ৩০ শতাংশ এবং বাস্কেটবল কোর্টের কাজের অগ্রগতি প্রায় ৭১ শতাংশ।

জানা গেছে, কুবির কেন্দ্রীয় মাঠের গ্যালারি ও বাস্কেটবল কোর্টের জন্য প্রকল্প বরাদ্দ ছিল ৮৭ লাখ ৯৭ হাজার ৭১৯ টাকা। এর মধ্যে বাস্কেটবল কোর্টের নির্মাণকাজে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৩৫ লাখ টাকা। দুটি কাজের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৩৯ লাখ ৭৮ হাজার ৭২৯ টাকা পরিশোধ করেছে কর্তৃপক্ষ। 
 
দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পের অগ্রগতি না থাকায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন ক্রিড়াপ্রেমী শিক্ষার্থীরা। আইন বিভাগের শিক্ষার্থী দিলোয়ার হোসেন বলেন, “এতদিন ধরে বাস্কেটবল কোর্টের কাজ বন্ধ থাকলেও এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। ২০২৪ সালে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ২০২৬ সালেও কাজটি বন্ধ রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। পাশাপাশি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায়ও কুবির শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে। আমার বিনীত আহ্বান, দ্রুত বাস্কেটবল কোর্টের নির্মাণকাজ শেষ করে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করা হোক।”
 
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস ক্লাবের সভাপতি এইচ. এম. পিয়াস বলেন, বাস্কেটবল কোর্ট ও গ্যালারির কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য আমরা আগের প্রশাসনের কাছে একাধিক বার দাবি জানিয়েছিলাম। তারা আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কোনো অগ্রগতি হয়নি। কোর্ট না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত অনুশীলন করতে পারছে না। এর ফলে আমরা আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বাস্কেটবল টুর্নামেন্টের জন্য দল গঠন পর্যন্ত করতে পারছি না। বর্তমান প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করবে বলে আশা করছি।
 
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এস.এম. শহীদুল হাসান বলেন, বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব খাতের কাজ ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ করতে হয়। নির্ধারিত এক বছরের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে বরাদ্দের অর্থ পুনরায় সরকারের রাজস্ব খাতে চলে যায়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বাস্কেটবল কোর্ট নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণে তা নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে পারেনি। ফলে যতটুকু কাজ সম্পন্ন হয়েছে তার অবশিষ্ট অর্থ সরকারি রাজস্ব খাতে ফেরত চলে গেছে। পরবর্তীতে চাহিদার ভিত্তিতে বাজেট বরাদ্দ হলে পূনরায় নির্মাণকাজ শুরু হবে।
 
এ বিষয়ে জানার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান 'ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং' এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন সরকার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাস্কেটবল কোর্টের কাজ বন্ধ আছে সে ব্যাপারে আমি অবগত আছি। বাস্কেটবল মাঠের নির্মাণকাজ এ অর্থবছরের মধ্যে শেষ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%