ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জেলা পরিষদের প্রশাসক জাভেদ মাসুদ মিল্টনের মেহেরপুর জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় পরিদর্শন


জেলা পরিষদের প্রশাসক জাভেদ মাসুদ মিল্টনের মেহেরপুর জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় পরিদর্শন

মেহেরপুর, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ : জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন আকস্মিকভাবে জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে পরিদর্শন করেছেন। তার সঙ্গে ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান।

দলিল নিবন্ধনে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, দালালদের দৌরাত্ম্য, সেবা নিতে হয়রানি এবং ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তারা এই পরিদর্শনটি করেন।

এ সময় নেতারা জানান, যদি কোনো দলীয় ব্যক্তি সরকারি দপ্তর থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেন, তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: বালিয়াকান্দিতে আদালতে বিচারাধীন জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, থানায় লিখিত আবেদন

আজ মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে তারা মেহেরপুর জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে গিয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন।

নেতারা সতর্ক করেন যে, দলিল নিবন্ধনে নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না, সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা উচিত নয় এবং কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী যেন উৎকোচ গ্রহণ না করেন।

পরিদর্শন শেষে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান বলেন, রেজিস্ট্রি অফিস নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়া এবং সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ শোনা যায়।

আরও পড়ুন: শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা

তবে খোঁজ নিয়ে তারা মেহেরপুর রেজিস্ট্রি অফিসে এ ধরনের ঘটনার কোনো প্রমাণ পাননি বলে জানান। তবুও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে তারা কার্যালয়টি পরিদর্শন করেছেন।

এ সময় জেলা রেজিস্ট্রার সালাহউদ্দিন আহম্মেদ, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক লিটন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এহান উদ্দিন মনা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আজমল হোসেন মিন্টু এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুলসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঠালিয়ায় পরিবেশ আইন অমান্য করায় ‘এম বি এফ মনিরা ব্রিক ফিল্ডে’ অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​কাঠালিয়া সংবাদদাতা

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


কাঠালিয়ায় পরিবেশ আইন অমান্য করায় ‘এম বি এফ মনিরা ব্রিক ফিল্ডে’ অভিযান

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় পরিবেশ আইন অমান্য করে অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করার অপরাধে ‘এম বি এফ মনিরা ব্রিক ফিল্ড’ নামক একটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়েছে যৌথ প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর।
অভিযানকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কাঠালিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমি রানী বল।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর ঝালকাঠি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আনজুমান নেছা এবং বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সোহেল মাহমুদ। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশগত ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ইটভাটাটি তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। আবাসিক এলাকা ও ফসলি জমির সন্নিকটে ইটভাটাটি চলায় কৃষিজমির উর্বর মাটি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশ ও বায়ু মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছিল। এমন পরিস্থিতিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই অভিযান চালায় প্রশাসন।
অভিযান চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত ইটভাটাটির অবৈধ কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেয় এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও ইট প্রস্তুত আইন ভঙ্গের দায়ে সংশ্লিষ্ট ইটভাটা কর্তৃপক্ষকে নগদ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আইনানুগ শাস্তির আওতায় আনে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, পরিবেশ রক্ষা ও ফসলি জমি সুরক্ষায় কাঠালিয়া উপজেলাসহ ঝালকাঠি জেলার যেকোনো স্থানে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের কঠোর তদারকি ও অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪৫তম বিসিএসের ২৭ সহকারী কর কমিশনারের পদায়ন সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৫ পি.এম


৪৫তম বিসিএসের ২৭ সহকারী কর কমিশনারের পদায়ন সম্পন্ন

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক ৪৫তম বিসিএস (কর) ক্যাডারের ২৭ জন সহকারী কর কমিশনারকে বিভিন্ন কর অঞ্চলে পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জনকে ঢাকার বিভিন্ন কর অঞ্চলে, একজনকে দিনাজপুর কর অঞ্চলে এবং একজনকে এনবিআরের উৎসে কর ব্যবস্থাপনা ইউনিটে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) এনবিআরের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১৪ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে ৪৫তম বিসিএস (কর) ক্যাডারের সহকারী কর কমিশনারদের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের ২ নভেম্বরের স্মারকের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে ন্যস্ত করা হয়। পরে এনবিআরের ৩ নভেম্বরের অফিস আদেশে তাদের বিভিন্ন কর অঞ্চলে পদায়ন করা হয়। পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই পদায়ন কার্যকর থাকবে।

পদায়ন অনুযায়ী, তানজিলা তানজিমাকে কর অঞ্চল-১, নেজামুল ইসলামকে কর অঞ্চল-২, মো. শিহাব উদ্দীন সরদারকে কর অঞ্চল-৩, রামিসা জাহান উম্মীকে কর অঞ্চল-৪, তরিকুল ইসলাম মনিরকে কর অঞ্চল-৫ এবং মো. ইকবাল মিয়াকে কর অঞ্চল-৬-এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সাদিয়া আফরিন সুরভীকে কর অঞ্চল-৭, শওকত ওসমানকে কর অঞ্চল-৮, যুবায়ের আল মাহমুদকে কর অঞ্চল-৯, মো. শরিফ মিয়াকে কর অঞ্চল-১০, নীলাদ্রি নিলয় দাশকে কর অঞ্চল-১১ এবং মো. আশিকুর রহমানকে কর অঞ্চল-১২-তে পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া মো. মিজানুর রহমানকে কর অঞ্চল-১৩, শারমিন আক্তার শোভাকে কর অঞ্চল-১৪, মিথুন মিস্ত্রীকে কর অঞ্চল-১৫, মো. সাদেকুল ইসলামকে কর অঞ্চল-১৬, ভাস্কর রায়কে কর অঞ্চল-১৭ এবং মো. কামরুল হাসানকে কর অঞ্চল-১৮-তে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, আশরাফুজ্জামানকে কর অঞ্চল-১৯, মো. হুমায়ুন কবিরকে কর অঞ্চল-২০, আশিকুর রহমান তুষারকে কর অঞ্চল-২১, মো. জাহেদ হোসেনকে কর অঞ্চল-২২, প্রান্তিক রায়কে কর অঞ্চল-২৩, মো. তানজিদ হোসেনকে কর অঞ্চল-২৪ এবং মো. ফয়সাল হাসানকে কর অঞ্চল-২৫-এ পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া অনন্যা বসাককে কর অঞ্চল-দিনাজপুরে এবং ইমতিয়াজ আলমকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উৎসে কর ব্যবস্থাপনা ইউনিটে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাইয়ে ওয়াসিম হত্যা মামলার আসামি এখন চট্টগ্রাম এনসিপির শীর্ষ নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৫ পি.এম


জুলাইয়ে ওয়াসিম হত্যা মামলার আসামি এখন চট্টগ্রাম এনসিপির শীর্ষ নেতা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ হওয়া ছাত্রদল নেতা মো. ওয়াসিম আকরাম হত্যা মামলার এক আসামি বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার নাম জিয়া রনি। পুলিশি নথিতে তাকে একেএম জিয়াউদ্দিন নামেও উল্লেখ করা হয়েছে। একাধিক নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দুই নামে একই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

পুলিশের নথি অনুযায়ী, ওয়াসিম হত্যা মামলায় ২০২৫ সালের ২৩ জুন একেএম জিয়াউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। চলতি বছরের ১৪ মে ঘোষিত এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটিতে তাকে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দলটির প্রকাশিত কমিটির তালিকাতেও জিয়া রনির নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

২০২৬ সালের ৪ আগস্ট চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির রিকশা শোভাযাত্রায় একেএম জিয়াউদ্দিন (ডান থেকে দ্বিতীয়)। ছবি : সংগৃহীত

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রামের মুরাদপুর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরাম। ওই দিন বারকোড রেস্টুরেন্টের সামনে আন্দোলন চলাকালে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ওয়াসিম হত্যার ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট তার মা মোসাম্মৎ জোসনা আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ১৮।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৪ জুন এজাহারভুক্ত আসামিসহ চারজনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করে পুলিশ। তাদের মধ্যে ছিলেন আশরাফ চৌধুরী মুন্না, আরিফ শওকত, সজিব হাসাম ও একেএম জিয়াউদ্দিন (৪৪)। প্রথম তিনজনের নাম এজাহারে থাকলেও জিয়াউদ্দিনের নাম ছিল না। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশের চালান নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

পুলিশের প্রতিবেদনে জিয়াউদ্দিনকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক ২৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুস সবুর লিটনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

পরদিন, ২৬ জুন জিয়াউদ্দিনকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। রিমান্ড আবেদনে তার বিস্তারিত পরিচয় উল্লেখ করা হয়। সেখানে বলা হয়, তিনি চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার ফরিদারপাড়া এলাকার নজু মিয়া মহলের আবুল কালাম সামশুদ্দিনের ছেলে।

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে একেএম জিয়াউদ্দিন। বাঁ থেকে চতুর্থ। ছবি : সংগৃহীত

মামলার নথিতে ওয়াসিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই মুরাদপুরের বারকোড রেস্টুরেন্টের সামনে ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলছিল। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে এবং সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় আসামিরা সশস্ত্র হামলা চালান। তারা গুলিবর্ষণ ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটান। একপর্যায়ে আসামিদের ছোড়া গুলি ওয়াসিমের পেটে লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তবে এই হত্যাকাণ্ডে জিয়াউদ্দিনের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী ছিল, তা তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য থেকে জানা যায়নি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাঁচলাইশ থানার উপপরিদর্শক নুরুজ্জামানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘তদন্তাধীন বিষয়ে কথা বলতে চাই না।’

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ জুলাই ফৌজদারি বিবিধ (মিস) মামলা নম্বর ৪৫২৫/২৫-এর আদেশে জিয়াউদ্দিন জামিন পান। পুলিশ রিপোর্ট জমা দেওয়া পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করা হয়। বর্তমানে তিনি ওই মামলায় নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছেন।

মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিদের মধ্যে কারা জামিনে আছেন, জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা নুরুজ্জামান বলেন, ‘এই মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের কারা জামিনে আছেন, এ বিষয়ে আমার কাছে তথ্য নেই। জামিনের কাগজ আমাদের কাছে আসে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৎস্যজীবীদের পদচারণায় মুখরিত সুন্দরবনের দুবলার জেলে পল্লী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


মৎস্যজীবীদের পদচারণায় মুখরিত সুন্দরবনের দুবলার জেলে পল্লী

মুহাম্মদ নূরুজ্জামান

খুলনা, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ : সুন্দরবনের দুবলারচরে শুঁটকি মৌসুমের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব কাটার পর জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে নেমে পড়েছেন। মৌসুমের প্রথম চার দিনে সাগরে প্রচুর মাছ পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে। বর্তমানে দুবলার আলোরকোলসহ অন্যান্য তিনটি চর জেলে মৎস্যজীবীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে।

বনবিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পূর্ব সুন্দরবনের আলোরকোল, মাঝেরকেল্লা, নারিকেলবাড়িয়া ও শেলারচরের ৮১ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে দুবলা জেলে পল্লী অবস্থিত। দেশের মোট ৮০ শতাংশ শুঁটকি মাছ আহরণ করা হয় দুবলারচর থেকে। সাগর থেকে লইট্টা, ছুরি, চিংড়ি, রুপচাঁদা ও পোয়া সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে শুঁটকিকরণের উদ্দেশ্যে দুবলার চারটি চরে ১০ হাজার জেলে সমবেত হয়েছেন।

অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত পাঁচ মাস ধরে জেলেরা দুবলারচরে অবস্থান করে সাগরে মাছ ধরার কাজ করেন। শুঁটকি আহরণ মৌসুমে এবার জেলে-বহরদারদের জন্য ১ হাজার ১৮টি অস্থায়ী ঘর, ৬৭টি ডিপো এবং বিভিন্ন নিত্যপণ্যের জন্য ১১৬টি দোকান ঘর নির্মাণের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে।

দুবলার আলোরকোল থেকে মোবাইল ফোনে দুবলা ফিসারমেন গ্রুপের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ বাসসকে জানান, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব মাথায় নিয়ে এবারের শুঁটকি মৌসুম শুরু হয়েছে। সাগরের আবহাওয়া ভালো থাকায় গত চারদিনে জেলেরা প্রচুর মাছ পেয়েছেন। এ বছর ১০ হাজার জেলে দুবলারচর অঞ্চলে এসেছেন।

আলোরকোলের রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি মোতাসিম ফরাজী মোবাইল ফোনে বলেন, মৌসুমের প্রথম দিনেই আলোরকোলে এসে জেলেদের কেউ তাদের থাকার জন্য অস্থায়ী ঘর তৈরিতে ব্যস্ত এবং কেউ সাগরে মাছ ধরতে নেমে পড়েছেন। গত চারদিনে সাগরে জেলেরা প্রচুর মাছ পেয়ে খুশী হয়েছেন।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্ট রেঞ্জার মো. খলিলুর রহমান বাসসকে জানান, সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কাটিয়ে জেলেরা গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) থেকে মাছ ধরতে নেমে পড়েছেন। তারা মোটেই সময় নষ্ট করতে চাননা। গত ৪ দিনে ধরা মাছ শুঁটকি করার জন্য তাদের বানানো মাচায় বিছিয়ে দিয়েছেন, কেউ মাটিতে ত্রিপলের উপর মেলে দিয়েছেন।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী বাসসকে বলেন, দুবলার শুঁটকি পল্লীতে অস্থায়ী ঘর নির্মাণে জেলেদের প্রয়োজনীয় দেশীয় সরঞ্জাম সঙ্গে নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তাদের আবাসস্থল নির্মাণে সুন্দরবনের কোন গাছপালা ব্যবহার করতে পারবেনা।

তিনি জানান, এ বছর জেলেদের থাকার জন্য ১ হাজার ১৮টি অস্থায়ী ঘর, ৬৭টি ডিপো এবং বিভিন্ন নিত্যপণ্যের ১১৬টি দোকান ঘর তৈরির অনুমতি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আলোরকোলে ১শ’ ১০টি, মাঝেরকেল্লায় ২টি, নারিকেলবাড়ীয়ায় ২টি এবং শেলারচরে ২টি দোকান বসবে।

তিনি আরও জানান, এ বছর দুবলারচর থেকে ৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে দুবলারচর থেকে ৭ কোটি ৩৭ লাখ ২২ হাজার ৪৯৩ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছিলো।

মাছ শিকারের আড়ালে কেউ যাতে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণি শিকারসহ কোনো গাছপালা কাটতে না পারে সে জন্য বনরক্ষীরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন বলেও উল্লেখ করেন এ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%