ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিরাজগঞ্জে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের অংশে ৫ শতাধিক গাছের চারা বিতরণ


সিরাজগঞ্জে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের অংশে ৫ শতাধিক গাছের চারা বিতরণ

সিরাজগঞ্জ, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আহ্বানে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ শতাধিক বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের আজিজিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণের উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মামুন খান।

উদ্বোধনের পর পূর্ব দিয়ার পাঁচিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খোকশাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ, চর খোকশাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, চন্দ্রকণা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শালুয়াভিটা দাখিল মাদ্রাসা, হাটবয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবয়ড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুরান শৈলাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোহাম্মদ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১নং ও ২নং চায়না বাঁধ এলাকায় বৃক্ষরোপণের জন্য গাছের চারা, বাঁশ ও নেট বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন: সাংবাদিক আলিফ হত্যা: দুর্গাপুরে অপূর্ব নামের যুবক গ্রেপ্তার

এ সময় সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক সাংবাদিক শেখ মো. এনামুল হক, ৫নং খোকশাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান এ্যাড. আব্দুল মান্নান, খোকশাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শফিকুল ইসলাম, খোকশাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার ফিরোজ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, শালুয়াভিটা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. আব্দুল মালেক জাকির, আজিজিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. আব্দুর রহমান, সহ-সুপার মাওলানা মো. আব্দুল কাইয়ুম, খোকশাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মুক্তা, রিপন হোসেন, খোকশাবাড়ী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মৃদুলসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুসিক এলাকায় ২০টি খেলার মাঠ তৈরি করছেন ইউসুফ মোল্লা টিপু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


কুসিক এলাকায় ২০টি খেলার মাঠ তৈরি করছেন ইউসুফ মোল্লা টিপু

কুমিল্লা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) এলাকায় ২০টি খেলার মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু এ তথ্য জানিয়েছেন, যা নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক সম্পর্কে সচেতন থাকার পাশাপাশি এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ১২তম বিএফএফ-সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ইউসুফ মোল্লা টিপু উল্লেখ করেন, "তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে পুরো বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। তবে প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহারের পাশাপাশি এর নেতিবাচক দিক সম্পর্কেও নতুন প্রজন্মকে সচেতন থাকতে হবে।" শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির সুফল কাজে লাগানোর পাশাপাশি সতর্কতার সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা তিনি তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এর অংশ হিসেবে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে ২০টি খেলার মাঠ নির্মাণ করা হচ্ছে, যা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার ভিত্তিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এবং কুমিল্লা মডার্ণ হাইস্কুল রানারআপ হয়েছে। প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয়েছেন চ্যাম্পিয়ন দলের দলনেতা ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাজরিদা মোশাররাত।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান, ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম এবং আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মীর শাহ আলম, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, সহ-সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসাইন আকাইদ, অর্থ সম্পাদক শাহ আলম শফি, দপ্তর সম্পাদক ওমর ফারুকী তাপসসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সমকালের কুমিল্লা প্রতিনিধি মো. কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এবারের প্রতিযোগিতায় কুমিল্লার আটটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছে।

দুটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির আবদুর রহমান আস সাদী, মো. এনায়েত হোসেন, আবিদুর রহমান সাগর, নাজমুল হাসান ফাহিম, ফারহা খানম, আবছার উদ্দিন ইফতি, আসিফ ফেরদৌস জিদনী, ফাহিমা সুলতানা রাতুয়া ও ইসরাত জাহান ইতি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাল সিগন্যাল উপেক্ষা করে গতি বাড়িয়েছিলেন চালক, যুক্তরাজ্যে ট্রেন দুর্ঘটনার তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


লাল সিগন্যাল উপেক্ষা করে গতি বাড়িয়েছিলেন চালক, যুক্তরাজ্যে ট্রেন দুর্ঘটনার তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার পেছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ট্রেনের চালক লাল সিগন্যাল (Red Signal) দেখে সতর্কবার্তার প্রতি মনোযোগ না দিয়ে উল্টো গতি বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি যুক্তরাজ্য ট্রেন দুর্ঘটনা তদন্ত শাখার (RAIB) প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

১৯ জুন তারিখে লন্ডনের উত্তরে বেডফোর্ডশায়ারের এলস্টো (Elstow) এলাকায় ইস্ট মিডল্যান্ডস রেলওয়ের (EMR) দুটি যাত্রীবাহী ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এই দুর্ঘটনায় করবি (Corby) থেকে লন্ডন সেন্ট প্যানক্রাসগামী ট্রেনের চালক শন বার্টন (৬০) নিহত হন এবং ১০২ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সংঘর্ষের ফলে উভয় ট্রেনের একাধিক বগি লাইনচ্যুত হয়। ঘটনার সময় দুটি ট্রেনে প্রায় ২৫৭ জন যাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চালক শন বার্টন সংকেত পাওয়ার পরও ট্রেনের গতি কমাননি, বরং ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৬ মাইল (প্রায় ১২২ কিমি) পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। অপর থেমে থাকা ট্রেনটির মাত্র ২০০ মিটার দূরত্বে পৌঁছানোর পর (যা সংঘর্ষের মাত্র ১০ সেকেন্ড আগে) তিনি জরুরি ব্রেক চাপেন। কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে যায় এবং ঘণ্টায় ৭৫ মাইল গতিতে অন্য ট্রেনটির পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে।

প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে, সামনের নটিংহাম থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি কারিগরি ত্রুটির (অটোমেটিক ওয়ার্নিং সিস্টেম বা AWS) কারণে লাইনে হঠাৎ থেমে গিয়েছিল। এর ফলে পেছনের সিগন্যালটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল হয়ে যায়।

কেন অভিজ্ঞ এই চালক লাল সংকেত দেখার পরও ট্রেনের গতি বাড়ালেন এবং ট্রেনের অটোমেটিক ব্রেকিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করছিল কি না—এগুলো গভীরভাবে অনুসন্ধান করছে তদন্তকারী দল RAIB। সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার পুলিশ ইউনিটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার পুলিশ ইউনিটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে বিশেষায়িত এবং স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। সাইবার অপরাধ দমন, ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার রাজধানীর পুলিশ সদর দপ্তরের হল অব ইন্টেগ্রিটিতে ইউনিটটির উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

পুলিশ সদর দপ্তরের হল অব প্রাইডে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অপরাধের ধরন পরিবর্তনের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে আধুনিক প্রযুক্তি ও মেধানির্ভর পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যেই সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন ইউনিটটি একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত আইজিপি মো. ইকবাল হোসেনকে ইউনিটটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বিভাগীয় পর্যায়ে ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি এবং জেলা পর্যায়ে পুলিশ সুপার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সাইবার পুলিশিংয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। থানায় সাইবারকেন্দ্রিক সেবা ও তদন্তের জন্য পৃথক এসআই, এএসআই ও কনস্টেবল পদায়ন করা হবে।

অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী, সাইবার পুলিশ ইউনিটে মোট ৪ হাজার ৫৯২ জন জনবল থাকবে। বিদ্যমান পুলিশ বাহিনীর অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত সদস্যদের পাশাপাশি নতুন নিয়োগের মাধ্যমে এ জনবল পূরণ করা হবে।

ইউনিটটিতে প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে চুক্তিভিত্তিক বিশেষজ্ঞ নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সিস্টেম অ্যানালিস্ট, ফাইন্যান্সিয়াল ডেটা অ্যানালিস্ট, সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট, নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর, ডার্ক ওয়েব অ্যানালিস্ট, ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট, ম্যালওয়্যার অ্যানালিস্ট ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যানালিস্টসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া হবে।

এ ছাড়া, ইমার্জেন্সি রেসপন্স কনসালটেন্ট ও ডিজাস্টার রিকভারি এক্সপার্টসহ বিভিন্ন কারিগরি পদে দক্ষ জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব বিশেষজ্ঞের জন্য পৃথক বেতন কাঠামো এবং কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি উল্লেখ করেন, নিয়মিত পুলিশ বাহিনীর আইটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সাইবার পুলিশ ইউনিটে পদায়ন করা হবে। ইউনিটের সিনিয়র কর্মকর্তাদের দেশে ও বিদেশে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সাইবার অপরাধ তদন্তে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য ইউনিটের অধীনে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সাইবার সরঞ্জামসমৃদ্ধ ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হচ্ছে। মানি লন্ডারিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক অপরাধ, গুজব, আর্থিক অপরাধ, মাদক ও উগ্রবাদসহ বিভিন্ন অপরাধ তদন্তে এ ল্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানানো হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত সাইবার তদন্তে যে সমন্বয়হীনতা ছিল, নতুন ইউনিটের মাধ্যমে তা দূর করা হবে। এখন থেকে একক ও সুসংগঠিত কাঠামোর অধীনে সাইবার অপরাধসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিশেষায়িত এ ইউনিটের কার্যক্রমের মাধ্যমে সাইবার স্পেসের অপব্যবহার এবং বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনে পুলিশের সক্ষমতা আরও বাড়বে। প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিল্প ও অর্থনীতির স্থায়িত্বে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই: শিল্পমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


