ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৩০ ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা বন্ধ, বাংলাদেশ ব্যাংকের মন্তব্য


৩০ ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা বন্ধ, বাংলাদেশ ব্যাংকের মন্তব্য

প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণ ও মাইগ্রেশনের কারণে দেশের প্রায় ৩০টি ব্যাংকের বিভিন্ন ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কার্ড, এটিএম, পিওএস, এনপিএসবি, ই-কমার্স ও কিউআর। এ কারণে নির্দিষ্ট সময়ে এসব ব্যাংকের গ্রাহকদের টাকা তোলা, কার্ডে কেনাকাটা, কিউআর পেমেন্ট ও অনলাইন লেনদেনে ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

ব্যাংকগুলো জানাচ্ছে, এটি স্থায়ী কোনো সমস্যা নয়। নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ ও সিস্টেম মাইগ্রেশনের কাজ শেষ হওয়ার পর ধাপে ধাপে এসব সেবা পুনরায় চালু হবে। গ্রাহকদের আগাম সতর্ক করতে অনেক ব্যাংক এসএমএস ও বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে।

সাময়িক সেবা বন্ধের আওতায় থাকা ব্যাংকগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, বেসিক ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ব্যাংক আলফালাহ বাংলাদেশ, কমিউনিটি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক ও উরি ব্যাংক বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন: চীন স্মার্ট মিটার-জ্বালানি খাতে ২৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চায়

তবে সব ব্যাংকের সব সেবা একই সময়ে বন্ধ নেই। কোন ব্যাংকের কোন সেবা কতক্ষণ বা কত দিন বন্ধ থাকবে, তা ব্যাংকভেদে আলাদা। এ কারণে জরুরি প্রয়োজনে নগদ অর্থ তোলা, কার্ডে কেনাকাটা কিংবা অনলাইন লেনদেন করতে গিয়ে অনেক গ্রাহক সমস্যায় পড়ছেন।

এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অবহিত করেই ব্যাংকগুলো নিয়মিতভাবে এ ধরনের কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণ ও সিস্টেম আপগ্রেডের কাজ করে থাকে।

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ব্যাংক স্বাধীনভাবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তবে কাকতালীয়ভাবে ১৯টি ব্যাংকের সিস্টেম আপগ্রেডের সময়সূচি একই সময়ে পড়েছে।’ গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে আগাম বিজ্ঞপ্তি ও এসএমএসের মাধ্যমে সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আলোচনা করেছে বলেও জানান তিনি।

তবে এবারের পরিস্থিতিকে কিছুটা ভিন্ন হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র। তার ভাষ্য, এটি একটি ‘ইনসিডেন্ট’ বা অপ্রত্যাশিত ঘটনা। তৃতীয় পক্ষের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের আগেই সিস্টেম মাইগ্রেশনের কাজ শুরু করতে হয়েছে।

আরও পড়ুন: আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার: ডলারের দাম বেড়ে যাচ্ছে, টাকার মান কমছে

আরিফ হোসেন খান বলেন, সাধারণত এ ধরনের কাজ বছরে একবার নিয়মিতভাবে করা হয়। ২৮ তারিখের দিকে সিস্টেমের কাজ করার পরিকল্পনা থাকলেও কিছুটা দেরি হওয়ায় এবং হঠাৎ সিস্টেম কোল্যাপসের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় কোনো ধরনের ওরিয়েন্টেশন ছাড়াই তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সিস্টেম মাইগ্রেশন শুরু করতে বা করতে বাধ্য হতে হয়েছে।

এই পরিস্থিতি কত দিন চলতে পারে—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি ৫-৬ দিন লাগতে পারে। যেহেতু সিস্টেমটি রান করা শুরু করেছে, তাই মাঝপথে বন্ধ করা সম্ভব নয়।’

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকগুলোর প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আহ্বান থাকবে, তারা যেন পরিস্থিতি গ্রাহকদের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তি দেয় এবং দ্রুত সেবা স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে।

আগাম জানানো হলে গ্রাহকেরা প্রস্তুতি নিতে পারতেন—এমন প্রশ্নের জবাবে আরিফ হোসেন খান বলেন, ব্যাংকগুলো সাধারণত আরও পরে বিষয়টি জানানোর কথা ছিল। তার ভাষ্য, আজ ৫-৬ তারিখে জানানোর কথা ছিল না; বরং ১৫-২০ তারিখের দিকে জানানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু এটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই মাইগ্রেশন শুরু হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: পোশাক রপ্তানিতে ৮০ শতাংশ প্রবৃদ্ধির উৎস তিন প্রধান পণ্য

গ্রাহকদের ব্যাপক ভোগান্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘গ্রাহক ও যারা কাজগুলো করতেছে তারাও বিপদে পড়েছে।’ তবে সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা বন্ধ হয়নি বলেও জানান তিনি।

আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘অন্যান্য ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ড বা অন্যান্য যেগুলো চালু আছে, যেমন ইএফটি এবং আরটিজিএস এগুলো কিন্তু চালু আছে।’

সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোও জানিয়েছে, সিস্টেম মাইগ্রেশন ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শেষ হলে বন্ধ থাকা সেবাগুলো ধাপে ধাপে চালু করা হবে। এ সময়ে ব্যাংকের নিজস্ব নির্দেশনা অনুযায়ী শাখাভিত্তিক কাউন্টার লেনদেন চালু থাকবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে চীনে ছয়টি বিশেষ সুবিধা, রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতীয় বিমানবাহিনীর ২৯তম প্রধান হলেন এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


ভারতীয় বিমানবাহিনীর ২৯তম প্রধান হলেন এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিত

ভারতীয় বিমানবাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিতকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি দেশটির বিমানবাহিনীর ভাইস চিফের দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ৩১ অক্টোবর বিকেল থেকে তিনি এয়ার চিফ মার্শাল পদমর্যাদায় বাহিনীটির ২৯তম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

ভারতীয় বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, একই দিনে বর্তমান প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অমর প্রীত সিং অবসর নেবেন।

আশুতোষ দীক্ষিত বিভিন্ন অভিযানে যেমন ‘অপারেশন সাগর’, ‘অপারেশন রক্ষক’ এবং ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৮৬ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারতীয় বিমানবাহিনীর ফাইটার শাখায় কমিশন লাভ করেন।

ভাইস চিফ অব দ্য এয়ার স্টাফের দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে, আশুতোষ দীক্ষিত চিফ অব ইন্টিগ্রেটেড ডিফেন্স স্টাফ টু দ্য চেয়ারম্যান, চিফস অব স্টাফ কমিটি (সিআইএসসি) এবং সেন্ট্রাল এয়ার কমান্ডের এয়ার অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি, বাংলাদেশ ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আশুতোষ দীক্ষিত। প্রায় চার দশকের কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন ধরনের উড়োজাহাজে ৩ হাজার ৫০০ ঘণ্টার বেশি উড্ডয়নের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

তিনি মিরাজ-২০০০, মিগের বিভিন্ন সংস্করণ, কিরণ, জাগুয়ার, আইএল-৭৮, হক ও তেজসের মতো যুদ্ধ ও প্রশিক্ষণ বিমানে উড়েছেন। তিনি একজন এক্সপেরিমেন্টাল টেস্ট পাইলট এবং কোয়ালিফায়েড ফ্লাইং ইনস্ট্রাক্টর।

কর্মজীবনে পশ্চিমাঞ্চলের একটি ফ্রন্টলাইন ফাইটার ঘাঁটি এবং দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইটার ট্রেনিং বেসের কমান্ডও সামলেছেন আশুতোষ দীক্ষিত।

দীর্ঘ কর্মজীবনে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি একাধিক সামরিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। ২০০৬ সালে বায়ুসেনা পদক, ২০১১ সালে বিশিষ্ট সেবা পদক, ২০২৩ সালে অতি বিশিষ্ট সেবা পদক এবং ২০২৬ সালে পরম বিশিষ্ট সেবা পদক লাভ করেন এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ডের ৫০০ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ডের ৫০০ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম

ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট দ্বারা পরিচালিত ফিক্সড ইনকাম ওপেন এন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ড ৫০০ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করেছে। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে ৫০ কোটি টাকা নিয়ে শুরু হওয়া এই ফান্ডটি বর্তমানে দশ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১৫ বছরের মধ্যে এমন একটি মাইলফলকে পৌঁছানো একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মাত্র তিন বছর তিন মাসের মধ্যে ৫০ কোটি টাকা থেকে ৫০০ কোটি টাকার বেশি মূলধনে পৌঁছানোর এই অর্জন বিশ্বস্ত অ্যাসেট ম্যানেজারদের পরিচালিত ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট বর্তমানে বাংলাদেশের দ্রুততম বর্ধনশীল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি এবং ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ড দেশের সর্ববৃহৎ মিউচ্যুয়াল ফান্ড হিসেবে পরিচিত।

বর্তমানে আইসিবি দ্বারা পরিচালিত মাত্র দুটি ওপেন অ্যান্ড ফান্ডের আকার ইউসিবি ইনকাম প্লাস ফান্ডের তুলনায় বেশি। এই সাফল্যের পেছনে ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের বিনিয়োগকারী, টিম, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সহকর্মী অ্যাসেট ম্যানেজারদের সম্মিলিত অবদান রয়েছে। পরিবর্তনশীল সুদের হারের এই সময়ে মার্ক টু মার্কেট ভিত্তিতে একটি ফিক্সড ইনকাম ফান্ড পরিচালনা করা চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফান্ডটির পারফরম্যান্স ধরে রাখা এবং ধারাবাহিকভাবে বড় পরিসরে বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

এই সাফল্য উদ্‌যাপনের সময় উপস্থিত ছিলেন ইউসিবি পিএলসির চেয়ারম্যান শরীফ জহীর, ইউসিবি পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান নাবিল মুস্তাফিজুর রহমান এবং ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান। এ সময় ইউসিবি পিএলসির সম্মানিত পরিচালকবৃন্দ ও ব্যাংকের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে যুবক হত্যা: নেপথ্যে শ্লীলতাহানি নাকি মাদক বিরোধ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


ময়মনসিংহে যুবক হত্যা: নেপথ্যে শ্লীলতাহানি নাকি মাদক বিরোধ?

