বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:০৮ পি.এম
কৃষি মন্ত্রণালয় বালাইনাশক খাতকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে ১৯ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে কমিটিকে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পর্যালোচনা করে নতুন একটি পলিসি গাইডলাইন প্রণয়নের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপকরণ-২ শাখা থেকে একটি অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অফিস আদেশটি সাবেক উপসচিব মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ স্বাক্ষর করেছেন। এতে বলা হয়েছে, বালাইনাশকের আমদানি, উৎপাদন, ব্যবহার ও গুণগতমান নিশ্চিত করতে কমিটিকে বিদ্যমান আইন, নিবন্ধন, লাইসেন্সিং ব্যবস্থা, প্রশাসনিক কাঠামো, গবেষণাগারের কার্যক্রম এবং মনিটরিং ব্যবস্থা পর্যালোচনা করতে হবে। এই সবকিছুর লক্ষ্য হলো খাতটিকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করা।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে মনোনীত করা হয়েছে এবং সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
এছাড়া, কৃষি, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, চিকিৎসা ও পরিবেশ খাতের বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
কমিটির সদস্যরা বিদ্যমান বালাইনাশক আইন, বিধিমালা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পর্যালোচনা করে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করবেন। তারা বালাইনাশক খাতের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সুপারিশও করবেন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের কো-অপ্ট করার ক্ষমতা কমিটির রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের প্রবেশমুখে স্থাপিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়ে জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) তারা গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেন যে, সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নিখিল দাস ও সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পরিবার এবং ঝинাইদহের প্রগতিশীল রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর মতামত উপেক্ষা করে একতরফাভাবে ভাস্কর্য অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা মনে করেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকেই উৎসাহিত করবে।
তারা আরো বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন ও ভাস্কর্যের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাদের অভিযোগ হলো, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে খাটো করার একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক।
বিবৃতিতে জেলা প্রশাসনের প্রতি ভাস্কর্য অপসারণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানানো হয়। তারা বলেন, বর্তমান স্থানে যানজট ও জনদুর্ভোগ নিরসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে যথাযথ সংস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন এবং বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পূর্ণাঙ্গ অবয়ব সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়। বলা হয়, অন্যথায় উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, ‘শুধু রাজনৈতিক দলের চিঠির ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। জাতীয় সংসদের স্পিকারের রেফারেন্স বা আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দলের চিঠির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি বিতর্কিত বিষয়। স্পিকার আমাদের কাছে বিষয়টি রেফার করলে বিরোধ (ডিসপিউট) পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে শুনানি শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এ ধরনের ঘটনায় আইনি দিক ব্যাখ্যা করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, 'দল থেকে বহিষ্কার করলে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার সুযোগ নেই। তবে কোনো সংসদ সদস্য স্বেচ্ছায় দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়। স্পিকার আমাদের রেফার করলে বা জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, দুপুর পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের বিষয়ে কোনো চিঠি ইসিতে পৌঁছেনি। শুধু দলের বহিষ্কারের চিঠির ভিত্তিতে সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না।
স্পিকার বা জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক রেফারেন্স বা চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
তিনি আরো বলেন, ‘সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যের অযোগ্যতার বিষয়ে স্পিকারের রেফারেন্সের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। তাই কমিশন স্পিকারের আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের অপেক্ষায় রয়েছে।’
সম্প্রতি এক নারীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। প্রথমে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বলে দাবি করলেও পরে গাজী নজরুল ইসলাম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী বলে উল্লেখ করেন।
এরপর বুধবার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি সভায় মজলিসে শূরার সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় দলীয় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে অবহিত করার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।
এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে শ্যামনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) বিভাগীয় কার্যালয়, রাজশাহীর উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১.৩০ ঘটিকায় রাজশাহী মহানগরীতে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিএসটিআই’র গুণগত মানসনদ গ্রহণ ছাড়াই ‘সুইটমিট (মিষ্টি) ও ফার্মেন্টেড মিল্ক (দই)’ উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণ করায় এবং পণ্যের উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখসহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় তথ্য সম্বলিত লেবেল না থাকার কারণে নগরীর সাহেব বাজার বড় মসজিদ সংলগ্ন শামিম সুইটস প্রতিষ্ঠানটিকে ১৫,০০০/- (পনের হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহরিয়ার ইসলাম নাসিফ এর নেতৃত্বে পরিচালিত উক্ত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রাজশাহীর সার্টিফিকেশন মার্কস উইং কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ।
এসময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে ভেজাল প্রতিরোধ এবং গুণগত মানসম্পন্ন খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিএসটিআই, রাজশাহীর এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) রোভার স্কাউট গ্রুপের ইউনিট লিডার ও সম্পাদক মো. আব্দুল ওয়াহেদকে ‘মেডেল অব মেরিট’ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ স্কাউটসের সর্বোচ্চ সম্মাননাগুলোর মধ্যে এটি একটি। সম্প্রতি বাংলাদেশ স্কাউটসের আহ্বায়ক মো. এহসানুল হক এবং সদস্য-সচিব মীর মাহবুবুর রহমান (স্নিগ্ধ) স্বাক্ষরিত এক সম্মাননাপত্রে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
সম্মাননাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, স্কাউট আন্দোলনের সার্বিক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে মো. আব্দুল ওয়াহেদের তৎকালীন ব্যক্তিগত প্রয়াস এবং অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই ‘মেডেল অব মেরিট’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
এই অর্জন নিয়ে মো. আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, এই অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রোভার স্কাউট একটি নতুন উচ্চতায় পদার্পণ করেছে। তিনি মাননীয় উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে আশাবাদী যে, আগামীতেও তারা দেশ গঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন, তারা একটি সুন্দর স্কাউট দল বিশ্ববিদ্যালয়কে উপহার দেবেন এবং এই অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তিতে রোভার স্কাউটের ছেলেমেয়েরা আরও বেশি উৎসাহিত হবে বলে মনে করছেন।
এছাড়া, আব্দুল ওয়াহেদ বর্তমানে যবিপ্রবির শরীর চর্চা ও শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