০৬:১৮ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল এলাকায় তিতাস নদীর একটি অংশে বালু ফেলে ভরাট করার অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর অংশ থেকে বালু সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তবে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তা কার্যকর হয়নি।
ভরাট করা স্থানটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পাশে হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতে বালু ফেলে রাখার কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ এবং নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এটাও উল্লেখযোগ্য যে নদীর তীর ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা নদী থেকে দ্রুত বালু অপসারণের দাবি জানাচ্ছেন।
সোমবার (৬ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সরাইল-অরুয়াইল সড়কের অরুয়াইল সেতুর পাশে দুটি স্থানে নদীর ভেতরে বালু ফেলে রাখা হয়েছে। প্রতিটি স্থানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফুটজুড়ে বালুর স্তূপ গড়ে উঠেছে, যা নদীর প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানিয়েছেন, আকবর আলী নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বালু এনে মজুত ও বিক্রি করছেন। প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ধীরে ধীরে নদীর ভেতরের অংশেও বালু ফেলা হয়েছে।
পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর অংশ চিহ্নিত করে লাল নিশান টানানো হয়েছে এবং বালু সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে আকবর আলী বলেন, তিনি জায়গাটি ভাড়া নিয়ে মালিকানার সীমানার মধ্যে বালু রেখেছেন। তবে প্রশাসনের দেওয়া অনুযায়ী, যদি কোনো বালু নদীর অংশে পড়ে থাকে, তাহলে তা সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি প্রস্তুত। তিনি আরও বলেছেন, নদীর বিভিন্ন অংশ আগেই দখল হয়ে গেছে, সেক্ষেত্রে তিনি দখল করেননি।
ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কুমুদ লাল দেবনাথ জানিয়েছেন, 'বিষয়টি জানার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নদীর অংশে লাল নিশান টানিয়ে বালু সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও তা বাস্তবায়ন হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন