ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়: ড. আব্দুল মঈন খান


শিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়: ড. আব্দুল মঈন খান

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী না করে উন্নত জাতি গঠন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি উল্লেখ করেন, "শিক্ষা নিয়ে কোনো ধরনের হেলাফেলা বা ছেলেখেলা করা যাবে না।"

বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নরসিংদীর পলাশ উপজেলার আধুনিক মাল্টিপারপাস অডিটরিয়ামে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দেশের সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে সরকার কার্পণ্য করবে না। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকারের অবদানেই শিক্ষকরা শতভাগ বেতন-সুবিধা পাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: চুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম ৩৬ দিন পর আংশিক শুরু, আন্দোলন অব্যাহত

বেসরকারি শিক্ষকদের বিভিন্ন সুবিধা ও বেতন বৃদ্ধির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রথম শিক্ষকদের বেতন ৫০ শতাংশে উন্নীত করেছিলেন। এরপর ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে বেগম খালেদা জিয়া আরো ৩০ শতাংশ যোগ করে বেতন ৮০ শতাংশে উন্নীত করেন। দীর্ঘসময় শিক্ষকদের ভাতা না বাড়ার পর ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার সরকারই শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির শতভাগ বেতন-ভাতা সুনিশ্চিত করে।

মঈন খান বলেন, বর্তমান সময়ে প্রায় ২৯ হাজার মাধ্যমিক ও প্রাইভেট স্কুলের শিক্ষকেরা যে সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন, তা বিএনপি সরকারেরই ধারাবাহিক অবদান। তিনি সম্প্রতি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পেনশন ও আর্থিক সুবিধা সহজীকরণে বর্তমান সরকারের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপেরও প্রশংসা করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, শিক্ষকরাই মানুষ গড়ার কারিগর এবং জাতির মেরুদণ্ড। তাই তিনি দেশের তরুণ সমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, অনেকে মনে করেন অস্ত্র বা পারমাণবিক বোমার কারণে আমেরিকা বিশ্বশক্তি হয়েছে, কিন্তু তা সঠিক নয়। তাদের প্রকৃত শক্তি হলো উচ্চমানের শিক্ষাব্যবস্থা।

আরও পড়ুন: পাবিপ্রবির শিক্ষার্থী আহত, সাত দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

অনুষ্ঠানে পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন খান ফাউন্ডেশন ও দি মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রোখসানা খন্দকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডের বৈঠকের দিকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডের বৈঠকের দিকে

মার্কিন ডলারের দর ও ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড কমার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সেপ্টেম্বর মাসের বৈঠকের কার্যবিবরণীর দিকে নজর রাখছেন। এতে সুদের হার নিয়ে ফেডের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে নতুন ইঙ্গিত পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন তারা। খবর রয়টার্স .

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৯ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৫৫ দশমিক ৩৪ ডলারে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর সরবরাহের গোল্ড ফিউচারও ০ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ১৮২ দশমিক ৩০ ডলারে অবস্থান করছে।

আমেরিকান গোল্ড এক্সচেঞ্জের বাজার বিশ্লেষক জিম ওয়াইকফ মন্তব্য করেন, ফ্রান্সের বন্ডবাজারে অস্থিরতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বাজার নিয়ে উদ্বেগের কারণে স্বর্ণের প্রতি নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সোমবার দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর পর মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড কিছুটা কমেছে। একই সময়ে এক বছরের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে ডলারের দরও কমেছে। এর ফলে অন্যান্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের কাছে ডলারে মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণ তুলনামূলকভাবে সস্তা হয়ে উঠেছে।

ইউরোজোনের বিভিন্ন দেশে সরকারি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি ও বাজেট ঘাটতি বেড়ে যাওয়ার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ফ্রান্সের পরিস্থিতির কারণে দেশটির সরকারি বন্ডের ইয়েল্ড বৃদ্ধি পেয়েছে।

এখন বিনিয়োগকারীরা বুধবার প্রকাশিত হতে যাওয়া ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সেপ্টেম্বরের বৈঠকের কার্যবিবরণীর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন। চলতি বছরে আরও সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা সম্পর্কে এতে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

সেপ্টেম্বরে প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল কর্মসংস্থান বৃদ্ধির তথ্য প্রকাশের পর চলতি মাসে ফেডের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে বাজারের প্রত্যাশা কমে গেছে।

সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা এখন ২২ শতাংশ হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ীরা। তবে ডিসেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৮৪ শতাংশ ধরে নিয়ে বাজারে লেনদেন হচ্ছে।

সাধারণত উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে সুদ না দেওয়া সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আবেদন কমে যায়। কারণ তখন বিনিয়োগকারীরা সুদ পাওয়া সম্পদের দিকে বেশি ঝুঁকতে পারেন।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্থিতিশীল থাকার কারণে এবং জি-৭ জোটের জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়ার সিদ্ধান্তের ফলে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর ফলে তেলের দাম কমেছে।

