ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান


গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। শহীদদের আত্মত্যাগ ও মূল্যবোধকে ধারণ করে একটি সমৃদ্ধ দেশ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের শহিদ ফারহান ফাইয়াজ খেলার মাঠে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের ১৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা আলহাজ শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া ও মা ফারহানা দিবা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে জনগণের নিরন্তর ও আপসহীন সংগ্রামের মধ্য দিয়েই আমরা আজকের এই বাংলাদেশ পেয়েছি, যার সুবাদে আজ আমরা মুক্ত ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে কথা বলতে পারছি।’

আরও পড়ুন: ৬০ হাজার কোটি টাকায় কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে, যেখানে মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং সুশাসন থাকবে।

 

অনুষ্ঠানে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তার মা-বাবা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। সন্তানের ফেলে যাওয়া স্মৃতি মনে করে তাদের কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে এলে পুরো অনুষ্ঠানস্থলে এক হৃদয়স্পর্শী ও নিস্তব্ধ পরিবেশ নেমে আসে।

অনুষ্ঠানে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরবর্তীতে তার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কেটে এতিম শিশুদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন: দীর্ঘদিনের ক্ষমতার অবসান, সার্বিয়ার নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে জয়

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ফারহান ফাইয়াজ (মোহাম্মদ ফারহানুল ইসলাম ভূঁইয়া) শহীদ হন। তিনি ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

 

২০০৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া ১৭ বছর বয়সী এই তরুণ গবেষণামূলক কাজের প্রতি আগ্রহী ছিলেন এবং উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ন্যায়সংগত দাবিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে তিনি ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ধানমণ্ডি এলাকায় রাজপথে নামেন। সেখানে শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত হামলায় তিনি সরাসরি বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। সহপাঠীরা দ্রুত তাকে ধানমণ্ডির সিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ন্যায়ের পক্ষে নির্ভীক আত্মত্যাগের মাধ্যমে শহীদ ফারহান ফাইয়াজ আজ দেশের নতুন প্রজন্মের কাছে এক চিরস্মরণীয় প্রেরণার প্রতীক।

আরও পড়ুন: ৩৬ জেলায় ১০১ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর

অনুষ্ঠানে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘লাল’ ও ‘সবুজ’ দলের মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে বিজয়ী দল ‘লাল’-এর খেলোয়াড়দের হাতে মন্ত্রী ও শহীদ ফারহান ফাইয়াজের মা-বাবা চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তরিকুল আলম। অনুষ্ঠানে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: হুথিদের হামলার হুমকির মধ্যেই রিয়াদ বিমানবন্দর পুনরায় চালু করল সৌদি আরব

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জমি দখল, মূর্তি চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ জামাত নেতার বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পিরোজপুর প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


জমি দখল, মূর্তি চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ জামাত নেতার বিরুদ্ধে

 

 
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নে জমি দখল, ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙচুর, কষ্টিপাথরের মূর্তি চুরি, সংখ্যালঘু পরিবারকে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানা অভিযোগ উঠেছে শফিকুল ইসলাম হাওলাদারের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম হাওলাদার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
 
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সমুদয়কাঠী গ্রামের মৃত মাখন লাল আইচের ছেলে সমীর রঞ্জন আইচ ও উত্তম আইচ ১৯৯৮ সালের ২৩ মার্চ তিনটি রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে তাদের সম্পত্তির একটি অংশ আব্দুর রহমান হাওলাদারের দুই ছেলে শফিকুল ইসলাম হাওলাদার ও সিদ্দিকুর রহমান হাওলাদারের কাছে যৌথভাবে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে ওই সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
 
অভিযোগ রয়েছে, শফিকুল ইসলাম অপর ক্রেতা সিদ্দিকুর রহমানকে বাদ দিয়ে একটি অনিবন্ধিত চুক্তিপত্রের ভিত্তিতে আদালতে একতরফা ডিক্রি নেন। স্থানীয়দের দাবি, ওই ডিক্রিকে কেন্দ্র করে বিপুল পরিমাণ জমি নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আদালতের নথি ও সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র যাচাই ছাড়া অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
 
স্থানীয়দের অভিযোগ, সমুদয়কাঠী এলাকায় কয়েকটি হিন্দু পরিবারের জমি ও বসতভিটা নিয়ে শফিকুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে। ‘মুন্সি বাড়ি’ নামে পরিচিত রবি মুন্সি, সুমন মুন্সি ও সুজন মুন্সির পারিবারিক জায়গা দখল এবং তাদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এ ছাড়া ‘ধোপা বাড়ি’র বিমল ধোপা, অমল ধোপা ও মানিক ধোপার বসতভিটার জমি নিয়েও দখলের অভিযোগ রয়েছে।
 
