বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:১৮ পি.এম
মিরসরাইয়ে ফখরুল ইসলাম খান সিআইপি’র উদ্যোগে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে পাঁচ শতাধিক ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
পরিবেশের সুরক্ষা ও সচেতনতার লক্ষ্যে, আজ (বৃহস্পতিবার) বেলা ১২টায় উপজেলার শান্তিরহাটস্থ সানফ্লাওয়ার গ্রামার স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব চারা বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত থাকেন বিশিষ্ট শিল্পপতি, সমাজসেবক এবং ইউএই আল সুমাইয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব ফখরুল ইসলাম খান, সিআইপি। তিনি বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার (কেন্দ্রীয় কমিটি, সংযুক্ত আরব আমিরাত) প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি।
চারা বিতরণকালে ফখরুল ইসলাম খান বলেন, "একটি গাছ শুধু প্রকৃতিকে সবুজই করে না, বরং মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রতিটি শিক্ষার্থী ও নাগরিকের অন্তত একটি করে গাছ রোপণ এবং তা নিয়মিত পরিচর্যা করা উচিত।"
সানফ্লাওয়ার গ্রামার স্কুলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সমাজসেবামূলক এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি ও সবুজায়ন আন্দোলন আরও বেগবান হবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে ঘিরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চলমান আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দিলেও বিক্ষোভকারীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে। বৃহস্পতিবারও দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রতিবাদসভায় অংশগ্রহণ করে।
বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ ও কল্যাণের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই হতে পারে না। তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সরকার ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত প্রতিষ্ঠা করবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তরুণদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা যারা করেছেন, তাদের কাউকেই ছাড়া দেওয়া হবে না।
তবে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায় লোকসভার বিরোধী নেতাকে, রাহুল গান্ধী। তাঁর এক্স-এ দেওয়া পোস্টে অভিযোগ করেছেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হওয়ার সুযোগ প্রধানমন্ত্রীর হাতেই রয়েছে এবং তিনি দায়ীদেরও রক্ষা করেছেন। তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তিনটি দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন—শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করা, শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা এবং আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।
এদিকে, মোদির আশ্বাসের পরও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে মন্তব্য করেন, শিক্ষামন্ত্রীকে অপসারণের চেয়ে পুরো দিল্লি অচল করে দিতে সরকার বেশি আগ্রহী।
বৃহস্পতিবার ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন, গত এক মাস ধরে চলা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ভণ্ডুল করার জন্য বিজেপি পরিকল্পিতভাবে বাইরে থেকে লোক এনে বিশৃঙ্খলা ও উসকানি সৃষ্টি করছে। এর আগে, বুধবার গভীর রাতে যন্তর মন্তর এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ এবং কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
পুলিশের দাবি, সংঘর্ষে সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি) পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তাসহ অন্তত ছয়জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশের অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করা হয়েছে। এসব ঘটনার পরেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফের যন্তর মন্তরে বিপুলসংখ্যক বিক্ষোভকারী জড়ো হন এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখেন। সূত্র: দ্য হিন্দু।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গায় ঢাকা যাচ্ছিল একটি যাত্রীবাহী বাস, যা উল্টে গেছে, resulting in দুঃখজনকভাবে ১৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ছয় জনের অবস্থা গুরুতর এবং আশঙ্কাজনক।
দুর্ঘটনার ফলে একজনের হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে, সময়টা ছিল ১০টার কিছু আগে, চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের সরোজগঞ্জ বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী এবং পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল পৌঁনে ১০টায় রয়েল এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী একটি বাস ঢাকা যাত্রার উদ্দেশ্যে চুয়াডাঙ্গা ছেড়ে চলে যায়। বাসটি যখন সরোজগঞ্জ বাজারে পৌঁছায়, তখন এটি নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং সড়কের পাশে থাকা গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে, ফলে বাসটি উল্টে যায়।
এই দুর্ঘটনায় নারী ও শিশু মিলিয়ে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। ১৯ জন আহতকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের সবাইকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর বলে রিপোর্ট করা হয়েছে। একজনের শরীর থেকে হাত বিচ্ছিন্ন হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
আহতদের মধ্যে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ ৭ জন রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. এহসানুল হক তন্ময় জানিয়েছেন, ‘চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ডে ১৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে চার জনের অবস্থা গুরুতর। এছাড়া তিন জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
আরো একটি খবরের জন্য, নারায়ণগঞ্জে বাস থামিয়ে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের মমিন খাঁর হাট এলাকা থেকে বিশিষ্ট ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ইউসুফ ফকিরকে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে চরাঞ্চলবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধনের একটি আয়োজন করা হয়।
এতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ছিলেন যারা খুনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং দাবি জানান দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার।
মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, এবি সিদ্দিকী মিতুল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সেলিম, প্রিন্স আলী, মৃধা প্রিন্স আলী, নিহত ইউসুফ ফকিরের ভাই মোহাম্মদ নাজমুল বেপারী, স্ত্রী বেদানা বেগম এবং ছেলে শাহাদাত হোসেন।
বক্তারা নিশ্চিত করেন, ইউসুফ ফকির হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা এবং তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তারা একই সাথে এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রবণতা কমে যাবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পাবে বলেও মন্তব্য করেন।
মানববন্ধন শেষ হওয়ার পর অংশগ্রহণকারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পরে তারা ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে ইউসুফ ফকির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি জানিয়েছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে নিতে কাজ চলছে এবং সরকারে এটি প্রতি পদে বদ্ধপরিকর রয়েছে।
বৃহস্পতিবার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তবে সেই সঙ্গে আমাদের সামর্থ্যও রয়েছে। বাংলাদেশে নিরাপদ বিদেশি বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। ট্যাক্স ও ভ্যাট প্রক্রিয়া সহজ করে বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করার দিকে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি। বাংলাদেশ টেকসই ও স্থায়ী বিদেশী বিনিয়োগ চায় এবং আমরা এক হয়ে কাজ করতে চাই।’
এই সময় তিনি যোগ করেন, ‘বর্তমান সরকার অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে কাজ করে যাচ্ছে। আর দেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর রয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ভ্যাট এবং ট্যাক্স প্রক্রিয়া সহজীকরণ, সরকারি সেবা ডিজিটালাইজেশনসহ বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় সরকার জোর দিচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