ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চ্যাম্পিয়নস লীগের প্রথম শিরোপা বিলাইছড়ির


চ্যাম্পিয়নস লীগের প্রথম শিরোপা বিলাইছড়ির

পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ‘রাঙামাটি চ্যাম্পিয়নস লীগ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর প্রথম শিরোপা জিতেছে বিলাইছড়ি উপজেলা। রোমাঞ্চকর ফাইনালে টাইব্রেকারে রাঙামাটি সদর উপজেলাকে ৪–৩ গোলে হারিয়ে তারা ইতিহাসের প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাঙামাটি মারী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে দুই দল গোল করতে না পারায় ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানে স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে রাঙামাটি সদরকে পিছনে ফেলে শিরোপা নিশ্চিত করে বিলাইছড়ি।

রাঙামাটি রিজিয়নের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে জেলার ১০ উপজেলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করেন। টুর্নামেন্টটি ঘিরে শুরু থেকেই রাঙামাটির ক্রীড়াঙ্গনে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিল। মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের তরুণদের একসঙ্গে খেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা উঠে আসে।

আরও পড়ুন: নাব্যতা সংকটে হবিগঞ্জের সুতাং নদী মরা খালে পরিণত

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান বলেন, "রাঙামাটির মানুষের কাছে ফুটবল অত্যন্ত জনপ্রিয়। এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি হওয়া প্রয়োজন।" ক্রীড়াক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, "তরুণদের মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। ‘মাদকমুক্ত হোক সমাজ, ক্রীড়া হোক হাতিয়ার’—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।"

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম ভূট্টো।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে অংশ নেয় রাঙামাটি সদর, কাপ্তাই, কাউখালী, রাজস্থলী, বিলাইছড়ি, জুরাছড়ি, বরকল, নানিয়ারচর, বাঘাইছড়ি ও লংগদু—জেলার ১০ উপজেলা।

আরও পড়ুন: বরিশালে দুই যুবককে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতা ফারুকের বিরুদ্ধে

টুর্নামেন্টে বিলাইছড়ির সোহাগ বাবু মারমা সেরা গোলদাতা, অজান্ত চাকমা সেরা খেলোয়াড়, জনি সেরা গোল কিপার এবং রাঙামাটি সদরের শফিক ম্যান অব দা ফাইনাল নির্বাচিত হন।

আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টটির লক্ষ্য শুধুমাত্র ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজন নয়। খেলাধুলার মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচয়, বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করা এবং তরুণ সমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখাই ছিল এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার সুযোগ পেলে প্রতিটি শিশু গড়বে সুন্দর ভবিষ্যৎ: রাজশাহী জেলা প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


শিক্ষার সুযোগ পেলে প্রতিটি শিশু গড়বে সুন্দর ভবিষ্যৎ: রাজশাহী জেলা প্রশাসক

রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ‘আমাদের শিশুরা যেন এই সমাজে সুন্দরভাবে বেড়ে উঠতে পারে এবং শিক্ষার সুযোগ পায়। শিশুদের স্বাস্থ্য এবং পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় তাদের সক্ষম করে তুলতে হবে। নিরাপদ শৈশব ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে, তারা ভবিষ্যতে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলবে।’

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরের নানকিং দরবার হলে অনুষ্ঠিত রাজশাহী শহর এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (এডিপি) অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম আরও বলেন, একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম মাপকাঠি হলো সেই দেশের শিশু ও নারীরা কতটা নিরাপদ এবং শিশুরা কতটা সুযোগ পাচ্ছে। বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে এখনও পিছিয়ে রয়েছে। প্রতিটি শিশুকে শিক্ষা, পুষ্টি ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, রাজশাহীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের এই কর্মসূচি আশাব্যঞ্জক। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো এগিয়ে আসলে শিক্ষা বিস্তার ও মাদক প্রতিরোধের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা আরও গতিশীল হবে। শিশুদের শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়া এবং মাদকের ঝুঁকি কমাতে পরিবার ও সমাজের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা জানান, রাজশাহী শহর এডিপির কার্যক্রমের জন্য ২০২৫ সালে বিভিন্ন পর্যায়ে মূল্যায়ন ও প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে অংশীজনদের সঙ্গে সভা, শিশু উপদেষ্টা কমিটি গঠন, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী ও পরিবারের তথ্য সংগ্রহ এবং শিশু ও যুব ফোরাম গঠন করা হয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকার প্রায় ৫ লাখ ৫ হাজার ৩২৪ জন মানুষ এ কর্মসূচির আওতায় আসবে। এর মধ্যে রয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৫০টি পরিবার। ইতিমধ্যে প্রায় ২৯ হাজার ৯১৮টি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবার শনাক্ত করা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের রাজশাহী শহর এডিপির সিনিয়র ম্যানেজার লোটাস চিসিম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