স্থানীয়দের আরও দাবি, সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন বোর্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট যতীন আইচ ইউনিয়ন পরিষদের জন্য দান করেছিলেন এমন একটি পুকুর ও সরকারি রাস্তার সংলগ্ন কয়েক বিঘা জমি নিয়েও বিরোধ রয়েছে। সেখানে বাগান করার অভিযোগও করেছেন তারা। তবে এসব জমির প্রকৃত মালিকানা, সরকারি সম্পত্তির অবস্থান ও দখলের বিষয়টি ভূমি রেকর্ড, খতিয়ান, দলিল এবং সরেজমিন পরিমাপের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
 
মঠ-মন্দির ভাঙচুর ও মূর্তি চুরির অভিযোগ
এলাকার একটি পুরোনো মঠ ও মন্দির ভেঙে ফেলার অভিযোগও উঠেছে। একই সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী শীতলা মন্দিরের জায়গা দখলের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। আরও অভিযোগ করা হয়েছে, সমীর আইচের বাড়ির ভেতরে থাকা তিনটি মন্দিরের মধ্যে একটি কষ্টিপাথরের কালীমূর্তি এবং একটি কষ্টিপাথরের সরস্বতী মূর্তি চুরি করে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।
 
তবে মূর্তি দুটি বর্তমানে কোথায় রয়েছে, আদৌ চুরি বা পাচারের ঘটনা ঘটেছে কি না এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত এসব বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়রা এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন ও প্রত্নতত্ত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত দাবি করেছেন।
 
ওয়ান-ইলেভেনের সময় দুই সিন্দুক নিয়ে রহস্য
শফিকুল ইসলামের বাড়ি থেকে ওয়ান-ইলেভেনের সময় রাতে দুটি বড় সিন্দুক সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাকে ঘিরেও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, ওই সময় প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন ব্যক্তি মোটা বাঁশের সাহায্যে দুটি বড় সিন্দুক বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং সেগুলো ট্রলারে তোলার প্রস্তুতি চলছিল। বিষয়টি জানতে পেরে তৎকালীন সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম সাঈদ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দেন বলে তাদের দাবি।
 
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে নাজমুল ইসলাম সাঈদ ও তার সঙ্গে থাকা জাকির হোসেন খানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং নির্যাতনের শিকার হতে হয়। কয়েক দিন পর বেকুটিয়া ফেরিঘাট এলাকার ‘নাক পোড়া এনামুল’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তি শফিকুল ইসলামের বাড়িতে এসে ওই সিন্দুকসহ আরও কিছু মালামাল তিনটি ট্রলারে করে নিয়ে যান বলেও স্থানীয়দের দাবি। তবে সিন্দুক দুটির ভেতরে কী ছিল, কোথায় নেওয়া হয়েছিল এবং ওই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত ছিলেন এ বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য সরকারি নথি বা স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি কেবল স্থানীয়দের দাবির পর্যায়েই রয়েছে।
 
রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তনের অভিযোগ
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আগে শফিকুল ইসলাম আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি হন বলে তারা দাবি করছেন।
এলাকাবাসীর কেউ কেউ শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করার অভিযোগ করেছেন।
 
শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর পোশাক ব্যবহার করে গভীর রাতে এলাকায় ঘোরাফেরা এবং সংখ্যালঘু পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও করেছেন স্থানীয় কয়েকজন।
একই সঙ্গে তিনি কখনো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি করেছেন কি না, করে থাকলে তার চাকরির রেকর্ড কী এবং সেনাবাহিনীর পোশাক তার কাছে কীভাবে এসেছে এসব বিষয়ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
 
স্থানীয়দের দাবি, জমি দখল, ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙচুর, মূর্তি চুরি বা পাচার, সরকারি সম্পত্তি দখল এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগগুলো রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে তদন্ত করা প্রয়োজন।
তারা অভিযোগকৃত জমির দলিল, খতিয়ান ও নামজারি যাচাই, সরকারি ও ধর্মীয় সম্পত্তি সরেজমিনে পরিমাপ, পুরোনো মঠ-মন্দিরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব যাচাই, মূর্তি দুটির সন্ধান, সেনাবাহিনীর পোশাক ব্যবহারের অভিযোগ এবং ওয়ান-ইলেভেনের সময়ের দুই সিন্দুকের ঘটনা নিয়ে পুরোনো নথি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগের কোনো অংশ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আর অভিযোগের কোনো অংশ অসত্য হলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সেটিও স্পষ্ট করা হোক।
 
শফিকুল ইসলাম হাওলাদারের সঙ্গে এসব অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
 
এ বিষয়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহবায়ক অশোক সিকদার বলেন, নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নে জমি দখল, ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙচুর, কষ্টিপাথরের মূর্তি চুরি এবং সংখ্যালঘু পরিবারকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের গুরুতর অভিযোগ পেয়েছি। সমুদয়কাঠী এলাকার ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন, নেছারাবাদ উপজেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি এবং ষড়যন্ত্রকারীদের দ্রুত আইনের আওতাধীন করার দাবী জানাচ্ছি।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজয়ের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য, ডিএমকের ৩ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


