ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

তারল্যের প্রাচুর্যেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে ভাটা কেন?


তারল্যের প্রাচুর্যেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে ভাটা কেন?

দেশের ব্যাংক খাতে বর্তমানে ৩ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকার বেশি তারল্য রয়েছে। এর মধ্যে অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে, বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫ হাজার কোটি টাকার একটি নতুন স্কিম ঘোষণা করেছে। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির মতে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত না হলে, বেসরকারি খাত ঋণ নিতে খুব একটা আগ্রহ দেখাবে না।

অন্যদিকে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর না হলে, কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, এসএমই খাতের বিকাশ, রফতানি আয় এবং ভোগব্যয়ের সক্ষমতা অনেকাংশেই বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল।

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক ই-কমার্সে রিমার্কের শক্ত অবস্থান, বিশ্ববাজারে যাচ্ছে হাজারো পণ্য

বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির হার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এটি গড়ে ১১ দশমিক ৩২ শতাংশ ছিল। কোভিড-পরবর্তী সময়ে দুই বছর প্রবৃদ্ধি কমে এলেও, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রভাবে ২০২১ সালে ঋণ প্রবৃদ্ধি সর্বোচ্চ ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌঁছায়।

তবে ২০২৪ সাল থেকে আবারও ঋণ প্রবৃদ্ধি কমতে শুরু করে। ২০১৯ থেকে ২০২৫ অর্থবছর পর্যন্ত গড় ঋণ প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ। বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি, কঠোর মুদ্রানীতি, জ্বালানি খাতের অস্থিরতা, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ এবং খেলাপি ঋণের চাপের কারণে বেসরকারি খাত বিনিয়োগে পিছিয়ে গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এরই প্রভাব পড়ে শিল্প খাতে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে শিল্প খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে, যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন লাখ লাখ শ্রমিক-কর্মচারী। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫ হাজার কোটি টাকার স্কিম চালু করেছে, যাতে বিনিয়োগ বাড়াতে এবং অর্থনীতিতে নতুন গতি আনতে সহায়তা হয়।

তবে, শুধু অর্থের জোগান দিলেই কাঙ্ক্ষিত ফল মিলবে না বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যানশিয়াল স্ট্যাবিলিটি ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তারা কিছুটা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এর অন্যতম কারণ অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, বিশেষ করে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট। পাশাপাশি, জ্বালানির মূল্যও বেড়েছে। সব মিলিয়ে বেসরকারি খাত বিনিয়োগে উৎসাহ পাচ্ছে না। সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো উপযুক্ত বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করা। শুধু ব্যাংক খাতে তারল্য বাড়ালেই কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

অবকাঠামো ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের ইশতেহার বাধাগ্রস্থ হবে বলে শঙ্কা অর্থনীতিবিদদের। সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অর্থনীতির প্রধান প্রতিবন্ধকতা এখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট। এসব সমস্যা সমাধান না করে, শুধু ঋণ সুবিধা দেয়া হলে দুই ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। একদিকে উদ্যোক্তারা ঋণ নিতে আগ্রহী নাও হতে পারেন, অন্যদিকে ঋণ নিলেও ব্যবসা সচল রাখার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে তা ভবিষ্যতে খেলাপি ঋণে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।

আরও পড়ুন: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণায় অর্থায়ন করবে সরকার: মাহদী আমিন

এদিকে, অর্থ মন্ত্রণালয় ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, গত ১৭ বছরে দেশের জ্বালানি খাত অদ্যাবধি আমদানিনির্ভরই রয়ে গেছে। তবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলেও, বিকল্প পথ ব্যবহার করে জ্বালানি আমদানির প্রস্তুতি রয়েছে। একই সঙ্গে, জ্বালানিতে স্বনির্ভরতা বাড়াতে বাপেক্সকে আরও শক্তিশালী করা এবং দেশের অভ্যন্তরে নতুন জ্বালানি উৎস অনুসন্ধানে বিদেশি সহযোগিতা নেয়ার উদ্যোগও চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ গানকে ভালোবাসার দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ এম


আজ গানকে ভালোবাসার দিন

আজ বিশ্ব সংগীত দিবস। প্রতি বছর ২১ জুন সারা বিশ্বে উদ্‌যাপিত হয় এই দিবসটি। পৃথিবীতে শান্তি ও ইতিবাচক চিন্তাকে ছড়িয়ে দিতে এই দিবসের উদ্‌যাপন করা হয়।

সংগীত এবং সুর নির্দিষ্ট কোনো দেশের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, তাই গানের এই ভাষাকে সর্বজনীন ভাষা বলা হয়ে থাকে।

এই দিবসটির সঙ্গে ফ্রান্সের উৎসব 'ফেট ডে লা মিউজক' (বিশ্বজুড়ে সংগীতের দিন) উৎসবের যোগসূত্র রয়েছে। শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বিখ্যাত দেশ ফ্রান্সই বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এসেছে।

কারণ, ১৯৮১ সালে ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক মন্ত্রী জ্যাক লাঙ এই উৎসবের একটি আন্তর্জাতিক রূপ দেয়ার চেষ্টা করেন। এরপর অব্যাহত প্রচেষ্টায় ১৯৮২ সালে বিশেষ এই সংগীত উৎসবের দিনটিই 'ওয়ার্ল্ড মিউজিক ডে' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম এই দিবসটি উদ্‌যাপন শুরু করে। বর্তমানে বাংলাদেশের পাশাপাশি প্রায় ১২০টি দেশের ৪৫০টি শহরে দিবসটি উদ্‌যাপিত হয়।

আন্তর্জাতিক সংগীত দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে গানের কনসার্ট ও গাননির্ভর বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে।

গান সবাইকে একসূত্রে বেঁধে রাখার ক্ষমতা রাখে। সুরে ফুটে ওঠে আবেগ, দুঃখ এবং সুখের বন্যা। তাই বিশ্ব সংগীত দিবসে মনের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করার জন্য গানকে ভালোবাসুন। তবে অনেকেই মনে করেন, এই দিনটি বাদে জীবনের প্রতিটি দিনই হওয়া উচিত সংগীতমুখর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সোমবার পদত্যাগ করতে পারেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ এম


ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সোমবার পদত্যাগ করতে পারেন

 

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সোমবার (২২ জুন) পদত্যাগ করতে পারেন বলে ব্রিটেনের পত্রিকা ‘দ্য অবজারভার’ জানিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি সরকারি সূত্র এই দাবি অস্বীকার করে জানিয়েছে, স্টারমার পদত্যাগের বদলে দেশের শাসনকার্য চালিয়ে যাওয়ার দিকেই পুরোপুরি মনোনিবেশ করে আছেন।

প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদের ওপর গত কয়েক মাস ধরে চাপ তৈরি হচ্ছিল। তবে এই সংকট শুক্রবার (১৯ জুন) আরো তীব্র আকার ধারণ করে। ওই দিন তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সংসদ উপনির্বাচনে এমন একটি আসনে জয়লাভ করেন, যা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের নেতৃত্বের জন্য স্টারমারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ করে দিয়েছে।

বেশ কিছুদিন ধরে ক্ষমতাসীন দলের ভেতরে কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তোষ চলছিল।

তবে শুক্রবার অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সংসদে প্রবেশ করার ঘটনাটি স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্বকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলে দেয়। নিয়ম অনুযায়ী, দলের ভেতরে স্টারমারকে চ্যালেঞ্জ করতে হলে বার্নহ্যামের সংসদ সদস্য হওয়া জরুরি ছিল, যা তিনি এই জয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন।

অবজারভার পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, দলের ভেতরে নিজের সমর্থন কমে যাওয়া এবং বার্নহ্যামের উত্থানের কারণেই স্টারমার সোমবার পদত্যাগের মতো বড় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন। তবে ডাউনিং স্ট্রিটের (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদিতে আইন অমান্য করায় ১৫ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪১ এম


সৌদিতে আইন অমান্য করায় ১৫ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার

আইন অমান্য করার কারণে সৌদি আরবে ১৫ হাজার ২৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। বাসস্থান (ইকামা), শ্রম আইন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এক সপ্তাহের মধ্যে এই গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হয়, যা সৌদি সংবাদমাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৭ হাজার ৮৬৪ জনকে আটক করা হয়েছে আবাসন বা বাসস্থান আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে। অপরদিকে, ৪ হাজার ৫৭৬ জন অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের চেষ্টাকালে এবং ২ হাজার ৮৪৮ জন শ্রম আইন সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার হন।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় মোট ১ হাজার ৬৬৮ জনকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫৩ শতাংশ ইথিওপিয়ার নাগরিক, ৪৬ শতাংশ ইয়েমেনের এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশ থেকে এসেছে।

এছাড়া, সৌদি আরব থেকে অবৈধভাবে প্রতিবেশী দেশগুলোতে যাওয়ার সময় আরো ৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ অবৈধ অভিবাসীদের কাজের সুযোগ দেওয়া, থাকার জায়গা বা যাতায়াতের সুবিধা দেওয়ার কারণে ২৪ জনকে আটক করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে বা সেখানে থাকতে সহায়তা করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এই অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল (প্রায় ২ লাখ ৬৭ হাজার মার্কিন ডলার) জরিমানা হতে পারে।

সেইসঙ্গে অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন ও সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সৌদি কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের যেকোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা আইন লঙ্ঘনের তথ্য জানাতে অনুরোধ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিনাবের নিহতদের স্মৃতিচারণা করলেন ইরানের স্পিকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের আগে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


মিনাবের নিহতদের স্মৃতিচারণা করলেন ইরানের স্পিকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের আগে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রথম দফার কারিগরি আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডের জুরিখে পৌঁছেছে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইরানের। দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে।

আলোচনা শুরুর পূর্বে ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ (এমবি গালিবাফ) তাদের দেশের ‘মিনাব স্কুল’ হামলায় নিহতদের স্মরণ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত কমাতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার সময় এই শহীদদের আত্মত্যাগই তাদের পথ দেখাবে।’

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রতিনিধিদলের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তাদের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো চলমান কূটনৈতিক বোঝাপড়ার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করা। এবং তিনি আরো জোর দিয়ে বলেন, অতীত অভিজ্ঞতার কারণে ইরান এবার অপর পক্ষের প্রতিটি পদক্ষেপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।

অতীতে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের নজিরের কথা উল্লেখ করে বাঘাই বলেন, বিপক্ষের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা এবার তাদের অঙ্গীকার পূরণের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদারকি করা হবে।

এই কূটনৈতিক আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের শীর্ষ স্তরের কর্মকর্তারা সুইজারল্যান্ডে এসেছেন। সংসদ স্পিকার গালিবাফের নেতৃত্বে এই দলে আরো রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি, সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপমন্ত্রী আলী বাঘেরি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদুলনাসের হেম্মাতি, উপ-তেলমন্ত্রী ও ন্যাশনাল ইরানিয়ান অয়েল কোম্পানির চেয়ারম্যান হামিদ বোর্দে।

ইরানি প্রতিনিধিদল জুরিখে পৌঁছানোর পর সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের স্বাগত জানিয়েছে।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সুইস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুই দেশের সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের পরবর্তী আলোচনার জন্য ইরানি দলটি এখন বার্গেনস্টকের পথে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%