তিনি জানান, কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে শিশুদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। স্থানীয় জনগণ, সরকারি প্রতিষ্ঠান, সিটি করপোরেশন, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ও অন্যান্য অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, কর্মসূচির আওতায় স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, পানি-স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ), শিক্ষা, শিশু সুরক্ষা ও অংশগ্রহণ এবং স্পনসরশিপ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। শিশুদের টিকাদান ও জন্মনিবন্ধন নিশ্চিত করা, অপুষ্টি কমানো এবং পিছিয়ে পড়া শিশুদের পড়াশোনায় ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন কার্যক্রম নেওয়া হবে।

পিছিয়ে পড়া শিশুদের পড়ার দক্ষতা বাড়াতে ‘আনলক লিটারেসি’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাক্‌-প্রাথমিক শিক্ষা ও লার্নিং রুটস সেন্টারের মাধ্যমে শিশুদের শেখার সুযোগ বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও শিশু সুরক্ষার বিষয়েও কাজ করা হবে।

এ ছাড়া দরিদ্র পরিবারের সক্ষমতা বাড়াতে আল্ট্রাপুওর গ্র্যাজুয়েশন মডেল, কমিউনিটি গ্রিনিং ও জীবিকাভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের জন্য সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সিনিয়র ডিরেক্টর অপারেশনস চন্দন জেড. গমেজ। তিনি বলেন, রাজশাহী শহর এডিপির কার্যক্রম ছোট পরিসরে শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে এটি বড় পরিসরে নেওয়া হবে। স্থানীয় মানুষের পরামর্শ ও অংশগ্রহণের ভিত্তিতে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, ওয়ার্ল্ড ভিশনের কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কর্মসূচির বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

এ জন্য তথ্য জানানো, মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, পরামর্শ নেওয়া এবং তাদের মতামত অনুযায়ী কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর সিভিল সার্জন এসআইএম রাজিউল করিম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিরেক্টর ড. জ্যারেড বেরেন্ডস, ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাজশাহীর বিভাগীয় পরিচালক এ কে এম মুজাহিদুল ইসলাম, রাজশাহী ক্যাথলিক ধর্মপ্রদেশের ডিডি রেভারেন্ড বিশপ জের্ভাস রোজারিও, ওয়ার্ল্ড ভিশনের নর্দান বাংলাদেশ ক্লাস্টারের ডেপুটি ডিরেক্টর-ফিল্ড অপারেশনস রাজু উইলিয়াম রোজারিওসহ সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন এনজিও ও শিশু ফোরামের প্রতিনিধিরা। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ জানায়, রাজশাহী শহর এডিপির কার্যক্রম ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে। মূল কর্মসূচি ২০৩৫ সাল পর্যন্ত চলবে। এরপর দুই বছরের ট্রানজিশন পরিকল্পনার মাধ্যমে ২০৩৭ সালে কর্মসূচির সমাপ্তি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৫ ট্রিলিয়ন ডলারের এআই সাম্রাজ্য: প্রযুক্তির বিশ্ব শাসন করছে শীর্ষ ১০ কোম্পানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ পি.এম


২৫ ট্রিলিয়ন ডলারের এআই সাম্রাজ্য: প্রযুক্তির বিশ্ব শাসন করছে শীর্ষ ১০ কোম্পানি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত উন্নয়ন এবং আধিপত্যের কারণে বিশ্বজুড়ে একটি নতুন অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এআই খাতের শীর্ষ ১০টি পাবলিক কোম্পানির সম্মিলিত বাজারমূল্য ২৫ ট্রিলিয়ন (২৫ লাখ কোটি) ডলার অতিক্রম করেছে, যা বিশ্বের প্রায় সব দেশের জিডিপির চেয়ে বেশি।

এআই প্রযুক্তির নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা এবং এর বিকাশের গতি কমানো নিয়ে মার্কিন রাজনীতি ও বৈশ্বিক অঙ্গনে বিতর্ক যখন তুঙ্গে, তখন এ খাতের বিশাল অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যের চিত্র সামনে এসেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এআই শিল্পের অভ্যন্তরীণ ইকোসিস্টেম এবং সবচেয়ে দামি কোম্পানিগুলোর তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।

এআই শিল্পের মূল কাঠামো

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুরো এআই বাজারটি মূলত তিনটি স্তরের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে:

১. হার্ডওয়্যার ও চিপস: এআই মডেল চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সেমিকন্ডাক্টর ও জিপিউ (GPU) ডিজাইন করে এনভিডিয়া (Nvidia), ব্রডকম ও এএমডি-র মতো প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববাজারের ৭০ শতাংশেরও বেশি উন্নত চিপ তৈরি বা ম্যানুফ্যাকচার করে তাইওয়ানের টিএসএমসি (TSMC)।

২. ক্লাউড ও কম্পিউট: কাঁচা চিপকে প্রসেসিং পাওয়ারে রূপান্তর করে বৈশ্বিক ক্লাউড অবকাঠামো প্রদান করে গুগল (অ্যালফাবেট), মাইক্রোসফট (অ্যাজুর) ও অ্যামাজন (এডব্লিউএস)।

৩. সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন: ব্যবহারকারীদের জন্য সরাসরি এআই মডেল তৈরি করে ওপেনএআই (OpenAI), অ্যানথ্রোপিক (Anthropic), মেটা (Meta) এবং এক্সএআই (xAI)।

বাজারমূল্যে শীর্ষে যারা

পাবলিক কোম্পানিগুলোর মধ্যে বর্তমান বিশ্ববাজারে ৫.১ ট্রিলিয়ন ডলার বাজারমূল্য নিয়ে শীর্ষে রয়েছে এআই চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া (Nvidia)। ৪.৮৬ ট্রিলিয়ন ডলার বাজারমূল্য নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অ্যাপল (Apple) এবং পরবর্তীতে রয়েছে অ্যালফাবেট (গুগল), মাইক্রোসফট ও অ্যামাজন।

অন্যদিকে, বেসরকারি এআই কোম্পানিগুলোর মধ্যেও রয়েছে বিলিয়ন ডলারের মূল্যায়ন। ক্লদ (Claude) এআই-এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিক (Anthropic)-এর বর্তমান মূল্যায়ন প্রায় ৯৬৫ বিলিয়ন ডলার, যা চলতি বছরের শেষেই শেয়ার বাজারে (IPO) তালিকাভুক্ত হতে পারে। চ্যাটজিপিটি নির্মাতা ওপেনএআই (OpenAI)-এর মূল্যায়ন ৮৫২ বিলিয়ন ডলার এবং ইলন মাস্কের এক্সএআই (xAI)-এর মূল্যায়ন ২৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

নিরাপত্তা বনাম জাতীয় স্বার্থের প্রতিযোগিতা

সম্প্রতি অ্যানথ্রোপিকের সিইও দারিও আমোদেই এআই প্রযুক্তির অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার রোধে কঠোর নীতিমালার দাবি জানান। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সুরক্ষার দাবিকে সরাসরি খারিজ করেছেন। ট্রাম্পের মতে, এআই বিকাশের গতি কমানো মানে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীনকে সুযোগ করে দেওয়া। তার ভাষায়, "যে এআই রেসে জিতবে, সে-ই সার্বিকভাবে জয়ী হবে।"

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিয়ন্ত্রণ এবং কোটি কোটি ডলারের বিনিয়োগ এখন কেবল প্রযুক্তির প্রতিযোগিতা নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতি পরিচালনার মূল শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ব্যাংক শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির প্রতিনিধি পরিচালক মনোনয়নে নতুন নির্দেশনা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