ময়মনসিংহ নগরীতে সাদ্দাম হোসেন (২৩) নামে এক যুবককে নৃশংসভাবে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার পেছনের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে নারীর শ্লীলতাহানির প্রতিবাদ করায় থাপ্পড়ের প্রতিশোধের তথ্য উঠে এসেছে, অন্যদিকে পুলিশের একটি সূত্র মাদক সংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের দিকে ইঙ্গিত করছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর আকুয়া ভাংগারপুল এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত ঘাতক যুবক অন্তরকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত সাদ্দাম হোসেন ওই এলাকার পান্নু মিয়ার ছেলে। গ্রেপ্তারকৃত অন্তর একই এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃত অন্তর এলাকায় কিছুটা নারীঘেঁষা ও আপত্তিকর স্বভাবের ছিলেন। তিনি প্রায়ই প্রতিবেশী ভাবিদের জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরে শ্লীলতাহানি করতেন। বিষয়টি জানতে পেরে দুই দিন আগে সাদ্দাম হোসেন অন্তরকে ডেকে নিয়ে শাসন করেন এবং একটি থাপ্পড় মারেন। সবার সামনে থাপ্পড় খাওয়ার এই অপমান অন্তর মেনে নিতে পারেনি।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে সাদ্দামকে একটি কক্ষে একা পেয়ে অন্তর সেখানে ঢুকে তার বুক ও গলায় উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ২টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সাদ্দাম মারা যান।

তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনে কেবল থাপ্পড়ের প্রতিশোধ নাকি অন্য কিছু রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পুলিশের আরেকটি সূত্র। ওই সূত্রের দাবি, মাদক সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুজনের মাঝে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। আজ দুপুরে মাদক নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে মারামারি হয়। তখন অন্তর তার হাতে থাকা চাকু দিয়ে সাদ্দামের বুক ও পেটে একাধিক আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোওয়ালি থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম জানান, নারীর শ্লীলতাহানি নাকি মাদক দ্বন্দ্ব- তা নিশ্চিত হতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত অন্তরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষেই সাদ্দাম হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে ধর্ষণের পর তরুণীর মৃত্যু, প্রেমিক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


গাজীপুরে ধর্ষণের পর তরুণীর মৃত্যু, প্রেমিক গ্রেপ্তার

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ধর্ষণের ঘটনায় এক তরুণী (১৯) অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় পুলিশ শান্ত পাল নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।

ঘটনাটি গত রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরের দিকে ঘটে। ওই তরুণী ময়মনসিংহের একটি কলেজ থেকে ২০২৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির উদ্দেশ্যে তিনি ময়মনসিংহের একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করছিলেন।

গ্রেপ্তার হওয়া শান্ত পাল কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সাচাইল এলাকার সুনীল চন্দ্র পালের ছেলে। তিনি কালিয়াকৈরের সফিপুর আহম্মদনগর এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন এবং স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণীর গ্রামের বাড়িতে শান্ত পালের যাতায়াত ছিল আত্মীয়তার সূত্রে। এক সময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রবিবার সকাল ৮টার দিকে ওই তরুণী প্রতিদিনের মতো কোচিং সেন্টারে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। ওই দিন মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে শান্ত পাল তার সহযোগী আনোয়ার হোসেনের সহায়তায় তাকে কালিয়াকৈরে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়।

সেদিন দুপুর ১২টার দিকে শান্ত পাল তাকে ধর্ষণ করে। পরে তরুণীর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর শান্ত পাল অ্যাম্বুলেন্সে করে লাশ তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায়।

বাড়িতে গিয়ে শান্ত পাল জানান, খিঁচুনি ওঠার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল এবং চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার কথাবার্তায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে লাশ ও পোশাকে রক্তের চিহ্ন দেখতে পেয়ে তারা বিষয়টি নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে শান্ত পাল ঘটনার কথা স্বীকার করে বলে পরিবারের সদস্যদের দাবি।

খবর পেয়ে ভালুকা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল করে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে নিহতের বাড়ি থেকে শান্ত পালকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি শান্ত পালকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। মামলার অপর আসামি আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তরুণীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%