শিল্প ও অর্থনীতির স্থায়িত্বে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই: শিল্পমন্ত্রী

ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে যে গভীর সংযুক্তি তৈরি করেছে, তা থেকে হঠাৎ করে বেরিয়ে আসা সম্ভব নয়। এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের শিল্প ও অর্থনীতির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই।

জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) এবং দৈনিক যুগান্তর যৌথভাবে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি : চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে শিল্পসচিব আব্দুন নাসের খান, এফবিসিসিআই’র প্রশাসক ফজলুল হক, দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক নাজনিন আহমেদ, এনপিও'র মহাপরিচালক মোহা. নায়েব আলী, এসএমই ফাউন্ডেশনের পরিচালক খালিদ মাহমুদ খান, ট্যুরিজম রিসার্চ ডেভেলপমেন্টের পরিচালক আবু সুফিয়ান বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভায় প্রশাসনের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় শিল্পমন্ত্রী প্রযুক্তি ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে ওভারল্যাপিং বা একই ধরনের কার্যক্রমের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করা উচিত। এ জন্য এডিপির আওতায় নতুন প্রকল্প গ্রহণের পূর্বে বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমের ওভারল্যাপিং রয়েছে কি না, তা প্রযুক্তিনির্ভরভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, এনএসডি মূলত একটি রেগুলেটরি বিষয়, আর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি একটি নীতিগত বিষয়। এই দুটি বিষয়কে একইভাবে দেখা যাবে না। যদি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে একই ধরনের কার্যক্রম থাকে, তাহলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেন, এডিপির নতুন প্রকল্প প্রস্তাবগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই করা যেতে পারে। নতুন প্রকল্প প্রস্তাব পাওয়ার পর সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে একই উদ্দেশ্যে অন্য কোনো মন্ত্রণালয় বা সংস্থার প্রকল্প চলমান আছে কি না, তা শনাক্ত করা সম্ভব হলে সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং অপচয় কমবে।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রকল্পে ডুপ্লিকেশন বা ওভারল্যাপিং কমানো গেলে এডিপির বাস্তবায়নে যে ধরনের অদক্ষতা তৈরি হয়, তার একটি বড় অংশ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

বিশ্ববাজারের বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিষয়টি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং প্রতিটি দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোনো পণ্য প্রতিযোগিতামূলকভাবে উৎপাদন করা না যায়, তাহলে আন্তর্জাতিক বাজারে অন্য দেশ সেই বাজার দখল করবে। তাই কৃত্রিমভাবে বাজার সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশীয় শিল্পকে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

মুক্তাদির বলেন, উৎপাদনশীলতা কেবল শিল্পকারখানার উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয় নয়, বরং এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত করতে হবে। কম শ্রম ও কম সম্পদ ব্যবহার করে অধিক ও উন্নতমানের উৎপাদন নিশ্চিত করাই উৎপাদনশীলতার মূল লক্ষ্য। আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতির ব্যবহার মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও উৎপাদনশীলতা বাড়িয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত প্রমাণ করেছে যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সীমিত থাকলেও প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের সক্ষমতা থাকলে সাধারণ শ্রমিকরাও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারেন। তাই আমাদের মূল ঘাটতি শুধু দক্ষতার নয়; নেতৃত্ব, সঠিক পরিকল্পনা এবং দৃঢ় সংকল্পের ঘাটতিও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পথে বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি আরও বলেন, দেশের শিল্প ও অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, দক্ষ মানবসম্পদ এবং জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%