ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর জন্য মনোনীত রুয়েটের ৭ শিক্ষার্থী


‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর জন্য মনোনীত রুয়েটের ৭ শিক্ষার্থী

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) প্রবর্তিত ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালের জন্য প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সাত (৭) শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন। এই তিন বছরে বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে যথাক্রমে তিন, এক ও তিনজন শিক্ষার্থী এ স্বীকৃতির জন্য মনোনীত হয়েছেন।

ইউজিসির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালের প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রাপ্ত প্রার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মাধ্যমে তালিকা পুনরায় যাচাই শেষে মোট ৪৬৯ শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ইউজিসির ওয়েবসাইটে সম্মাননা সেবা অংশে ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ তালিকাটি প্রকাশ করা হয়েছে।

চূড়ান্ত তালিকায় রুয়েটের সাতজনের মধ্যে ২০২১ সালের জন্য মনোনীত হয়েছেন ২০১৫–১৬ শিক্ষাবর্ষের তিন সাবেক শিক্ষার্থী। তারা হলেন—মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. শাহীনুর আলম, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জাহিদ হাসান এবং তড়িৎ ও তড়িৎকৌশল বিভাগের মো. মায়েনুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: কৃষিতে নারীদের ক্যারিয়ার গঠনে বহুমুখী সুযোগ ও প্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ

এছাড়া ২০২০ সালের জন্য মনোনীত হয়েছেন ২০১৪–১৫ শিক্ষাবর্ষের স্থাপত্য বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী তামান্না সুলতানা স্বর্ণা। ২০১৯ সালের জন্য মনোনীত হয়েছেন ২০১৩–১৪ শিক্ষাবর্ষের তিন সাবেক শিক্ষার্থী। তারা হলেন—যন্ত্রকৌশল বিভাগের মিফতাহুল মবিন চৌধুরী, পুরকৌশল বিভাগের সুমাইয়া তাবাসসুম এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের মহিউদ্দিন আহমেদ।

উল্লেখ্য, পেশাগত জীবনে রুয়েটের এসব সাবেক শিক্ষার্থী সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে চলেছেন। তাদের অধিকাংশই বর্তমানে শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। মো. শাহীনুর আলম বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ফার্ম পাওয়ার অ্যান্ড মেশিনারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি বর্তমানে শিক্ষা ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়েস বিশ্ববিদ্যালয় আরবানা-শ্যাম্পেইনের কৃষি ও জৈব প্রকৌশল বিভাগে পিএইচডি করছেন।

জাহিদ হাসান রুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। তবে বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব প্ল্যানিং অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সে মাস্টার অব সায়েন্স প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করছেন।

এদিকে, মিফতাহুল মবিন চৌধুরী রুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস এঅ্যান্ডএম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করছেন।

আরও পড়ুন: এইচএসসি ও সমমানের ফল ২৯ অক্টোবর প্রকাশের সম্ভাবনা

অন্যদিকে, মহিউদ্দিন আহমেদ রুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ, সুমাইয়া তাবাসসুম পুরকৌশল বিভাগ, মো. মায়েনুল ইসলাম তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগ এবং তামান্না সুলতানা স্বর্ণা স্থাপত্য বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২১—এই তিন বছরে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মোট ৪৬৯ শিক্ষার্থী চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন। এর মধ্যে রুয়েটের সাতজন, যা মোট মনোনীতদের প্রায় ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

তালিকায় দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও রয়েছেন। একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩২, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন। এই ছয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই মোট ১৪৩ জন শিক্ষার্থী তালিকায় রয়েছেন। এছাড়াও দেশের বেশ কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এ তালিকায় নিজেদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন।

পাশাপাশি অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ১১, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে আট, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) থেকে ছয় এবং ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) থেকে ছয়জন মনোনীত হয়েছেন। সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ৩৮ জন শিক্ষার্থী তালিকায় রয়েছেন।

