ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে


চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে আহত হয়েছেন মনিরুল ইসলাম নামের এক বাংলাদেশি যুবক, এমন তথ্য স্থানীয় সূত্রে পাওয়া গেছে। বিএসএফ পরে তাকে আটক করে ভারতের ভেতরে নিয়ে গেছে। তার শারীরিক অবস্থা এবং তিনি জীবিত আছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রামের বিপরীতে মেদিনীপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। মনিরুল হরিহরনগর গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মনিরুলসহ কয়েকজন সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে গিয়েছিলেন। তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করে বিএসএফ সদস্যরা গুলি ও রাবার বুলেট ছোড়েন। এতে মনিরুলের পায়ে গুলি লাগে এবং পিঠের বিভিন্ন স্থানে রাবার বুলেটের আঘাত লাগে। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় তার সঙ্গীরা পাশের খালের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান। পরে বিএসএফ সদস্যরা আহত মনিরুলকে আটক করে ভারতের ভেতরে নিয়ে যান।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে নানা কর্মসূচিতে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

স্থানীয় ইউপি সদস্য আরজাম হোসেন বলেন, "গ্রামের ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি মনিরুল বিএসএফের গুলিতে আহত হয়েছে এবং তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।" পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, মনিরুল বর্তমানে ভারতের ভেতরে চিকিৎসাধীন।

জীবননগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, মনিরুল ইসলাম নামে একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি তারা নিশ্চিত হয়েছেন এবং বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে গেছে। তবে তিনি জীবিত আছেন, নাকি মারা গেছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

হরিহরনগর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য টিটু জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার পর সীমান্তের কাঁটাতারের কাছ থেকে গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে তিনি জানতে পারেন বিএসএফ আহত অবস্থায় মনিরুলকে আটক করে নিয়ে গেছে। তবে তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তিনি নিশ্চিত হতে পারেননি।

এদিকে শুক্রবার রাতে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে মেদিনীপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তে মেইন পিলার ৬৩/১-এস-এর কাছে শূন্য রেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ ভারতের ভেতরে কাঁটাতারের বেড়ার পাশে গুলির শব্দ শোনা যায়। খবর পেয়ে মেদিনীপুর ক্যাম্পের বিজিবি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সীমান্তবর্তী জনসাধারণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পাল্টা ফায়ার করে।

আরও পড়ুন: ইতিহাস-ঐতিহ্য ও দেশপ্রেমের চেতনায় আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, একজন বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করলে ৩২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধীন টুঙ্গী ক্যাম্পের টহল দল তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিএসএফের সঙ্গে অধিনায়ক পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত আছে এবং কম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে সীমান্তের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির সতর্ক ও পেশাদার অবস্থানের কথা বলা হয়। একই সঙ্গে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমসহ সীমান্ত এলাকায় অননুমোদিত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাগুরায় নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৪ পি.এম


মাগুরায় নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

মাগুরায় নানা আয়োজনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) এই দিবস উপলক্ষে সকালে মাগুরা জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর বেলা ১১ টার সময় স্থানীয় নোমানী ময়দানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আলী আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আক্তার হোসেন, আহসান হাবিব কিশোর, খান হাসান ইমাম সুজা, আলমগীর হোসেন, ফারুকুজ্জামান ফারুক, সদস্য কুতুব উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি মাসুদ হাসান খান কিজিল।

সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর যে ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান ঘটে, তার চেতনা দেশপ্রেমিক মানুষকে বারবার দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। বক্তারা বলেন, জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ৭ই নভেম্বরের কোন বিকল্প নেই। বর্তমানে বাংলাদেশকে নিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে। সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এসব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, দেশপ্রেমিক মানুষ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে কোন পরাজিত শক্তি দেশের অগ্রযাত্রা রুখতে সক্ষম হবে না।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে দুপুর ১২ টায় স্থানীয় নোমানী ময়দান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

