ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার


মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে নিষিদ্ধ কার্যক্রমের আওতাধীন আওয়ামী লীগের এক নেতার মরদেহ।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পরিবারের সদস্যরা বাড়ির পাশের লৌহজং নদীর বক্সি বাড়ির ঘাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।

নিহত আওয়ামী লীগ নেতার নাম ইউনুস আল মোর্শেদ (৪৮)। তিনি মির্জাপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং কাঁঠালিয়া গ্রামের মৃত আমীর হোসেনের পুত্র।

আরও পড়ুন: ঢাকা থেকে বাকেরগঞ্জের নববধু ধর্ষণের আসামি গ্রেফতার

তথ্য অনুযায়ী, মোর্শেদ নিয়মিতভাবে বাড়ির পাশের লৌহজং নদীর বক্সি বাড়ির ঘাটে ধর্মজাল দিয়ে মাছ ধরতেন। শুক্রবার দুপুর থেকে তিনি মাছ ধরছিলেন, যা ছিল তার প্রতিদিনের রুটিন। বিকেল ৩টার দিকে কিছু মাছ পাশের গ্রাম পোষ্টকামুরী শ্বশুরবাড়িতে দিয়ে আসেন এবং পুনরায় মাছ ধরার কাজে লিপ্ত হন। সন্ধ্যা পেরিয়ে যাওয়ার পরও ঘরে না ফেরায় তার পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার তার ফোনে কল করেন। ফোন রিসিভ না হওয়ায় তারা ওই ঘাটে খোঁজ করতে যান।

সেখানে বাঁশের মধ্যে শার্ট এবং পকেটে মোবাইল ফোন দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে মোর্শেদের ভাই আজাদ নিজেই নদীতে ভাইকে খুঁজতে নামেন। কিছুক্ষণ পর তিনি তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

স্থানীয় শামীনুর জানান, মোর্শেদের দুটি চোখ ও একটি কান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ছিল।

পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আফজালুর রহমান ছানু বলেন, মোর্শেদের বাবা দুই যুগের বেশি সময় আগে একই ঘাটে গোসলে গিয়ে ডুব দিয়ে আর উঠতে পারেননি। পরে জাল ফেলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই স্থানে দুই সপ্তাহ আগে একটি শিশু ডুবে মারা গেছে। বুকসমান পানিতে ডুবে মোর্শেদের মৃত্যু এলাকায় ভীতি সৃষ্টি করেছে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন: জামালপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল অজ্ঞাতপরিচয় নারীর

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবিহ উদ্দিন আহমেদের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ এম


সাবিহ উদ্দিন আহমেদের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সাবিহ উদ্দিন আহমেদের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর অম্লান স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এই শ্রদ্ধা জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রশাসন, কূটনীতি ও রাজনীতির একজন প্রজ্ঞাবান, সৎ, নিষ্ঠাবান ও আদর্শনিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। তিনি দীর্ঘ কর্মজীবনে বাংলাদেশ সরকারের সচিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন এবং একাধিক দেশে কূটনীতিক হিসেবে দক্ষতা, বিচক্ষণতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

রাষ্ট্রপতি আরও উল্লেখ করেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের প্রবর্তিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শন ও আদর্শে গভীরভাবে বিশ্বাসী সাবিহ উদ্দিন আহমেদ সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনি আমৃত্যু বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে দলকে সমৃদ্ধ করেছেন। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তাঁর সাহসী ও বলিষ্ঠ ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, সাবিহ উদ্দিন আহমেদের দেশসেবা, সততা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কর্মনিষ্ঠার যে দৃষ্টান্ত তিনি রেখে গেছেন, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। আমি মরহুম সাবিহ উদ্দিন আহমেদের রুহের মাগফিরাত ও চিরশান্তি কামনা করছি এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ৬৬ হাজার মামলা, বিচারক মাত্র আটজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ এম