আরও পড়ুন: ঢাকা বোর্ডের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ইউজিসির প্রবর্তিত একটি জাতীয় পর্যায়ের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে এ পুরস্কারের জন্য পৃথক সম্মাননা সেবা ও নীতিমালা রয়েছে। ২০২২ সালে ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালের জন্য মনোনয়ন আহ্বান করা হয়েছিল এবং পরবর্তী যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। রুয়েট শিক্ষার্থীদের এ স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়টির একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও শিক্ষকতায় অবদানেরও একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিফলন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শব্দদূষণ কমাতে ১ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ প্রশিক্ষিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


শব্দদূষণ কমাতে ১ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ প্রশিক্ষিত

ঢাকা, ০৬ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের উচ্চশব্দের ক্ষতিকর প্রভাব হ্রাস করার লক্ষ্যে সরকারি প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪০ জনকে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের (ঢাকা মহানগর) পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ বাসস-কে জানিয়েছেন, প্রকল্পের শুরু থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সচেতনতামূলক কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫০ হাজার শিক্ষার্থী, ৭২ হাজার ২০০ জন পরিবহনচালক ও শ্রমিক, ৮ হাজার ১৪০ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ১ হাজার ৯২০ জন কারখানা ও নির্মাণশ্রমিক, ১ হাজার ৮০০ জন সাংবাদিক এবং ৫ হাজার ৫৮০ জন পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, ইমাম, শিক্ষক ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

ফরিদ আহমেদ জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা এখন শব্দদূষণ সম্পর্কে সচেতন এবং তারা তাদের পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদেরও সচেতন করছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শব্দদূষণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করছেন এবং ইমামরা মুসল্লিদেরকে এ বিষয়ে সচেতন করছেন।

শহরাঞ্চলে শব্দের মাত্রা কমানোর জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করছে। অতিরিক্ত যানবাহনের হর্ন ও পরিবেশগত শব্দ নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক প্রচার, অংশীজনদের প্রশিক্ষণ, নীরব এলাকা ঘোষণা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।

শব্দদূষণ প্রতিরোধ ও কমাতে তাদের ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে এসব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি প্রকল্পের অন্যতম প্রধান কার্যক্রম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ফরিদ আহমেদ জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আরো ৩৬ হাজার ১২০ জনকে শব্দদূষণের ব্যাপারে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে অবহিতকরণ ও দায়িত্বশীল আচরণে উৎসাহিত করতে প্রকল্পের আওতায় ব্যাপক প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রচারণার অংশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের পাশাপাশি রেডিওতে নিয়মিত শব্দদূষণবিষয়ক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া, মোবাইল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শব্দদূষণবিষয়ক টেলিভিশন বিজ্ঞাপন (টিভিসি), খুদে বার্তা ও বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে।

শারীরিক সচেতনতামূলক উপকরণের মাধ্যমে প্রকল্পটির জনসম্পৃক্ততা আরও জোরদার করা হয়েছে। শব্দদূষণ বিষয়ক সচেতনতামূলক বার্তা প্রচারের জন্য মোট ১২৮টি বিলবোর্ড ও ২১০টি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।

এছাড়া ৭ লাখ লিফলেট, ৭ লাখ অন্যান্য উপকরণ ও ১ হাজার প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল ছাপিয়ে বিতরণ করা হয়েছে।

সচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় ২ হাজার ৫০০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। ৭ হাজার ২৯৭টি মামলার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ ১ কোটি ৮ লাখ ১৩ হাজার ১৫৭ টাকা জরিমানা আদায় করেছে এবং ৬ হাজার ৯৮৬টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করে ধ্বংস করেছে।

প্রকল্পের আওতায় জনসচেতনতামূলক বেশকিছু উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।

শব্দদূষণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ২০২৩ সালের ১৫ অক্টোবর ঢাকায় ‘এক মিনিট নীরবতা’ পালন করা হয়।

নির্ধারিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিত করতে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

পরিবেশ সচেতনতামূলক কার্যক্রমে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে ডিওই ‘যুব উৎসব’ উদযাপনের অংশ হিসেবেও বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

