শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৩২ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের সদস্য ইলহান ওমরের ব্যক্তিগত জীবন এবং বিয়ের বিষয়ে পুরনো বিতর্ক আবার সামনে এসেছে।
২০০৯ সালে তার একটি বিয়ে নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের মূল বিষয় হলো, তিনি কি নিজের ভাই বলে সন্দেহ করা এক ব্যক্তিকে গ্রিন কার্ড পেতে সহায়তা করার জন্য ভুয়া বিয়ের আশ্রয় নিয়েছিলেন। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তাদের মতে, ২০১৬ সালের গ্রীষ্মে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনের অধীনে এফবিআই এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এই বিয়ের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছিল। তখন বিয়েতে জালিয়াতির কিছু প্রমাণও পাওয়া গিয়েছিল। তবে সম্ভাব্য অপরাধটি গুরুতর অপরাধের (ফেলনি) আওতায় পড়লেও, এর জন্য নির্ধারিত পাঁচ বছরের তামাদি মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় মামলাটি আর এগোয়নি।
মিনেসোটা থেকে নির্বাচিত ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে ভাইকে বিয়ে করে অভিবাসন সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আলোচনায় রয়েছে। গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একই অভিযোগ পুনরায় উত্থাপন করেছেন।
তবে ওমর এই অভিযোগকে ডানপন্থীদের ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বলে প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। তিনি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে প্রথমবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় কেন্দ্রীয় কর্মকর্তারা এই অভিযোগ খণ্ডন করেছিলেন।
বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসন আবারও বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। সোমালিয়ার যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতি থেকে শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর ইলহান ওমর এবং তার পরিবারের সদস্যদের অভিবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তৃত তদন্তের অংশ হিসেবে এই অনুসন্ধান চলছে।
উল্লেখ্য, ইলহান ও তার প্রথম স্বামী হিরসির মধ্যে ২০০২ সালে একটি ইসলামী ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ে হয়। তাদের দুটি সন্তান থাকার সময় ২০০৯ সালে তারা আলাদা হয়ে যান। একই বছর ইলহান ব্রিটিশ নাগরিক এলমিকে আইনগতভাবে বিয়ে করেন। ওই বিয়ে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বহাল ছিল। তবে এলমিকে বিয়ে করার উদ্দেশ্য নিয়ে বহু বছর ধরে বিতর্ক রয়েছে।
হিরসির এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানান, এলমি মিনেসোটায় আসার পর সোমালি সম্প্রদায়ের মধ্যে তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তার পোশাক-পরিচ্ছদ এবং চলাফেরা নিয়ে অনেকেই মন্তব্য করতেন।
নিজের পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, এলমির পোশাক দেখে তিনি হিরসির কাছে বিষয়টি জানতে চেয়েছিলেন। তখন হিরসি তাকে বলেছিলেন, এলমি তার স্ত্রীর ভাই এবং লন্ডন থেকে এসেছেন। এলমিকে সেখানে নিয়ে আসায় ইলহান পুরো সম্প্রদায়কে বিব্রত করেছেন বলেও দাবি করেন ওই বন্ধু।
ওই ব্যক্তির ভাষ্য অনুযায়ী, মিনিয়াপোলিসের সোমালি সম্প্রদায়ের অনেকে এলমির পরিচয় জানার চেষ্টা করেছিলেন। পরে তারা জানতে পারেন, এলমি নুর সাঈদ এলমির ছেলে এবং ইলহান ওমরের ভাই হিসেবে পরিচিত।
হিরসির ওই বন্ধু আরো দাবি করেন, এলমিকে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকার কাগজপত্র পেতে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে ইলহান তাকে আইনগতভাবে বিয়ে করেছিলেন বলে হিরসি অভিযোগ করতেন।
তার দাবি, এলমিকে নিয়ে ইলহান ও হিরসির মধ্যে প্রায়ই তর্ক-বিতর্ক হতো। এমনকি জনসম্মুখেও তাদের চিৎকার করে কথা বলতে দেখা গিয়েছিল। এলমি ২০১২ সালের দিকে মিনেসোটা ছেড়ে চলে গেলে হিরসি স্বস্তি পেয়েছিলেন বলেও দাবি করেন ওই ব্যক্তি।
১৯৯৫ সালে সোমালিয়া থেকে শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন ইলহান ওমর। তার প্রথম স্বামী হিরসির সঙ্গে ২০০২ সালে বিয়ের আবেদন করা হলেও, ইলহান পরে বলেছিলেন, আবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়নি এবং তাদের আইনগত বিয়েও হয়নি।
ইলহানের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে এবং প্রায় চার বছর পর তারা আবার একত্র হন। ২০১৮ সালে তারা আইনগতভাবে বিয়ে করেন।
অন্যদিকে, এলমির সঙ্গে ইলহানের আইনগত বিয়ে ছিল ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত। ইলহানের দাবি, এলমির সঙ্গে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে ২০১১ সালে, তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের প্রক্রিয়া শেষ করতে আরো কয়েক বছর লেগেছিল।
ইলহান ও হিরসি ২০১৪ ও ২০১৫ সালে যৌথভাবে করসংক্রান্ত নথি জমা দিয়েছিলেন, যখন ইলহানের সঙ্গে এলমির আইনগত বিয়ে বহাল ছিল। পরে ওই নথিগুলো সংশোধন করা হয়।
