মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০৩ পি.এম
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ছয়জনকে আটক করেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে উপজেলার বাঘাডাংগা সীমান্তে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এর সহকারী পরিচালক মুন্সি ইমদাদুর রহমানের স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানায়, বাঘাডাংগা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ৬০/৭৫-আর থেকে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাঘাডাংগা গ্রামের বাজারপাড়ার জাহাঙ্গীরের মেহগনি বাগানে বিশেষ টহল পরিচালনা করে বিজিবি। এই সময় অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করার কারণে ছয়জনকে আটক করা হয়।
বিজিবি আরও জানায়, আটকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিতুল পারওয়ান বিল ছিল একসময় পাঁচ গ্রামের বাসিন্দাদের ধান ও মাছের প্রধান উৎস। এই বিল গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের বিতুল, পারওয়ান, রয়েন, সিপুলিয়া ও পিপুলিয়া গ্রামের মানুষের চাহিদা মেটাতো।
২০২২ সাল থেকে বিভিন্ন কোম্পানি কৃষকদের কাছ থেকে জমি কিনে ঐতিহ্যবাহী এই বিল ভরাট করতে শুরু করেছে। সড়কের পাশে পাকা দেয়াল ও টিনের বেড়া দিয়ে রাতের অন্ধকারে ভরাট করা হচ্ছে বিলের জমি। ফলে এলাকার ফসল ও মাছের উৎস বিলীন হওয়ার পথে রয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলার অধিকাংশ বিলের অবস্থা বিতুল পারওয়ান বিলের মতোই। এসব বিলের কৃষিজমি ভরাটের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এতে খাদ্য উৎপাদন কমার পাশাপাশি এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলায় মোট ১৫ হাজার ৩৩০ হেক্টর আবাদি জমি রয়েছে। এর মধ্যে ৯ হাজার ৫১ হেক্টর জমি এক ফসলি, চার হাজার ৭৮ হেক্টর দুই ফসলি এবং দুই হাজার ২০০ হেক্টর জমি তিন ফসলি।
কিন্তু কী পরিমাণ কৃষিজমি ভরাট হয়েছে বা ভরাট হওয়ার পথে রয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
গতকাল সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ও আজ মঙ্গলবার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন নিচু ও আবাদযোগ্য জমিতে মাটি ফেলে উঁচু করা হচ্ছে। কোথাও জমির একাংশ ইতোমধ্যে ভরাট হয়ে গেছে, কোথাও ভরাটের প্রস্তুতি চলছে। কৃষিজমির পাশেই পড়ে থাকতে দেখা যায় মাটির স্তূপ। সড়কের পাশে বিল বা নিচু কৃষিজমি ভরাট হচ্ছে প্রকাশ্যেই।
স্থানীয়রা জানান, মাঝে মাঝে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করে। তবে সংশ্লিষ্টরা চলে যাওয়ার পর ফের শুরু হয় ভরাটের কাজ। নাগরী বাজারসংলগ্ন সড়কের পাশে দেখা যায়, ইট ও টিনের দেয়াল তুলে নির্মাণ করা হয়েছে গেট। রাত হলেই শুরু হয় জমি ভরাটের কাজ।
নাগরী ইউনিয়নের গলান এলাকায়ও চলছে বিল ভরাটের কাজ। এতে একদিকে ফসলি জমির স্বাভাবিক চরিত্র বদলে যাচ্ছে, অন্যদিকে পানি অপসারণের পথও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কৃষিজমি ভরাটের ফলে প্রতিবছর আবাদি জমির পরিমাণ কমছে। আগে যেসব এলাকায় ধান, সবজি ও অন্যান্য ফসল উৎপাদন হতো, সেসব জমি ধীরে ধীরে বসতবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কিংবা বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের উপযোগী করে তোলা হচ্ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রাজধানীর পূর্বাচলঘেঁষা গাজীপুরের কালীগঞ্জে সাইনবোর্ড সর্বস্ব কিছু প্রতিষ্ঠান কৌশলে মাটি ভরাট করে কৃষিজমি নষ্ট করছে। আবার কিছু বৈধ কোম্পানি আইনের তোয়াক্কা না করে মাটি ভরাট করছে। বেআইনি ও অপরিকল্পিতভাবে জমি ভরাটের ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। খাল, নালা ও নিচু জমি ভরাট হয়ে গেলে বৃষ্টির পানি দ্রুত সরতে না পেরে জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে।
সচেতন নাগরিকদের ভাষ্য, উন্নয়ন প্রয়োজন, কিন্তু উন্নয়নের নামে নির্বিচারে কৃষিজমি ভরাট কোনোভাবেই কাম্য নয়। পরিকল্পিত নগরায়ণ ও শিল্পায়নের জন্য নির্ধারিত এলাকার বাইরে কৃষিজমি রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। কৃষিজমি ভরাটের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও পরিবেশগত বিষয়গুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন।
