রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৩ পি.এম
চেলসি থেকে ব্রিটিশ রেকর্ড ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের ট্রান্সফার ফিতে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মাঠে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে শুরু করেছেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। সিটির নতুন কোচ এনজো মারেস্কার অধীনে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে তিনি রাজকীয়ভাবে শুরু করেছেন, যা ম্যানচেস্টারে বড় কিছু ঘটনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই বিশ্বকাপজয়ী তারকাকে রদ্রির পরবর্তী মাঝমাঠের আশার আলো হিসেবে দেখা হচ্ছে ইংলিশ জায়ান্ট দলের জন্য।
এনজো ফার্নান্দেজকে নিয়ে ফুটবল মহলে এখন ব্যাপক আলোচনা চলছে। সিটির জার্সি গায়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তার প্রথম ম্যাচেই তিনি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। পোর্তোর বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম গোলটিতে হালান্ডকে অসাধারণ এক অ্যাসিস্ট করে দলের ২-০ ব্যবধানের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।
চেলসিতে থাকাকালীন মারেস্কার অধীনে খেলার অভিজ্ঞতা এনজোকে সিটির বল-পজিশন ভিত্তিক ও আক্রমণাত্মক গেম প্ল্যানের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে সহায়তা করেছে।
পেপ গার্দিওলার বিদায়ের পর রদ্রি ও বার্নার্দো সিলভার মতো তারকা মিডফিল্ডাররা ক্লাব ছাড়ার ফলে সিটির মাঝমাঠে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছিল, এনজোর আগমনে তা পূর্ণ হয়েছে। মারেস্কা এনজোর মানসিকতা ও নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতাকে একটি বড় শক্তি হিসেবে মনে করছেন। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে কোচ এনজোর এই প্রভাবের প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আক্রমণভাগে এনজোর গোল ও অ্যাসিস্ট করার অবিশ্বাস্য ক্ষমতাই তাকে দলের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ করে তুলছে।
ম্যানচেস্টার ডার্বির আগে এনজো ফার্নান্দেজের ফর্ম সিটির সমর্থকদের মধ্যে নতুন আত্মবিশ্বাসের সঞ্চার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একটি গোলের জন্য কতটা অপেক্ষা করতে পারে একটি ফুটবল দল? টটেনহাম হটস্পারের সমর্থকরা বর্তমানে যেন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুমে টটেনহাম চারটি ম্যাচ খেলেছে; কিন্তু গোলসংখ্যা এখনো শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ কাল রাতে (১২ সেপ্টেম্বর) এভারটনের সঙ্গে ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্রয়ের পর সমর্থকদের হতাশা আর লুকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি।
ম্যাচ শেষে গ্যালারিতে দুই নারী সমর্থকের হাতে একটি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। সেখানে লেখা ছিল, ‘প্লিজ, একটা গোল করো’। মাঠ ছাড়ার সময় টটেনহামের খেলোয়াড়দের উদ্দেশে আরো অনেক সমর্থক একই আকুতি জানায়। কিছু সমর্থক দুয়োও দেন।
প্রিমিয়ার লিগে টানা চার ম্যাচে গোল না পাওয়ার ঘটনা টটেনহামের ইতিহাসে এটি প্রথমবার ঘটছে। এর আগে ১৯৭৪-৭৫ মৌসুমে লিগের প্রথম তিন ম্যাচে গোল করতে পারেনি উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি। এবারের শুরুটা তাদের জন্য নতুন এক বিব্রতকর রেকর্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অথচ দারুণ কিছুর আশায় এবারের দল গড়তে টটেনহাম বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে। গ্রীষ্মকালীন দলবদলে তাদের খরচ ৩৫ কোটি পাউন্ডের বেশি, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা। এত টাকা ব্যয় করেও আক্রমণে এমন দুর্দশা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলছে।
টটেনহামের এই দুরবস্থার ওপর ব্যঙ্গ করতে ছাড়েনি পিৎজা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ডমিনোজও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা লিখেছে, প্রিমিয়ার লিগে টটেনহামের সর্বশেষ গোলের পর থেকে তারা ৪৮ কোটি ৯২ লাখ ৯৭ হাজার ৪৭৮টি পিৎজা সরবরাহ করেছে।
সেই পোস্টে একজন রসিকতা করে লিখেছেন, ‘৫০ কোটি পিৎজা সরবরাহ না করা পর্যন্ত টটেনহাম গোল করবে না।’
হতাশ টটেনহাম কোচ রবার্তো দে জেরবি। ছবি: রয়টার্স
দলের এমন অবস্থায় কোচ রবার্তো দে জেরবি হতাশ হলেও আতঙ্কিত নন। এভারটনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের পর জেরবি বলেছেন, ‘আমাদের মূল কাজ হলো এই অচলাবস্থা কাটানো। আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে। আমার বিশ্বাস, শিগগিরই আমরা গোল পাব এবং ম্যাচ জিতব।’
দে জেরবি আরো বলেছেন, ‘ফলাফলের জন্য আমি দুঃখিত, বিশেষ করে সমর্থকদের জন্য। তবে একটি দলকে তৈরি করতে সময় লাগে। উন্নতি রাতারাতি আসে না।’
টটেনহামের সামনে এখন একটাই প্রশ্ন—কবে আসবে সেই কাঙ্ক্ষিত গোল? প্রিমিয়ার লিগে দলটির পরের ম্যাচ আগামী শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর), প্রতিপক্ষ অ্যাস্টন ভিলা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও নির্বাচিত সরকার মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণের কাছে নাগরিক সেবা পৌঁছানোর জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
আজ রবিবার ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয় সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী এসব বক্তব্য প্রদান করেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী সব কর্মকর্তাকে আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকার নির্দেশনা দিয়ে বলেন, এই সরকারের প্রশাসন কখনোই শাসকের ভূমিকায় থাকবে না, বরং জনগণের প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার জনগণের সেবা করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। বিভাগীয় কমিশনারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সফলভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য সকলকে পারস্পরিক সহযোগিতা, সমন্বয় ও সম্পূরকের মাধ্যমে কাজ করতে হবে।
বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ এই দেশের প্রকৃত মালিক—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরো বলেন, আমাদের মনস্তত্ত্বে সবসময় থাকতে হবে যে আমরা জনগণের সেবক।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী সেবার মানসিকতা ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি দুর্নীতিমুক্ত ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সভায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ এর সভাপতিত্বে সব বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মির্জাপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন, যদিও পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল এখনও ঘোষণা হয়নি। পাড়া মহল্লা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সরগরম অবস্থা বিরাজ করছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি গণসংযোগ, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান, উঠান বৈঠক, এবং মৃত বাড়িতে উপস্থিত থেকে নিজেদের অবস্থান জানাচ্ছেন তারা। বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে; খেলাফত মজলীসের প্রার্থী প্রকৌশলী ইমরান আসাদ ছাড়াও জামায়াতে ইসলামী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।
দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় উপস্থিতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। কিছু প্রার্থী ওয়ার্ড পর্যায়ের দলীয় নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দরিদ্র মানুষের মাঝে নানা উপকরণ বিতরণ করছেন।
২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত মির্জাপুর পৌরসভায় একটি উপনির্বাচনসহ পাঁচটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবারই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়ে মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাবেক মেয়রদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুর রহমান এবং সাহাদত হোসেন মারা গেছেন। প্রথম মেয়র অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন মনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রয়েছেন। দুইবারের আরেক সাবেক মেয়র সালমা আক্তারও নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের মতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রশাসক নিয়োগ দেবেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত করা হবে। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নেতারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রথমবারের মতো বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা মেয়র নির্বাচিত হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। বিএনপির মধ্যে থেকে মেয়র নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী তাদের নির্ধারিত প্রার্থী ঘোষণা না করলেও দলীয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে। খেলাফত মজলিসের প্রার্থী প্রকৌশলী ইমরান আসাদও প্রচারণায় রয়েছেন।