ইলহান ও হিরসি শেষ পর্যন্ত ২০১৯ সালে আলাদা হয়ে যান। বর্তমানে ইলহান তার সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা টিম মাইনেটকে বিয়ে করেছেন।
এলমি যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যাওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকায় কিছু সময় কাটান এবং পরে যুক্তরাজ্যে ফিরে যান। বর্তমানে তিনি ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত।
২০২৩ সাল থেকে সেখানে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের কাজ করছেন এবং গবেষণা সহকারী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তার গবেষণার আগ্রহের মধ্যে রয়েছে কুইয়ার গবেষণা, উপনিবেশমুক্তকরণ এবং লিঙ্গবিষয়ক গবেষণা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কার্লোস তেভেজ, যিনি সবুজ মাঠকে বিদায় জানানোর দীর্ঘ চার বছরের পর অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণের ঘোষণা দিয়েছেন। আর্জেন্টাইন ফুটবলের ‘আপাচে’ খ্যাত এই ফরোয়ার্ড, মাঠ মাতানো ক্যারিয়ারের ইতি টানতে যাচ্ছেন এক রাজকীয় আয়োজনের মাধ্যমে। আগামী ২০ ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক ‘লা বোম্বোনেরা’ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে তার বহুলপ্রতীক্ষিত বিদায়ী ম্যাচ, যার নামকরণ করা হয়েছে—‘গুডবাই আপাচে : ফ্রম বল বয় টু লিজেন্ড’।
বিদায়ী ম্যাচটিকে শুধুমাত্র একটি প্রদর্শনী ম্যাচে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না তেভেজ। তিনি চান এটি বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকাদের মিলনমেলায় পরিণত হোক। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক সতীর্থ রিও ফার্দিনান্দের সঙ্গে আলাপকালে তেভেজ নিশ্চিত করেছেন, তার এই বিশেষ দিনে মাঠে উপস্থিত থাকবেন বিশ্বজয়ী আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি এবং বোকা জুনিয়র্সের বর্তমান সভাপতি হুয়ান রোমান রিকেলমে।
এছাড়া, ফুটবল দুনিয়ার দুই বরপুত্র—লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে একই মাঠে নামানোর একটি রোমাঞ্চকর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তেভেজ। তিনি নিজেই রোনালদোকে এই ম্যাচে আমন্ত্রণ জানানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। যদি পর্তুগিজ তারকা এই আহ্বানে সাড়া দেন, তবে বুয়েনস আইরেসের সবুজ গালিচায় মেসি-রোনালদোকে একসঙ্গে দেখার একটি অবিশ্বাস্য ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হবে বিশ্ব।
মাঠের লড়াইয়ে তেভেজের পাশে ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার সোনালি প্রজন্মের সতীর্থদের দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য অতিথি তালিকায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, জুভেন্টাস ও আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সাবেক সতীর্থদের মধ্যে সার্জিও আগুয়েরো, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, পল স্কোলস, রায়ান গিগস, ওয়েইন রুনি এবং আন্দ্রেয়া পিরলোর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
২০০১ সালে বোকা জুনিয়র্সের জার্সিতে পেশাদার ফুটবল শুরু করা তেভেজ ক্লাবটির হয়ে ২৭৯ ম্যাচে ৯৪ গোল করেছেন। ২০০৩ সালের কোপা লিবার্তাদোরেস ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ জয়ে তার অবিস্মরণীয় অবদান ছিল। মাঠ ছাড়ার পর কোচিং পেশায় হাত পাকালেও (সর্বশেষ গত মে মাসে ত্যারেস দে কর্দোবার কোচের দায়িত্ব ছাড়েন) বর্তমানে তিনি প্যাডেল কোর্টের ব্যবসায় ব্যস্ত রয়েছেন।
তবে সব ব্যস্ততার মাঝে, আগামী ২০ ডিসেম্বর শেকড়ের টানে সেই চিরচেনা লা বোম্বোনেরার গ্যালারির সামনে শেষবারের মতো বুট জোড়া পায়ে নামবেন ‘আপাচে’। যে স্টেডিয়ামে বল বয় থেকে তিনি বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা হয়ে উঠেছিলেন, সেখানেই তিনি বর্ণিল এক ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চার বছরেরও বেশি সময় পর পাকিস্তান চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে হারানোর স্বাদ পেয়েছে। হংকং সিক্সেস টুর্নামেন্টের গ্রুপ ‘সি’-এর ম্যাচে ভারতকে ৪ উইকেটে পরাজিত করে পাকিস্তান দল অবশেষে ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে।
মং ককের মিশন রোড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং করে ভারত পাকিস্তানকে ৮৯ রানের লক্ষ্য দেয়। তবে পাকিস্তানের ব্যাটারদের তাণ্ডবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের খেসারত দিতে হয়।
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ভারত নির্ধারিত ওভারে ৮৯ রানের লক্ষ্য নির্ধারণ করে। তবে ভারতের ব্যাটিং ইনিংসের চেয়ে বেশি আলোচনা সৃষ্টি করেছে তাদের বোলিং ইনিংস, যা পাকিস্তানের জয়ের পথকে সহজ করে দেয়। বিশেষ করে ক্রুনাল পান্ডিয়ার একটি মাত্র ওভার পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ওই ওভার থেকেই পাকিস্তানের ব্যাটাররা ৩১ রান তুলে নেন। ক্রুনালের পর বোলিংয়ে আসা টি নটরাজনও ছিলেন খরুচে, তিনি নিজের ওভারে ২৮ রান দেন। ভারতের হয়ে শশাঙ্ক সিং ও রাহুল তেওয়াতিয়া একটি করে উইকেট শিকার করলেও তা পাকিস্তানের জয় থামানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।
৮৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের দুই ওপেনার খাজা নাফে ও অধিনায়ক আব্বাস আফ্রিদি শুরু থেকেই চার-ছক্কার বৃষ্টি নামাতে থাকেন। মাত্র ১৩ বলের মধ্যে এই জুটি স্কোরবোর্ডে ৫৯ রান জমা করে। ওপেনার খাজা নাফে মাত্র ১২ বলেই ৪১ রানের একটি দুর্দান্ত টর্নেডো ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে, অধিনায়ক আব্বাস আফ্রিদি মাত্র ৮ বলে ৩৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দেন। ফলে ১৩ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটের সহজ জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।
দিনের শুরুতে পাকিস্তানের জন্য পরিস্থিতি ভালো ছিল না; সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ১ উইকেটে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল তারা। তবে ভারতের বিপক্ষে এই বড় জয়ে পাকিস্তান টুর্নামেন্টে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের কাছে এই বড় ব্যবধানে হেরে যাওয়ার ফলে ভারতের নকআউট পর্বের পথ কঠিন হয়ে পড়েছে। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে ভারতকে এখন আরব আমিরাতের বিপক্ষে কেবল জয় পেলেই চলবে না, রান রেটের দিকেও নজর রাখতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে প্রদত্ত বক্তব্যকে চরম অবমাননাকর এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন হিসেবে উল্লেখ করে সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি, বাকশাল নেতা এবং বর্তমান বিএনপির সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। একই সাথে তিনি দাবি করেছেন যে, অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।
শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে ডাকসু ভিপি এই প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে সাদিক কায়েম উল্লেখ করেন, ‘দেশের অন্যতম প্রধান উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘অমানুষদের জায়গা’ হিসেবে আখ্যায়িত করা চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন, বিদ্বেষপূর্ণ ও নিন্দনীয়। ফজলুর রহমান বাহ্যিকভাবে বাকশাল ত্যাগ করলেও বাকশালি ফ্যাসিবাদী আদর্শ ও ঘৃণার চর্চা থেকে আজও বের হতে পারেননি।’
তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতার কারণে দেশের সর্বোচ্চ এই বিদ্যাপীঠের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সামগ্রিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। এই ধরনের উগ্র ও জঙ্গিবাদী মানসিকতার দায়ভার ফজলুর রহমানকে সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন প্রদানকারী দল হিসেবে বিএনপিও কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।
বিবৃতির শেষাংশে ডাকসু ভিপি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানকে অবিলম্বে তার এই চরম অবমাননাকর বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ সামরিক অভিযান শুরু করেছে। দেশের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, ‘ডন অব ইয়েমেন’ (Dawn of Yemen) নামক অভিযানের অংশ হিসেবে গত কয়েক ঘণ্টায় হুথিদের শক্ত অবস্থান ও সামরিক মজুতের ওপর ১,০৮৭টি বিমান হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।
সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মজিদ আল-নুজাইলি এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, তায়েজ ফ্রন্টে হুথিদের বিভিন্ন অবস্থান এবং তাদের নতুন করে পাঠানো রসদ ও reinforcements লক্ষ্য করে এই শক্তিশালী পাল্টা আক্রমণ চালানো হয়েছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তায়েজ অঞ্চলে এই তীব্র লড়াই সংঘাতকে আরও ঘনীভূত করেছে।
অন্যদিকে, ইয়েমেনের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এই বড় ধরনের সংঘাতের প্রভাব পড়েছে প্রতিবেশী দেশ সউদী আরবেও। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সউদীর সিভিল ডিফেন্স দেশটির জাজান প্রদেশে একটি সতর্কবার্তা জারি করেছিল। তবে পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় এবং বিপদের আশঙ্কা কেটে যাওয়ায় জাজান প্রদেশ থেকে সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সউদীর খামিস মুশাইত গভর্নরেটেও পূর্বে জারিকৃত প্রারম্ভিক সতর্কবার্তা বা অ্যালার্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে এই সতর্কতা জারির সুনির্দিষ্ট কারণ বা বিস্তারিত বিষয়ে সউদী কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ সামরিক অভিযান এবং সীমান্ত অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। সূত্র: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