মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৪ পি.এম
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপির ৪৮ বছরের ইতিহাস হল স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের ধ্বংসস্তূপের ওপর গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠার মহাকাব্য।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "জনকল্যাণই বিএনপির লক্ষ্য। জনগণই বিএনপির ক্ষমতার উৎস।" দেশি ও বিদেশি অশুভ শক্তি বারবার বিএনপিকে ধ্বংস করার চেষ্টা করলেও, জনগণের সমর্থন ও ভালোবাসার কারণে বিএনপি আজ একটি অবিনাশী শক্তিতে পরিণত হয়েছে। শহীদ জিয়ার আদর্শ, বেগম খালেদা জিয়ার অনুপ্রেরণা এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি বর্তমানে দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তির অপ্রতিরোধ্য ও অজেয় শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে প্রিন্স এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভায় তিনি আরও বলেন, বিএনপির রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে জনগণ। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই বিএনপির রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল অনুমোদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রিন্স বলেন, "শুধু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নয়, সাধারণ জনগণের আয়-রোজগার বৃদ্ধিতেও কাজ করছে সরকার।" জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন, মানুষের আয়-রোজগার বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক স্বস্তি নিশ্চিত করাই বিএনপি সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
তিনি সকলের প্রতি ধৈর্য্য এবং সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদ অর্থনীতি, প্রশাসন, রাজনীতি এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থা তছনছ করে ফেলেছে। ফ্যাসিবাদের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে তারেক রহমানকে সবকিছু পুনর্গঠন করতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈশ্বিক সঙ্কট এবং এই সেক্টরে আওয়ামী লীগের দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি সরকার কোনো অজুহাত দেখিয়ে সমস্যাগুলো আড়াল করতে চায় না এবং আপ্রাণ চেষ্টা করছে সমস্যা সমাধানে।
ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম কাজলের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মানিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মফিজ উদ্দিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল কাদের, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন খান লিটন, ফরহাদ রাব্বানী সুমন, আব্দুল কুদ্দুস, আব্দুল ওয়াহেদ তালুকদার, হুমায়ূন কবির, মাহবুবুল আলম বাবুল, আব্দুল মোমিন শাহিনসহ ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উপজেলা নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই প্রত্যাশার কথা সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, "নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেলেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও এ দেশের জনগণের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।" চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি তার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার কথাও জানান।
এছাড়া, বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, "বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না।" একইসঙ্গে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত মনোযোগের কথা তিনি সবসময় মনে রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী শামীম রেজা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছেন।
তিনি সৌদি আরবের Qassim University-তে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ফুল ফান্ডেড মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এই স্কলারশিপের আওতায় তিনি বৃত্তি ও মাসিক ভাতা লাভ করবেন। মেডিকেল ইন্স্যুরেন্স বাদে বিশ্ববিদ্যালয় অন্যান্য সব খরচ বহন করবে।
এছাড়া, সৌদি আরবের King Fahd University of Petroleum and Minerals (KFUPM)-এ Direct Ph.D in Material Science and Engineering-এর জন্যও তিনি ইন্টারভিউ দিয়েছেন। ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
শামীম রেজা তার এই পথচলা শুরুর বিষয়ে বলেন, “আমার একাডেমিক জীবনের চতুর্থ বছর থেকেই Renewable Energy ও Perovskite Solar Cell নিয়ে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত আছি।” তিনি আরও জানান, “পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের পাশাপাশি peer reviewer হিসেবেও কাজ করেছি।”
