ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষকের মর্যাদা-অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান, পূর্বধলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত


শিক্ষকের মর্যাদা-অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান, পূর্বধলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

‘শিক্ষকের পাশে দাঁড়াই, পেশার মর্যাদা রক্ষা করি, ভবিষ্যৎ গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেত্রকোনার পূর্বধলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (৫ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অংশ নেন।
পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দিকী, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনজুরুল ইসলাম, একাডেমিক সুপারভাইজার নুরুন্নাহার লিজা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ মান্নান, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আব্রাহাম লিংকন, জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নূর আহাম্মদ খান রতন, পূর্বধলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম, হারুন অর রশিদ, ঝিনায়কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. রাজিব আহম্মেদ, হুসাইনিয়া ফাজিল মাদরাসার প্রতিনিধি মুসাহিদ আকন্দ ও সাংবাদিক হাবিবুর রহমান।
বক্তারা বলেন, একটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে শিক্ষকের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
তারা আরও বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের জন্য নিরাপদ ও উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের কাটিহারে বাজারে আইনজীবী আজিমুদ্দিনকে গুলি করে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


ভারতের কাটিহারে বাজারে আইনজীবী আজিমুদ্দিনকে গুলি করে হত্যা

ভারতের বিহার রাজ্যের কাটিহার জেলার একটি জনবহুল বাজারে সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরের বেলায় এক মুসলিম আইনজীবীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও দোকানদারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির নাম আজিমুদ্দিন, যিনি ‘গুড্ডু আনসারি’ নামেও পরিচিত ছিলেন। কাটিহার টাউন থানা এলাকার কুমহার টোলির প্যাটেল চকের কাছে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আনসারি যখন বাজারে ছিলেন, তখন তিনজন ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে তাঁকে ঘিরে ফেলে। তাদের মধ্যে একজন পয়েন্ট-ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং পরে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

গুরুতর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আনসারিকে কাছের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে, যা তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, হামলাকারীরা বাজারের মধ্যে আজিমুদ্দিন আনসারির দিকে হেঁটে আসছে। এরপর তাদের মধ্যে একজন আগ্নেয়াস্ত্র বের করে তাঁকে খুব কাছ থেকে গুলি করে এবং তারপর তারা দলবদ্ধভাবে এলাকা ত্যাগ করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, আজিমুদ্দিনকে গুলি করার পর তিনি রাস্তার পাশে লুটিয়ে পড়েন। পুলিশ ঘটনাস্থল ঘেরাও করে আলামত সংগ্রহ করেছে। হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে এবং অপরাধ সংঘটনের আগে ও পরে তাদের গতিবিধি নিশ্চিত করতে এলাকার সিসিটিভি রেকর্ডিং পরীক্ষা করা হচ্ছে।

আজিমুদ্দিন আনসারির পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন যে, পূর্ববর্তী একটি বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। নিহতের এক আত্মীয় দাবি করেছেন, প্রায় তিন মাস আগে স্থানীয় আদালতে আইনজীবী আজিমুদ্দিনের সাথে এক ব্যক্তির বাকবিতণ্ডা হয়েছিল এবং সেই বিরোধের পর তাঁকে হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।

মোহাম্মদ মমতাজ আলম নামে নিহতের পরিবারের এক সদস্য পুরোনো বিরোধের সূত্র ধরে এক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে পুলিশ এখনো এর মূল উদ্দেশ্য কিংবা জড়িতদের পরিচয় সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য দেয়নি।

কাটিহারের ডিএসপি বিশাল আনন্দ জানিয়েছেন, গুলি চালানোর ঘটনার তথ্য পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং তারা সম্ভাব্য সব দিক থেকে বিষয়টি তদন্ত করছে।

হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম গঠন করা হয়েছে। তদন্তকারীরা অপরাধের ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা সিসিটিভি ফুটেজ এবং অন্যান্য প্রমাণাদি খতিয়ে দেখছেন। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মরদেহটি পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতি সাপেক্ষে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল উদ্দেশ্য এবং হামলাকারীদের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকলায় র‌্যালি-আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


