ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ মীরসরাইয়ে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত


দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ মীরসরাইয়ে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত

"দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মীরসরাইয়ে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মীরসরাইয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে আলোচনা সভা, যুব মেলা, সফল উদ্যোক্তাদের সম্মাননা এবং যুব ঋণ ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে সকালে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ। বক্তারা বলেন, দেশের বিশাল যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে সরকার ও বিভিন্ন দপ্তরের বহুমুখী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। যুবসমাজ আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠলেই দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
অনুষ্ঠানে আত্মকর্মসংস্থানে অনন্য অবদান রাখায় মীরসরাই উপজেলার শ্রেষ্ঠ সফল আত্মকর্মী, শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তা এবং শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠন ও সংগঠকদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
এছাড়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী তরুণদের মাঝে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে যুব ঋণের চেক, বিভিন্ন কোর্সের সনদপত্র এবং পরিবেশ রক্ষার বার্তা নিয়ে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে উপজেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত যুব মেলা স্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্রচার ও প্রসারে বিশেষ ভূমিকা রাখে। মেলায় যুব উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন স্টল দর্শকদের নজর কাড়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েটে শুরু হয়েছে বই উৎসব–২০২৬, চলবে ১ থেকে ১০ নভেম্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


কুয়েটে শুরু হয়েছে বই উৎসব–২০২৬, চলবে ১ থেকে ১০ নভেম্বর

শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞান, মনন ও সৃজনশীলতার বিকাশে বই পড়ার প্রতি উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) শুরু হয়েছে “বই উৎসব–২০২৬”। এই বই উৎসব ১ থেকে ১০ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম ও এসডাব্লিউসি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

রোববার (১ নভেম্বর) বই উৎসবের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ। তিনি মন্তব্য করেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির এই যুগে জ্ঞান আহরণের মাধ্যম বহুমাত্রিক হলেও মুদ্রিত বইয়ের গুরুত্ব ও আবেদন এখনও অটুট রয়েছে। মুদ্রিত বই মনোযোগ দিয়ে পড়ার সুযোগ সৃষ্টি করে, চিন্তার গভীরতা বাড়ায় এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্ঞান ও মনন বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য আহ্বান জানান। ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, কুয়েটে বই উৎসব আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস ও জ্ঞানচর্চার পরিবেশ তৈরিতে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তিনি এ ধরনের আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং বই উৎসবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সকলকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. খন্দকার মাহবুব হাসান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. কাজী মোঃ রকিবুল আলম, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন প্রফেসর ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম এবং সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র কল্যাণের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ হাসান আলী। উদ্বোধনের পর ভাইস-চ্যান্সেলর বই উৎসবের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। তিনি বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের প্রদর্শিত বইগুলো দেখেন, স্টল সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং বইয়ের সমৃদ্ধ সংগ্রহ ও আয়োজনের প্রশংসা করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের পছন্দের বই সংগ্রহ ও নিয়মিত পাঠে উৎসাহিত করেন। কুয়েটের বইপ্রেমী শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত এই বই উৎসবে জ্ঞান, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও সৃজনশীলতাসহ বিভিন্ন বিষয়ের সমৃদ্ধ বইয়ের পসরা সাজানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঋণের চাপে গাইবান্ধায় ব্যবসায়ী ট্রেনের নিচে, চিরকুটে ‘সুদখোর’দের নাম লিখে গেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ পি.এম


ঋণের চাপে গাইবান্ধায় ব্যবসায়ী ট্রেনের নিচে, চিরকুটে ‘সুদখোর’দের নাম লিখে গেলেন

গাইবান্ধায় ঋণের চাপের কারণে রেললাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়েছেন আবু বক্কর সিদ্দিক বিপুল (৫২) নামের এক চা-পাতা ব্যবসায়ী। পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধারের সময় একটি চিরকুট পেয়েছে।

চিরকুটে তিনি নিজের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি তার বাড়ি দখল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও লিখেছেন।

গাইবান্ধা রেলওয়ে (বালাসীঘাট) পুলিশের (আইসি) এসআই সাহেব গনি রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পৌর শহরের স্টেডিয়াম সংলগ্ন রেললাইন থেকে আবু বক্কর সিদ্দিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আবু বক্কর সিদ্দিক পূর্ব কোমরনই এলাকার মৃত আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র।

স্থানীয় সূত্র এবং রেলওয়ে পুলিশ জানায়, সকালে সান্তাহার থেকে ছেড়ে আসা লালমনিরহাটগামী পদ্মরাগ ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে তার মৃত্যু ঘটে। খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় তার হাতে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আমার মৃত্যুর জন্য এরা দায়ী।’ এতে বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাদেরকে আওয়ামী লীগের দালাল হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, ওইদিনই তার বাড়ি দখল করে নেওয়া হতে পারে। চিরকুটে উল্লেখিত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনকে সুদখোর বলেও উল্লেখ করেছেন আবু বক্কর সিদ্দিক।

এদিকে, চিরকুটে ছোট ভাই পরিচয়ে লেখা মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে আবু জাহেদ শিপুল জানান, নিহত আবু বক্কর সিদ্দিক তার বড় ভাই। রেলওয়ে পুলিশের মাধ্যমে তিনি ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন।

শিপুল চিরকুটে উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘যাদের নাম চিরকুটে লেখা আছে, তাদের বিরুদ্ধে আমার পরিবার আইনগত ব্যবস্থা নেবে। আমার ভাইয়ের স্ত্রী বাদী হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন।’

ঋণের বিষয়ে তিনি জানান, কত টাকা ওই ঋণদাতারা পাবেন, তা পরিবারের জানা নেই। তারা কখনো টাকার পরিমাণ জানাননি। তবে মাঝে মাঝে বাড়িতে এসে টাকার জন্য চাপ দিতেন।

গাইবান্ধা রেলওয়ে (বালাসীঘাট) পুলিশের (আইসি) এসআই সাহেব গনি বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির হাতে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। সেখানে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাদের মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে: আনসার মহাপরিচালক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৬ পি.এম


জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে: আনসার মহাপরিচালক

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ ব্যক্তিগত স্বার্থের তুলনায় জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। ৪৫তম বিসিএস (আনসার) ক্যাডারের নবযোগদানকৃত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি মন্তব্য করেন, বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক আদর্শ এবং দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যক্তিগত প্রত্যাশা ও লক্ষ্য গড়ে তুলতে হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করার পর ৪৫তম বিসিএস (আনসার) ক্যাডারের ১৯ জন নবীন কর্মকর্তা বাহিনীর সদর দপ্তরে উপস্থিত হন। এ উপলক্ষে মহাপরিচালক তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করেন। পরে অনুষ্ঠিত স্বাগত ও পরিচিতিমূলক সভায় নবীন কর্মকর্তাদের পেশাগত দায়িত্ব, নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বাহিনীর ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রা নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

মহাপরিচালক উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের বৃহত্তম জনসম্পৃক্ত শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনী। প্রায় ৬০ লাখ সদস্যের এই বাহিনী ব্যাটালিয়ন আনসার, অঙ্গীভূত আনসার, সাধারণ আনসার এবং ভিডিপি-টিডিপি সদস্যদের নিয়ে গঠিত। প্রতিটি স্তরের সদস্যের দায়িত্ব ও ভূমিকা আলাদা হলেও জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনকল্যাণে তাদের সম্মিলিত অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাহিনীর সক্ষমতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে এই বিশাল সাংগঠনিক শক্তিকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগানোর ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। মহাপরিচালক বলেন, প্রত্যেক ব্যক্তির চিন্তা, প্রত্যাশা ও উপলব্ধি আলাদা, এবং কর্মজীবনের লক্ষ্য ও অভিজ্ঞতাও ভিন্ন হতে পারে। তবে ব্যক্তিগত প্রত্যাশাকে বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য, আদর্শ ও দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি সাংগঠনিক উৎকর্ষ অর্জন এবং জাতীয় স্বার্থে অবদান রাখার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কার্যক্রম শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তায় সীমাবদ্ধ নয়। সামাজিক নিরাপত্তা, জনকল্যাণ, দুর্যোগ মোকাবিলা, মানবিক সহায়তা, স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নেও বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সদস্যদের যথাযথভাবে সম্পৃক্ত করে এসব ক্ষেত্রে আরও কার্যকর অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে।