ফরিদ আহমেদ বলেন, প্রশিক্ষণ, গণমাধ্যমে প্রচারণা, জনসম্পৃক্ততা ও আইন প্রয়োগের মাধ্যমে প্রকল্পটি জনসচেতনতা আরো বাড়াতে এবং বাংলাদেশের সর্বত্র শব্দদূষণ কমাতে সহায়ক আচরণ গ্রহণে মানুষকে উৎসাহিত করতে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কারেন্ট ও খুনা জাল জব্দ: বিশ্বম্ভরপুরে ইউএনওর বিশেষ অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​শাহানুর আলম, বিশ্বম্ভরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


কারেন্ট ও খুনা জাল জব্দ: বিশ্বম্ভরপুরে ইউএনওর বিশেষ অভিযান

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাদাঘাট দক্ষিণ ইউনিয়নের জামের তলা নদীর একশো মিটার ব্রিজের পাশে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী আজ এই অভিযান পরিচালনা করেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সখিনা আক্তার।
অভিযানকালে নদী থেকে কারেন্ট জাল ও ক্ষতিকর খুনা জালসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ, আনসার সদস্য এবং এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে জব্দকৃত এসব জাল ঘটনাস্থলেই পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সখিনা আক্তার জানান, জনস্বার্থে এবং দেশীয় মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নদী-নালায় কেউ যাতে অবৈধ বা নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করতে না পারে, সেজন্য কোনো অনিয়ম চোখে পড়লেই তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করার জন্য তিনি সর্বস্তরের জনগণকে আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘পিচ্চি রাজা’ কাণ্ডে সিনেমার গল্পকেও হার মানালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


‘পিচ্চি রাজা’ কাণ্ডে সিনেমার গল্পকেও হার মানালো

এটি যেন একটি সিনেমার দৃশ্যের মতো। ব্যস্ত সড়কের পাশে অপেক্ষমাণ একটি প্রাইভেটকারের কাছে প্রিজনভ্যান থেকে একজন দুর্ধর্ষ আসামিকে নামিয়ে কিছুদূর হাঁটানো হলো। এরপর পুলিশের একজন কর্মকর্তা নিজেই সেই আসামিকে গাড়িতে তুলে দিলেন। তবে এটি কোনো সিনেমার কাহিনী নয়—ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর বংশালে।

ঘটনাটি ঘটে গত ২৭ সেপ্টেম্বর, রোববার বিকেল ৫টা ৫৮ মিনিটে। একটি প্রিজনভ্যান বংশালের প্রধান সড়কে উঠেছিল, যেখানে ২৯ জন আসামি ছিলেন। তাদের গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হচ্ছিল।

বংশাল রোডের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে এসে যানজটে আটকে যায় প্রিজনভ্যানটি। আর তখনই ঘটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

অভিযোগ উঠেছে, প্রিজনভ্যানের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসআই প্রবীর কুমার নিজ হাতে ভ্যানটির গেট খুলে দেন। এরপর মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় গাড়ি থেকে নামিয়ে আনেন দুর্ধর্ষ আসামি ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত পিচ্চি রাজাকে। একই সময়ে গাড়ি থেকে নামেন ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের মালিক খায়রুল বাসারও।

প্রিজনভ্যান থেকে নেমে পিচ্চি রাজা সামনে হাঁটতে থাকেন। তার পেছনে এসআই প্রবীর কুমার ছিলেন। অন্যদিকে খায়রুল বাসার তাদের সঙ্গে না গিয়ে প্রিজনভ্যানের সামনের অংশে, চালকের পাশের আসনে উঠে বসেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে গাদাগাদি করে যাওয়ার পরিবর্তে খায়রুল বাসারকে চালকের পাশের আসনে এসির মধ্যে আরাম করে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশের একটি দলও সেখানে দায়িত্ব পালন করছিল।

