ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

কুষ্টিয়ায় সড়কে বিকল ভ্যানে বাসের ধাক্কা, নিহত ২


কুষ্টিয়ায় সড়কে বিকল ভ্যানে বাসের ধাক্কা, নিহত ২

কুষ্টিয়ার মিরপুরে একটি পাখিভ্যানে বাসের ধাক্কায় চালকসহ দুজনের মৃত্যু ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের সদরপুর ইউনিয়নের আমতলা মাদরাসার সামনে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মিরপুর উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের আব্দুল সাত্তারের ছেলে ভ্যানচালক কামরুল ইসলাম এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়া স্বস্তিপুর গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী হাসেম আলীর স্ত্রী ভানুমতি। এ ঘটনায় ভানুমতির মেয়ে হাসিনা গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভানুমতি সম্প্রতি নওদা আজমপুরে তার মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে পাখিভ্যানটি কয়েকজন যাত্রী নিয়ে গন্তব্যের দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ ভ্যানটির এক্সেল ভেঙে সেটি সড়কের ওপর উল্টে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে পেছন থেকে আসা মেহেরপুরগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভ্যানটিকে সজোরে চাপা দেয়। বাসের ধাক্কায় ভ্যানটি পুরোপুরি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই যাত্রী ভানুমতির মৃত্যু ঘটে।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শুরু হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ছুটে আসেন। খবর পেয়ে আমলা পুলিশ ক্যাম্প ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং গুরুতর আহত চালক কামরুল ও যাত্রী হাসিনাকে উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইকবাল হোসেন জানান, গুরুতর আহত ভ্যানচালক কামরুল ইসলামকে হাসপাতালে আনার পর আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল, তবে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু ঘটে।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং জানিয়েছেন, পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ঘাতক বাসটি জব্দ করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় শেরপুর-ময়মনসিংহ সীমান্তে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন,

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেলুদা, হিমু ও বাকের ভাই হতে চান মীর রাব্বি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৮ পি.এম


ফেলুদা, হিমু ও বাকের ভাই হতে চান মীর রাব্বি

ভিকি জাহেদের ‘বিষ পাখি’ নাটকে অভিনয় করার মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন অভিনেতা মীর রাব্বি। তিনি জানিয়েছেন, নায়ক হওয়ার চেয়ে ভালো ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে কাজ করার প্রতি তাঁর আগ্রহ বেশি। তাঁর মতে, যদি একটি চরিত্র দর্শকের কাছে আলাদা করে ধরা দিতে পারে, তবে সেটি একজন অভিনেতার জন্য একটি বড় প্রাপ্তি।

অভিনয়ের প্রস্তুতি নিয়ে মীর রাব্বি আরও কথা বলেছেন। তিনি জানান, শুটিংয়ের বাইরে থাকলেও বিভিন্ন ধরনের সিনেমা ও দৃশ্যশ্রাব্য কাজ দেখেন, পড়াশোনা করেন এবং পুরোনো পছন্দের সিনেমাগুলো নিয়মিত দেখেন। একই সিনেমা ভিন্ন বয়সে দেখলে নতুন নতুন উপলব্ধি করা যায়, এমনটাই মনে করেন তিনি।

কোন চরিত্রগুলোতে অভিনয়ের ইচ্ছা রয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে মীর রাব্বি জানান, শার্লক হোমসের চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা তাঁর দীর্ঘদিনের। তিনি সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা এবং হুমায়ূন আহমেদের হিমু ও বাকের ভাই চরিত্রেও অভিনয় করতে চান। অভিনয়ে আসার আগে থেকেই এসব চরিত্রের প্রতি তাঁর আলাদা আকর্ষণ রয়েছে।

সম্প্রতি অসুস্থতার কারণে প্রায় দুই মাস শুটিং থেকে দূরে ছিলেন এই অভিনেতা। তিনি জানান, জন্ডিস ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার কারণে ওই সময় কাজ থেকে দূরে থাকায় কিছুটা অনীহা তৈরি হয়েছিল। তবে পরে আবার তরুণ নির্মাতাদের সঙ্গে স্বাধীন ধারার সিনেমা, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও নাটকে কাজ শুরু করেছেন।

বর্তমানে মীর রাব্বির হাতে বেশ কয়েকটি সিনেমা রয়েছে। ‘বকুলের বুকে রক্তকরবী’, ‘কূরকাব’ ও ‘দুঃসাহস’-এর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কিছু সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে, আবার কিছু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যাওয়ার প্রস্তুতিতে রয়েছে। পাশাপাশি তিনি সাজিন আহমেদের ‘পছন্দ হয়নি কিন্তু ভালোবাসি’ নাটকেও কাজ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলভীবাজারে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


মৌলভীবাজারে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

মৌলভীবাজার জেলার উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি ও হয়রানি করার অভিযোগে জেলা পরিষদের দুর্নীতিগ্রস্ত ও ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকারের’ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে প্রেসক্লাবের সামনে জেলা পরিষদের ঠিকাদারদের উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন ঠিকাদার তোফায়েল ইসলাম তোহেল, আনিছুজ্জামান বায়েছ, আতাউর রহমানসহ অন্যান্যরা।