বিএনপির নীতি-নির্ধারকের কয়েকজন মন্তব্য করেছেন, এই পৌরসভায় প্রথমবারের মতো মেয়র নির্বাচিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সেই অনুযায়ী ওয়ার্ড কমিটিগুলোকে ঢেলে সাজানো হয়েছে।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের কিছু সদস্য জানিয়েছেন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা হলে আওয়ামী লীগ সমর্থিতরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে এমন ঘোষণা আসলে তাদের দল থেকে নির্দেশনা পেলে তারা একক প্রার্থী দিতে পারেন। তাদের দলে জনবান্ধব গ্রহণযোগ্য শক্ত নেতৃত্ব রয়েছে। সেক্ষেত্রে পৌরসভার ভোটাররা বিগত দিনের মতো আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতারা দিন দিন দল ও এলাকায় যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন। কে দলীয় প্রার্থী হতে পারেন, কাকে দিলে বিজয়ী হওয়া সহজ হবে এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
মেয়র পদে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন মির্জাপুর পৌর বিএনপির সভাপতি বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান সাবেক জিএস ও ভিপি হযরত আলী মিঞা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবেক এজিএস এস এম মহসীন, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সদর ওয়ার্ডের চারবারের কাউন্সিলর আলী আজম সিদ্দিকী, উপজেলা বিএনপির দুই সাংগঠনিক সম্পাদক ডি এম শফিকুল ইসলাম ফরিদ ও মো. আলম মৃধা এবং ডা. মো. আল আমিন উজ্জল।
মির্জাপুর পৌসভার ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ২৫ হাজার ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৭ হাজার হিন্দু সম্প্রদায় এবং প্রায় ৩ হাজার ভাসমান ভোটার বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরে দেশে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রশাসনে গতি আনা এবং সরকারি কর্মচারীর সংকট দূর করতে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হবে, যদি প্রয়োজন হয়।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, "মাদক, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে।" এসব ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রশাসন, পুলিশ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।
স্থানীয় রাজনীতিক ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "মাদক গ্রহণকারী, কারবারি, সংরক্ষণকারী, চাঁদাবাজ, ধর্ষক ও নারী নির্যাতনকারীদের পক্ষে কেউ কোনো সুপারিশ করবেন না।" যদি কেউ সুপারিশ করে, তাহলে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন তা না শোনে, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক করেন। সমাজ ও দেশ রক্ষায় শক্তভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের সহায়ক ভূমিকা পালন করতে হবে।
মন্ত্রী পাহাড় কাটা, বনের গাছ কেটে লুট, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবেশ বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, "ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় দলীয়করণের মাধ্যমে গত ১৭ বছরে পুলিশ, বিজিবি, র্যাবসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়েছে।" সেই সময় সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণ করে নিজেদের ইচ্ছামতো কাজ করানো হয়েছে, যার কারণে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের কারণে দেশ পিছিয়ে পড়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার ভঙ্গুর প্রশাসন ও বিধ্বস্ত অর্থনীতি নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছে। মানুষের কল্যাণ ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশ পুনর্গঠনের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করছে সরকার।
শেরপুরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার মধ্যে শেরপুর সর্বকনিষ্ঠ জেলা। জেলার সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন তিনি। গারো পাহাড়ে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনের পাশাপাশি জেলাকে পর্যটনসমৃদ্ধ করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ঝিনাইগাতীতে শিগগির একটি পর্যটন হোটেল নির্মাণের কথাও জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সভায় মাহমুদুল হক রুবেল এমপি, প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী এমপি, ডা. সানসিলা জেবরীন এমপি, পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক এবিএম মামুনুর রশীদ, বিএনপি নেতা মো. হযরত আলী, জেলা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান, প্রেসক্লাব সভাপতি কাকন রেজাসহ জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
এর আগে মন্ত্রী শেরপুর সার্কিট হাউসে পৌঁছালে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পথে বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