র‌্যালিতে অংশ নেয় মাগুরা জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, কৃষকদলসহ মহিলা দলও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। জেলার শ্রীপুর, মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলায় পৃথকভাবে দিবসটি পালন উপলক্ষে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। সরকারি ভাবে দিবসটি পালন উপলক্ষে নির্ধারিত কর্মসূচি গ্রহণ করে জেলা প্রশাসন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের, মোঃ সাখাওয়াত ইসলাম রানার নেতৃত্বে, বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উদযাপিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৫ পি.এম


মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের, মোঃ সাখাওয়াত ইসলাম রানার নেতৃত্বে, বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উদযাপিত

 ৭ নভেম্বর ২০২৬ বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত হল বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায় মোঃ সাখাওয়াত ইসলাম রানার নেতৃত্বে, ঢাকার উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে বিশাল এক গাড়ি বহর নিয়ে রওনা দিল সকল নেতৃবৃন্দদের নিয়ে মোঃ শাখা ইসলাম রানা, উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ জনি, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জুলহাস মিয়াজী, জহিরুল ইসলাম হারুন, মাস্টার দিলুর সহ আরো বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা ও অবসরকালীন সুবিধা বাড়ালো সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৫ পি.এম


গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা ও অবসরকালীন সুবিধা বাড়ালো সরকার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বেতন ও অবসরকালীন আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১০ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া, গ্রাম পুলিশ প্রধানদের বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব ঘোষণা প্রদান করেন।

এছাড়া, সাধারণ গ্রাম পুলিশ সদস্যদের অবসরকালীন আনুতোষিক ৭০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা এবং গ্রাম পুলিশ প্রধানদের জন্য ৮০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর থেকেই সরকারের এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তৃণমূল পর্যায়ে কোথায় কী ঘটছে, কারা কোন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হচ্ছে কিংবা কোথাও পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনের সুবাদে আগেভাগেই কিছু তথ্য জানতে পারেন। এসব তথ্য যথাসময়ে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে জানালে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রাম ও ইউনিয়ন নিরাপদ থাকলে বাংলাদেশও নিরাপদ থাকবে। তৃণমূল জনগোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি ও স্বস্তি বজায় থাকলে তার ইতিবাচক প্রভাব পুরো দেশেই পড়বে। তাই স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহরায়ন ও নগরায়ন বাড়লেও দেশের অধিকাংশ মানুষের শিকড় এখনো গ্রামকেন্দ্রিক। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে গ্রামীণ জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ফলে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে শুধু রাজনৈতিক ব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, রাষ্ট্র ও সমাজেও ব্যাপক সামাজিক অবক্ষয় ঘটেছিল। পরিকল্পিতভাবে হীনস্বার্থ ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব উসকে দিয়ে দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের মূল্যবোধ বিনষ্ট করা হয়েছিল। এমনকি বিভিন্ন জায়গায় পরিবারে পরিবারেও বিরোধ ও বিবাদ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। তৃণমূল পর্যায়েও প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।

এ ধরনের সামাজিক পরিস্থিতির উন্নয়নে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা, মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার সংস্কৃতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। সমাজে এসব মূল্যবোধ পুনর্জীবিত হলে সামাজিক অপরাধের মাত্রা অনেকাংশে কমে আসবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি হিসেবে গ্রাম পুলিশের কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬০০ কাব স্কাউটের অংশগ্রহণে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পারভিন আক্তার স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ জেলা

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৬ পি.এম


৬০০ কাব স্কাউটের অংশগ্রহণে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান

পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফতুল্লা রেললাইন থেকে ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়। এতে বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৬০০ কাব স্কাউট অংশগ্রহণ করে।

কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব এস এম ফয়েজ উদ্দিনসহ স্কাউটসের সদস্য, শিক্ষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ। পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

নারায়ণগঞ্জ || ০৭ নভেম্বর, ২০২৬ খ্রি.

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%