প্রিজনভ্যান থেকে নামার পর পিচ্চি রাজা ও এসআই প্রবীর প্রায় দুই মিনিট বংশালের মোড়ের দিকে হাঁটতে থাকেন। এর মধ্যে সেখানে একটি প্রাইভেটকার নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন পিচ্চি রাজার বোন তাসলিমা।

একপর্যায়ে এসআই প্রবীর নিজেই পিচ্চি রাজাকে ওই প্রাইভেটকারের কাছে নিয়ে যান এবং তাকে গাড়িতে তুলে দেন। এরপর তিনি প্রিজনভ্যানে ফিরে যান।

ঘটনাটি নিয়ে ইতোমধ্যে পুলিশের দায়িত্ব ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার জানিয়েছেন, কী কারণে এমন একজন দুর্ধর্ষ আসামিকে প্রিজনভ্যান থেকে নামিয়ে দেওয়া হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্তের চেষ্টা চলছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ঘটনায় এসআই প্রবীর কুমার ও তার টিমের বিরুদ্ধে শুধু একজন আসামিকে প্রিজনভ্যান থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগই নয়, বরং আরও গুরুতর দায়িত্বহীনতার অভিযোগ উঠেছে।

এর মধ্যে প্রথমটি হলো— ব্যস্ত সড়কে প্রকাশ্যে প্রিজনভ্যানের দরজা খুলে দেওয়া। এতে ভেতরে থাকা অন্য আসামিরাও সুযোগ নিয়ে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পালিয়ে যেতে পারতেন। দ্বিতীয়ত, ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের মালিক খায়রুল বাসারকে হাতকড়া ছাড়াই কিছু সময়ের জন্য একা ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে, ওই সময় খায়রুল বাসারও যদি পালিয়ে যেতেন, তাহলে তাকে আটকানোর মতো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা পুলিশের হাতে থাকত না।

ফলে একজন দুর্ধর্ষ আসামিকে প্রিজনভ্যান থেকে নামিয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে তুলে দেওয়ার ঘটনাটি শুধু পুলিশের দায়িত্ব পালনের প্রশ্নই তুলছে না, বরং প্রিজনভ্যানে থাকা অন্য আসামিদের নিরাপত্তা ও তাদের পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ডিসেম্বরের মধ্যে হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ডিসেম্বরের মধ্যে হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল

চট্টগ্রাম, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের সমুদ্রপথে বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দরের সব কার্যক্রমকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ কাগজবিহীন ও ‘স্মার্ট’ বন্দরে রূপান্তরের লক্ষ্যে ব্যাপক ডিজিটাল রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রমকে আধুনিকীকরণ, পরিবহন ব্যয় কমানো, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বন্দরের প্রবেশ ও বহির্গমন পথে দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনের লক্ষ্যে কাজ করা হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অগ্রগতি পর্যালোচনা সভার পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভায় বিদ্যমান ডিজিটাল সেবার পরিধি বাড়ানো, বিভিন্ন বিভাগের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মধ্যে সমন্বয় এবং অবশিষ্ট ম্যানুয়াল কার্যক্রম বন্ধের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দর রেকর্ড পরিমাণ ৩৪ লাখ টিইইউ (২০ ফুট দীর্ঘ) কনটেইনার, ১৩ কোটি ৮০ লাখ টন সাধারণ পণ্য এবং ৪ হাজার ২৭৩টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করেছে। দেশের সমুদ্রপথে পরিবাহিত সাধারণ পণ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ এবং কনটেইনার ভিত্তিক বাণিজ্যের ৯৮ শতাংশ এই বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম বাসস’কে জানান, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, শিপিং লাইন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, ফ্রেইট অপারেটর, কাস্টমস ও ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্টদের জটিল ও বহুমাত্রিক কার্যক্রম বিবেচনায় প্রকৃত দক্ষতা নিশ্চিত করতে বিচ্ছিন্ন অনলাইন সেবার পরিবর্তে সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রমের প্রতিটি স্তরে ডিজিটাল অটোমেশনের পরিধি বৃদ্ধি করা হবে। ইতোমধ্যে জাহাজের বিলের ১০০ শতাংশ অনলাইনে প্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছে।