তাদের দাবি, উপজেলায় কোথায় কতটুকু কৃষিজমি ভরাট হচ্ছে, তার সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষিজমি রক্ষায় প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো এবং আইন লঙ্ঘন করে ভরাটের অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
নাগরী এলাকার একজন কৃষক সুবল চন্দ্র দাস বলেন, এখনই যদি কৃষিজমি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে কালীগঞ্জের বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ হারিয়ে যেতে পারে। কৃষিজমির জায়গা দখল করবে কংক্রিটের স্থাপনা—এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে শুধু কৃষি নয়, এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যও পড়বে হুমকিতে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) গাজীপুর মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাঈল হোসেন বলেন, প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণেই কৃষিজমি ভরাট হচ্ছে। আরো কঠোরভাবে আইনের প্রয়োগ করা উচিত।
গাজীপুরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা সংগঠন চেতনা গাজীপুরের সাধারণ সম্পাদক কবি মনোয়ার হোসেন বলেন, প্রকৃতির লীলাভূমি গাজীপুরের খাল বিল নদী নালা ও বন আমাদের অলংকার। এই সম্পদ ধ্বংসের জন্য কিছু অসাধু ব্যক্তি দায়ী। তারা কৃষিজমি ও খাল-বিল ভরাট করছে, যা গাজীপুরের জন্য হুমকি। অচিরেই জেলার ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
কালীগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ টি এম কামরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, কৃষিজমি ভরাটের খবর পেলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত যাচ্ছে। কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। সড়কের পাশে দেয়াল নির্মাণ করে ভেতরে বিল ভরাটের ছবি দেখে তিনি বলেন, ‘এটি অবৈধ। ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।
কৃষি থেকে পাওয়া উল্লেখিত তথ্য প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হাসান বলেন, ‘কৃষিজমির এই পরিসংখ্যান আমি অফিসে যোগদান করার পর পেয়েছি, যা আপডেট ধরে নিয়ে কাজ করছি।’ কৃষিজমি ভরাট বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারের অনুমতি ছাড়া কেউ কৃষিজমি ভরাট করলে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিমবঙ্গের সিনেমায় দীর্ঘকাল ধরে সফলতার সঙ্গে অভিনয় করে আসছেন কোয়েল মল্লিক। বাবা রঞ্জিত মল্লিকের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তিনি অভিনয়ে প্রবেশ করেন এবং দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দর্শকদের জন্য একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তবে এত দীর্ঘ ক্যারিয়ারে টেলিভিশনের ধারাবাহিক নাটকে তাকে কখনো দেখা যায়নি। এবার সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।
জীবনের ৪৪ বছরে এসে কোয়েল প্রথমবারের মতো ধারাবাহিকে অভিনয় করতে যাচ্ছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার একটি জনপ্রিয় সিরিয়ালের আদলে বাংলায় নির্মিত হতে যাচ্ছে নতুন একটি ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করবেন কোয়েল।
তবে ধারাবাহিকটির নাম এবং পরিচালকের বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। শোনা যাচ্ছে, এটি সনি আট চ্যানেলে প্রচারিত হতে পারে। যদিও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি।
এর আগে টেলিভিশনের পর্দায় কোয়েল একাধিকবার উপস্থিত হয়েছেন। বিভিন্ন রিয়েলিটি শোতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। পাশাপাশি ‘কথা ও কাহিনী’ শিরোনামের একটি টক শোও উপস্থাপন করেছেন। তবে ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করা এবারই প্রথম।