লিখিত অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকার আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন আওয়ামী ঘরানার ব্যক্তি। তিনি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের উন্নয়নবিরোধী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চক্রান্তে লিপ্ত। এছাড়া, তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত কমিশন গ্রহণকারী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ঠিকাদারদের তার নির্দেশ অনুযায়ী কাজ না করলে বিভিন্নভাবে হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে টাকা দাবি করেন, নতুবা কাজের ফাইল আটকিয়ে রাখেন।

জেলা পরিষদের আওতাধীন জলমহাল ও বিভিন্ন দোকান কোঠা থেকে উচ্চমান সহকারী এনামের মাধ্যমে মাসুরা উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। জেলা পরিষদের ডাক বাংলার স্টাফদের মধ্যে যে অতিরিক্ত টাকা প্রদান করবে, তাকে নিয়োগ দেওয়া হবে। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে তার অনেক ফাইল পর্যালোচনা করলে ভূয়া বিল ও ভাউচার অনুযায়ী অনেক টাকা উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়া যাবে।

আওয়ামী আমলে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মিছবাহুর রহমানের সহযোগিতায় তারা জেলা পরিষদকে একটি দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছিলেন। এর ফলস্বরূপ, আওয়ামী সরকারের ফ্যাসিস্ট প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকার তার একক কর্তৃত্ব ও চাঁদাবাজি পার্সেন্টিজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি ঠিকাদারদের সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করিয়ে তার নিজস্ব ক্ষমতাবলে আইটেম পরিবর্তন করে কাজ করান, যা বেআইনী এবং ২০২৪ সালের পিপিআর আইন লঙ্ঘন করে। পরবর্তীতে বিল আটক করে পার্সেন্টিজ আদায় করেন।

এ বিষয়ে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকার জানান, ঠিকাদারদের মানববন্ধন করে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি ঠিকাদারদের বিলের বিষয়টি নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনা করছেন।

বক্তারা আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে জেলা পরিষদ থেকে শান্তিপূর্ণ বদলির জোর দাবি জানান। পরে তারা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। এছাড়া, ঠিকাদাররা শ্রম, কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সংসদ সদস্য, সংস্থাপন মন্ত্রণালয় ও সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে নারীদের নিরাপত্তায় চালু হলো ‘পিংক ফোর্স’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


দিল্লিতে নারীদের নিরাপত্তায় চালু হলো ‘পিংক ফোর্স’

নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দিল্লিতে একটি বিশেষ ‘পিংক ফোর্স’ গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী পুলিশ সদস্যদের নিয়ে গঠিত হবে। এই বাহিনী রাজধানীর স্কুল, কলেজ, মেট্রো স্টেশন, বাজার এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টহল দেওয়ার পাশাপাশি সংবেদনশীল সময়গুলোতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সম্প্রতি দিল্লিতে প্রায় ১০ দিনের ব্যবধানে নাবালিকাদের ওপর পৃথক চারটি ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটার পর এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর তারানজিত সিং সাধু দিল্লি পুলিশকে গোয়া পুলিশের ‘পিংক ফোর্স’-এর আদলে নতুন এই বাহিনী গঠনের নির্দেশ দেন। রাজধানীর বিভিন্ন ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত এলাকায় বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে নারী পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।

নতুন এই বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য হবে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি দৃশ্যমান করা এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া। নারী পুলিশ সদস্যদের নিয়ে গঠিত এই ইউনিট স্কুল, কলেজ, মেট্রো স্টেশন ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নিয়মিত টহল দেবে।

গোয়ায় ‘পিংক ফোর্স’ মূলত নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং তাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে কাজ করে। দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর এই বাহিনীকে নতুন ইউনিটের মডেল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তবে নারী পুলিশ সদস্যদের দিয়ে টহল দেওয়া দিল্লি পুলিশের জন্য নতুন কোনো উদ্যোগ নয়। এর আগে স্কুল, কলেজ, বাজার, মেট্রো স্টেশন ও জনবহুল এলাকায় নারী কর্মকর্তাদের স্কুটি ও বিট পেট্রোলিংয়ে মোতায়েন করা হয়েছে। নতুন প্রস্তাবের লক্ষ্য হলো এসব টহল কার্যক্রমকে একটি নির্দিষ্ট ‘পিংক ফোর্স’ কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা।

এ ছাড়া ‘অপারেশন শিষ্টাচার’-এর আওতায় প্রকাশ্য স্থানে নারীদের উত্ত্যক্ত করা বন্ধে আইনি অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও গণপরিবহন কেন্দ্রগুলোতে ইতোমধ্যে টহল জোরদার রয়েছে। প্রস্তাবিত ‘পিংক ফোর্স’ এসব উদ্যোগের পাশাপাশি কাজ করবে।