নকলায় র‌্যালি-আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন

জাতি গঠনে শিক্ষকের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা জ্ঞাপন এবং আদর্শ জাতি গড়ার কারিগর খ্যাত শিক্ষকদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে সারা বিশ্বের ন্যায় শেরপুরের নকলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে ‘স্ট্যান্ডিং উইথ টিচার্স: সিক্সটি ইয়ার্স অব প্রোটেকটিং দ্য প্রফেশন, অ্যাডভান্সিং ইটস স্ট্যাটাস, শেপিং আওয়ার ফিউচার্স’- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের যৌথ আয়োজনে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর আলম’র নেতৃত্বে র‌্যালিটি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ইউএনও মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সভায় উপজেলা প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সিনিয়র শিক্ষক এবং উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাগন বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা জানান, দেশ ও জাতির কল্যাণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। শিক্ষকরা আদর্শ জাতি গড়ার কারিগর। তাঁরা শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষিত ও মানবশক্তিতে রূপান্তরিত করে দেশ ও জাতি গঠনে দক্ষ করে তুলেন। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দেশ গড়ার দায়িত্ব নিবে। তাই শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তুলতে মহান দায়িত্ব পালন করবেন শিক্ষক সমাজ। এ কারণেই আমাদের সমাজে পিতা-মাতার পরেই শিক্ষকের স্থান বলে মনে করা হয়। তাই শিক্ষকদের সম্মানে যথাযথ মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করা প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য বলেও বক্তারা মন্তব্য করেন। তারা বলেন ‘আদর্শ জাতি গড়ায় শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম।’

এ সময় উপজেলা প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ও উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, প্যারিসে ১৯৯৩ সালে অনুষ্ঠিত ইউনেসকোর ২৬তম সাধারণ সভায় ৫ অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরপর ১৯৯৪ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালন করা হয়। ১৯৯৫ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উদযাপন বা পালন করা শুরু হয়। জানা গেছে, ইউনেসকোর অনুমোদনক্রমে ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর পৃথক প্রতিপাদ্যে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনাজপুর মেডিকেলে ডাক্তারদের লাঞ্ছিতের ঘটনায় তুলকালাম কান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


দিনাজপুর মেডিকেলে ডাক্তারদের লাঞ্ছিতের ঘটনায় তুলকালাম কান্ড

রোগীর স্বজনদের সাথে বাকবিতণ্ডার পর নিউরো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটে, যা তুলকালাম পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। প্রতিবাদস্বরূপ, ইন্টার্ন ডাক্তাররা আজ সোমবার বিকেল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দেন, ফলে চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যাহত হয়ে পড়ে।

ইন্টার্ন ডাক্তাররা দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি নিয়ে অনড় অবস্থান গ্রহণ করেন। এক পর্যায়ে জেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক মোকাররম হোসেন, যুবদল নেতা রেজা, মাসুদ হোসেন, এবং দিনাজপুর মোটর বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাইয়ুমসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নজরে আনা হলে তিনি নির্দেশ দেন যে দোষীরা যে দলেরই হোক, মামলা দায়ের সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সাথে হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেনের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আলোচনা করেন। পরবর্তীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক প্লাবনসহ আরও দুইজনকে আটকের বিষয়টি আলোচিত হয়।

ইন্টার্ন ডাক্তাররা দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা, আটক এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের আশ্বাস পাওয়ার পর সাময়িকভাবে ধর্মঘট প্রত্যাহার করেন। তবে সন্ধ্যার সামান্য আগে আটক নেতাদের থানায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে হাসপাতালের বাইরে নেতা-কর্মীরা সমবেত হন। এক পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবক নেতা প্লাবনকে নিয়ে মিছিল সহকারে নেতা-কর্মীরা হাসপাতাল ত্যাগ করেন।

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, দিনাজপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক প্লাবনের ভাইয়ের স্ত্রী চিকিৎসাধীন ছিলেন দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। রোগীর অবস্থার অবনতিকে কেন্দ্র করে স্বজনদের সাথে ইন্টার্ন ডাক্তারদের বাকবিতণ্ডা হয়। এসময় মোবাইলে ছবি ধারণকে কেন্দ্র করে দুই নারী চিকিৎসক ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বলে স্বজনরা জানান।

অন্যদিকে, ইন্টার্ন নারী চিকিৎসকরা তাদের অপদস্ত করার ছবি ধারণের কথা বলেন। সূত্রের মতে, এসময় নিউরো ডা. মনজুর মোর্শেদ উপস্থিত হলে তাকে লাঞ্ছিত করা হয়। প্রতিবাদে ইন্টার্ন ডাক্তাররা দায়ীদের বিচার দাবি ও নিরাপত্তার দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেন। পরিচালকের কক্ষে আলোচনা ও বাকবিতণ্ডার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিয়মিত মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেয়। এসময় স্বেচ্ছাসেবক নেতা প্লাবনকে হাসপাতাল চত্বরেই আটকে রাখা হয়। মন্ত্রীদের আশ্বাস ও উপস্থিত নেতাকর্মীদের অনুরোধে ইন্টার্ন ডাক্তাররা সাময়িকভাবে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।

