বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:১১ পি.এম
রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে আগামীতে শুধুমাত্র সিটি বাসের টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা আছে। অন্যদিকে, আন্তঃজেলা বাসগুলোকে ধাপে ধাপে কাঁচপুরে স্থানান্তর করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে, যা জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম।
বৃহস্পতিবার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পরিদর্শনের পর এবং উচ্ছেদ অভিযানের শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন। এছাড়া গুলিস্তানের বাস টার্মিনালও নদীর অপর পারে স্থানান্তরের পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, সায়েদাবাদ টার্মিনাল একটি আধুনিক বাস টার্মিনাল হলেও, এটি দীর্ঘ সময় ধরে নির্ধারিত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়নি। যাত্রীদের ওঠানামার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করার পরিবর্তে এটি হয়ে গিয়েছে বাসের গ্যারেজ এবং ডাম্পিং স্টেশন। অথচ প্রকৃত পক্ষে একটি টার্মিনালের মূল উদ্দেশ্য হলো দূরপাল্লার যাত্রীদের ওঠানামার সুবিধা নিশ্চিত করা।
তিনি জানান, টার্মিনালকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খলাপূর্ণ করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করা হয়েছে। আপাতত, প্রতিটি পরিবহন কোম্পানি সর্বোচ্চ একটি বা দুটি বাস টার্মিনালের ভেতরে অপেক্ষমাণ রাখতে পারবে, এবং এর উপরে আর কোনো বাস রাখা যাবে না। যান চলাচল আরও সুশৃঙ্খল করার জন্য টার্মিনালে তিনটি প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ চালু করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের অনুরোধে চলতি মাসের ১৫ জুলাই পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর নির্ধারিত টার্মিনাল ছাড়া অন্য কোথাও বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করতে দেওয়া হবে না।
আবদুস সালাম আরও বলেন, রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ছাড়া পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য পরিবহন মালিক এবং শ্রমিকদের সঙ্গে একাধিক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং তারা সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, টার্মিনালের বিভিন্ন সুবিধা উন্নত করা হচ্ছে, প্রয়োজনে আরও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসের জন্য ভারzan স্থান নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
টার্মিনালের অভ্যন্তরে অবৈধ দোকানপাট সরানো হবে উল্লেখ করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আগে সমস্ত দোকান সরিয়ে নিতে হবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে নিয়মের মধ্যে হকার বা ভেন্ডরদের জন্য নির্ধারিত স্থান বরাদ্দ দেয়া হবে।
তিনি জানান, আগ পর্যন্ত অভিযানে কাউকে জরিমানা করা হয়নি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টার্মিনাল পুরোপুরি শৃঙ্খলার আওতায় না এলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
আবদুস সালাম বলেন, এবার আর অবৈধ কার্যক্রম চালানোর সুযোগ দেয়া হবে না। সায়েদাবাদ টার্মিনালকে পুরোপুরি শৃঙ্খলার আওতায় আনা হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, যদি সায়েদাবাদকে শুধুমাত্র সিটি বাসের টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়, আন্তঃজেলা বাস কাঁচপুরে স্থানান্তর এবং গুলিস্তানের বাস টার্মিনাল নদীর ওপারে সরানো হয়, তবে রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের একাধিক উপজেলা প্লাবিত হয়ে অন্তত সাড়ে চার লাখ লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা এই বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি ইতিমধ্যে বাতিল করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালীর বহু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে সাতকানিয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সাতকানিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রত্যেকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। ডলু নদীর বাঁধ ভেঙে পৌরসভা ও রামপুর এলাকায় পানি প্রবেশ করানোর কারণে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে সাতকানিয়ায় অন্তত তিন লাখ লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উপজেলায় ৮৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও মোবাইল নেটওয়ার্কের বিভ্রাটের কারণে বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। ঝড়ের কারণে গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সাঙ্গু নদী, ডলু ও হাঙ্গর খালের মাধ্যমে পাহাড়ি ঢল নেমে আসায় বন্যা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটেছে। সাঙ্গু নদীর বেশি পানি থাকার কারণে ভাটি এলাকায় পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আজ বিকেল পর্যন্ত সাঙ্গু নদীর দোহাজারী অংশে পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছিল। জেলা প্রশাসক জানান, সাতকানিয়ায় উদ্ধার কাজের গতি বৃদ্ধির জন্য ১০টি স্পিডবোট চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আপাতত নৌকার মাধ্যমে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বাঁশখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আঁকন জানান, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের মধ্যে পুঁইছড়ি, নাপোড়া, ছনুয়া, সরল, শেখের খীল, বৈলছড়ী ও কাথারিয়া ইউনিয়নের অবস্থা সবচেয়ে বেশি খারাপ। সব মিলিয়ে এই উপজেলায় অন্তত ৩৮ হাজার লোক পানিবন্দি রয়েছেন।
চন্দনাইশ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহমান জানান, হাশিমপুর ও জোয়ারা ছাড়া উপজেলার সবকিছু ইউনিয়ন কমবেশি দুর্গত হয়েছে। এতে প্রায় ১৪ হাজার লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