তিনি তার সাফল্যের জন্য কৃতিত্ব জানিয়ে বলেন, “আমার এই সফলতার পেছনে সবচেয়ে বেশি কার্যকর ছিল আমার মায়ের দোয়া। তবে সবচেয়ে বড় আফসোস, আজকের এই সুখবরটি আমি আমার মা’কে নিজ মুখে শুনাতে পারলাম না। মায়ের দোয়া সবসময় আমার পথচলার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল।” তিনি আরও বলেন, “সেইসঙ্গে আমার পরিবার, স্ত্রী, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের ভূমিকাও অপরিসীম।”
দীর্ঘ সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সফলতার কোনো শর্টকাট নেই। প্রায় দুই বছর ধরে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য চেষ্টা করে আসছি। জাপান, রোমানিয়া, আমেরিকা ও মালয়েশিয়াসহ অনেকগুলো সুযোগে প্রত্যাখ্যাত হয়েছি, কিন্তু কখনো হাল ছাড়িনি। আলহামদুলিল্লাহ, অবশেষে আমার পরিশ্রমের ফল পেয়েছি।”
তিনি বিশ্বাস করেন যে, সফলতার জন্য তাহাজ্জুদ, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করে সেই ক্ষেত্রে কঠোর পরিশ্রম এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “আমার জীবনে এই বিষয়গুলো আমাকে প্রতিকূলতার মধ্যেও এগিয়ে যেতে সাহস দিয়েছে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেয়ের পড়াশোনার খরচের জন্য শাড়ি পরে খালি পায়ে ম্যারাথনে অংশ নিয়ে তরুণদের পেছনে ফেলেছেন ৪৭ বছর বয়সী এক মা। এই ম্যারাথনটি ভারতের মহারাষ্ট্রের বিড জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় শিক্ষা প্রসারক সংস্থার খোলেশ্বর এডুকেশনাল কমপ্লেক্সের অমৃত মহোৎসব উপলক্ষে ‘অমৃত দৌড়’ নামে একটি ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়।
ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ চৌক থেকে শুরু হয়ে ভাগ্যনগর চৌকে গিয়ে শেষ হওয়া এই প্রতিযোগিতায় স্থানীয় অনেক তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করেন। আম্বাজোগাইয়ের বাসিন্দা রমাবাই রণবীরও ছিলেন তাদের মধ্যে, সাধারণ একটি শাড়ি ও পায়ে চপ্পল গলিয়ে প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়েছিলেন।
দৌড় শুরু হওয়ার পর কিছু দূর যেতেই বিপত্তি ঘটে, অসমান রাস্তায় তার চপ্পল দুটি বারবার খুলে যাচ্ছিল। গতি কমতে দেখে তিনি এক মুহূর্তও দেরি না করে চপ্পল দুটি হাতে তুলে নেন। এরপর পাথর আর রুক্ষ রাস্তায় খালি পায়ে শুরু করেন স্বপ্নের দৌড়।
পায়ের নিচে তীক্ষ্ণ পাথর এবং ব্যথার তোয়াক্কা না করে একের পর এক তরুণ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে রমাবাই প্রথম হয়ে ফিনিশিং লাইন স্পর্শ করেন।
৪৭ বছর বয়সী এই নারীর অদম্য দৌড় ও জয় দেখে উপস্থিত দর্শক ও আয়োজকরা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। খালি পায়ে জয়ী হয়ে তিনি পুরস্কার হিসেবে পাওয়া ৩ হাজার রুপি পুরোপুরি মেয়ের পড়াশোনার খরচে তুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রমাবাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন- মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রতিটি মুমিনের ঈমানি দায়িত্ব। নবীঁজী (সাঃ)-এর সম্মানেই মুমিনের মর্যাদা ও পরিচয়ের প্রকাশ ঘটে। শুধু মুখে নবীপ্রেমের কথা নয়, তাঁর সুন্নাহ ও আদর্শকে জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। সত্যবাদিতা, আমানতদারি, মানবিকতা, ক্ষমা ও উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে তাঁর আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। ব্যক্তি ও সমাজজীবনে নৈতিক অবক্ষয় দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নবীজির আদর্শের কোনো বিকল্প নেই। নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে নবীপ্রেম সৃষ্টি করতে হবে এবং ঘরে ঘরে তাঁর জীবন ও আদর্শের আলোচনা করতে হবে। বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠের পাশাপাশি সুন্নাহ অনুসরণকেই নবীপ্রেমের প্রকৃত বহিঃপ্রকাশ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। নবীঁজী (সাঃ)-কে ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ করা। নবীপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে তাঁর আদর্শ অনুযায়ী জীবন গড়াই হোক প্রতিটি মুমিনের অঙ্গীকার।
সোমবার, ৩১ আগষ্ট ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থাণাধীন খেজুববাগ সাতপাখি খানকায়ে ছালেহিয়া দ্বীনিয়া মাদ্রাসা কমপ্লেক্সে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে আয়েজিত ইছালে ছাওয়াব ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথির আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।
মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, ছারছীনা দারুচ্চুন্নাত জামেয়ায়ে নেছারীয়া দীনিয়ার নায়েবে মুদীর মাওলানা মোঃ মামুনুল হক, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