০৬:১৩ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁয়ে মাদকের জন্য টাকা না পেয়ে মহাতাব সরকার (৬২) নামে একজন রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার নিজের মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে সুমন পলাতক অবস্থায় রয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) ভোরে নওগাঁ শহরের বনানীপাড়ায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত মহাতাব সরকার পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন।
পুলিশ এবং নিহতের পরিবার জানাচ্ছে, ঘাতক সুমন কয়েক বছর ধরে মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এই বিষয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সাথে প্রায়ই ঝগড়া হত। রোববার (৫ জুলাই) রাতে সুমন বাবার কাছে ৫ হাজার টাকা চায়।
বাবা টাকা দিতে অস্বীকার করলে বাবা-ছেলে মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে সুমন হাতের কাছে থাকা একটি কাঠ দিয়ে বাবার মাথায় আঘাত করে। এতে মহাতাব সরকার মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সুমন ইট দিয়ে পুনরায় আঘাত করে এবং তার মৃত্যু নিশ্চিত করে।
খবর পেয়ে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছে, সম্প্রতি ওই মহল্লায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঘটেছে। এতে এলাকার উঠতি বয়স্ক অনেকেই মাদক সেবনে জড়িয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানাচ্ছেন, ‘ঘটনার পর নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকেই ঘাতক সুমন পলাতক রয়েছে। তাকে আটক করতে চেষ্টা চলছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল এলাকায় তিতাস নদীর একটি অংশে বালু ফেলে ভরাট করার অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর অংশ থেকে বালু সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তবে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তা কার্যকর হয়নি।
ভরাট করা স্থানটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পাশে হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতে বালু ফেলে রাখার কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ এবং নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এটাও উল্লেখযোগ্য যে নদীর তীর ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা নদী থেকে দ্রুত বালু অপসারণের দাবি জানাচ্ছেন।
সোমবার (৬ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সরাইল-অরুয়াইল সড়কের অরুয়াইল সেতুর পাশে দুটি স্থানে নদীর ভেতরে বালু ফেলে রাখা হয়েছে। প্রতিটি স্থানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফুটজুড়ে বালুর স্তূপ গড়ে উঠেছে, যা নদীর প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানিয়েছেন, আকবর আলী নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বালু এনে মজুত ও বিক্রি করছেন। প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ধীরে ধীরে নদীর ভেতরের অংশেও বালু ফেলা হয়েছে।
পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর অংশ চিহ্নিত করে লাল নিশান টানানো হয়েছে এবং বালু সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে আকবর আলী বলেন, তিনি জায়গাটি ভাড়া নিয়ে মালিকানার সীমানার মধ্যে বালু রেখেছেন। তবে প্রশাসনের দেওয়া অনুযায়ী, যদি কোনো বালু নদীর অংশে পড়ে থাকে, তাহলে তা সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি প্রস্তুত। তিনি আরও বলেছেন, নদীর বিভিন্ন অংশ আগেই দখল হয়ে গেছে, সেক্ষেত্রে তিনি দখল করেননি।
ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কুমুদ লাল দেবনাথ জানিয়েছেন, 'বিষয়টি জানার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নদীর অংশে লাল নিশান টানিয়ে বালু সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও তা বাস্তবায়ন হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনা সদর উপজেলার ফুল ঢলুয়া গ্রামে একটি ইজিবাইকে চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রী বেলাল হোসেন (৩৬) ও কমলা বেগম (৩২) মৃত্যুবরণ করেছেন।
বেলাল পেশায় ছিলেন একজন ইজিবাইক চালক। তাদের ৩টি সন্তান রয়েছে।
বেলাল হোসেন রোববার (৬ জুলাই) রাতে নিজের বাড়িতে ইজিবাইকের ব্যাটারিতে চার্জ দিতে বসেছিলেন। সোমবার (৭ জুলাই) সকালে যখন তিনি চার্জারটি খুলতে যান, তখন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছটফট করতে শুরু করেন। এই অবস্থায় তাকে বাঁচাতে এসে স্ত্রী কমলা বেগমও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তাদের উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।
বেলালের বড় মেয়ে আরিফা (১৪) জানায়, পুরো ইজিবাইকটিতে বিদ্যুৎ ছড়িয়ে পড়েছিল। বাবা-মাকে বাঁচাতে গিয়ে সেও আহত হয়েছে। বর্তমানে আরিফা বরগুনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। মরদেহদুটি বরগুনা হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার নগর কসবা এলাকায়, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রদর্শন ও সংরক্ষণ করার অভিযোগে, দুইটি ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মুন্সীগঞ্জ জেলা কার্যালয় এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে, জনসেবা ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির জন্য প্রদর্শন ও সংরক্ষণ করার সময় দেখা যায়। এ অপরাধের কারণে, প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. সাইদুর নুর কামালকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
একই অভিযানে, তিন্নি ড্রাগ হাউজে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির জন্য প্রদর্শন ও সংরক্ষণ করার প্রমাণ পাওয়ায়, প্রতিষ্ঠানটির মালিক তপন রায়কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মুন্সীগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ। এ সময় জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. জামাল উদ্দিন মোল্লা এবং ব্যাটালিয়ন আনসার, মুন্সীগঞ্জের একটি দল অভিযানে সহযোগিতা করে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা, এবং বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