শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৬ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটি, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আজ জেলার বিভিন্ন ধর্মীয় আচার ও ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভ মধু পূর্ণিমা উদযাপন করা হচ্ছে।
আজ শনিবার সকাল থেকে রাঙামাটি রাজ বনবিহারে মধু পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের জন্য বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এই অনুষ্ঠানে অষ্টপরিষ্কার দান, বুদ্ধমূর্তি দান, মধু দান, বুদ্ধ পূজা, সংঘদান এবং ধর্মীয় দেশনার আয়োজন করা হয়। এছাড়া, পঞ্চশীল গ্রহণের মাধ্যমে ধর্মীয় প্রার্থনা ও আচার অনুষ্ঠানও সম্পন্ন করা হয়।
এ সময় রাজ বনবিহারের আবাসিক ভিক্ষু সংঘের প্রধান শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির ধর্ম দেশনা প্রদান করেন।
রাজ বনবিহারে অনুষ্ঠিত এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সকাল থেকে হাজারো বৌদ্ধ ধর্মালম্বী নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
মধু পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভিক্ষুসংঘের ত্রৈমাসিক বর্ষাব্রতের দ্বিতীয় পূর্ণিমা তিথি এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। ভাদ্র মাসের পূর্ণিমার তিথিতে অনুষ্ঠিত হওয়ায়, এটি ভাদ্র পূর্ণিমা নামেও পরিচিত।
উল্লেখ্য, বহু বছর আগে পূর্ণিমা তিথিতে একটি বুনোহাতি বন থেকে ফলমূল সংগ্রহ করে এবং একটি বানর মৌচাকের মধু নিয়ে তপস্যারত বুদ্ধকে দান করেছিলেন। এই ঘটনাকে স্মরণ করেই প্রতি বছর ভাদ্র মাসের পূর্ণিমার এই তিথিতে মধু পূর্ণিমা উদযাপন করা হয়। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা দেশ, জাতি ও সকলের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেন এবং নানাবিধ দানানুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা প্রশাসন এবং সাতক্ষীরা পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে আজ ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ উপলক্ষে র্যালি ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে, যা জেলা শহরকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে সহায়ক হবে।
শনিবার সকালে শহরের ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ’ প্রাঙ্গণ থেকে সচেতনতামূলক একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন এবং পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান।
এছাড়া সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আলী হায়দার, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. আক্তার হোসেন তালুকদার, সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান, উপ সহকারী প্রকৌশলী সাগর দেবনাথ, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর রবিউল আলমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
র্যালি শেষে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ পৌরসভার সহযোগিতায় রেড ক্রিসেন্ট, বিডি ক্লিন ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীদের সাথে নিয়ে শহরের বিভিন্ন ড্রেন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। একই সঙ্গে পথচারী, সাধারণ নাগরিক ও যানবাহন চালকদের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সংবলিত সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন।
জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ এসময় বলেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ।" তিনি উল্লেখ করেন, এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধে আমাদের নিজ নিজ আঙিনা ও চারপাশ সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। তিনি সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন যেন কোথাও পানি জমে না থাকে। জেলা প্রশাসক বলেন, "আমাদের সম্মিলিত সচেতনতাই পারে সাতক্ষীরা শহরকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের একটি জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায় বিস্ফোরণের ফলে একটি আবাসিক ভবন ধসে গিয়ে একজন নারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন। শনিবার দেশটির ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার কেন্দ্রীয় এথেন্সের প্লাকা এলাকায় দুই তলা ভবনটিতে বিস্ফোরণ ঘটে, যার পর ভবনটি ধসে পড়ে। এটি একটি জনপ্রিয় এলাকা, যেখানে অ্যাক্রোপলিস ও জিউসের মন্দিরের নিকটবর্তী অবস্থান রয়েছে। বিস্ফোরণের ফলে তিনজন আহত হয়েছেন এবং আশপাশের বেশ কিছু বাড়ি, দোকান ও গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণের পর থেকে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান করা হচ্ছে।
আরো পড়ুন
ইসলাম মানুষকে স্বপ্ন বড় দেখতে শেখায়
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোরে ধ্বংসস্তূপ সরানোর সময় এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিস্ফোরণের কারণে ভবনটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। ঘটনাস্থলে পেঁচানো ধাতব অংশ, ভাঙা বারান্দা এবং ঝুলে থাকা কংক্রিটের টুকরা পড়ে রয়েছে। ধ্বংসস্তূপ সরাতে উদ্ধারকর্মীদের সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে। উদ্ধারকর্মীরা একটি ফ্ল্যাটে থাকা এক বয়স্ক দম্পতি এবং অন্য একটি ফ্ল্যাটে থাকা চার পর্যটককে খুঁজছেন। পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিখোঁজ চার পর্যটকের জাতীয়তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
শুক্রবার বিকেল ৩টায় এথেন্স বিমানবন্দর থেকে ওই চার পর্যটকের একটি ফ্লাইট ধরার কথা ছিল। সেজন্য তাদের ওই দিন থাকার জায়গা ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা নির্ধারিত সময়ে সেখানে উপস্থিত হননি। এরপর তাদের নিখোঁজ হিসেবে ধরে নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। বিস্ফোরণের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ঘটনার প্রকৃতি সম্পর্কে তদন্ত শুরু হয়েছে।
আরো পড়ুন
মিরপুরে ক্লিনিক ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪
প্লাকা এথেন্সের অন্যতম ব্যস্ত পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিত। সেখানে অনেক হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং স্বল্পমেয়াদে ভাড়া দেওয়া বাসা রয়েছে। এই কারণে বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটকদের মধ্যেও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এথেন্সের মেয়র হারিস দুকাস শুক্রবার মন্তব্য করেছেন, বিস্ফোরণের সঙ্গে গ্যাস সরবরাহব্যবস্থার কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে। তিনি বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর এবং কোনো একটি জায়গায় বড় ধরনের ভুল হয়ে থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহ শহরের পুরনো ডিসি কোর্টের সামনে থেকে পুলিশ দুটি ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে, পুরনো ডিসি কোর্টের সামনের এলাকা থেকে এই বস্তু দুটি উদ্ধার করা হয়।
আরো পড়ুন
গ্রিসে বিস্ফোরণে ভবন ধসে নিহত ১, নিখোঁজ ৫
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার করা দুটি বস্তু ককটেল কিনা তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী কার্যক্রম শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