শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৩৩ পি.এম
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চার বছরেরও বেশি সময় পর পাকিস্তান চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে হারানোর স্বাদ পেয়েছে। হংকং সিক্সেস টুর্নামেন্টের গ্রুপ ‘সি’-এর ম্যাচে ভারতকে ৪ উইকেটে পরাজিত করে পাকিস্তান দল অবশেষে ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে।
মং ককের মিশন রোড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং করে ভারত পাকিস্তানকে ৮৯ রানের লক্ষ্য দেয়। তবে পাকিস্তানের ব্যাটারদের তাণ্ডবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের খেসারত দিতে হয়।
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ভারত নির্ধারিত ওভারে ৮৯ রানের লক্ষ্য নির্ধারণ করে। তবে ভারতের ব্যাটিং ইনিংসের চেয়ে বেশি আলোচনা সৃষ্টি করেছে তাদের বোলিং ইনিংস, যা পাকিস্তানের জয়ের পথকে সহজ করে দেয়। বিশেষ করে ক্রুনাল পান্ডিয়ার একটি মাত্র ওভার পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ওই ওভার থেকেই পাকিস্তানের ব্যাটাররা ৩১ রান তুলে নেন। ক্রুনালের পর বোলিংয়ে আসা টি নটরাজনও ছিলেন খরুচে, তিনি নিজের ওভারে ২৮ রান দেন। ভারতের হয়ে শশাঙ্ক সিং ও রাহুল তেওয়াতিয়া একটি করে উইকেট শিকার করলেও তা পাকিস্তানের জয় থামানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।
৮৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের দুই ওপেনার খাজা নাফে ও অধিনায়ক আব্বাস আফ্রিদি শুরু থেকেই চার-ছক্কার বৃষ্টি নামাতে থাকেন। মাত্র ১৩ বলের মধ্যে এই জুটি স্কোরবোর্ডে ৫৯ রান জমা করে। ওপেনার খাজা নাফে মাত্র ১২ বলেই ৪১ রানের একটি দুর্দান্ত টর্নেডো ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে, অধিনায়ক আব্বাস আফ্রিদি মাত্র ৮ বলে ৩৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দেন। ফলে ১৩ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটের সহজ জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।
দিনের শুরুতে পাকিস্তানের জন্য পরিস্থিতি ভালো ছিল না; সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ১ উইকেটে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল তারা। তবে ভারতের বিপক্ষে এই বড় জয়ে পাকিস্তান টুর্নামেন্টে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের কাছে এই বড় ব্যবধানে হেরে যাওয়ার ফলে ভারতের নকআউট পর্বের পথ কঠিন হয়ে পড়েছে। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে ভারতকে এখন আরব আমিরাতের বিপক্ষে কেবল জয় পেলেই চলবে না, রান রেটের দিকেও নজর রাখতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে প্রদত্ত বক্তব্যকে চরম অবমাননাকর এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন হিসেবে উল্লেখ করে সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি, বাকশাল নেতা এবং বর্তমান বিএনপির সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। একই সাথে তিনি দাবি করেছেন যে, অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।
শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে ডাকসু ভিপি এই প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে সাদিক কায়েম উল্লেখ করেন, ‘দেশের অন্যতম প্রধান উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘অমানুষদের জায়গা’ হিসেবে আখ্যায়িত করা চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন, বিদ্বেষপূর্ণ ও নিন্দনীয়। ফজলুর রহমান বাহ্যিকভাবে বাকশাল ত্যাগ করলেও বাকশালি ফ্যাসিবাদী আদর্শ ও ঘৃণার চর্চা থেকে আজও বের হতে পারেননি।’
তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতার কারণে দেশের সর্বোচ্চ এই বিদ্যাপীঠের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সামগ্রিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। এই ধরনের উগ্র ও জঙ্গিবাদী মানসিকতার দায়ভার ফজলুর রহমানকে সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন প্রদানকারী দল হিসেবে বিএনপিও কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।
বিবৃতির শেষাংশে ডাকসু ভিপি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানকে অবিলম্বে তার এই চরম অবমাননাকর বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ সামরিক অভিযান শুরু করেছে। দেশের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, ‘ডন অব ইয়েমেন’ (Dawn of Yemen) নামক অভিযানের অংশ হিসেবে গত কয়েক ঘণ্টায় হুথিদের শক্ত অবস্থান ও সামরিক মজুতের ওপর ১,০৮৭টি বিমান হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।
সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মজিদ আল-নুজাইলি এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, তায়েজ ফ্রন্টে হুথিদের বিভিন্ন অবস্থান এবং তাদের নতুন করে পাঠানো রসদ ও reinforcements লক্ষ্য করে এই শক্তিশালী পাল্টা আক্রমণ চালানো হয়েছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তায়েজ অঞ্চলে এই তীব্র লড়াই সংঘাতকে আরও ঘনীভূত করেছে।
অন্যদিকে, ইয়েমেনের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এই বড় ধরনের সংঘাতের প্রভাব পড়েছে প্রতিবেশী দেশ সউদী আরবেও। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সউদীর সিভিল ডিফেন্স দেশটির জাজান প্রদেশে একটি সতর্কবার্তা জারি করেছিল। তবে পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় এবং বিপদের আশঙ্কা কেটে যাওয়ায় জাজান প্রদেশ থেকে সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সউদীর খামিস মুশাইত গভর্নরেটেও পূর্বে জারিকৃত প্রারম্ভিক সতর্কবার্তা বা অ্যালার্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে এই সতর্কতা জারির সুনির্দিষ্ট কারণ বা বিস্তারিত বিষয়ে সউদী কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ সামরিক অভিযান এবং সীমান্ত অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। সূত্র: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে যদি একটি ভোটও কারচুপি হয়, তাহলে সেটি মেনে নেওয়া হবে না বলে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন নৌ ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান।
তিনি উল্লেখ করেছেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের নেতৃত্ব দিতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম, কারচুপি বা প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মাল্টিমিডিয়া অডিটোরিয়াম কমপ্লেক্সে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত সাংগঠনিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নবিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
রাজীব আহসান আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং সদস্য (মেম্বার) প্রার্থী নির্বাচন করতে হবে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের। প্রার্থী নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা আবশ্যক।
তিনি যোগ করেন, স্থানীয় নেতারা প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের ব্যক্তিদের নিজেদের স্বার্থ হাসিলের সুযোগ সৃষ্টি হয়। তাই তৃণমূলের মতামত ও জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করা উচিত।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন দীপেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শিহাব আহমেদ সেলিম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ রিয়ার শাহীন লিটন এবং সদস্যসচিব দিনু মিয়া।
এছাড়া বরিশাল উত্তর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নাঈম ইসলাম তুহিন ও সদস্যসচিব পারভেজ খন্দকার, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম মামুন এবং সদস্যসচিব আমজাদ পোদ্দারসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ জজ কোর্টের সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) অ্যাডভোকেট আজাহারুল হক (৬০) আর আমাদের মাঝে নেই। আজ ভোরে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
অ্যাডভোকেট আজাহারুল হকের মৃত্যুতে আইনজীবী মহলসহ পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমের জানাজার নামাজ আজ বাদ আসর তাঁর নিজ বাড়ি ময়মনসিংহের জয়ধরখালীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন। আমিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