তবে স্বল্পমেয়াদে কিছুটা চাপ থাকলেও স্বর্ণের বাজারে এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড বা ইটিএফের মাধ্যমে বিনিয়োগ এবং ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের চাহিদা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে টিডি সিকিউরিটিজ। প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষকেরা এক নোটে উল্লেখ করেছেন, ২০২৭ সালে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৫ হাজার ডলারের ওপরে উঠবে বলে তারা আশা করছেন।

এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম প্রায় অপরিবর্তিত থেকে প্রতি আউন্স ৬১ দশমিক ০১ ডলারে রয়েছে। প্লাটিনামের দাম ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৮৭ দশমিক ৭০ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ১৬০ দশমিক ৩৮ ডলারে অবস্থান করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩০ ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা বন্ধ, বাংলাদেশ ব্যাংকের মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


৩০ ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা বন্ধ, বাংলাদেশ ব্যাংকের মন্তব্য

প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণ ও মাইগ্রেশনের কারণে দেশের প্রায় ৩০টি ব্যাংকের বিভিন্ন ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কার্ড, এটিএম, পিওএস, এনপিএসবি, ই-কমার্স ও কিউআর। এ কারণে নির্দিষ্ট সময়ে এসব ব্যাংকের গ্রাহকদের টাকা তোলা, কার্ডে কেনাকাটা, কিউআর পেমেন্ট ও অনলাইন লেনদেনে ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

ব্যাংকগুলো জানাচ্ছে, এটি স্থায়ী কোনো সমস্যা নয়। নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ ও সিস্টেম মাইগ্রেশনের কাজ শেষ হওয়ার পর ধাপে ধাপে এসব সেবা পুনরায় চালু হবে। গ্রাহকদের আগাম সতর্ক করতে অনেক ব্যাংক এসএমএস ও বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে।

সাময়িক সেবা বন্ধের আওতায় থাকা ব্যাংকগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, বেসিক ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ব্যাংক আলফালাহ বাংলাদেশ, কমিউনিটি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক ও উরি ব্যাংক বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে সব ব্যাংকের সব সেবা একই সময়ে বন্ধ নেই। কোন ব্যাংকের কোন সেবা কতক্ষণ বা কত দিন বন্ধ থাকবে, তা ব্যাংকভেদে আলাদা। এ কারণে জরুরি প্রয়োজনে নগদ অর্থ তোলা, কার্ডে কেনাকাটা কিংবা অনলাইন লেনদেন করতে গিয়ে অনেক গ্রাহক সমস্যায় পড়ছেন।

এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অবহিত করেই ব্যাংকগুলো নিয়মিতভাবে এ ধরনের কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণ ও সিস্টেম আপগ্রেডের কাজ করে থাকে।

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ব্যাংক স্বাধীনভাবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তবে কাকতালীয়ভাবে ১৯টি ব্যাংকের সিস্টেম আপগ্রেডের সময়সূচি একই সময়ে পড়েছে।’ গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে আগাম বিজ্ঞপ্তি ও এসএমএসের মাধ্যমে সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আলোচনা করেছে বলেও জানান তিনি।

তবে এবারের পরিস্থিতিকে কিছুটা ভিন্ন হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র। তার ভাষ্য, এটি একটি ‘ইনসিডেন্ট’ বা অপ্রত্যাশিত ঘটনা। তৃতীয় পক্ষের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের আগেই সিস্টেম মাইগ্রেশনের কাজ শুরু করতে হয়েছে।

আরিফ হোসেন খান বলেন, সাধারণত এ ধরনের কাজ বছরে একবার নিয়মিতভাবে করা হয়। ২৮ তারিখের দিকে সিস্টেমের কাজ করার পরিকল্পনা থাকলেও কিছুটা দেরি হওয়ায় এবং হঠাৎ সিস্টেম কোল্যাপসের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় কোনো ধরনের ওরিয়েন্টেশন ছাড়াই তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সিস্টেম মাইগ্রেশন শুরু করতে বা করতে বাধ্য হতে হয়েছে।

এই পরিস্থিতি কত দিন চলতে পারে—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি ৫-৬ দিন লাগতে পারে। যেহেতু সিস্টেমটি রান করা শুরু করেছে, তাই মাঝপথে বন্ধ করা সম্ভব নয়।’

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকগুলোর প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আহ্বান থাকবে, তারা যেন পরিস্থিতি গ্রাহকদের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তি দেয় এবং দ্রুত সেবা স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে।

আগাম জানানো হলে গ্রাহকেরা প্রস্তুতি নিতে পারতেন—এমন প্রশ্নের জবাবে আরিফ হোসেন খান বলেন, ব্যাংকগুলো সাধারণত আরও পরে বিষয়টি জানানোর কথা ছিল। তার ভাষ্য, আজ ৫-৬ তারিখে জানানোর কথা ছিল না; বরং ১৫-২০ তারিখের দিকে জানানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু এটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই মাইগ্রেশন শুরু হয়ে গেছে।

গ্রাহকদের ব্যাপক ভোগান্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘গ্রাহক ও যারা কাজগুলো করতেছে তারাও বিপদে পড়েছে।’ তবে সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা বন্ধ হয়নি বলেও জানান তিনি।

আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘অন্যান্য ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ড বা অন্যান্য যেগুলো চালু আছে, যেমন ইএফটি এবং আরটিজিএস এগুলো কিন্তু চালু আছে।’

সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোও জানিয়েছে, সিস্টেম মাইগ্রেশন ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শেষ হলে বন্ধ থাকা সেবাগুলো ধাপে ধাপে চালু করা হবে। এ সময়ে ব্যাংকের নিজস্ব নির্দেশনা অনুযায়ী শাখাভিত্তিক কাউন্টার লেনদেন চালু থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতীয় বিমানবাহিনীর ২৯তম প্রধান হলেন এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


ভারতীয় বিমানবাহিনীর ২৯তম প্রধান হলেন এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিত

ভারতীয় বিমানবাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিতকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি দেশটির বিমানবাহিনীর ভাইস চিফের দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ৩১ অক্টোবর বিকেল থেকে তিনি এয়ার চিফ মার্শাল পদমর্যাদায় বাহিনীটির ২৯তম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

ভারতীয় বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, একই দিনে বর্তমান প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অমর প্রীত সিং অবসর নেবেন।

আশুতোষ দীক্ষিত বিভিন্ন অভিযানে যেমন ‘অপারেশন সাগর’, ‘অপারেশন রক্ষক’ এবং ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৮৬ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারতীয় বিমানবাহিনীর ফাইটার শাখায় কমিশন লাভ করেন।

ভাইস চিফ অব দ্য এয়ার স্টাফের দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে, আশুতোষ দীক্ষিত চিফ অব ইন্টিগ্রেটেড ডিফেন্স স্টাফ টু দ্য চেয়ারম্যান, চিফস অব স্টাফ কমিটি (সিআইএসসি) এবং সেন্ট্রাল এয়ার কমান্ডের এয়ার অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি, বাংলাদেশ ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আশুতোষ দীক্ষিত। প্রায় চার দশকের কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন ধরনের উড়োজাহাজে ৩ হাজার ৫০০ ঘণ্টার বেশি উড্ডয়নের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

তিনি মিরাজ-২০০০, মিগের বিভিন্ন সংস্করণ, কিরণ, জাগুয়ার, আইএল-৭৮, হক ও তেজসের মতো যুদ্ধ ও প্রশিক্ষণ বিমানে উড়েছেন। তিনি একজন এক্সপেরিমেন্টাল টেস্ট পাইলট এবং কোয়ালিফায়েড ফ্লাইং ইনস্ট্রাক্টর।

কর্মজীবনে পশ্চিমাঞ্চলের একটি ফ্রন্টলাইন ফাইটার ঘাঁটি এবং দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইটার ট্রেনিং বেসের কমান্ডও সামলেছেন আশুতোষ দীক্ষিত।

দীর্ঘ কর্মজীবনে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি একাধিক সামরিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। ২০০৬ সালে বায়ুসেনা পদক, ২০১১ সালে বিশিষ্ট সেবা পদক, ২০২৩ সালে অতি বিশিষ্ট সেবা পদক এবং ২০২৬ সালে পরম বিশিষ্ট সেবা পদক লাভ করেন এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ডের ৫০০ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ডের ৫০০ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম

ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট দ্বারা পরিচালিত ফিক্সড ইনকাম ওপেন এন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ড ৫০০ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করেছে। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে ৫০ কোটি টাকা নিয়ে শুরু হওয়া এই ফান্ডটি বর্তমানে দশ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১৫ বছরের মধ্যে এমন একটি মাইলফলকে পৌঁছানো একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মাত্র তিন বছর তিন মাসের মধ্যে ৫০ কোটি টাকা থেকে ৫০০ কোটি টাকার বেশি মূলধনে পৌঁছানোর এই অর্জন বিশ্বস্ত অ্যাসেট ম্যানেজারদের পরিচালিত ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট বর্তমানে বাংলাদেশের দ্রুততম বর্ধনশীল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি এবং ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ড দেশের সর্ববৃহৎ মিউচ্যুয়াল ফান্ড হিসেবে পরিচিত।

বর্তমানে আইসিবি দ্বারা পরিচালিত মাত্র দুটি ওপেন অ্যান্ড ফান্ডের আকার ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ডের তুলনায় বেশি। এই সাফল্যের পেছনে ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের বিনিয়োগকারী, টিম, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সহকর্মী অ্যাসেট ম্যানেজারদের সম্মিলিত অবদান রয়েছে। পরিবর্তনশীল সুদের হারের এই সময়ে মার্ক টু মার্কেট ভিত্তিতে একটি ফিক্সড ইনকাম ফান্ড পরিচালনা করা চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফান্ডটির পারফরম্যান্স ধরে রাখা এবং ধারাবাহিকভাবে বড় পরিসরে বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

এই সাফল্য উদ্‌যাপনের সময় উপস্থিত ছিলেন ইউসিবি পিএলসির চেয়ারম্যান শরীফ জহীর, ইউসিবি পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান নাবিল মুস্তাফিজুর রহমান এবং ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান। এ সময় ইউসিবি পিএলসির সম্মানিত পরিচালকবৃন্দ ও ব্যাংকের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%