০৩:০৯ পি.এম
অনেক দিন পর শ্রোতাদের সামনে নতুন মৌলিক গান নিয়ে হাজির হয়েছেন সংগীতশিল্পী নাজু আখন্দ। তাঁর নতুন গানের শিরোনাম হলো ‘যত্নের তানপুরা’।
বিচ্ছেদ, হাহাকার ও আবেগের মিশেলে তৈরি এই গানটি ইতিমধ্যে ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে।
গানটির আবেগঘন কথাগুলোতে বলা হয়েছে, ‘যত্নের তানপুরাটা ভেঙে ফেলেছি/ আমি আর গান গাইবো না’—এমন ভাবনায় সাজানো হয়েছে গানটি।
আরও পড়ুন: পিএসসির নতুন সদস্য ড. শামীমা সুলতানার শপথ আগামীকাল
গানটির পুরো আয়োজন দুই দেশে সম্পন্ন হয়েছে। যদিও ঢাকায় তৈরি, তবে নিউইয়র্কের পিংক ভয়েস স্টুডিওতে গানটির কণ্ঠ রেকর্ড করেছেন নাজু আখন্দ।
ভিডিও নির্মাণের কাজ করেছেন আল মাসুদ, যেখানে মডেল হিসেবে দেখা গেছে তানহাকে।
‘যত্নের তানপুরা’র কথা লিখেছেন রাজু চৌধুরী এবং সুর দিয়েছেন এহসান রাহী। সংগীত আয়োজন ও প্রোগ্রামিংয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন সবুজ আশীষ, স্টুডিও আলাপ।
মিক্সিং ও মাস্টারিংয়ের কাজটি করেছেন আমজাদ হোসেন বাপ্পী।
আরও পড়ুন: বিএমইউয়ে অধ্যাপক ডা. মবিন খানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত
নতুন গানটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত নাজু আখন্দ জানিয়েছেন, ‘গান আমার রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। অনেক দিন পর মৌলিক গান নিয়ে এলাম। আমি যে গানগুলোই করেছি, খুব যত্ন নিয়ে করেছি। এটিও তাই।
এটি মেলোডি ধাঁচের গান। কথা-সুর যে কারো ভালো লাগবে। খুব আবেগ দিয়ে গাওয়ার চেষ্টা করেছি।’
শ্রোতাদের ভালোবাসাকেই একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি মনে করেন এই গায়িকা। তাঁর কথায়, ‘আমরা শিল্পীরা অনেক কষ্ট করে গান বানাই। সেটা যখন শ্রোতাদের ভালো লাগে তখনই পরিশ্রমটা সার্থক হয়। যারা ভালো কথা-সুরের গান শুনতে চান, এটি তাদের ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।’
গত বুধবার, ২৬ আগস্ট ইউটিউবের ‘শব্দ কারিগর’ চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে ‘যত্নের তানপুরা’।
আরও পড়ুন: বেইজিং সফরে গেলেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা আকবর খান
রাজধানীর সাভারে জন্মগ্রহণ করেন নাজু আখন্দ। স্কুলে পড়ার সময় ২০০০ সালে তাঁর প্রথম অ্যালবাম ‘কাঁচা হলুদের রং’ প্রকাশিত হয়। এরপর ২০০৯ সালে ‘স্বপ্নকন্যা’, ২০১৩ সালে ‘একটু জায়গা দে’ এবং ২০১৫ সালে ‘ফিরিয়ে দাও আমার প্রেম’ নামে একক অ্যালবাম প্রকাশ করেন তিনি।
২০০১ সালে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সুরে ‘মায়ের সম্মান’ গানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রের প্লেব্যাকে অভিষেক ঘটে নাজু আখন্দের। গত দুই দশকে সিনেমার প্রায় ২৫০টি গানে তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন।
সংগীতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১০ সালে সেরা গায়িকা বিভাগে সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন নাজু আখন্দ।
আরও পড়ুন: শিশু ও প্রসূতি সেবা বিভাগের চিকিৎসা সেবার ভূয়সী প্রশংসা করলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন