বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:২৭ পি.এম
বিদেশে যাওয়া কর্মীদের দক্ষতা অর্জন করা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি উল্লেখ করেন, "যদি আমরা দক্ষ কর্মী পাঠাতে না পারি, তবে শুধু সংখ্যা বাড়িয়ে লাখ লাখ কর্মী পাঠিয়ে দেশের কোনো প্রকৃত লাভ হবে না।"
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে প্রবাসী কর্মীদের জন্য লাগেজ পরিবহনের ট্রলি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে তিনি বিদেশগামী যাত্রীদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের সুযোগ-সুবিধা, চাহিদা ও বিভিন্ন ভোগান্তির বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
মন্ত্রী বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রবাসী কর্মীদের সুবিধার্থে এখানে দ্রুত একটি ইমার্জেন্সি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা আবশ্যক। ইতোমধ্যে চিকিৎসা কেন্দ্রের স্থান নির্বাচনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকার প্রবাসী কর্মীদের প্রয়োজনীয় যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদানে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
বিমানবন্দরে প্রবাসীদের যাতায়াত ও অবস্থানগত সুবিধার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, "অনেক সময় সময়সূচি বিপর্যয় বা ফ্লাইট বিলম্বের কারণে প্রবাসী যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।" বিমানবন্দর শহর থেকে দূরে অবস্থিত হওয়ায় তাঁদের থাকা-খাওয়া নিয়ে সমস্যা আরও বাড়ে। এ সমস্যা দূর করতে বিমানবন্দরের পাশে রেস্টহাউস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে যাত্রীরা যেকোনো পরিস্থিতিতে সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করতে পারেন।
পরবর্তীতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকার গঠনের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মতো প্রতিকূল পরিস্থিতির পরও বিগত ৭ মাসে প্রায় ৪.৩৪ লাখ কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সামনের দিনগুলোতে শ্রমবাজারে আরও ভালো ফলাফল দেখতে পাওয়া যাবে।
অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের আইনি সহায়তা জোরদার করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। মন্ত্রী প্রস্তাবটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেন এবং প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদারসহ মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এবং বিমানবন্দর পরিচালনা কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেয়েদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি ছেলেদেরও ছোটবেলা থেকে শেখাতে হবে—‘না’ মানে না। অভিনেত্রী দিয়া মির্জা মনে করেন, ব্যক্তিগত সীমারেখা, সম্মতি, অন্যের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান এবং প্রত্যাখ্যান মেনে নেওয়ার শিক্ষা ছেলেদের জন্যও অত্যন্ত জরুরি।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ইনস্টাগ্রামে একটি বার্তায় ছেলেদের বড় করার বিষয়ে নিজের চিন্তাভাবনা তুলে ধরেন দিয়া। নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।
দিয়া প্রশ্ন করেন, মেয়েদের কিভাবে নিরাপদে থাকতে হবে, তা বারবার শেখানো হয়। কিন্তু ছেলেদের কী শেখানো হচ্ছে? তার মতে, শুধুমাত্র মেয়েদের সতর্ক করে দেওয়ার পরিবর্তে ছেলেদের এমনভাবে বড় করা প্রয়োজন, যাতে তারা অন্য কারো জন্য ক্ষতির কারণ না হয়।
নিজের ছেলে অভিয়ান আজাদ রেখিকে বড় করার ক্ষেত্রেও দিয়া এসব বিষয়কে গুরুত্ব দেন। তার কাছে যত্ন, সম্মান, সহমর্মিতা ও সদয় আচরণ শুধুমাত্র কথার বিষয় নয়; এগুলো শিশুর প্রতিদিনের শিক্ষার অংশ হওয়া উচিত।
অন্যের ব্যক্তিগত পরিসর ও সীমারেখাকে সম্মান করার বিষয়টিও দিয়ার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মনে করেন, কেউ অস্বস্তিতে পড়লে তার ইঙ্গিত বুঝতে শেখা এবং সেই অনুযায়ী নিজের আচরণ পরিবর্তন করাও ছেলেদের ছোটবেলা থেকেই শেখানো প্রয়োজন।
সম্মতির বিষয়টি নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন দিয়া। তার মতে, কেউ সরাসরি ‘না’ বলেনি মানেই সেখানে সম্মতি রয়েছে—এমন ধারণা সঠিক নয়। কোনো সম্পর্ক বা ঘনিষ্ঠতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বতঃস্ফূর্ত ও স্বচ্ছন্দ সম্মতি থাকা জরুরি।
প্রত্যাখ্যান মেনে নেওয়ার শিক্ষার ওপরও দিয়া জোর দিয়েছেন। কেউ কারো প্রতি আগ্রহ দেখাল না কিংবা কোনো প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেই সেটিকে অপমান হিসেবে নেওয়া উচিত নয়। অন্যের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া এবং তার ইচ্ছাকে সম্মান করাও পরিণত হওয়ার শিক্ষার অংশ বলে তিনি মনে করেন।
দিয়ার মতে, এসব মূল্যবোধ বড় হওয়ার পর শেখানোর চেয়ে ছোটবেলা থেকেই পরিবারের মধ্যে চর্চা করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শিশুরা পরিবার ও আশপাশের মানুষের আচরণ দেখেও শেখে। তাই সম্মান, সহমর্মিতা এবং অন্যের সীমারেখার প্রতি শ্রদ্ধাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তোলার ওপর তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।
২০২১ সালের ১৪ মে পুত্রসন্তানের মা হন দিয়া মির্জা। ছেলে অভিয়ান আজাদ রেখিকে বড় করার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েও সন্তানকে এসব মূল্যবোধ শেখানোর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন অভিনেত্রী।
নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে নানা আলোচনা ও উদ্বেগের মধ্যে দিয়ার এই বক্তব্য নতুন করে সামনে এসেছে। তার বার্তার মূল কথা, শুধু মেয়েদের নিরাপদ থাকার শিক্ষা নয়, ছেলেদেরও ছোটবেলা থেকেই অন্যের ইচ্ছা, সম্মতি ও ‘না’কে সম্মান করতে শেখানো প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার ডেঙ্গুর ভ্যাকসিনের বিষয় নিয়ে এখনো কোনো চিন্তা করছে না। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর, যেমন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, গাভি, অনুমোদন পেলে সরকার এই বিষয়ে বিবেচনা করবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে ৫ লাখ ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘চলতি বছর ডেঙ্গু মোকাবেলায় আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। সব জেলা সদর এবং উপজেলা হাসপাতালে পর্যাপ্ত কিট, তরল স্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। বর্তমানে কোনো সংকটের পরিস্থিতি নেই।’
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স তৃষিতা মাওলা উল্লেখ করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় সহযোগিতা করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর আদলে কোনো অভিযান চালানোর পরিকল্পনা সরকারের নেই। তিনি একইসাথে উল্লেখ করেছেন যে, সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নতুন কোনো যৌথ বাহিনী গঠনের পরিকল্পনাও নেই। তবে অপরাধ দমনে বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে চলমান যৌথ অভিযানকে আরও জোরদার করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নতুন সদর দপ্তরের ‘শুভারম্ভ ফলক’ উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অপরাধ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছিল, তার মধ্যে এই বক্তব্য এসেছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকার সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কোনো যৌথ বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা করছে না। একইভাবে ২০০২ সালে পরিচালিত ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো অভিযান পরিচালনার কথাও সরকার ভাবছে না। নতুন বাহিনী গঠনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি বলেও তিনি জানান।
তবে অপরাধ দমনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, দেশব্যাপী অপরাধ দমন, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলমান যৌথ অভিযানকে আরও জোরদার করা হবে।
এর আগে সরকার মাদক, জুয়া, অনলাইন জুয়া ও অবৈধ সিসা বারসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান চালানোর পরিকল্পনা প্রকাশ করেছিল। এই ধরনের অভিযানে পুলিশ, গোয়েন্দা ও অপরাধ তদন্ত-সংশ্লিষ্ট ইউনিটসহ বিভিন্ন সংস্থাকে কাজে লাগানো হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এ জন্য পুলিশ, আনসারসহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীকে তাদের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সমন্বিতভাবে আরও সক্রিয় ও তৎপর থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এদিকে, গত কয়েক দিনে রাজধানীতে অপরাধী চক্রের তৎপরতা এবং বিভিন্ন এলাকায় হামলার ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এসব ঘটনার পর ‘ক্লিন হার্ট’-এর আদলে বড় ধরনের অভিযান চালানোর সম্ভাবনা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত এমন কোনো অভিযানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন, "ডিসেম্বরে কোনো অপশক্তি এখানে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি না।"
তিনি বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁও বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নতুন সদর দপ্তরের "শুভারম্ভ ফলক" উন্মোচন অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
ডিসেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আ.লীগের অস্থিরতা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "আপনারা ডিসেম্বর ডিসেম্বর করছেন কেন? ডিসেম্বর তো আমাদের বিজয়ের মাস। ডিসেম্বরে কোনো অপশক্তি এখানে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি না।"
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আনসার-ভিডিপির দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি সদর দপ্তর স্থাপন করা হবে সুষ্ঠু, পরিকল্পিত জায়গায়, একটি প্রপার লোকেশনে। সেই স্বপ্ন আজকে আমাদের পূরণ হয়েছে। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৩ দশমিক ৪৫ একর অর্থাৎ প্রায় ১১ বিঘার মতো জায়গা বরাদ্দ পেয়েছি আনসারের সদর দপ্তর নির্মাণের জন্য। আমরা এখানে আনসারের সদর দপ্তর নিয়ে আসার জন্য একটি বড় পরিকল্পনা গ্রহণ করব। এত বড় আনসার-ভিডিপির মতো একটি ফোর্সের জন্য খিলগাঁওয়ে জায়গা সংকুলান হয় না।
মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের ব্যাটালিয়ন আনসারের সংখ্যা ২০ হাজারের মতো। অঙ্গীভূত আনসারের সংখ্যা হচ্ছে ৬০ হাজার। মোট ৮০ হাজারের এই ফোর্সের বাইরে রয়েছে ভিডিপি। ৩৫ হাজার দলনেতা ভিডিপির অধীনে আবার ৬০ লাখ প্রশিক্ষিত জনশক্তি রয়েছে ভিডিপির। সংখ্যার দিক থেকে রেগুলার এবং ইরেগুলার সব মিলিয়ে এটি সবচেয়ে বড় ফোর্স। আনসার ব্যাটালিয়নের অঙ্গীভূত সদস্যরা বাদে রেগুলার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সরকারি বিভিন্ন স্থাপনার এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধিদপ্তরের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করে। তবে তাদের আবাসন সংকট এখনও রয়ে গেছে। যারা সেন্ট্রালি এখানে ডিউটি করেন, তারা রাতের জন্য আবাসনের জায়গা ঠিকমতো খুঁজে পান না। এজন্য আমরা এখানে সেন্ট্রালি একটি ডরমেটরির ব্যবস্থা করব। তাদের আবাসনের জন্য ব্যারাক নির্মাণসহ সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করব।
আজকের দিনটি আনসার ব্যাটালিয়নের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। যাতে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা সুষ্ঠুভাবে রক্ষা করা যায়, উন্নতি করা যায় এবং আনসার ব্যাটালিয়নের ভূমিকা আরও সম্প্রসারিত করা যায়। আনসার ব্যাটালিয়নের ঐতিহাসিক কিছু অর্জন রয়েছে এবং আনসার ব্যাটালিয়নের সম্পর্কে গর্ব করার মতো অনেক জায়গা আছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই ব্যাটালিয়ন আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। রাষ্ট্রের শান্তি, শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য ভিডিপিসহ অন্যান্য অঙ্গীভূত আনসার কাজ করে, তারা তাদের দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করতে পারবে। তাদের আর্থিক সহযোগিতার জন্য সরকার সবসময় চেষ্টা করছে। তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া রয়েছে, এগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, যেটা ল এনফোর্সার্স, বিভিন্ন এজেন্সি আছে, তারা সবাই সমন্বিতভাবে একটি অপারেশন পরিচালনা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই জায়গায় আনসার ব্যাটালিয়নও থাকবে, পুলিশ, বিজিবি, এসআরবি সহ অন্যান্য ফোর্স থাকবে। সকলেই সমন্বিতভাবে কাজ করবে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদকের মতো হীন অপরাধ দমনের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সমন্বিত উদ্যোগ সবসময় রয়েছে, যা এখনও চলছে এবং সামনে আরও জোরদার করা হবে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে কারো কারো দায়িত্ব অবহেলা লক্ষ্য করা গেছে। এজন্য আমরা যেগুলো আমাদের সামনে আসছে, নজরে আসছে, তদন্তে আসছে, সেগুলোর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিং চলছে। ক্ষেত্রবিশেষে আমরা শুধু তাদের প্রত্যাহার করেই ক্ষান্ত হচ্ছি না, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ক্রিমিনাল অফেন্স হলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনায়ন করা হচ্ছে। এই বার্তা আমরা সব জায়গায় পৌঁছে দিয়েছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