নবযোগদানকৃত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মহাপরিচালক বলেন, বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি সুসংগঠিত, দক্ষ ও জনবান্ধব বাহিনী গড়ে তুলতে হবে। মাঠপর্যায়ের সদস্যদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখা, তাদের প্রত্যাশা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বোঝা এবং সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার মাধ্যমে সাংগঠনিক শক্তিকে আরও গতিশীল করতে হবে।

দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের পরিচয় দেওয়ার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় নবীন কর্মকর্তাদের বাহিনীর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ধারণ করে নিজেদের জ্ঞান, মেধা ও কর্মদক্ষতা কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং জাতীয় উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় অবদান আরো বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তীর্ণ সাড়ে ৬ লাখ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১৫ লাখ আসন, উচ্চশিক্ষায় সংকট নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৬ পি.এম


উত্তীর্ণ সাড়ে ৬ লাখ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১৫ লাখ আসন, উচ্চশিক্ষায় সংকট নেই

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : সদ্য প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষায় স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো আসন সংকটের সম্ভাবনা নেই।

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও অধিভুক্ত কলেজসমূহের সমন্বয়ে প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য ভর্তির সুযোগ রয়েছে, যা এইচএসসিতে উত্তীর্ণ মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা থেকে দ্বিগুণেরও বেশি।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন, এর মধ্যে ৪০ হাজার ৮৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

অন্যদিকে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির জন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মোট আসন সংখ্যা ১৪ লাখ ৯২ হাজার ২৮৮টি।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বাসস’কে জানিয়েছেন, এ বছর পাস করা শিক্ষার্থীর তুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য পর্যাপ্ত আসন রয়েছে। তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১৫ লাখ আসন রয়েছে, যেখানে এ বছর পাস করেছে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের নিজস্ব মানদণ্ড ও নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করবে।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘উচ্চশিক্ষার জন্য আসন সংকট থাকবে না। শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের ক্ষেত্রে যোগ্যতা অনুযায়ী ভর্তির সুযোগ পাবে।’

ইউজিসি জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের ৬১টি সরকারি (পাবলিক) বিশ্ববিদ্যালয় ও তাদের অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ১৪ লাখ ৯২ হাজার ২৮৮টি আসনের মধ্যে ৬১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং এগুলোর অধিভুক্ত কলেজ ও ইনস্টিটিউটে মোট আসন রয়েছে ১০ লাখ ৮২ হাজার ২৮৮টি।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মূল ক্যাম্পাসে সরাসরি আসন সংখ্যা ৬৩ হাজার ৬৫৬টি। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬,১২৫টি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩,৯৫৬টি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪,০৩৩টি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১,৮৪৮টি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২,৫১৫টি এবং অন্যান্য সাধারণ ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য আসন রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ১,৩০৯টি, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ৯৩১টি, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১,২৩৫টি, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ১,১০৫টি এবং ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) ৭৮০টি আসন রয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১,০৩৪টি এবং শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৫টি আসন রয়েছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠানে সিংহভাগ আসন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজসমূহে রয়েছে, যেখানে আসন সংখ্যা ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৯৫টি। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪২ হাজার ৪৩৪টি এবং ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মাদ্রাসাগুলোতে ১১ হাজার ৫৫টি আসন রয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে মোট আসন রয়েছে ১১ হাজার ২৯০টি।

ইউজিসি জানিয়েছে, দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ৫,১০০টি, ৭২টি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ৬,০০১টি, ৯টি সরকারি ডেন্টাল কলেজে ৫৪৫টি, ২৮টি বেসরকারি ডেন্টাল কলেজে ১,৪৯০টি এবং আর্মড ফোর্সেস মেডিকেলে মোট ৩৭৫টি আসন রয়েছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন, সার্বিকভাবে দেশে বিপুল পরিমাণ আসন উদ্বৃত্ত থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুমুল প্রতিযোগিতা হবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসের ৬৩ হাজার ৬৫৬টি আসন এবং সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোর জন্য। এ বছর মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ায় তারা মূলত প্রথম সারির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির জন্য প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।

তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুটা শিক্ষার্থী সংকট দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দ ও সামর্থ্য অনুযায়ী উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হতে পারবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%