রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫৬ পি.এম
মোরাদাবাদে, ভারতের উত্তর প্রদেশের সার্কিট হাউসে নামাজ আদায়ের অভিযোগে সমাজবাদী পার্টির (এসপি) এক নেতার বিরুদ্ধে স্থানীয় পুলিশ মামলা দায়ের করেছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, জনসাধারণের চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি হয়েছে, তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, পার্ক করা গাড়ির সামনে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ পড়ছেন। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে বা যানবাহনে কোনো ব্যাঘাত ঘটার প্রমাণ নেই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়্যার-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত নেতার নাম হাজী মোহাম্মদ উসমান। তিনি সমাজবাদী পার্টির মোরাদাবাদ জেলা শাখার সহসভাপতি এবং বিলারি আসনের বিধায়ক মোহাম্মদ ফাহিম ইরফানের চাচা।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৮৫ ধারায় (জনসাধারণের চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি) এবং ২৯২ ধারায় (জনসাধারণের অসুবিধা সৃষ্টি) তার বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, উসমান উত্তর প্রদেশ বিধান পরিষদের বিরোধীদলীয় নেতা লাল বিহারি যাদবের সঙ্গে দলের বৈঠকে অংশ নিতে মোরাদাবাদ সার্কিট হাউসে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি পার্ক করা গাড়ির পেছনে তাকে নামাজ পড়তে দেখা যায়। তবে অভিযোগকারী, মোরাদাবাদের গণপূর্ত বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী অনিত কুমার, দাবি করেছেন যে, সার্কিট হাউসের পথ আটকে গাড়ি পার্ক করার কারণে চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়েছে।
এই ঘটনার পেছনে স্থানীয় হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর চাপের বিষয়টি উঠে এসেছে। স্থানীয় সংবাদপত্র দৈনিক ভাস্কর জানায়, সার্কিট হাউসের মতো সরকারি স্থাপনায় নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রীয় বজরং দলের রাজ্য সভাপতি রোহান সাক্সেনা প্রশ্ন তুলেছেন। তার এই অবস্থানের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, উত্তর প্রদেশ সরকারের নীতি অনুযায়ী, সড়কে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি থাকলেও সরকারি স্থাপনায় নামাজ পড়া আইনত বেআইনি নয়। একই সময়ে কানওয়ার যাত্রায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের দ্বারা সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুরের একাধিক ভিডিও প্রকাশিত হলেও তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়া এবং এক মুসলিম নেতার বিরুদ্ধে পুলিশি তৎপরতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আইনি ব্যবস্থার দ্বিমুখী নীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর দারুস সালাম এলাকায় টেলিভিশন দেখার সময় এক নারী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৪) তিনজনকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব-৪ এই তথ্য জানায়।
গুলিবিদ্ধ জেসমিন বেগম (৩৮) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার উত্তর দাললা গ্রামের আব্দুল মান্নানের স্ত্রী। বর্তমানে তিনি দারুস সালামের মসজিদ গলির একটি টিনশেড বাসায় ভাড়া থাকেন।
এর আগে, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দারুস সালাম থানাধীন মাতবরবাড়ি মসজিদ গলি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জেসমিনকে উদ্ধার করে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, এ ঘটনায় অস্ত্রসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় র্যাব মিডিয়া সেন্টার, কারওয়ান বাজারে একটি প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিফিংয়ে র্যাব-৪-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন।
সংবাদ সম্মেলনে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের এবং উদ্ধার হওয়া আলামতসহ বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যাওয়ার ফলে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার গেড়াখোলা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকাসক্তি বেড়ে যাওয়ার কারণে নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানোর পর ছেলের পাঁচ বছরের জেল চাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অসহায় বাবা, জমিজমা বিক্রি করে মাদকাসক্ত ছেলেকে চিকিৎসার জন্য নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানোর পর তার অবস্থার অবনতি হয়েছে। ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর তিনি পুলিশকে অনুরোধ করেছেন যে, তার ছেলেকে টানা পাঁচ বছর জেলে রাখা হোক।