২০০৩ সালে ‘নাটের গুরু’ সিনেমার মাধ্যমে কোয়েলের বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে। এরপর ‘বন্ধন’, ‘নীল আকাশের চাঁদনি’, ‘হিরো’, ‘প্রেমের কাহিনী’, ‘মন মানে না’, ‘বলো না তুমি আমার’, ‘সাত পাকে বাঁধা’, ‘দুই পৃথিবী’, ‘পাগলু’, ‘হেমলক সোসাইটি’, ‘রংবাজ’, ‘বেশ করেছি প্রেম করেছি’সহ একাধিক জনপ্রিয় সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও কোয়েল নাম লিখিয়েছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। তবে সর্বশেষ নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর মাস দুয়েকের মধ্যেই রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান এই অভিনেত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও লেখক আবু সাঈদ খানের শাশুড়ি সালেহা খাতুন মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৮৬ বছর।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় তিনি রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সালেহা খাতুন ঢাকার ধামরাইয়ের বাসিন্দা ছিলেন এবং তিনি ব্যবসায়ী মরহুম মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, তিন মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার দুই ছেলে বর্তমানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন এবং ছোট মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।
মরহুমার নামাজে জানাজা আগামীকাল বুধবার বাদ আসর আজিমপুর কবরস্থান মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। শহীদদের আত্মত্যাগ ও মূল্যবোধকে ধারণ করে একটি সমৃদ্ধ দেশ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের শহিদ ফারহান ফাইয়াজ খেলার মাঠে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের ১৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা আলহাজ শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া ও মা ফারহানা দিবা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে জনগণের নিরন্তর ও আপসহীন সংগ্রামের মধ্য দিয়েই আমরা আজকের এই বাংলাদেশ পেয়েছি, যার সুবাদে আজ আমরা মুক্ত ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে কথা বলতে পারছি।’
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে, যেখানে মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং সুশাসন থাকবে।
অনুষ্ঠানে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তার মা-বাবা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। সন্তানের ফেলে যাওয়া স্মৃতি মনে করে তাদের কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে এলে পুরো অনুষ্ঠানস্থলে এক হৃদয়স্পর্শী ও নিস্তব্ধ পরিবেশ নেমে আসে।
অনুষ্ঠানে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরবর্তীতে তার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কেটে এতিম শিশুদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ফারহান ফাইয়াজ (মোহাম্মদ ফারহানুল ইসলাম ভূঁইয়া) শহীদ হন। তিনি ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
২০০৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া ১৭ বছর বয়সী এই তরুণ গবেষণামূলক কাজের প্রতি আগ্রহী ছিলেন এবং উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ন্যায়সংগত দাবিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে তিনি ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ধানমণ্ডি এলাকায় রাজপথে নামেন। সেখানে শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত হামলায় তিনি সরাসরি বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। সহপাঠীরা দ্রুত তাকে ধানমণ্ডির সিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ন্যায়ের পক্ষে নির্ভীক আত্মত্যাগের মাধ্যমে শহীদ ফারহান ফাইয়াজ আজ দেশের নতুন প্রজন্মের কাছে এক চিরস্মরণীয় প্রেরণার প্রতীক।
অনুষ্ঠানে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘লাল’ ও ‘সবুজ’ দলের মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে বিজয়ী দল ‘লাল’-এর খেলোয়াড়দের হাতে মন্ত্রী ও শহীদ ফারহান ফাইয়াজের মা-বাবা চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তরিকুল আলম। অনুষ্ঠানে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