বাংলাদেশ ব্যাংক শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির প্রতিনিধি পরিচালক মনোনয়নে নতুন নির্দেশনা জারি

বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নির্দেশনা জারি করেছে, যা শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির পক্ষ থেকে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে ‘প্রতিনিধি পরিচালক’ মনোনয়নের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। এর পাশাপাশি, শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতার তুলনায় অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিনিয়োগ কমানো, আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং প্রতিনিধি পরিচালকদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ এ সংশ্লিষ্ট সার্কুলারটি জারি করা হয়েছে।

সার্কুলারটি দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পরিচালনা পর্ষদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক-কোমপানির মালিকানা কাঠামোয় স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতার তুলনায় অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিনিয়োগ কমানো, ব্যাংক-কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির পক্ষে মনোনীত প্রতিনিধি পরিচালকদের ভূমিকা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো কোম্পানি তার নিট সম্পদ বা নেট ওয়ার্থের পরিমাণের অধিক মূল্যমানের শেয়ার মালিকানা বা ক্রয়মূল্য কোনো একক অথবা একাধিক ব্যাংক-কোম্পানিতে ধারণ করতে পারবে না। অর্থাৎ, কোম্পানির নিজস্ব আর্থিক সক্ষমতার তুলনায় ব্যাংকের শেয়ারে অতিরিক্ত বিনিয়োগের সুযোগ থাকবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নির্দেশনার ফলে শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা এবং ব্যাংক-কোম্পানিতে তাদের শেয়ার মালিকানার মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখার বাধ্যবাধকতা তৈরি হলো। এর মাধ্যমে তুলনামূলকভাবে দুর্বল আর্থিক ভিত্তির কোনো কোম্পানি অতিরিক্ত ব্যাংক শেয়ার ধারণ করে ব্যাংকের মালিকানা কাঠামোয় অস্বাভাবিক প্রভাব বিস্তার করতে না পারে—এমন একটি নিয়ন্ত্রণ কাঠামো প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য রয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানি ইতোমধ্যে এক বা একাধিক ব্যাংক-কোম্পানির যে শেয়ার মালিকানা ধারণ করছে, তা নতুন নির্দেশনায় নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করলে সার্কুলার জারির তারিখ থেকে ছয় মাসের মধ্যে ওই অতিরিক্ত শেয়ার নির্ধারিত সীমার মধ্যে নামিয়ে আনতে হবে। অর্থাৎ, নতুন নিয়ম শুধু ভবিষ্যতের শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না; বর্তমানে বিদ্যমান অতিরিক্ত মালিকানাকেও নির্ধারিত সীমার মধ্যে আনতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে ছয় মাস সময় দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা।

শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির পক্ষে কোনো ব্যাংক-কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে মনোনীত ‘প্রতিনিধি পরিচালক’কে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অথবা পরিচালক হতে হবে। ফলে, সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গে সরাসরি মালিকানা ও পরিচালনাগত সম্পর্ক নেই—এমন কাউকে প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে মনোনয়নের সুযোগ থাকছে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই শর্তের ফলে ব্যাংকের পর্ষদে কোনো কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তির সঙ্গে ওই কোম্পানির প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে প্রতিনিধি পরিচালকের দায়বদ্ধতা ও স্বার্থের সম্পর্ক আরও স্পষ্ট হওয়ার কথা। নতুন নির্দেশনায় প্রতিনিধি পরিচালক মনোনয়নের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজের নামে নির্দিষ্ট পরিমাণ শেয়ার মালিকানা থাকার বিষয়টিও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, কোনো শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির পক্ষে ব্যাংক-কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে কোনো ব্যক্তিকে মনোনয়নের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজের নামে তালিকাভুক্ত পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে তার পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ২ শতাংশ এবং অন্যান্য কোম্পানির ক্ষেত্রে তার পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ২০ শতাংশ দায়মুক্ত মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে।

