বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:১২ পি.এম
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) বিভাগীয় কার্যালয়, রাজশাহীর উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১.৩০ ঘটিকায় রাজশাহী মহানগরীতে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিএসটিআই’র গুণগত মানসনদ গ্রহণ ছাড়াই ‘সুইটমিট (মিষ্টি) ও ফার্মেন্টেড মিল্ক (দই)’ উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণ করায় এবং পণ্যের উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখসহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় তথ্য সম্বলিত লেবেল না থাকার কারণে নগরীর সাহেব বাজার বড় মসজিদ সংলগ্ন শামিম সুইটস প্রতিষ্ঠানটিকে ১৫,০০০/- (পনের হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহরিয়ার ইসলাম নাসিফ এর নেতৃত্বে পরিচালিত উক্ত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রাজশাহীর সার্টিফিকেশন মার্কস উইং কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ।
এসময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে ভেজাল প্রতিরোধ এবং গুণগত মানসম্পন্ন খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিএসটিআই, রাজশাহীর এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) রোভার স্কাউট গ্রুপের ইউনিট লিডার ও সম্পাদক মো. আব্দুল ওয়াহেদকে ‘মেডেল অব মেরিট’ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ স্কাউটসের সর্বোচ্চ সম্মাননাগুলোর মধ্যে এটি একটি। সম্প্রতি বাংলাদেশ স্কাউটসের আহ্বায়ক মো. এহসানুল হক এবং সদস্য-সচিব মীর মাহবুবুর রহমান (স্নিগ্ধ) স্বাক্ষরিত এক সম্মাননাপত্রে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
সম্মাননাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, স্কাউট আন্দোলনের সার্বিক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে মো. আব্দুল ওয়াহেদের তৎকালীন ব্যক্তিগত প্রয়াস এবং অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই ‘মেডেল অব মেরিট’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
এই অর্জন নিয়ে মো. আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, এই অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রোভার স্কাউট একটি নতুন উচ্চতায় পদার্পণ করেছে। তিনি মাননীয় উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে আশাবাদী যে, আগামীতেও তারা দেশ গঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন, তারা একটি সুন্দর স্কাউট দল বিশ্ববিদ্যালয়কে উপহার দেবেন এবং এই অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তিতে রোভার স্কাউটের ছেলেমেয়েরা আরও বেশি উৎসাহিত হবে বলে মনে করছেন।
এছাড়া, আব্দুল ওয়াহেদ বর্তমানে যবিপ্রবির শরীর চর্চা ও শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজার জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ অজিত পাত্র (৪৮) নামের একজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত বুধবার (২২ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার ১২ নম্বর গিয়াসনগর ইউনিয়নের প্রেমনগর চা বাগান (সমাধি টিলা) এলাকায় তার নিজের বসতঘরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে মৌলভীবাজার জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্য এই তথ্য জানিয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের এসআই হীরক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে একটি টিম অজিত পাত্রের বসতঘরের দক্ষিণ কক্ষে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় একটি প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি গাঁজাগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছেন।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
মৌলভীবাজার জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্য বলেছেন, সিডিএমএস যাচাই করে অজিত পাত্রের বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশ সুপারের নির্দেশিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে মাদকের বিরুদ্ধে ডিবির এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে বাবলু মিয়া (৫২) নামে একজন আওয়ামী লীগ নেতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং সেখানেই তার মৃত্যু ঘটে।
বাবলু মিয়া সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাহুকা ইউনিয়নের পূর্ব বাহুকা গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে। তিনি রতনকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক পদে ছিলেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা সুপার মো. রফিকুল ইসলাম এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাবলু মিয়া একটি রাজনৈতিক মামলায় এক মাস আগে জেল হাজতে এসেছিলেন। বুধবার সন্ধ্যা দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট আদালত চত্বরে আবারও হামলার শিকার হন শিশু ফাহিমা আক্তার ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেন। কারাগার থেকে হাজিরার উদ্দেশ্যে আদালতে তাকে আনা হলে একদল জনতা তার ওপর হামলা চালায়।
এই সময় তাকে মারধর শুরু হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টায় সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। এর আগেও একই আদালত প্রাঙ্গণে জাকিরের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল।
পুলিশ এবং প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে আসামি জাকিরকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে আদালতে নেওয়া হয়। আদালত চত্বরে তিনি আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন নিহত ফাহিমার স্বজন এবং এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। প্রিজন ভ্যান থেকে আদালত ভবনের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় তারা জাকিরকে লক্ষ্য করে হামলা চালান এবং মারধর করেন। পরে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা এসে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং জাকিরকে আদালতের ভেতরে নিয়ে যান।
তবে হামলার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফাহিমার এক চাচা। তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আসামিপক্ষের দিকে ঝুঁকে থাকছেন। এর ফলে ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়ে আমাদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।’
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মনজুরুল আলম বলেন, ‘জাকিরকে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে আনা-নেওয়া করা হয়। তারপরও কীভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছে, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
নিহত ফাহিমা আক্তার (৪) সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। অভিযুক্ত জাকির একই গ্রামের পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা এবং শিশু ফাহিমার চাচা। গত ৬ মে শিশু ফাহিমা আক্তার (৪) নিখোঁজ হয়। দুই দিন পর ৮ মে ভোররাতে তার মরদেহ গ্রামের একটি ডোবার পাশ থেকে উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, জাকির প্রথমে মরদেহ ডোবায় ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে সেটি ডোবার পাশে ফেলে রেখে যান। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
মরদেহ উদ্ধারের তিন দিনের মাথায় গত ১১ মে রাতে শিশু ফাহিমাকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার অভিযোগে তার প্রতিবেশী জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
এদিকে, ঘটনার এক মাস পাঁচ দিনের মধ্যেই মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি হিসেবে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। তার দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে লাশ গুমাতে সহযোগিতা করার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর জাকির পুলিশের কাছে এবং পরে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। তবে সম্প্রতি আদালতে হাজিরার সময় তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, পুলিশ তার কাছ থেকে জোরপূর্বক ওই জবানবন্দি আদায় করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