বিজয়ের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য, ডিএমকের ৩ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ডিএমকের তিন নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন দলের উপমহাসচিব এ রাজা, সাবেক মন্ত্রী পি কে সেকার বাবু এবং বিধায়ক বসন্তম কার্তিকেয়ান।

মঙ্গলবার, দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে এক কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দলীয় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কথিত আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনে মামলা করা হয়েছে।

দলীয় বিক্ষোভের সময় মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে চেন্নাইয়ের বি১ নর্থ বিচ থানায় সেকার বাবুর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তিনি ডিএমকের হারবার আসনের বিধায়ক এবং চেন্নাই ইস্ট জেলার দলীয় সম্পাদক।

এদিকে, টিভিতে নেতা কার্তিকের অভিযোগের ভিত্তিতে সাইদাপেট থানায় এ রাজের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা বক্তৃতার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভে এ রাজা জ্বালানি সম্পদ ও আইনমন্ত্রী আর এন নির্মল কুমারকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

কল্লাকুরিচি পুলিশ ঋষিবন্ধিয়াম আসনের বিধায়ক বসন্তম কার্তিকেয়ানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তার বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি বিধানসভায় বিজয়ের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ডিএমকেতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ডিএমকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলার সময় মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের জরুরি অবস্থার সময় মিসা আইনে গ্রেপ্তার হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন এবং চোয়ালের অঙ্গভঙ্গি করেন। এর প্রতিবাদে ডিএমকের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এর পর, বিজয়ের বক্তব্যের পক্ষে অবস্থান নেন মন্ত্রী নির্মল কুমার। তিনি দাবি করেন, জরুরি অবস্থার সময় স্ট্যালিনকে মিসা আইনে আটক করা হয়েছিল—এমন দাবির পক্ষে কোনো সরকারি আদেশের কপি নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট, থানায় জিডি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট, থানায় জিডি

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে টাকা না দেওয়ায় এক মাকে চিকিৎসাসেবা না দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগে ফেসবুকে প্রচারিত একটি পোস্টকে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন দাবি করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) রাজীব আহমেদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকে নিজের ফেসবুক আইডি ব্যবহার করার সময় একটি ফেসবুক আইডিতে ওই পোস্টটি দেখতে পান বলে জিডিতে উল্লেখ করেন তিনি।

আরএমও রাজীব আহমেদ চৌধুরী বলেন, ওই পোস্টে দুটি ছবি সংযুক্ত করে লেখা হয়, নোয়াখালী সরকারি হাসপাতালে থেকে একজন মা’কে টাকা না দেওয়ার কারণে চিকিৎসা সেবা না দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পোস্টটি নজরে আসার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা তথ্য ও বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে বিষয়টি যাচাই করা হয়। এতে দেখা যায়, পোস্টে ব্যবহৃত ছবিটি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল, নোয়াখালীর হাসপাতাল এলাকার ছবি নয়। প্রকৃত ঘটনা ও স্থান যাচাই না করে ভিন্ন স্থানের ছবি ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে।

জিডিতে বলা হয়েছে, ভিন্ন স্থানের ছবি ব্যবহার করে এমন তথ্য প্রচারের ফলে হাসপাতালের সুনাম, ভাবমূর্তি ও জনআস্থা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতাল সম্পর্কে এ ধরনের তথ্য ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারি চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও জিডিতে উল্লেখ করা হয়। জিডিতে ওই ফেসবুক আইডি পরিচালনাকারী ব্যক্তির পরিচয় এবং পোস্টটির প্রকৃত উৎস শনাক্ত করে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জিডি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাতিয়াতে স্বেচ্ছাসেবকদের দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


হাতিয়াতে স্বেচ্ছাসেবকদের দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ

নোয়াখালীর হাতিয়ায় দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সক্ষমতা বাড়াতে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। এতে চর ঈশ্বর ও চর কিং ইউনিয়ন এবং হাতিয়া পৌরসভার ৩০ জন দুর্যোগ স্বেচ্ছাসেবক অংশ নিচ্ছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় হাতিয়ার দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার প্রশিক্ষণ কক্ষে এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়। ইভিসিআর প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত প্রশিক্ষণে দুর্যোগ প্রস্তুতি, আগাম সতর্কবার্তা, আগাম পদক্ষেপ এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

উদ্বোধনী দিনে হাতিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা, প্রযুক্তির ব্যবহার ও দুর্যোগ-পরবর্তী সরকারি সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন। দ্বিতীয় দিনে অনুসন্ধান ও উদ্ধার, আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির ভূমিকা, নারীর ঝুঁকি এবং স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনা হবে।

স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশের সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে নজরুল স্মৃতি সংসদ (এনএসএস) ও পার্টিসিপেটরি রিসার্চ এন্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (প্রান)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%