পুলিশ ও দুলাল মিয়া জানান, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের নৈদারখামার গ্রামের বাসিন্দা মো. সোহাগ মিয়া (২৮) দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। তার বাবা, দুলাল মিয়া, ছেলেকে মাদক থেকে ফিরিয়ে আনতে নিজের জমিজমা বিক্রি করে দুবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে তার ছেলে পূর্বের চেয়ে বেশি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ইয়াবাসহ সুনামগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে আটক করে।
এই ঘটনার পর রবিবার সকালে দুলাল মিয়া সুনামগঞ্জ সদর থানায় এসে পুলিশকে তার ছেলের মাদকাসক্তির পুরো কাহিনী জানিয়ে দেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, জমিজমা বিক্রি করে দুবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানোর পর তার ছেলে আরো বেশি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। তিনি পুলিশের কাছে অনুরোধ করেন যে, তার ছেলেকে যেন পাঁচ বছর জেলে রাখা হয়।
ভুক্তভোগী বাবা দুলাল মিয়া জানান, তার ছেলে মাদকাসক্ত হওয়ার পর কোনো কথা শোনে না।
কাজকর্ম কিছুই করে না। যখন সংশোধনের কথা বলেন, তখন মারধর করে। ইতিমধ্যে জমি বিক্রি করে দুবার তাকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠিয়েও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। বরং উল্টো আরো মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। তাই তিনি থানায় এসে পুলিশকে বলেছেন যে, তাকে পাঁচ বছর জেলে রাখতে হবে।
এতে যদি তার ছেলের সংশোধন হয়। সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি মোহাম্মদ রতন শেখ বলেন, ‘বৃদ্ধ বাবা তার মাদকাসক্ত সন্তানের অত্যাচারে অতীষ্ঠ। আমরা তাকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর তিনি থানায় এসে আমাদের অভিনন্দন জানিয়ে ছেলেকে পাঁচ বছর জেলে রাখার অনুরোধ করেছেন’। তিনি সন্তানদের মাদকাসক্তি থেকে দূরে রাখতে পরিবার থেকেই যুদ্ধ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলম্বিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটিতে গেরিলাদের ড্রোন হামলায় তিন সেনা নিহত হয়েছেন। শনিবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রথমে কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলায় অন্তত দুইজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (ইএলএন)-এর বিদ্রোহীরা এই হামলার জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।
বোগোটা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানায়।
শুক্রবার কাতাতুম্বো অঞ্চলে হামলাটি সংঘটিত হয়। ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলার নির্দেশে সেখানে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী অভিযান চালাচ্ছে।
অঞ্চলটির একজন সামরিক কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, হামলার জন্য বিস্ফোরকবোঝাই অন্তত ২০টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মন্তব্য করেন, ‘ইএলএনকে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, তোমরা যত পুলিশ কর্মকর্তা বা সেনাকে হত্যা করবে, রাষ্ট্রের পূর্ণ ও বৈধ শক্তি ততবার তোমাদের ওপর নেমে আসবে।’
শনিবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী হোর্হে মোরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ‘জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, নিরাপত্তা জোরদার করা, ইএলএন ইউনিটগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখা এবং এসব হামলার জন্য দায়ীদের শনাক্ত করতে’ সামরিক ও পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।
কলম্বিয়া বিশ্বের বৃহত্তম কোকেন উৎপাদনকারী দেশ। দেশটি এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
দে লা এসপ্রিয়েলা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে বোমা হামলা এবং স্থল অভিযান জোরদার করেছেন।
কলম্বিয়া ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’-এও যোগ দিয়েছে। এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর একটি কার্টেলবিরোধী জোট। এতে আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর এবং এল সালভাদরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
দে লা এসপ্রিয়েলা আগামী সপ্তাহে ক্যারিবীয় উপকূলীয় শহর বারানকিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে স্বাগত জানাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