চট্টগ্রামে ৬৬ হাজার মামলা, বিচারক মাত্র আটজন

চট্টগ্রাম মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বর্তমানে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৬৬ হাজার ৪১৮ এ পৌঁছেছে। অথচ, এই বিপুল সংখ্যক মামলার বিচারকাজ পরিচালনার জন্য নিযুক্ত রয়েছেন মাত্র আটজন বিচারক। ১৬টি থানার বিপরীতে আদালতের সংখ্যা রয়েছে মাত্র আটটি। দীর্ঘ সময় ধরে আদালতের সংখ্যা না বাড়ানোর ফলে মামলার জট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগের পাশাপাশি বিচারকদের ওপরও অস্বাভাবিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। সীমিত জনবল নিয়ে বিপুলসংখ্যক মামলার শুনানি, আদেশ ও বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে আদালত কার্যত হিমশিম খাচ্ছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ১৫ হাজার ১০৬ এ পৌঁছালে ২০০৮ সালে সর্বশেষ চট্টগ্রাম মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংখ্যা বাড়িয়ে আটটি করা হয়। এরপর টানা ১৮ বছর ধরে মহানগরের জনসংখ্যা ও অপরাধের পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে গেলেও নতুন কোনো চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত গঠন করা হয়নি।

ফলে ক্রমবর্ধমান মামলার চাপ সামলাতে বিদ্যমান আদালতগুলোকে প্রতিনিয়ত বেগ পেতে হচ্ছে। আদালত সংশ্লিষ্ট তথ্য বলছে, বর্তমানে প্রতিজন মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটের কাঁধে গড়ে ৮ হাজার ৩০০টিরও বেশি মামলার দায়িত্ব রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিচারিক কার্যক্রমের গতি নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে চট্টগ্রাম মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিল ৫৯ হাজার ৯৪৯টি। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৬ হাজার ২৪৯টিতে। ওই বছর ৩৯ হাজার ৮১৫টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে ৭ হাজার ৮৬০টি, আগস্টে ১৪ হাজার ২০৬টি এবং সেপ্টেম্বরে ১৩ হাজার ৪৮৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। অক্টোবর পর্যন্ত বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬ হাজার ৪১৮টিতে।

আদালত সংশ্লিষ্টদের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে দুই শতাধিক নতুন মামলা যুক্ত হচ্ছে। ফলে পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির পাশাপাশি নতুন মামলার চাপও সামলাতে হচ্ছে বিচারকদের। আদালতের সংখ্যা ও বিচারক না বাড়ায় মামলার দীর্ঘসূত্রতা কমানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

আবেদনের পরও বাড়েনি আদালত

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৩ সাল থেকে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ গত জানুয়ারিতে অতিরিক্ত তিনটি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও ২০টি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। তবে এখনো এ বিষয়ে কার্যকর অগ্রগতি হয়নি বলে জানান আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭৯ সালের নভেম্বরে একজন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও তিনজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে চট্টগ্রাম মহানগরে ম্যাজিস্ট্রেসির কার্যক্রম শুরু হয়। জনসংখ্যা ও অপরাধপ্রবণতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মহানগরে থানার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬টিতে। কিন্তু থানার সংখ্যা বেড়ালেও সেই অনুপাতে বিচারিক আদালত বাড়েনি।

১৯৯২ সালে চট্টগ্রাম মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিল ৮,৫৬৭। মামলা বাড়তে থাকায় ওই বছর ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা পাঁচজনে উন্নীত করা হয়। ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারিতে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিমের একটি পদ বাড়ানো হয়। এরপর ২০০৭ সালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বেড়ে ১৫ হাজার ১০৬টিতে পৌঁছালে পরের বছর একটি আদালত বাড়িয়ে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংখ্যা আটটিতে উন্নীত করা হয়।

এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আদালতের সংখ্যা বাড়েনি। অথচ ২০০৭ সালের তুলনায় বর্তমানে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বেড়েছে তিনগুণেরও বেশি। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, থানার সংখ্যা সম্প্রসারণ এবং মামলার ক্রমবর্ধমান চাপের বিপরীতে বিচারিক অবকাঠামো একই অবস্থায় থাকায় বিদ্যমান আদালত ও বিচারক দিয়ে বিপুলসংখ্যক মামলার চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া জানান, বিচারক ও আদালত বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে। তবে এখনো অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। বিচারক ও জনবল নিয়োগের পাশাপাশি আদালতের অবকাঠামো সম্প্রসারণও প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকায় সীমিত সংখ্যক বিচারকের ওপর বিপুলসংখ্যক মামলা পরিচালনার দায়িত্ব রয়েছে। নতুন আদালত প্রতিষ্ঠা ও বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে মামলার জট এবং বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাহসিফের বন্ধু দীপ নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৮ এম


তাহসিফের বন্ধু দীপ নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় তার ‘ব্যবসায়িক পার্টনার’ ও বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপকে নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে দীপকে নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে আগ্রহী না হওয়ায় নৌ পুলিশ এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পিবিআই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের বি ব্লকের একটি বাসা থেকে দীপকে হেফাজতে নেয় পিবিআই। শুক্রবার, তদন্ত দলের সদস্যরা দীপকে নিয়ে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় যান। সেখানে তুরাগ নদসংলগ্ন ২৯ নম্বর সীমানা পিলার এলাকার মাঠে কী ঘটেছিল, তা জানতে দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকা থেকে একটি কালো রঙের সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। মোটরসাইকেলটির নম্বরপ্লেট ছিল না। এটি তাহসিফের কি না, তা নিশ্চিত হতে কাগজপত্র ও অন্যান্য তথ্য যাচাই চলছে।

পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে দীপ দাবি করেন, ঘটনার রাতে তিনি ও তাহসিফ তুরাগ নদসংলগ্ন মাজার বস্তি এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানে কথা বলার সময় কয়েকজন তাদের ধাওয়া করে। দীপের ভাষ্য অনুযায়ী, ধাওয়াকারীদের দুজনের পরনে পুলিশের ইউনিফর্ম ছিল। তাদের দেখে তাহসিফ দৌড় দেন। একপর্যায়ে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন দীপ। আর দীপ নিজে বিআইডব্লিউটিএর ২৯ নম্বর সীমানা পিলারের আড়ালে লুকিয়ে পরে সেখান থেকে চলে যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষেধাজ্ঞা শেষে চাঁদপুরের বাজারে ইলিশের ছড়াছড়ি, বড় পাঙাশও মিলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ এম


নিষেধাজ্ঞা শেষে চাঁদপুরের বাজারে ইলিশের ছড়াছড়ি, বড় পাঙাশও মিলছে

নিষেধাজ্ঞার ২২ দিনের পর চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় ইলিশ শিকারে নেমে পড়েছেন হাজার হাজার জেলে। ইলিশ পাওয়ার আশায় চাঁদপুরের ৭০ কিলোমিটার নৌ এলাকায় জেলেরা বিচরণ করছেন। কিছু জেলে আড়তে নিয়ে আসছেন ইলিশ, পাঙাশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ।

এতে নদী উপকূলীয় আড়ত ও শহরের সব বাজার সরগরম হয়ে উঠেছে। তিন সপ্তাহের অবসর সময় কাটিয়ে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তবে ইলিশের দাম আগের মতোই রয়েছে। বড় সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে আগের দামে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সদর উপজেলার হরিণা মাছঘাটে জেলেদের ইলিশ আহরণ ও কেনাবেচার দৃশ্য দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে অনেক জেলে ইলিশ ধরার জন্য পদ্মা-মেঘনায় নেমে পড়েন। ভোরের আলো দেখা দিতেই তারা মাছঘাটে ভিড় করতে শুরু করেন। হরিণা ফেরিঘাটসংলগ্ন মাছঘাটে একের পর এক জেলে নৌকা এসে ভিড় করছে। জেলেরা প্লাস্টিকের ট্রেতে করে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ নিয়ে আসছেন।