লোহাগাড়ার ইউএনও বায়েজিদ বিন আখন্দ জানান, উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের মধ্যে সাঙ্গু ও ডলু নদী সংলগ্ন আমিরাবাদ, আধুনগর, পদুয়া ও লোহাগাড়া ইউনিয়নে পানি বেড়েছে। এর মধ্যে আমিরাবাদ ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চট্টগ্রামে শনিবার (৫ জুলাই) থেকে টানা পাঁচ দিন ধরে বৃষ্টি চলছিল, তবে আজ বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমেছে। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস সন্ধ্যা পর্যন্ত ২২৩ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে।
জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে ২০০ মেট্রিক টন চাল এবং ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ২০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। বানভাসি জনগণ যাতে খাদ্য সংকটে না পড়ে, সেই কারণে এসব বরাদ্দ ইউএনওদের চাহিদার ভিত্তিতে দ্রুত বিতরণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিছুদিন আগে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রন সিরিয়া সফর করেছেন।
ফ্রান্স উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল পরিবহনের জন্য নতুন পথের কথা ভাবছে। তারা হরমুজ প্রণালির পরিবর্তে সিরিয়াকে একটি বিকল্প পথ হিসেবে দেখছে।
সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলা ফের শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে ফ্রান্সের পররাষ্ট্ৰ্যমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো ফরাসি টিভি নেটওয়ার্ক ‘টিএফওয়ান’-কে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সেখানে তিনি তেলের জন্য একাধিক বিকল্প পথের প্রয়োজনীয়তার কথা বিশেষভাবে তুলে ধরেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, এই সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা নানা রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এর মধ্যে একটি প্রধান কাজ হলো বিকল্প পথ প্রস্তুত রাখা। যাতে কোনো একটি জায়গায় পথ বন্ধ হয়ে গেলে আমরা এর ওপর নির্ভর করে বসে থাকতে না হয়।
কয়েকদিন আগে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রন সিরিয়া সফর করেছেন। সেখানে তিনি সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমাদ আল-শারা'র সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরো বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্যাসিস্ট আমলের রাজনীতি আর হবে না বলছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব।
তিনি বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর এ মন্তব্য করেন।
হাবিব বলেন, দীর্ঘদিন পর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির পক্ষ থেকে আমাদের সবসময় চেষ্টা থাকবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলির সমাধান করা। আমাদের দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও সংগ্রাম রয়েছে। ফ্যাসিস্ট আমলে আমাদের ওপর যে অত্যাচার ও নির্যাতন হয়েছে, সেই সময়েও আমরা আন্দোলন ও সংগ্রামে ছিলাম। আগামী দিনে যে-ই ফ্যাসিস্ট হওয়ার চেষ্টা করবে, তাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করব।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। আমরা সেই শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় করা এবং তাদের চিন্তাধারাকে কেন্দ্র করে রাজনীতি করবো। বিগত সময়ে যে রাজনীতি হয়েছিল, ফ্যাসিস্ট আমলের সেই রাজনীতি আর হবে না। ভাই-ভাই রাজনীতি হবে না, হল দখলের রাজনীতি হবে না, কোনো ধরনের অপসংস্কৃতির রাজনীতি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আর হবে না। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে আমরা কাজ করবো।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৬৮ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে চারুকলা বিভাগের ২০১৬–১৭ শিক্ষাবর্ষের হাবিবুর রহমান হাবিব ও সদস্য সচিব হিসেবে ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ২০১৫–১৬ শিক্ষাবর্ষের মারুফ হাসান (মামুন সরকার) দায়িত্ব পেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের নলুয়াবাগী এলাকার বজ্রপাতে মারা যাওয়া চারটি গরুর মালিক, দুই কৃষকের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ২০২৬) উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে এ সহায়তার অর্থ তুলে দেন।
এটির পূর্বে, গত ৭ জুলাই দুপুরে চলমান বৃষ্টির মধ্যে আকস্মিক বজ্রপাতে নলুয়াবাগী এলাকার মাঠে চরতে থাকা চারটি গরুর মৃত্যু ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বজ্রপাতে কৃষক মো. নিজাম প্যাদার তিনটি এবং কৃষক মো. রুহুল আমিনের একটি গরু মারা গেছে। ফলে দুই কৃষকের উল্লেখযোগ্য আকারে আর্থিক ক্ষতি সৃষ্টির ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্তের ক্ষতি লাঘবে, উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গরুপ্রতি ১০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয় আর্থিক সহায়তা। এর মধ্যে কৃষক মো. নিজাম প্যাদা তিনটি গরুর জন্য মোট ৩০ হাজার টাকা এবং কৃষক মো. রুহুল আমিন একটি গরুর জন্য ১০ হাজার টাকা অনুদান গ্রহণ করেন।
সহায়তা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুল নবী, গজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিব বিশ্বাস এবং গলাচিপা উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক কৃষকদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার সব সময় রয়েছে। ভবিষ্যতেও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
গলাচিপার সর্বস্তরের জনগণ ইউএনও ইজাজুল হকের এ কাজের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