পরবর্তীতে হাসপাতালে থাকা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা প্লাবনকে থানায় নিয়ে যাওয়ার খবরে হাসপাতালের বাইরে দলের নেতা-কর্মীরা সমবেত হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে প্লাবনকে নিয়ে নেতা-কর্মীরা উল্লাস করতে করতে হাসপাতাল চত্বর ত্যাগ করেন।

এ ব্যাপারে হাসপাতাল পরিচালকের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এজাহারের প্রস্তুতি চলছে বলে ফোন কেটে দেন। এক মিনিট পরেই কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে প্লাবনকে ছেড়ে দেয়া বা নিয়ে যাওয়ার বিষয় জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এজাহারে নাম নেই তাই তাকে আটক বা ছেড়ে দেয়ার প্রশ্ন আসে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অরিজিৎ সিং ২০ বছর পূর্তিতে ৯ শহরে কনসার্ট করবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


অরিজিৎ সিং ২০ বছর পূর্তিতে ৯ শহরে কনসার্ট করবেন

সংগীতজীবনের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশাল আয়োজন নিয়ে ফিরছেন অরিজিৎ সিং। ২০২৭ সালে ভারতের নয়টি শহরে কনসার্ট করার পরিকল্পনা করেছেন জনপ্রিয় এই গায়ক। জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে চলবে তার এই বিশেষ সফর। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

ভারতের আহমেদাবাদ, চণ্ডীগড়, জয়পুর, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, নয়াদিল্লি, পুনে, ইন্দোর ও হায়দরাবাদে অনুষ্ঠিত হবে কনসার্টগুলো। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি অরিজিতের সবচেয়ে বড় ভারত সফর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

৯ জানুয়ারি আহমেদাবাদে কনসার্টের মাধ্যমে সফর শুরু করবেন অরিজিৎ। এরপর ২৩ জানুয়ারি চণ্ডীগড় এবং ৭ ফেব্রুয়ারি জয়পুরে পারফর্ম করবেন তিনি।

২০ ফেব্রুয়ারি মুম্বাই, ১৩ মার্চ বেঙ্গালুরু এবং ২৭ মার্চ নয়াদিল্লিতে তার কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১০ এপ্রিল পুনে, ১ মে ইন্দোর এবং ১৫ মে হায়দরাবাদে দর্শকদের সামনে গান গাইবেন তিনি।

কনসার্টে অরিজিতের জনপ্রিয় গান ‘তুম হি হো’, ‘আগর তুম সাথ হো’ ও ‘বিদা করো’-সহ আরও অনেক গান শোনার সুযোগ পাবেন ভক্তরা।

এই সফর সম্পর্কে অরিজিৎ বলেন, সংগীতের ২০ বছর তার জন্য কৃতজ্ঞতার একটি দীর্ঘ যাত্রা। তার মতে, এই পথচলার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি শ্রোতারা, যারা গানগুলোকে নিজেদের মতো করে ভালোবাসা দিয়েছেন।

টিম ইনোভেশনের প্রযোজনা ও প্রচারণায় আয়োজিত হবে কনসার্টগুলো। টিকিট বিক্রি হবে শুধুমাত্র থাম্পএন-এর মাধ্যমে। বড় পরিসরের স্টেডিয়াম কনসার্ট হিসেবে অনুষ্ঠানগুলো আয়োজন করা হচ্ছে।

কনসার্টে থাকবে মাল্টি-লেভেল মঞ্চ ও লম্বা রানওয়ে। এছাড়া ৩৬০ ডিগ্রি স্পেশাল অডিও, বড় প্যানোরামিক স্ক্রিন, কাইনেটিক এলইডি, লেজার শো ও আতশবাজির ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

২০০৫ সালে ‘ফেম গুরুকুল’ রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়ে পরিচিতি পান অরিজিৎ সিং। পরবর্তীতে হিন্দি সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী হয়ে ওঠেন তিনি। ‘গেরুয়া’, ‘চান্না মেরেয়া’, ‘কেসারিয়া’, ‘আপনা বনা লে’, ‘চালেয়া’, ‘সাজনি’ ও ‘ঘেহরা হুয়া’র মতো গান তার ক্যারিয়ারে বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

এর আগে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্লেব্যাক গান থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ভক্তদের চমকে দিয়েছিলেন অরিজিৎ। এবার ২০ বছরের সংগীতজীবন উদ্‌যাপনে সরাসরি মঞ্চে ফিরে আসছেন এই গায়ক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%