এ মালিকানা প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পুরো সময় ধরে বজায় রাখতে হবে। অর্থাৎ, শুধু মনোনয়নের সময় নির্ধারিত শেয়ার থাকলেই হবে না; দায়িত্ব পালনকালে ওই শেয়ার মালিকানা অব্যাহত রাখার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। ব্যাংক-কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির পক্ষে প্রতিনিধি পরিচালক নিয়োগ, পুনর্নিয়োগ অথবা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন নিতে হবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, এ ধরনের নিয়োগ, পুনর্নিয়োগ বা পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন গ্রহণের উদ্দেশ্যে আবেদন দাখিলের সময় মনোনীত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডার কোম্পানিতে মালিকানা বা স্বত্ব থাকার সমর্থনে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র অবশ্যই সংযুক্ত করতে হবে। এর ফলে প্রতিনিধি পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু কোম্পানির মনোনয়ন যথেষ্ট হবে না; মনোনীত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট কোম্পানিতে প্রকৃত মালিকানা বা স্বত্বের বিষয়টিও যাচাই করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সার্কুলার জারির অব্যবহিত আগে ব্যাংক-কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির পক্ষে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রতিনিধি পরিচালকদের পুনর্নিয়োগ বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও নতুন সার্কুলারের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

অর্থাৎ, পুরোনো ব্যবস্থায় নিয়োগ পাওয়া প্রতিনিধি পরিচালকদের ক্ষেত্রেও ভবিষ্যতে পুনর্নিয়োগ বা পরিবর্তনের সময় নতুন শর্তগুলো প্রযোজ্য হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলারে উল্লেখ করেছে, ব্যাংক-কোম্পানির পরিচালকদের অবগতির জন্য এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের উদ্দেশ্যে পর্ষদ সভায় এ সার্কুলারে বর্ণিত বিষয়গুলো উপস্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি ব্যাংক-কোম্পানির অন্যান্য কর্মকর্তা ও শেয়ারহোল্ডারদেরও বিষয়টি অবহিত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। ফলে, নতুন নির্দেশনা সম্পর্কে শুধু পরিচালনা পর্ষদ নয়, ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং শেয়ারহোল্ডারদেরও অবহিত করার দায়িত্ব ব্যাংকগুলোর ওপর দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, নির্দেশনাগুলো অবিলম্বে কার্যকর হবে। নতুন এই কাঠামোর ফলে ব্যাংক-কোম্পানিতে শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির মালিকানা এবং পরিচালনা পর্ষদে তাদের প্রতিনিধিত্বের মধ্যে আরও স্পষ্ট সম্পর্ক তৈরি হলো। একই সঙ্গে কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত ব্যাংক শেয়ার ধারণের সুযোগ সীমিত করা হয়েছে।

বিশেষ করে শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির পক্ষে প্রতিনিধি পরিচালক মনোনয়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব শেয়ার মালিকানা, কোম্পানির সঙ্গে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের শর্ত আরোপের মাধ্যমে পরিচালনা পর্ষদে প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি আরও নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর মধ্যে আনা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারের মূল লক্ষ্য হিসেবে ব্যাংক-কোমপানির মালিকানা কাঠামোয় স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগের সামঞ্জস্য, প্রতিনিধি পরিচালকদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গামাটিতে পুলিশের অভিযানে আটক ৮ জন, ইয়াবা উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


রাঙ্গামাটিতে পুলিশের অভিযানে আটক ৮ জন, ইয়াবা উদ্ধার

রাঙ্গামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে আটজনকে আটক করা হয়েছে, যাদের মধ্যে মাদক কারবারি, মাদকসেবী এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রয়েছে। কলেজ গেইট এলাকার মাহাবুব আলমের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাঙ্গামাটি শহরের বিভিন্ন স্থানে কোতয়ালী থানা পুলিশ এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কলেজ গেইট এলাকার মো. মাহাবুব আলমকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, তার হেফাজত থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাহাবুব আলমের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের অভিযোগে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়া, মাদক কারবারির অভিযোগে মো. মানিক উদ্দীন, মো. আকবর আলী, মো. জুয়েল ও মো. সিদ্দিকুর বাবুকে আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে, দাঙ্গা সংগঠনের অভিযোগে মো. মাসুদ রানাকে এবং মাদক সেবনের অভিযোগে মো. রাশেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সিআর গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে মো. আবুল কালামকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, রাঙ্গামাটি শহরে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধের জন্য ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%