সম্প্রতি চার যৌন নিপীড়নের ঘটনা

সর্বশেষ ঘটনায় কালকাজি মন্দিরের কাছে আস্থা কুঞ্জ পার্কে ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরীকে তিন ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে প্রথমে ওই কিশোরীকে তার পুরুষ বন্ধুর কাছ থেকে আলাদা করে।

পরে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির সময় পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর সদর বাজারে স্টেশনারি কিনতে গিয়ে একটি দোকানের ভেতর এক নাবালিকা যৌন নির্যাতনের শিকার হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া মধ্য দিল্লির কিষাণগঞ্জে ছয় বছর বয়সি এক শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। পুলিশ জানায়, স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

সেপ্টেম্বরের শুরুতে স্বরূপ নগরে ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ১৯ বছর বয়সি এক তরুণকে গ্রেফাতার এবং তিন নাবালককে আটক করা হয়েছে।

ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আসছে পুলিশি অভিযোগ।

গত ২৪ জুনের পর দিল্লি পুলিশ সদর দপ্তরে সান্ধুর দ্বিতীয় সফরের সময় ‘পিংক ফোর্স’ গঠনসহ বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এখন থেকে দিল্লি পুলিশের ‘জন শুনানি’ কর্মসূচিতে পাওয়া অভিযোগগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে ট্র্যাক করা হবে। প্রতিটি অভিযোগের প্রাপ্তিস্বীকার দেওয়া হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্য সরকারি দপ্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

গত জুন থেকে বিভিন্ন থানায় ‘জন শুনানি’ কর্মসূচি চলছে। চলতি মাসে পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০টির বেশি সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং প্রায় ১০ হাজার অভিযোগের সমাধান করা হয়েছে। তবে নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থায় অভিযোগ নিষ্পত্তির নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

এ ছাড়া অপরাধপ্রবণ ও জনবহুল এলাকায়—বিশেষ করে স্কুল, কলেজ, বাজার ও পরিবহন হাবের আশপাশে—পায়ে হেঁটে এবং মোটরসাইকেলে টহল বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে থানা ও বিট কর্মকর্তাদের।

প্রতিটি পুলিশ ডিস্ট্রিক্টে একজন নোডাল অফিসার নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি স্কুলগুলোতে পিওসিএসও আইন, শিশু সুরক্ষা, সাইবার অপরাধ, মাদকের অপব্যবহার ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক সেশনের জন্য ত্রৈমাসিক ক্যালেন্ডার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, সাইবার অপরাধ দমন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করা। থানাগুলোকে সাইবার অপরাধের অভিযোগ মোকাবিলা এবং ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণে আরও দক্ষ হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পিক আওয়ারে যানজটপ্রবণ প্রধান পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং সিসিটিভি নজরদারি বাড়াতেও বলা হয়েছে।

পুলিশ সদস্যদের কল্যাণের বিষয়টিও নির্দেশনায় গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে নিম্নপদস্থ ও নারী সদস্যদের সময়মতো পদোন্নতি দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন সান্ধু। একই সঙ্গে পুলিশ সদর দপ্তরে নির্দিষ্ট সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ ও ক্ষোভ শোনার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া পুলিশ আবাসন কলোনিগুলোকে ‘জিরো-ওয়েস্ট’ বা বর্জ্যহীন মডেলে রূপান্তরের দিকে এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার নতুন শুরুর পর আবেগঘন ক্রিস্তিয়ান রোমেরো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


আর্জেন্টিনার নতুন শুরুর পর আবেগঘন ক্রিস্তিয়ান রোমেরো

বলিভিয়ার বিরুদ্ধে ৪-০ গোলে জয়লাভের পর নতুন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক ক্রিস্তিয়ান রোমেরো লিওনেল মেসির অবসরের বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। ম্যাচের পর তিনি গণমাধ্যমের সামনে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

রোমেরো উল্লেখ করেন, “আজকের দিনটা আমার স্মৃতিতে চিরকাল থাকবে। কখনও ভাবিনি বেলগ্রানো থেকে ক্যারিয়ার শুরু করে ১০ বছর পর জাতীয় দলে সবকিছু অর্জন করে ফিরব।”

তিনি আরও বলেন, দলের শক্তি এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি আশাবাদী, “আমাদের ভালো খেলোয়াড় আছে, অসাধারণ কোচিং স্টাফ আছে। আমরা প্রস্তুতি নেব যাতে জাতীয় দলকে সবসময় শীর্ষে রাখা যায়।”

নতুন অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর রোমেরো জানান, কোচ স্কালোনি তাকে অনেক আগে তৃতীয় অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত করেছিলেন।

“লিও আর অন্যরা আমাকে বেছে নিয়েছে। দায়িত্বটা এখন আমার, আর আমি কৃতজ্ঞ।”

মেসির বিদায় নিয়ে রোমেরো বলেন, “আমরা লিওকে খুব মিস করব। তিনি আমাদের পতাকা বাহক। তার মতো আর কেউ হবে না।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%