ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কালকিনি পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করে সকলের কাছে দোয়া চাইলেন বিএনপি নেতা কামাল হোসেন বেপারী


কালকিনি পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করে সকলের কাছে দোয়া চাইলেন বিএনপি নেতা কামাল হোসেন বেপারী

মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেছেন কালকিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও কালকিনি পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন বেপারী। এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও পৌরবাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

শনিবার সকালে কালকিনি উপজেলা বিএনপির আঞ্চলিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন কামাল হোসেন বেপারী। এক পর্যায়ে তিনি কেঁদে ফেলেন। তিনি বলেন, “দলের দুর্দিনে আমি সবসময় বিএনপির পাশে ছিলাম। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নানা প্রতিকূলতা ও চাপের মধ্যেও আমি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছি। দল ও আদর্শের প্রতি আমার আনুগত্য কখনো নষ্ট হয়নি।”

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

তিনি আরও বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, ত্যাগ ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মূল্যায়ন করে দল আমাকে যোগ্যতা অনুযায়ী মনোনয়ন দেবে। আমি পৌরবাসীর সেবা করতে চাই এবং একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব পৌরসভা গঠনে কাজ করতে চাই।”

কামাল হোসেন বেপারী বলেন, নির্বাচিত হলে নাগরিক সেবার মান উন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পৌরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবেন।

এ সময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিলের জয়ে মাথা ন্যাড়া করলেন আর্জেন্টিনার সমর্থক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


ব্রাজিলের জয়ে মাথা ন্যাড়া করলেন আর্জেন্টিনার সমর্থক

 

ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই সমর্থকদের আবেগ, উন্মাদনা এবং নানা ব্যতিক্রমী কাণ্ড। সেই উন্মাদনার একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার একজন আর্জেন্টিনা সমর্থক।

ব্রাজিলের জয়ের পর মাথা ন্যাড়া করতে হয়েছে ফয়সাল আহমেদ জুম্মান (২৩)-কে, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া চ্যালেঞ্জ রক্ষা করেছেন।

ফয়সাল বকশীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাধুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনা দলের একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত।

গত শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে তিনি ঘোষণা করেন, যদি হাইতির বিরুদ্ধে ম্যাচে ব্রাজিল জয়ী হয়, তাহলে তিনি মাথা ন্যাড়া করে এলাকায় ঘুরবেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিল, হাইতিকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছে। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর, ফয়সাল নিজের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এগিয়ে আসেন। আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে তিনি সাধুরপাড়া এলাকায় মাথা ন্যাড়া করেন। এই সময় স্থানীয় ফুটবলপ্রেমী ও কৌতূহলী মানুষজন ঘটনাটি দেখতে ভিড় করেন। মুহূর্তেই বিষয়টি এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। অনেকেই ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

স্থানীয়দের মতে, বিশ্বকাপকে ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবলপ্রেমের এক বিশেষ বহিঃপ্রকাশ। ফয়সালের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এলাকায় আনন্দ এবং কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।

চ্যালেঞ্জ পূরণের পর ফয়সাল আহমেদ জুম্মান বলেন, "খেলাধুলা বিনোদনের একটি বড় মাধ্যম। আমি মজা করেই এই চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম। ব্রাজিল জিতেছে, তাই কথা অনুযায়ী মাথা ন্যাড়া করেছি। প্রতিশ্রুতি দিলে তা রাখতে হয়।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান ফুটবল দলের ওপর আরোপিত কঠোর ভ্রমণনীতি পরিবর্তনের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


ইরান ফুটবল দলের ওপর আরোপিত কঠোর ভ্রমণনীতি পরিবর্তনের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান ফুটবল দলের ওপর মার্কিন প্রশাসনের দ্বারা আরোপিত কঠোর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বদলানোর ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। চলমান রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার কারণে বিশ্বকাপ ফুটবলে ইরান ফুটবল দলকে এ নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হয়েছিল। তবে বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সমঝোতায় পৌঁছানোয় উভয় দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে।

সুতরাং, বিশ্বকাপের জন্য ইরান ফুটবল দলের ওপর আরোপিত কঠোর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। টকস্পোর্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্ক ফোর্সের প্রধান অ্যান্ডু জুলিয়ানি জানিয়েছেন, মার্কিন প্রশাসন আরও আলোচনা করতে প্রস্তুত। তারা বিশ্বকাপে ইরান ফুটবল দলের জন্য আরোপিত কঠোর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়টি নিয়ে কথা বলবে।

এ ঘটনা ঘটছে ঠিক সেই সময়ে যখন ইরান ফুটবল ফেডারেশন ফিফার কাছে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পূর্বে, ইরান আগামী রবিবার লস অ্যাঞ্জেলেসে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ম্যাচের দুইদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।

এ অবস্থায় ইরানের এক মুখপাত্র এএফপিকে জানিয়েছেন, ইরান বিশ্বকাপে দলের প্রস্তুতিসূচি যথাযথভাবে জমা দিয়েছে, তবে আয়োজকদের আরোপিত কঠোর বিধি-নিষেধ তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করছে।

এ বিষয়ে, অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি দ্য টেলিগ্রাফকে বলেছেন, পুরো পরিস্থিতি অত্যন্ত পরিবর্তনশীল। এ বিষয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। তারা মাঠে প্রতিযোগিতামূলক এবং সুষ্ঠু খেলা নিশ্চিত করতে চান। বললেন, ‘দলের প্রত্যেক কোচ ভিসা পেয়েছেন।’

তবে, টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে ইরান দলের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের সময়সীমা কিছুটা বাড়ানোর সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে নকআউট পর্বের সমীকরণ পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র করার পর ইরানকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিমান ধরতে বলা হয়েছিল, যা ইরান অধিনায়ক মেহেদি তারেমি ও কোচ আমির ঘালেনোইয়ের জন্য একে ‘বিপর্যয়’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রুপ পর্ব ও রাউন্ড অব ৩২-এর ফলাফলের ভিত্তিতে আগামী ৩ জুলাই ডালাসে অথবা ৬ জুলাই সিয়াটলে যুক্তরাষ্ট্র বনাম ইরান মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ধরনের হাই-প্রোফাইল ম্যাচের লজিস্টিকস ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে জুলিয়ানি বলেন, ‘সবকিছুই পরিবর্তনশীল। তাই এর ওপর নজর রাখুন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ ডিগ্রি বাস্তবায়নে উচ্চশিক্ষায় উদ্যোগী ইউজিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ ডিগ্রি বাস্তবায়নে উচ্চশিক্ষায় উদ্যোগী ইউজিসি

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দ্বৈত ডিগ্রি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে চায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। এই প্রচেষ্টার জন্য একটি জাতীয় কাঠামো (ন্যাশনাল ফ্রেমওয়ার্ক) প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও বাকৃবির যৌথ আয়োজনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এ বিষয় নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘ডেভেলপমেন্ট অব আ ন্যাশনাল ফ্রেমওয়ার্ক ফর জয়েন্ট পার্টনারশিপ ইন হায়ার এডুকেশন সেক্টর বিটুইন বাংলাদেশ অ্যান্ড ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

বিশেষজ্ঞ ড. গ্রেস মুকুপা মন্তব্য করেন, বাংলাদেশের জন্য বিদেশি কোনো মডেল চাপিয়ে দেওয়া নয়, বরং দেশের বিদ্যমান নীতিমালা, শিক্ষা কাঠামো এবং প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে একটি টেকসই ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন রূপরেখা তৈরি করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য। তিনি আরও বলেন, এই কাঠামো পরবর্তীতে বাংলাদেশ একা পরিচালনা, সম্প্রসারণ এবং উন্নয়ন করতে সক্ষম হবে।

তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একটি কাঠামোবদ্ধ ‘টু প্লাস টু’ মডেল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এই ব্যবস্থায় একজন শিক্ষার্থী শুরুতে দুই বছর বাংলাদেশে এবং পরবর্তী দুই বছর যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন সম্পন্ন করবেন। সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীরা উভয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পৃথক ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ. কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বর্তমান বিশ্বে উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা সময়ের দাবি। যৌথ অংশীদারিত্ব ও ডুয়াল ডিগ্রি কার্যক্রম চালু হলে আমাদের শিক্ষার্থীরা বিশ্বমানের শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষতা অর্জনের আরও বিস্তৃত সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছে এবং এর সফল বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে।

সভায় উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ ও বৈশ্বিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন নীতিগত বিষয় নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছিল। এর মধ্যে অন্যতম বিষয় ছিল বাংলাদেশের জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো (বিএনকিউএফ) অনুযায়ী অর্জিত ক্রেডিটকে যুক্তরাষ্ট্রের কার্নেগি ইউনিট পদ্ধতির সঙ্গে সমন্বয় করা। এর পাশাপাশি পাঠ্যক্রমের সামঞ্জস্য, ক্রেডিট স্থানান্তর এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অর্জনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

এই অনুষ্ঠানে ফুলব্রাইট স্পেশালিস্ট এবং উচ্চশিক্ষা নীতি বিশেষজ্ঞ ড. গ্রেস মুকুপা, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ. কে ফজলুল হক ভূঁইয়া, উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান, ভেটেরিনারি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আমিরুল ইসলাম, অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম, আইআইএফএস-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মাহবুব আলম, রেজিস্ট্রার ড. হেলাল উদ্দীন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মো. জহিরুল আলম এবং ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ও বিদেশী শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সিএনএনের বিশ্লেষণ

যুদ্ধের সময় ১১৫ কোটি ব্যারেলের বেশি তেলের সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হয়েছে বিশ্ববাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


যুদ্ধের সময় ১১৫ কোটি ব্যারেলের বেশি তেলের সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হয়েছে বিশ্ববাজার

হরমুজ প্রণালি আবারও খুলে দেওয়া হলেও বৈশ্বিক তেল বাজারে অনিশ্চয়তা পুরোপুরি কাটেনি। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর এই অগ্রগতি এলেও বিশ্লেষকরা বলছেন, বাস্তব সরবরাহগত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে, হতে পারে আগামী এক বছর।

বিশ্লেষক সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সময় বৈশ্বিক বাজারে প্রায় ১১৫ কোটি ব্যারেল তেলের সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ঘাটতির সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত কমে এসেছে বৈশ্বিক তেল মজুত।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা আইইএ-র তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক কৌশলগত তেলের মজুত, ১৯৯০ সালের পর, সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি তেল মজুতও গত চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। একই সাথে, বাণিজ্যিক মজুতেও চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এখন সংকটজনক অবস্থার কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তাদের মতে, মজুত দ্রুত কমে আসায় সরবরাহ ব্যবস্থা এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এদিকে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু হলেও সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে তাৎক্ষণিক কোনো সমাধান আসছে না। তেলবাহী ট্যাংকারের চলাচল স্বাভাবিক করা, উৎপাদন পুনরায় শুরু করা এবং সরবরাহ চেইন পুনর্গঠন; সব মিলিয়ে এতে সময় লাগবে কয়েক মাস থেকে এক বছর।

অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমলেও বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, এটি মূলত সমঝোতা চুক্তিকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া অস্থায়ী প্রতিক্রিয়া। বাস্তব সরবরাহ সংকট মৌলিক বাজারে এখনো পুরোপুরি কাটেনি।

তাদের ভাষ্য, আগামী দিনে বাজারে চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য না ফিরলে তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী চাপের মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, ভবিষ্যতে সরবরাহ বৃদ্ধি পেলেও বাজার দীর্ঘ সময় ধরে ওঠানামার মধ্যেই থাকবে।

সব মিলিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি খুলে যাওয়া একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও বৈশ্বিক তেল বাজার এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেনি এবং তা হতে সময় লাগবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%