বন্দর সূত্র জানায়, সদ্য প্রতিষ্ঠিত ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক পিএলসির সঙ্গে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে কনটেইনার ও কনসাইনি বিলিং কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম (টিওএস)-এর সঙ্গে পুরোপুরি যুক্ত করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, আমদানিকারক ও তাদের মনোনীত অভ্যন্তরীণ সেবাদানকারী এজেন্টরা সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও সরকারি ছুটির দিনসহ সার্বক্ষণিক অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন। পাশাপাশি নির্ধারিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরিশোধ না করা বন্দরের পাওনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আদায়ের জন্য ‘অটো-পুল পেমেন্ট সিস্টেম’ চালু করা হবে।

বন্দর সূত্র আরও জানায়, গত জুলাইয়ে টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম (টিওএস)-এর সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমের সমন্বয়ের মাধ্যমে আমদানি কনটেইনারের ডেলিভারি অর্ডার ডিজিটালাইজেশনের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার ফলে এখন আমদানিকারকরা কোনো ধরনের কাগজপত্র ছাড়াই অনলাইনে প্রয়োজনীয় নথির অগ্রগতি অনুসরণ করতে পারছেন।

সৈয়দ রেফায়েত হামীম বলেন, বন্দরের প্রবেশ ও বহির্গমন পথে যানবাহনের দীর্ঘ সারি কমাতে ‘টাইম স্লট ম্যানেজমেন্ট’, অনলাইন কার্ট টিকিট ও ই-গেট পাস চালু করা হচ্ছে। ইকুইপমেন্ট ইন্টারচেঞ্জ রিসিপ্ট (ইআইআর) ই-গেট পাসের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। এর ফলে ট্রাক প্রবেশ, পণ্য বোঝাই ও বের হওয়ার সময়সূচি পূর্বনির্ধারিত ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, কাস্টমসের নিলামজাত পণ্য সরবরাহ, বিশেষ ডেলিভারি কার্যক্রম এবং ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোর (আইসিডি) কার্যক্রম এনবিআর ও কাস্টমসের এপিআইয়ের মাধ্যমে সমন্বয় করা হচ্ছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট সব লজিস্টিকস অংশীদারের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব হবে।

বন্দর সচিব বলেন, বাল্ক পণ্য হ্যান্ডলিংয়েও ডিজিটাল ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি নির্মাণাধীন বে-টার্মিনালে যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে স্লটভিত্তিক ডিজিটাল পার্কিং টিকিট ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

সৈয়দ রেফায়েত হামীম বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের প্রয়োজনীয় ভিত্তি ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে চালু হওয়া বন্দরের ‘পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো-সিপিএ স্কাই’ প্ল্যাটফর্মে একক লগইনের মাধ্যমে বন্দরের বিভিন্ন সেবা গ্রহণের পাশাপাশি ডিজিটাল রাডার ও জাহাজের গতিবিধি তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণের সুবিধা রয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে টিওএস ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে ৬০ হাজার থেকে ৬৫ হাজার গেট প্রবেশ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এক দিনে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৮০টি গেট পাস ইস্যুর রেকর্ডও রয়েছে।

বন্দর সূত্র জানায়, জাহাজ বন্দরে আসা, বিল পরিশোধ, কাস্টমস ছাড়পত্র থেকে শুরু করে পণ্য খালাস ও চূড়ান্ত সরবরাহ পর্যন্ত পুরো বহুমাত্রিক কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত ও অনুসরণযোগ্য ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে পণ্য খালাসে সময় কমানো, রাজস্ব আদায় ত্বরান্বিত করা এবং বন্দরের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় গতি আনার পাশাপাশি উন্নত বিশ্বের বন্দরগুলোর মতো স্বয়ংক্রিয় ও প্রযুক্তিনির্ভর সমুদ্রপথের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা আনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%