এই মাছঘাটে প্রায় ২০টি ইলিশের আড়ত রয়েছে। জেলেরা এসব আড়তে এসে মাছের স্তূপ করছেন এবং কিছু সময়ের মধ্যে হাঁকডাকে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এখানে সংরক্ষণ করে ইলিশ বিক্রি করা হয় খুবই কম। শহরে বিক্রির জন্য এক ধরনের খুচরা ব্যবসায়ী এবং বড় স্টেশন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে বিক্রির জন্য আরেক ধরনের ব্যবসায়ী এই ঘাট থেকে তাজা ইলিশ ক্রয় করে নিয়ে যান।

গোবিন্দপুর গ্রামের জেলে লিটন তপাদার জানান, রাতের নদীতে নেমে ভোরে ঘাটে এসে ১২ হাজার টাকার ইলিশ বিক্রি করেছেন। তিনি আশা করছেন, এভাবে ইলিশ পাওয়া গেলে কয়েক দিনের মধ্যে তাদের ঋণ পরিশোধ হবে।

আরেক জেলে আবুল কালাম খান জানান, তারা ৭ জন মিলে মধ্যরাতে নদীতে নেমেছেন। তাদের পাওয়া ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১৫ হাজার টাকায়। তিনি জানান, কিছু সময় পর আবারও ইলিশ শিকারে নামবেন। তিনি মনে করেন, কয়েক দিন পরে ইলিশের প্রাপ্যতা কমে আসবে।

ঘাটের আড়তদার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ইলিশের দাম কমবে না। কারণ চাহিদা বেশি। এক কেজি ওজনের ইলিশ ২৫০০ থেকে ২৬০০ টাকা, ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা এবং ছোট সাইজের অর্থাৎ ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, কিছু জেলে ইলিশের পাশাপাশি পাঙাশ মাছ পাচ্ছেন। বড় সাইজের পাঙাশ প্রতি কেজি ১২০০ টাকা এবং ছোট সাইজের পাঙাশ ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের আমদানি ভালো থাকলে দাম কমবেশি হতে পারে।

আরেক আড়তদার মো. সেলিম বলেন, সকাল থেকে মাছ আসা শুরু হয়েছে। আজ এবং আগামীকাল পর্যন্ত বোঝা যাবে ইলিশের আমদানি কেমন। কারণ বিগত বছরগুলোতে দুই দিন পরে ইলিশের আমদানি কমে গেছে।

এই ঘাটের আড়তদার ইব্রাহীম মিয়া জানান, নিষেধাজ্ঞার পরে বড় সাইজের ইলিশ বেশি আসছে। ছোট সাইজের ইলিশের সংখ্যা খুবই কম। ইলিশ পরিমাণে কম পাওয়া গেলেও পাঙাশ মাছ পাওয়ায় জেলেরা লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

হরিণা মাছঘাটের প্রবীণ মাছ ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম সৈয়াল বলেন, এই সময় নদীতে ইলিশ ভরপুর থাকত; কিন্তু অভিযান দিয়ে লাভ হয়নি। কারণ এক শ্রেণির জেলে মা ইলিশ মেরেছে। প্রশাসন তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।

শুক্রবার শহরের বিভিন্ন বাজারে ব্যাপক ইলিশের আমদানি দেখা যায়। তবে বেশ কিছু মাছ নিষেধাজ্ঞার সময়ে ধরা ইলিশ হিসেবে বিক্রি হতে দেখা গেছে। বিকালের বাজার হিসেবে পরিচিত শহরের বিপণীবাগ বাজারে এমন চিত্রই দেখা যায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষায় দুটি অভিযান কঠোর থাকায় জেলেরা সুফল পাচ্ছেন। তারা ইলিশের পাশাপাশি পাঙাশ পাচ্ছেন। সরকারিভাবে পাঙাশ বেড়ে ওঠার জন্য প্রকল্প দেওয়া হলে এটি ইলিশের মতো জাতীয় অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%